শ্রেয়স আয়ারের মাঠে ফিরতে আরও ১০ থেকে ১২ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ম্যাচে না খেলার পাশাপাশি, নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে সাদা বলের সিরিজ়েও অংশ নিতে পারবেন না তিনি।
শ্রেয়স আয়ারের মাঠে ফিরতে আরও অন্তত ১০ থেকে ১২ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সাদা বলের সিরিজ়ে তাঁকে না পাওয়া যাওয়ার পাশাপাশি, নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে সাদা বলের সিরিজ়েও অংশ নিতে পারবেন না তিনি। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শ্রেয়সের পেটের আঘাত এখনও পুরোপুরি সেরে ওঠেনি এবং তাঁকে পুনরুদ্ধারের জন্য আরও কিছু সময় প্রয়োজন। এ কারণে শ্রেয়সকে আরও কিছু সময় ক্রিকেট থেকে দূরে থাকতে হবে এবং তার রিহ্যাব পর্ব চলবে।
গত ২৫ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তৃতীয় এক দিনের ম্যাচে গুরুতর চোট পান শ্রেয়স। এই চোটের পরই তাঁকে সিডনির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং আইসিইউতে কয়েক দিন চিকিৎসা দেওয়া হয়। তাঁর প্লীহায় গুরুতর আঘাত ছিল, যার কারণে ছোট অস্ত্রোপচারও করতে হয়। অস্ত্রোপচার শেষে দেশে ফিরলেও, শ্রেয়স এখনও খেলার মতো অবস্থায় আসেননি। বিসিসিআইয়ের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখছেন এবং তার পূর্ণ সুস্থতার জন্য নিয়মিত চিকিৎসা চলছে।
কিছু দিন আগে শ্রেয়সের ইউএসজি পরীক্ষা করা হয়, যার ফলস্বরূপ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে তাঁর পেটের আঘাত পুরোপুরি সারে নি। এমন পরিস্থিতিতে তাঁকে মাঠে নামলে আরও সমস্যা হতে পারে, কারণ পেটে চাপ পড়া, এমন কিছু করা আপাতত ঠিক হবে না। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিয়েছেন যে শ্রেয়সকে এখন ভারী পরিশ্রম বা কোনও চাপ দেওয়া যাবে না, এবং তিনি আরও কিছু দিন সাবধানে থাকতে হবে। তাঁর রিহ্যাব প্রক্রিয়া একটু সময়সাপেক্ষ হবে এবং দুই মাস পর আবার ইউএসজি পরীক্ষা করা হবে। যদি রিপোর্ট সন্তোষজনক হয়, তবে তাঁকে ট্রেনিং শুরু করার অনুমতি দেওয়া হবে।
বিসিসিআই সূত্রে জানা গেছে, শ্রেয়সের রিহ্যাব পুরোপুরি বেঙ্গালুরুর সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে হবে, যেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তাঁর পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া নজরদারি করবেন। এই প্রক্রিয়া কিছুটা সময় নিবে, তবে তার শারীরিক অবস্থা যদি উন্নত হয়, তখনই তিনি মাঠে ফিরতে পারবেন।
এখন পর্যন্ত, শ্রেয়স আয়ারের মাঠে ফেরার জন্য ১০ থেকে ১২ সপ্তাহ সময় লাগবে। এই সময়সীমার মধ্যে শ্রেয়সকে কোনও আন্তর্জাতিক সিরিজ়ে অংশগ্রহণ করতে দেখা যাবে না। তার মাঠে ফেরার প্রক্রিয়া যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে, তাহলে শিগগিরই তিনি ক্রিকেট মাঠে ফিরতে পারবেন, তবে সে পর্যন্ত তাঁকে সম্পূর্ণ বিশ্রাম নিতে হবে এবং রিহ্যাব প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে।
গত ২৫ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তৃতীয় এক দিনের ম্যাচে গুরুতর চোট পেয়েছিলেন শ্রেয়স আয়ার। ওই দিনই মাঠ থেকে সরাসরি তাঁকে সিডনির একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানেই তাঁকে আইসিইউতে ভর্তি করে কয়েক দিন চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল। তাঁর প্লীহায় আঘাতের কারণে ছোট অস্ত্রোপচারও করা হয়েছিল। তবে, অস্ত্রোপচারের পর দেশে ফিরে তিনি খেলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত হননি। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকছেন শ্রেয়স।
