Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

ডাবল আইটি ও ব্যাঙ্কিং শেয়ারের জোরে ঊর্ধ্বমুখী সেনসেক্স নিফটি

ডাবল আইটি, ব্যাঙ্কিং ও মেটাল স্টকের শক্তিশালী উত্থানের জেরে বাজারে চাঙ্গাভাব ফিরে আসে, পজিটিভ ক্লোজিংয়ে শেষ করে সেনসেক্স ও নিফটি৫০।

ডাবল আইটি, ব্যাঙ্কিং ও মেটাল স্টকের দুরন্ত পারফরম্যান্সে সপ্তাহের শেষ লেনদেনে ভারতীয় শেয়ারবাজারে স্পষ্টভাবে ইতিবাচক আবহ ফিরে আসে। টানা কয়েক দিন অস্থিরতার পর বিনিয়োগকারীদের আস্থা নতুন করে ফিরতে শুরু করে এবং তারই প্রতিফলন দেখা যায় সেনসেক্স ও নিফটি৫০ এর শক্তিশালী ক্লোজিংয়ে। বাজার খোলার সময় থেকেই সবুজ সংকেত নিয়ে শুরু হয় লেনদেন এবং দিনভর সেই গতি অনেকটাই বজায় থাকে। বিশেষ করে আইটি, ব্যাঙ্কিং ও মেটাল সেক্টরের শেয়ারগুলিতে ব্যাপক কেনাকাটা বাজারকে উপরের দিকে ঠেলে দেয়।

সকালের লেনদেনে দেখা যায়, বৈশ্বিক বাজার থেকে পাওয়া ইতিবাচক ইঙ্গিত ভারতীয় বাজারে প্রভাব ফেলেছে। এশিয়ার একাধিক বাজারে সবুজ সূচক এবং মার্কিন বাজারে আগের দিনের স্থিতিশীল পারফরম্যান্স বিনিয়োগকারীদের মনে সাহস জুগিয়েছে। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ডলার সূচকের কিছুটা দুর্বলতা এবং অপরিশোধিত তেলের দামে স্থিতাবস্থা। এই সবকটি বিষয় মিলিয়ে বাজারের সামগ্রিক মনোভাব ছিল ইতিবাচক। ফলস্বরূপ, বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই সেনসেক্স ও নিফটি৫০ ঊর্ধ্বমুখী হয়।

আইটি সেক্টর এদিন বাজারের অন্যতম চালিকাশক্তি হয়ে ওঠে। দীর্ঘদিন ধরে বৈশ্বিক মন্দার আশঙ্কা এবং মার্কিন ও ইউরোপীয় বাজারে প্রযুক্তি খাতে চাহিদা কমার আশঙ্কা আইটি শেয়ারগুলির উপর চাপ সৃষ্টি করেছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন অর্থনীতি স্থিতিশীল থাকার ইঙ্গিত, সুদের হার বৃদ্ধির গতি কমতে পারে এমন প্রত্যাশা এবং বড় ক্লায়েন্টদের তরফে নতুন অর্ডারের সম্ভাবনা আইটি শেয়ারগুলিতে নতুন করে আগ্রহ তৈরি করেছে। বড় আইটি সংস্থাগুলির শেয়ারে এদিন জোরালো কেনাকাটা দেখা যায়, যার প্রভাব পড়ে গোটা সূচকের উপর।

আইটি সেক্টরের পাশাপাশি ব্যাঙ্কিং শেয়ারগুলিও বাজারকে শক্ত ভিত দেয়। ব্যাঙ্ক নিফটি এদিন উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পায়। সরকারি ও বেসরকারি দুই ধরনের ব্যাঙ্কের শেয়ারেই কেনাকাটা লক্ষ্য করা যায়। সাম্প্রতিক সময়ে ঋণ বৃদ্ধির হার স্থিতিশীল থাকা, সম্পদের গুণগত মান উন্নত হওয়া এবং অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকার কারণে ব্যাঙ্কিং সেক্টর নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বেড়েছে। পাশাপাশি, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ভবিষ্যৎ নীতিগত অবস্থান নিয়ে ইতিবাচক প্রত্যাশাও ব্যাঙ্কিং শেয়ারগুলিকে সমর্থন দিয়েছে।

