Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

সাতগাছিয়ার পঞ্চায়েত প্রধান নিখোঁজ দুর্নীতির অভিযোগে পোস্টারে ছয়লাপ এলাকা

কালনা থানার অন্তর্গত সাতগাছিয়া পঞ্চায়েতের প্রধান হরে কৃষ্ণ মন্ডলের বিরুদ্ধে দুর্নীতি গঙ্গার মাটি পাচার  ত্রাণের ত্রিপল চুরি সহ একাধিক অভিযোগ তুলে রাতের অন্ধকারে পোস্টার পড়ল এলাকাজুড়ে যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।

পূর্ব বর্ধমানের কালনা থানার অন্তর্গত সাতগাছিয়া পঞ্চায়েত এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়াল একাধিক ‘নিখোঁজ’ পোস্টারকে কেন্দ্র করে। পঞ্চায়েত প্রধান হরে কৃষ্ণ মন্ডলের ছবি-সহ পোস্টার পড়েছে এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায়। পোস্টারে দাবি করা হয়েছে, নিজের দুর্নীতির কারণে দীর্ঘদিন পঞ্চায়েত অফিসে আসছেন না তিনি। রাতের অন্ধকারে কে বা কারা এই পোস্টার লাগিয়ে দিয়ে গিয়েছে, তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

পোস্টারের নিচে লেখা রয়েছে, “নিখোঁজ ব্যক্তির খোঁজ পেলে প্রশাসনকে খবর দিন।” পাশাপাশি ওই পোস্টারে একাধিক গুরুতর অভিযোগও তোলা হয়েছে পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে। অভিযোগের তালিকায় রয়েছে সাধারণ মানুষের জমি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দখল, গঙ্গার মাটি পাচার, ত্রাণের ত্রিপল চুরি, পঞ্চায়েত অফিসের কলের পাইপ চুরি এবং হিন্দু মহিলাদের হুমকি দেওয়ার মতো বিস্ফোরক অভিযোগ।

এদিন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ অভিযোগ করেন, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই পঞ্চায়েতে এসে সঠিক পরিষেবা পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। তাদের দাবি, পঞ্চায়েত প্রধান দীর্ঘদিন ধরে অফিসে অনুপস্থিত থাকায় প্রশাসনিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

অন্যদিকে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এলাকার বিধায়ক সিদ্ধার্থ মজুমদার আগেই তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের সঙ্গে সহযোগিতা করে উন্নয়নের কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছিলেন। বিজেপি নেতা সঞ্জীব দাস বলেন, “আমরা সবসময় চাই মানুষ পরিষেবা পাক। তবে কে বা কারা পোস্টার মেরেছে, সে বিষয়ে আমাদের কিছু জানা নেই।” 

Long Description

পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা থানার অন্তর্গত সাতগাছিয়া পঞ্চায়েত এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে উঠেছে পঞ্চায়েত প্রধান হরে কৃষ্ণ মন্ডলকে ঘিরে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এলাকাজুড়ে দেখা যায় একাধিক পোস্টার, যেখানে পঞ্চায়েত প্রধানকে “নিখোঁজ” বলে দাবি করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, পোস্টারে তার ছবি ব্যবহার করে একাধিক গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগও তোলা হয়েছে। রাতের অন্ধকারে কে বা কারা এই পোস্টার লাগিয়ে যায়, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চাপানউতোর।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সাতগাছিয়া পঞ্চায়েত এলাকার বিভিন্ন মোড়, বাজার, পঞ্চায়েত সংলগ্ন এলাকা এবং জনবহুল জায়গায় ওই পোস্টার দেখা যায়। পোস্টারে লেখা রয়েছে, “নিখোঁজ ব্যক্তির খোঁজ পেলে প্রশাসনকে খবর দিন।” একইসঙ্গে পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের জমি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দখল করা, গঙ্গার মাটি পাচার, ত্রাণের ত্রিপল চুরি, পঞ্চায়েত অফিসের কলের পাইপ সরিয়ে নেওয়া সহ একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ করা হয়েছে। এমনকি পোস্টারে হিন্দু মহিলাদের হুমকি দেওয়ার মতো অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে, যা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এদিন এলাকার সাধারণ মানুষের একাংশ ক্ষোভ উগরে দেন পঞ্চায়েতের পরিষেবা নিয়ে। বহু বাসিন্দার অভিযোগ, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই পঞ্চায়েত প্রধানকে এলাকায় সেভাবে দেখা যাচ্ছে না। ফলে সাধারণ মানুষ ঠিকমতো সরকারি পরিষেবা পাচ্ছেন না। কেউ কেউ দাবি করেন, নানা দরকারি কাজ নিয়ে পঞ্চায়েতে গেলেও অনেক সময় সঠিকভাবে কাজ হচ্ছে না। প্রশাসনিক স্তরে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের দাবি, এলাকার বিধায়ক সিদ্ধার্থ মজুমদার আগেই বলেছিলেন যে, রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে পঞ্চায়েতের উন্নয়নের কাজ যাতে বন্ধ না হয়, সে বিষয়ে সহযোগিতা করা হবে। বিজেপি নেতা সঞ্জীব দাস জানান, “আমরা চাই সাধারণ মানুষ পরিষেবা পাক। পঞ্চায়েতের কাজ স্বাভাবিকভাবে চলুক। তবে কে বা কারা এই পোস্টার লাগিয়েছে, সে বিষয়ে আমাদের কোনও ধারণা নেই। বিজেপির পক্ষ থেকে এই ঘটনার সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই।”

