Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

শেষ দু’ম্যাচ খেলতে না পারা প্রতিকাকে অবশেষে বিশ্বজয়ের পদক, কার উদ্যোগে স্বপ্নপূরণ?

মহিলাদের একদিনের বিশ্বকাপে ভারতের মূল দলে ছিলেন না প্রতিকা রাওয়াল, তাই আইসিসি নিয়মে পদক পাননি। কিন্তু জয় শাহের উদ্যোগে এবার তার স্বপ্নপূরণ হবে।

ভারতের বিশ্বকাপ দলের অন্যতম সদস্য প্রতিকা রাওয়ালকে অবশেষে দেওয়া হচ্ছে বিশ্বজয়ের পদক। মহিলাদের এক দিনের বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতের মূল দলে না থাকায় তিনি আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী পদক পাননি। লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ফিল্ডিং করতে গিয়ে পায়ে চোট পাওয়ায় প্রতিকার গোড়ালি ঘুরে যায় এবং সেমিফাইনালের আগে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যেতে হয়। তাঁর পরিবর্তে দলে খেলেছেন শেফালি বর্মা। যদিও ফাইনালে প্রতিকা ভারতের ১৫ জনের দলে ছিলেন না, তবু তিনি দলের চতুর্থ সর্বোচ্চ (৩০৮) রান সংগ্রাহক ছিলেন এবং নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে শতরান করে ভারতের শেষ চারে যাওয়ার পথ সুগম করেছিলেন।

আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী শুধু ফাইনালের ১৫ জন খেলোয়াড়ই পদক পান। তাই হুইলচেয়ারে বসে সতীর্থদের সঙ্গে উদযাপনে অংশ নিলেও প্রতিকা ২ নভেম্বর রাতে পদক পাননি। বিশ্বকাপে তাঁর এই অবদানের কারণে অনেক ক্রিকেটপ্রেমী, বিশেষ করে হরমনপ্রীত কৌর ও স্মৃতি মন্ধানাদের মতো সহকর্মীরা, এই সিদ্ধান্তে অবাক হন এবং প্রশ্ন তোলেন আইসিসির নিয়ম নিয়ে।

এই আক্ষেপ মেটাতে উদ্যোগী হন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ নিজে। প্রতিকা জানিয়েছেন, জয় শাহ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দিনই ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে পদক দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। তাঁর কথায়, “জয় স্যর আমাদের দলের ম্যানেজারকে মেসেজ করেছিলেন এবং জানিয়েছিলেন, ‘প্রতিকার জন্য আমি পদকের ব্যবস্থা করছি।’ এত দিন বিষয়টি প্রকাশ করিনি।”

news image
আরও খবর

কিছু দিনের মধ্যেই দলের এক সাপোর্ট স্টাফের মাধ্যমে প্রতিকা পদকটি হাতে পান। “পদকটি প্রথমবার দেখে আমি কেঁদে ফেলেছিলাম। সাধারণত আমি কাঁদি না, কিন্তু এটি একেবারেই অন্যরকম অনুভূতি,” প্রতিকা বলেন।

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে প্রতিকার গলায় সেই বিশ্বজয়ের পদক ছিল। সাংবাদিকদের প্রশ্নে প্রতিকা জানান, এই স্বপ্নপূরণে আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহের উদ্যোগই মূল অবদান রেখেছে।

বিশ্বকাপে চতুর্থ সর্বোচ্চ রান করা এই অলরাউন্ডার শেষ পর্যন্ত নিজের দেশের হয়ে খেলতে না পারলেও জয় শাহের উদ্যোগে পদক হাতে পাওয়ার আনন্দে উদ্দীপ্ত। তাঁর জন্য এটি কেবল একটি পদক নয়, বরং দীর্ঘদিনের আক্ষেপের সমাধান এবং স্বপ্নপূরণের মুহূর্ত।

Preview image