মেটাল সেক্টর এদিন আর এক বড় চমক দেয়। আন্তর্জাতিক বাজারে ধাতুর দামে স্থিতিশীলতা এবং চিনের অর্থনীতিতে ধীরে ধীরে চাহিদা বাড়ার ইঙ্গিত মেটাল শেয়ারগুলির জন্য ইতিবাচক খবর হয়ে ওঠে। স্টিল, অ্যালুমিনিয়াম ও অন্যান্য ধাতু উৎপাদনকারী সংস্থাগুলির শেয়ারে ভালো কেনাকাটা দেখা যায়। পরিকাঠামো ও নির্মাণ খাতে চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনাও মেটাল স্টকগুলিকে উপরের দিকে তুলেছে। ফলে, এই সেক্টর বাজারের সামগ্রিক র‍্যালিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

দিনের মধ্যভাগে কিছুটা মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখা গেলেও বাজারে বড় ধরনের পতন হয়নি। বরং প্রতিটি ছোটখাটো সংশোধনের সময়েই নতুন করে কেনাকাটা হয়েছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে বাজারে বিনিয়োগকারীদের মনোভাব বর্তমানে  ডিপে কেনা র দিকে ঝুঁকছে। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীরা এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ভালো মানের শেয়ার সংগ্রহে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

মিডক্যাপ ও স্মলক্যাপ শেয়ারগুলিতেও এদিন মিশ্র কিন্তু তুলনামূলকভাবে ইতিবাচক ছবি দেখা যায়। কিছু নির্দিষ্ট শেয়ারে লাভের প্রবণতা থাকলেও অতিরিক্ত মূল্যায়নের কারণে কয়েকটি শেয়ারে মুনাফা বুকিং হয়েছে। তবুও সামগ্রিকভাবে বাজারের বিস্তৃত অংশে আতঙ্কের কোনও ছবি দেখা যায়নি, যা বাজারের স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো লক্ষণ।

বিশ্লেষকদের মতে, বাজারের এই উত্থানের পিছনে একাধিক কারণ একসঙ্গে কাজ করেছে। একদিকে বৈশ্বিক বাজারে স্থিতিশীলতা, অন্যদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সূচকগুলির শক্ত ভিত বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। মুদ্রাস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রণে থাকার ইঙ্গিত এবং শিল্প উৎপাদনের ধীর কিন্তু স্থিতিশীল উন্নতি বাজারের জন্য ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করেছে। পাশাপাশি, কর্পোরেট আয়ের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়েও বাজার আশাবাদী।

সেনসেক্স ও নিফটি৫০ এর গঠনমূলক দিক থেকে দেখা যায়, এই উত্থান শুধুমাত্র কয়েকটি শেয়ারের উপর নির্ভরশীল ছিল না। বরং একাধিক সেক্টরের অংশগ্রহণে এই র‍্যালি তৈরি হয়েছে। এটি বাজারের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর লক্ষণ, কারণ এতে বোঝা যায় যে বাজারের ভিত মজবুত এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বিস্তৃত পরিসরে ছড়িয়ে পড়ছে।

বাজার বন্ধ হওয়ার সময় সেনসেক্স উল্লেখযোগ্য পয়েন্ট বৃদ্ধিতে শেষ করে এবং নিফটি৫০ গুরুত্বপূর্ণ মানসিক স্তরের উপরে নিজেকে ধরে রাখতে সক্ষম হয়। এই ক্লোজিং বাজারের স্বল্পমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গিতে ইতিবাচক বার্তা দেয়। অনেক বিশ্লেষকের মতে, যদি আগামী দিনে বৈশ্বিক বাজার থেকে বড় কোনও নেতিবাচক খবর না আসে, তাহলে এই গতি কিছুটা হলেও বজায় থাকতে পারে।