অন্যদিকে পোস্টার ঘিরে ওঠা সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন সাতগাছিয়া পঞ্চায়েতের প্রধান হরে কৃষ্ণ মন্ডল। বৃহস্পতিবার দুপুর তিনটে নাগাদ ফোনে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “চার তারিখের পর আমার বাড়িতে ভাঙচুর হয়েছে। বিদ্যুতের মিটার থেকে শুরু করে জলের পাইপ পর্যন্ত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আমি এবং আমার পরিবার আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। একইসঙ্গে আমি শারীরিকভাবেও অসুস্থ। সেই কারণেই বর্তমানে বাইরে আছি।”

তিনি আরও দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেগুলি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তার কথায়, “আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতির যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। পঞ্চায়েতের সমস্ত নথিপত্র এবং সরকারি ডকুমেন্টস সঠিকভাবে সংরক্ষিত রয়েছে। প্রশাসন যদি তদন্ত করে, তাহলে প্রকৃত সত্য সামনে চলে আসবে।”

হরে কৃষ্ণ মন্ডলের এই বক্তব্য সামনে আসার পর নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে এলাকায়। একাংশের দাবি, পঞ্চায়েতকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই এই পোস্টার লাগানো হতে পারে। আবার বিরোধী শিবিরের দাবি, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ উঠছিল, তারই বহিঃপ্রকাশ এই পোস্টার।

ঘটনার পর থেকে সাতগাছিয়া এলাকায় রাজনৈতিক পরিবেশ ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সাধারণ মানুষের মধ্যেও তৈরি হয়েছে কৌতূহল ও আতঙ্ক। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে কে বা কারা এই পোস্টার লাগিয়েছে এবং এর পিছনে আদৌ কোনও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্তের দাবি উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহল থেকে। 

news image
আরও খবর

Long Description

পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা থানার অন্তর্গত সাতগাছিয়া পঞ্চায়েত এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে পঞ্চায়েত প্রধান হরে কৃষ্ণ মন্ডলকে ঘিরে পড়া ‘নিখোঁজ’ পোস্টারকে কেন্দ্র করে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় দেখা যায় একাধিক পোস্টার, যেখানে পঞ্চায়েত প্রধানের ছবি ব্যবহার করে তাকে “নিখোঁজ” বলে দাবি করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, পোস্টারে তার বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগও প্রকাশ্যে আনা হয়েছে, যা ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সাতগাছিয়া পঞ্চায়েত এলাকার বাজার, রাস্তার মোড়, পঞ্চায়েত অফিস সংলগ্ন এলাকা সহ বিভিন্ন জায়গায় রাতের অন্ধকারে পোস্টারগুলি লাগানো হয়। পোস্টারে লেখা রয়েছে, “নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধান পেলে প্রশাসনকে খবর দিন।” পাশাপাশি পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের জমি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দখল করা, গঙ্গার মাটি পাচার, ত্রাণের ত্রিপল চুরি, পঞ্চায়েত অফিসের কলের পাইপ সরিয়ে নেওয়া সহ একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ করা হয়েছে। এমনকি পোস্টারে মহিলাদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে, যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।