সম্প্রতি শ্রেয়স আয়ারের ইউএসজি পরীক্ষা করা হয়, যেখানে চিকিৎসকরা জানান যে, তাঁর পেটের আঘাত এখনও পুরোপুরি সেরে ওঠেনি। চিকিৎসকরা আরও জানিয়েছেন, মাঠে নামলে শ্রেয়সের শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে পারে, কারণ এতে অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে তাঁর পেটে। এখনো তাঁকে ভারী পরিশ্রম বা চাপ দেওয়া উচিত নয়। তাই আরও কিছু দিন সাবধানে থাকতে হবে। এই পরিস্থিতিতে তাঁর রিহ্যাব প্রক্রিয়া একটু সময়সাপেক্ষ হবে। আগামী দু’মাস পর আবার শ্রেয়সের ইউএসজি পরীক্ষা করা হবে এবং যদি রিপোর্ট সন্তোষজনক হয়, তবে চিকিৎসকেরা তাঁকে ট্রেনিং শুরু করার অনুমতি দেবেন। ফিটনেস ঠিক জায়গায় পৌঁছালে, শ্রেয়সকে ম্যাচ খেলানোর জন্য প্রস্তুত করা হবে।
বিসিসিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, শ্রেয়স আয়ারের পুরো রিহ্যাব পর্ব বেঙ্গালুরুর সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে চলবে, যেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তাঁর শারীরিক অবস্থা নিবিড়ভাবে নজরদারি করবেন। এই সেন্টারটি ভারতের অন্যতম সেরা পুনর্বাসন কেন্দ্র, যেখানে ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট গুরুতর আঘাতের পর খেলোয়াড়দের পুনরুদ্ধারে উন্নত চিকিৎসা প্রদান করা হয়। এখানে শ্রেয়স আয়ারের জন্য অত্যন্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল তৈরি করা হয়েছে, যারা তাঁর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করবেন এবং সময়মতো সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন।
শ্রেয়স আয়ারের প্লীহায় আঘাত গুরুতর ছিল এবং অস্ত্রোপচারের পর তিনি কিছু সময় বিশ্রাম নিয়েছেন। বর্তমানে তাঁর পুনরুদ্ধারের জন্য একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে, যা কিছু সময় নিবে। সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে চিকিৎসকরা শ্রেয়সের শারীরিক অবস্থা প্রতিনিয়ত পরীক্ষা করে যাচ্ছেন এবং তার শারীরিক কার্যকলাপের সীমা নির্ধারণ করছেন। এমনকি তাঁকে কি ধরনের ব্যায়াম বা শারীরিক কার্যকলাপ শুরু করা যাবে, তা নিশ্চিত করার জন্যও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।
এই পুরো প্রক্রিয়া কয়েক সপ্তাহ সময় নিবে। তবে, চিকিৎসকদের মতে, যদি সব কিছু ঠিকঠাক থাকে, তাহলে শ্রেয়স আয়ারকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত করা হতে পারে। এই পরবর্তী ধাপে তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতির পর তাঁকে ধীরে ধীরে ট্রেনিং শুরু করার অনুমতি দেওয়া হবে। চিকিৎসকরা জানান, তাঁকে পুনরায় মাঠে ফেরানোর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে তাঁর শরীরের পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠা এবং শক্তি ফিরে পাওয়া।
এমনকি পরবর্তী পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং ট্রেনিংয়ের পরও, তাঁকে যদি ফিটনেসের ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে তাঁকে আরও কিছু সময় মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে। তবে, যদি রিপোর্ট সন্তোষজনক হয় এবং শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটে, তবে তাঁকে পরবর্তী সিরিজ়ে অংশ নিতে প্রস্তুত করা হবে। শ্রেয়সের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে, তাঁকে পর্যায়ক্রমে প্রস্তুতির জন্য অনুশীলন করানো হবে এবং মাঠে ফিরতে তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি পুনরায় মূল্যায়ন করা হবে।
এই পুরো রিহ্যাব পর্ব নিশ্চিতভাবেই শ্রেয়সের জন্য একটি দীর্ঘ এবং কঠিন প্রক্রিয়া হতে চলেছে, তবে তিনি যদি সুস্থ হয়ে ওঠেন, তবে তাঁর জন্য মাঠে ফিরে আসা এবং তার আগের মতো পারফরম্যান্স দেওয়া সম্ভব হবে। বিসিসিআইয়ের চিকিৎসকরা পুরো প্রক্রিয়া নজরদারি করবেন এবং শ্রেয়সের শারীরিক অবস্থার প্রতিটি দিকেই পূর্ণ মনোযোগ দেবেন, যাতে তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরতে পারেন।