তবে একই সঙ্গে সতর্কতার কথাও বলা হচ্ছে। বাজার ইতিমধ্যেই একটি বড় উত্থানের মধ্যে দিয়ে এসেছে এবং যে কোনও সময় কিছুটা সংশোধন দেখা যেতেই পারে। বিশেষ করে বৈশ্বিক সুদের হার নীতি, ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং কাঁচামালের দামের ওঠানামা বাজারের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই বিনিয়োগকারীদের উচিত অতিরিক্ত ঝুঁকি না নিয়ে ধাপে ধাপে বিনিয়োগ করা।

news image
আরও খবর

দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের জন্য এই বাজার পরিস্থিতি কিছু গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। প্রথমত, শক্ত ভিত্তি থাকা সেক্টর যেমন আইটি, ব্যাঙ্কিং এবং মেটাল এখনও বাজারের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। দ্বিতীয়ত, অস্থিরতার মধ্যেও মানসম্মত শেয়ারগুলি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে সক্ষম হচ্ছে। তৃতীয়ত, বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ উভয় ক্ষেত্রের খবরের উপর নজর রাখা আগের চেয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

স্বল্পমেয়াদি ট্রেডারদের ক্ষেত্রে বাজারের এই গতি সুযোগ তৈরি করতে পারে, তবে ঝুঁকিও কম নয়। হঠাৎ করে কোনও নেতিবাচক খবর এলে বাজার দ্রুত দিক বদলাতে পারে। তাই স্টপ লস ব্যবহার করা এবং লাভের সময়ে মুনাফা সুরক্ষিত করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

 ডাবল আইটি, ব্যাঙ্কিং ও মেটাল স্টকের শক্তিশালী পারফরম্যান্সে ভারতীয় শেয়ারবাজারে এদিন যে ইতিবাচক ছবি দেখা গেল, তা কেবল এক দিনের র‍্যালি হিসেবেই দেখা উচিত নয়। এটি বাজারের গভীরে থাকা আস্থার প্রতিফলন। সেনসেক্স ও নিফটি৫০ এর পজিটিভ ক্লোজিং বিনিয়োগকারীদের মনে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে। ভবিষ্যতের পথ অবশ্যই চ্যালেঞ্জে ভরা, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজার যে নিজস্ব শক্তি নিয়ে এগোতে প্রস্তুত, তার স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলছে এই দিনের লেনদেনে।

এই ইতিবাচক ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে আগামী দিনে বাজার আরও নতুন উচ্চতার দিকে এগোতে পারে বলে অনেকেই আশাবাদী। তবে বাস্তবতা হল, বাজার কখনও একমুখী পথে চলে না। ওঠানামার মধ্য দিয়েই তার স্বাভাবিক গতি। সেই বাস্তবতাকে মাথায় রেখেই বিনিয়োগকারীদের পরিকল্পনা করা উচিত। বর্তমান বাজার পরিস্থিতি সেই পরিকল্পনা নতুন করে ভাবার এবং নিজের ঝুঁকির সীমা বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। 

ই ইতিবাচক ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে আগামী দিনে বাজার আরও নতুন উচ্চতার দিকে এগোতে পারে এমন আশাবাদ বর্তমানে বিনিয়োগকারী মহলে স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে শেয়ারবাজারের স্বভাবই হল ওঠানামার মধ্যে দিয়ে এগোনো। কোনও বাজারই দীর্ঘ সময় একটানা ঊর্ধ্বমুখী থাকে না, আবার টানা পতনের মধ্যেও আটকে থাকে না। এই বাস্তবতাকে মাথায় রেখেই বর্তমান পরিস্থিতিকে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। আজকের শক্তিশালী র‍্যালি যেমন আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে, তেমনই ভবিষ্যতের ঝুঁকির দিকগুলিকেও অবহেলা করা উচিত নয়।

বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল বিনিয়োগকারীদের মানসিকতা। টানা কয়েকটি ইতিবাচক সেশনের পর অনেক সময় অতিরিক্ত আশাবাদ তৈরি হয়, যা হঠাৎ সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়। বাজার যখন ঊর্ধ্বমুখী থাকে, তখন দ্রুত লাভের লোভে অনেকেই ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ারে বিনিয়োগ করে বসেন। কিন্তু অভিজ্ঞরা জানেন, এই সময়েই সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন। কারণ বাজারের যে কোনও পর্যায়ে হঠাৎ করে মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা বাড়লে স্বল্পমেয়াদে সংশোধন আসতে পারে।

এই পর্যায়ে বিনিয়োগ পরিকল্পনা নতুন করে পর্যালোচনা করা অত্যন্ত জরুরি। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের উচিত নিজেদের লক্ষ্য পরিষ্কার করে নেওয়া তাঁরা কি সম্পদ সঞ্চয়ের জন্য বিনিয়োগ করছেন, না কি নির্দিষ্ট কোনও আর্থিক লক্ষ্যে পৌঁছনোর জন্য। সেই অনুযায়ী পোর্টফোলিও সাজানো দরকার। শুধু সাম্প্রতিক র‍্যালির দিকে তাকিয়ে সিদ্ধান্ত নিলে ভবিষ্যতে সমস্যা তৈরি হতে পারে। বরং শক্ত ভিত থাকা সংস্থা, স্থিতিশীল আয় এবং দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা রয়েছে এমন শেয়ারে ধীরে ধীরে বিনিয়োগ করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

স্বল্পমেয়াদি ট্রেডারদের ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি সুযোগ ও ঝুঁকি দু টিই একসঙ্গে এনে দিয়েছে। বাজারের ভোলাটিলিটি বাড়লে ট্রেডিংয়ের সুযোগ তৈরি হয়, তবে সেই সঙ্গে ক্ষতির সম্ভাবনাও বাড়ে। তাই এই সময়ে শৃঙ্খলা বজায় রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন। স্টপ লস ব্যবহার করা, লাভের একটি অংশ সময়মতো তুলে নেওয়া এবং আবেগের বশে সিদ্ধান্ত না নেওয়াই ট্রেডারদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

আর এক গুরুত্বপূর্ণ দিক হল বৈশ্বিক পরিস্থিতি। আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা, সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত, কাঁচামালের দাম এবং ভূরাজনৈতিক ঘটনাবলি যে কোনও মুহূর্তে বাজারের গতিপথ বদলে দিতে পারে। বর্তমান ইতিবাচক আবহের মাঝেও এই বিষয়গুলির উপর নিয়মিত নজর রাখা জরুরি। কারণ অনেক সময় দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি শক্তিশালী হলেও বাইরের কোনও নেতিবাচক খবর বাজারে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

এই বাজার পরিস্থিতি নতুন বিনিয়োগকারীদের জন্যও একটি শিক্ষণীয় সময়। অনেক নতুন বিনিয়োগকারী সম্প্রতি বাজারে এসেছেন এবং তাঁরা মূলত ঊর্ধ্বমুখী বাজারই দেখছেন। তাঁদের জন্য এটি বোঝা জরুরি যে বাজার সব সময় লাভের দিকেই যাবে এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। ওঠানামা বাজারের স্বাভাবিক অংশ। এই বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে ধৈর্য ধরে বিনিয়োগ করাই দীর্ঘমেয়াদে সাফল্যের চাবিকাঠি।

বর্তমান সময়ে আর্থিক পরিকল্পনার দিক থেকেও সচেতন হওয়া প্রয়োজন। শুধুমাত্র শেয়ারবাজারের উপর নির্ভর না করে বিনিয়োগকে বিভিন্ন সম্পদ শ্রেণিতে ভাগ করে নেওয়া ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এতে বাজারে হঠাৎ বড় পতন এলেও মোট আর্থিক অবস্থার উপর তার প্রভাব কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

Preview image