ঘটনার পর থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। এলাকার একাংশের বাসিন্দাদের দাবি, নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই পঞ্চায়েত প্রধানকে নিয়মিত পঞ্চায়েতে দেখা যাচ্ছে না। ফলে বহু সরকারি পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। কেউ কেউ জানান, বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজ নিয়ে পঞ্চায়েতে গেলেও সময়মতো পরিষেবা পাওয়া যাচ্ছে না। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তীব্র হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, তারা সবসময়ই চেয়েছেন পঞ্চায়েতের পরিষেবা স্বাভাবিকভাবে চলুক। বিজেপি নেতা সঞ্জীব দাস জানান, “মানুষের কাজ হওয়াটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তবে কে বা কারা এই পোস্টার লাগিয়েছে, সে বিষয়ে আমাদের কোনও ধারণা নেই।”

অন্যদিকে সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন সাতগাছিয়া পঞ্চায়েতের প্রধান হরে কৃষ্ণ মন্ডল। ফোনে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, “চার তারিখের পর আমার বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। বিদ্যুতের মিটার থেকে শুরু করে জলের পাইপ পর্যন্ত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আমি আতঙ্কগ্রস্ত এবং শারীরিকভাবেও অসুস্থ। সেই কারণেই বর্তমানে বাইরে রয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, সবই মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। পঞ্চায়েতের সমস্ত সরকারি নথি এবং হিসাবপত্র সঠিকভাবে রয়েছে। প্রশাসন তদন্ত করলেই সমস্ত সত্য সামনে চলে আসবে।”

হরে কৃষ্ণ মন্ডলের এই বক্তব্য সামনে আসার পর নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে এলাকায়। একাংশের মতে, এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ফল। আবার বিরোধী শিবিরের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় দুর্নীতির অভিযোগ উঠছিল, এই পোস্টার সেই ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পঞ্চায়েত নির্বাচন পরবর্তী সময়ে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক সংঘর্ষ, পোস্টার যুদ্ধ এবং দুর্নীতির অভিযোগ নতুন কোনও ঘটনা নয়। তবে কোনও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে “নিখোঁজ” বলে পোস্টার সাঁটিয়ে সরাসরি জনতার সামনে প্রশ্ন তোলা নিঃসন্দেহে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল ঘটনা। এই ধরনের পোস্টার সাধারণ মানুষের মধ্যে যেমন কৌতূহল তৈরি করে, তেমনই প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলে।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, গ্রামাঞ্চলের পঞ্চায়েত রাজনীতিতে বর্তমানে রাজনৈতিক বিভাজন অনেকটাই তীব্র আকার নিয়েছে। নির্বাচনের পর বিভিন্ন এলাকায় শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে সংঘাত, অভিযোগ এবং পাল্টা অভিযোগের ঘটনা বেড়েছে। তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে সাতগাছিয়া এলাকাতেও। এই পোস্টার কাণ্ড শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক প্রতিবাদ নয়, বরং এর মাধ্যমে জনমানসে একটি বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে বলেও মনে করছেন অনেকে।

তবে এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এলাকাবাসীর দাবি, রাজনৈতিক সংঘাতের বদলে সাধারণ মানুষের পরিষেবা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত। পঞ্চায়েত অফিসে নিয়মিত পরিষেবা চালু রাখা, সাধারণ মানুষের সমস্যা দ্রুত সমাধান করা এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বর্তমানে সাতগাছিয়া এলাকায় রাজনৈতিক পরিবেশ যথেষ্ট উত্তপ্ত। সাধারণ মানুষের মধ্যেও রয়েছে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা। কে বা কারা এই পোস্টার লাগিয়েছে, এর পিছনে কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, অথবা এটি শুধুমাত্র ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ— তা নিয়ে জোর চর্চা চলছে বিভিন্ন মহলে।

এখন সকলের নজর প্রশাসনের পদক্ষেপের দিকে। তদন্তের মাধ্যমে এই পোস্টার কাণ্ডের প্রকৃত রহস্য সামনে আসে কি না, সেই দিকেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা এলাকা। একইসঙ্গে এলাকাবাসীর একটাই দাবি— রাজনৈতিক সংঘর্ষ নয়, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ এবং স্বাভাবিক প্রশাসনিক পরিষেবা দ্রুত ফিরিয়ে আনুক প্রশাসন।

Preview image