এখন পর্যন্ত এই পরিস্থিতি অনুযায়ী, শ্রেয়স আয়ারের মাঠে ফিরতে আরও ১০ থেকে ১২ সপ্তাহ সময় লাগবে, যার ফলে তাঁর কোনও আন্তর্জাতিক সিরিজ়ে অংশগ্রহণ সম্ভব হবে না। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সাদা বলের সিরিজ়েও শ্রেয়সকে খেলা নিয়ে থাকতে হবে। এমনকি নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে সাদা বলের সিরিজ়েও তিনি অংশ নিতে পারবেন না। তাঁর পেটের আঘাতের কারণে ক্রমাগত বিশ্রাম এবং চিকিৎসা প্রয়োজন, যা তার শারীরিক পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে সহায়ক হবে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, শ্রেয়সকে এখনও মাঠে ফিরতে অনুমতি দেওয়া হবে না, এবং তাকে আরও কিছু সময় মাঠের বাইরে থাকতে হবে।
গত ২৫ অক্টোবর, অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তৃতীয় এক দিনের ম্যাচে ভয়াবহভাবে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন শ্রেয়স আয়ার। এই চোটের ফলে তাঁকে সিডনির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং সেখানে তাঁকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। বেশ কয়েকদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর, তার প্লীহায় গুরুতর আঘাতের কারণে অস্ত্রোপচারও করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর শ্রেয়স দেশের ফিরে এলেও, তিনি খেলার মতো অবস্থায় ছিলেন না এবং তাঁর পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া শুরু হয়। বিসিসিআইয়ের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তাঁকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন, এবং তিনি সঠিকভাবে সুস্থ হতে ধীরে ধীরে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
গত কিছুদিন আগে শ্রেয়সের ইউএসজি পরীক্ষা করা হয়, যার পরিপ্রেক্ষিতে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে, তাঁর পেটের আঘাত এখনও পুরোপুরি সেরে ওঠেনি। তাঁদের পরামর্শ অনুযায়ী, শ্রেয়সকে এখনও মাঠে না নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর পেটে চাপ পড়তে পারে, এমন কোনও কাজ বা শারীরিক পরিশ্রম করা বর্তমানে নিরাপদ নয়। বর্তমানে, শ্রেয়সকে বেশ কিছুদিন বিশ্রাম নিতে হবে এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তাঁকে একে একে শারীরিক কার্যক্রম শুরু করতে হবে।
বিসিসিআই সূত্রে জানা গেছে, শ্রেয়স আয়ারের রিহ্যাব সম্পূর্ণ হবে বেঙ্গালুরুর সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে, যেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তাঁর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করবেন এবং সঠিক সময় পর তাঁকে ট্রেনিং শুরু করার অনুমতি দেবেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং তাতে সন্তোষজনক ফলাফল আসলে, শ্রেয়সকে পুনরায় মাঠে ফিরিয়ে আনা হবে। তবে তার জন্য প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার আগে, তিনি মাঠে ফিরতে পারবেন না।
এই পরিস্থিতিতে, শ্রেয়স আয়ারের মাঠে ফিরতে আরও ১০ থেকে ১২ সপ্তাহ সময় লাগবে, যা স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে তিনি আগামী কিছু সময়ের মধ্যে কোনও আন্তর্জাতিক সিরিজ়ে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সাদা বলের সিরিজ়েও শ্রেয়সের অংশগ্রহণ নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। এমনকি নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাঁর সাদা বলের সিরিজ়ে অংশ নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাঁর সুস্থতার জন্য তাঁর রিহ্যাব প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা অত্যন্ত জরুরি, কারণ তাতে তাঁর শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত হবে এবং পরে ম্যাচে অংশ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত হতে পারবেন।
এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে শ্রেয়স আয়ারের পূর্ণ সুস্থতা নিশ্চিত করা, যাতে তিনি মাঠে ফিরে এসে নিজের সেরা পারফরম্যান্স দিতে পারেন। তবে তার আগে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্রাম এবং পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা প্রয়োজন। শিগগিরই তিনি সুস্থ হয়ে ফিরবেন, কিন্তু এখনই মাঠে ফিরতে না পারা তাঁর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।