Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকীতে সৌরভ-দর্শনার মিষ্টি উদ্‌যাপন, সন্তানের প্রশ্নে নেটিজেনদের কৌতূহল

দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকীতে কেক কেটে আনন্দে মেতেছেন সৌরভ দাস ও দর্শনা বণিক। তবে উদযাপনের মাঝেই নেটিজেনদের একাংশ সন্তান প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুলেছেন।দু বছরের দাম্পত্য উদযাপনে সৌরভ দর্শনার মিষ্টি মুহূর্ত ভাইরাল। কমেন্টবক্সে শুভেচ্ছার পাশাপাশি উঠে এসেছে ছানা প্রসঙ্গ।হাসি আর ভালোবাসায় ভরা বিবাহবার্ষিকীর ভিডিয়ো শেয়ার করতেই নেটদুনিয়ায় শুরু হয় সন্তানের প্রশ্ন। তবু অটুট সৌরভ দর্শনার সম্পর্ক।বিবাহিত জীবনের দু বছর পূর্ণ করলেন সৌরভ ও দর্শনা। আনন্দের এই দিনে শুভেচ্ছার ভিড়ের মাঝেই আলোচনায় তাঁদের ব্যক্তিগত জীবন।দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকীতে সৌরভ দর্শনার মিষ্টি উদযাপন নজর কাড়লেও নেটিজেনদের একাংশ সন্তানের প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন।

দেখতে দেখতে বিবাহিত জীবনের দু’বছর পূর্ণ করলেন টলিপাড়ার জনপ্রিয় অভিনেতা সৌরভ দাস ও অভিনেত্রী দর্শনা বণিক। সময় যেন চোখের পলকে কেটে গিয়েছে। প্রেম, বন্ধুত্ব, বোঝাপড়া আর পারস্পরিক সম্মানের ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা এই দাম্পত্যের দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকী তাঁরা উদ্‌যাপন করলেন অত্যন্ত ঘরোয়া অথচ উষ্ণ আবহে। কেক কাটা, হাসি, খুনসুটি আর একে অপরের পাশে থাকার মুহূর্তে ভরা সেই বিশেষ দিনের ভিডিও ও ছবি ভাগ করে নিতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছার বন্যা বয়ে যায়।

সৌরভ ও দর্শনার এই বিবাহবার্ষিকীর ভিডিওতে দেখা যায়, দু’জনেই হাসিমুখে কেক কাটছেন, একে অপরকে খাওয়াচ্ছেন কেক, কখনও চোখাচোখি, কখনও লাজুক হাসি। কোনও জাঁকজমক নয়, বরং সাধারণ মুহূর্তের মধ্যেই লুকিয়ে থাকা ভালোবাসাই মন ছুঁয়ে যায় অনুরাগীদের। বহু ভক্ত ও সহকর্মী তাঁদের দু’জনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মন্তব্য করেন—“সব সময় এভাবেই একসঙ্গে থেকো”, “ভালোবাসা যেন আরও বেড়ে যায়”, “এই হাসিটা চিরকাল থাকুক”—এমন নানা শুভকামনায় ভরে ওঠে কমেন্টবক্স।

ভিডিওতে দেখা যায়, ঘরোয়া পরিবেশে কেক কেটে একে অপরকে খাওয়াচ্ছেন সৌরভ ও দর্শনা। চোখে-মুখে প্রশান্তির ছাপ, ঠোঁটে চেনা হাসি। কোথাও কোনও কৃত্রিমতা নেই, নেই আলোর ঝলকানি বা অতিরিক্ত আড়ম্বর। বরং দু’জনের মধ্যে যে বন্ধুত্ব ও বোঝাপড়া, সেটাই বারবার ধরা পড়ে ক্যামেরার ফ্রেমে। অনেক অনুরাগীই মন্তব্য করেন, এই স্বাভাবিকতাই তাঁদের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।

বিবাহবার্ষিকীর ভিডিও পোস্ট হতেই কমেন্টবক্স ভরে যায় শুভেচ্ছা বার্তায়। কেউ লেখেন, “দু’জনকে একসঙ্গে খুব সুন্দর লাগে”, কেউ বলেন, “এভাবেই আজীবন পাশে থেকো”, আবার কেউ মন্তব্য করেন, “ভালোবাসা এমনই হওয়া উচিত।” টলিপাড়ার সহকর্মীরাও শুভেচ্ছা জানাতে ভোলেননি। এক কথায়, সৌরভ-দর্শনার এই বিশেষ দিন ঘিরে ছিল উষ্ণতা আর ভালোবাসার আবহ।

কিন্তু এই আনন্দঘন মুহূর্তের মাঝেই ধীরে ধীরে আলোচনার মোড় ঘুরে যায় অন্যদিকে। নেটিজেনদের একাংশ দম্পতির ব্যক্তিগত জীবনের আরও গভীরে ঢুকে পড়েন। বিশেষ করে সন্তান প্রসঙ্গ নিয়ে শুরু হয় নানা মন্তব্য। কেউ মজা করে, কেউ সরাসরি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে লেখেন, “একটা ছানা লাগবে তো নাকি?” কেউ বলেন, “এবার বাচ্চা কাচ্চা নাও”, আবার কেউ আরও স্পষ্ট ভাষায় লেখেন, “এবার একটা ছানার জন্ম দাও।”

এই ধরনের মন্তব্য নতুন নয়। বিশেষ করে বিবাহের কিছু সময় পার হলেই সমাজের একাংশ ধরে নেয়, সন্তান নেওয়া যেন বাধ্যতামূলক একটি ধাপ। তারকা দম্পতিদের ক্ষেত্রে এই কৌতূহল আরও বেশি। তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনকে অনেকেই জনসমক্ষে আলোচনার বিষয় বলে মনে করেন। সৌরভ ও দর্শনার ক্ষেত্রেও ঠিক তেমনটাই দেখা গেল।

তবে এই মন্তব্যগুলির মাঝেও সৌরভ ও দর্শনা নিজেদের অবস্থানে অনড়। তাঁরা কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি, কোনও মন্তব্যের উত্তর দেননি। বরং তাঁদের নীরবতা এবং হাসিমুখের ছবিই যেন স্পষ্ট করে দেয়—এই মুহূর্তে তাঁরা নিজেদের জীবন নিজেদের মতো করেই উপভোগ করছেন। বাইরের প্রশ্ন বা চাপ তাঁদের সম্পর্কের সমীকরণকে প্রভাবিত করতে পারেনি।

সৌরভ দাস ও দর্শনা বণিক—দু’জনেই টলিপাড়ার পরিচিত মুখ। কাজের সূত্রেই তাঁদের আলাপ, সেখান থেকেই বন্ধুত্ব এবং ধীরে ধীরে প্রেম। দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর তাঁরা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। সেই বিয়েও ছিল অত্যন্ত ঘরোয়া। কাছের মানুষ, পরিবার আর বন্ধুদের উপস্থিতিতেই তাঁরা নতুন জীবনের পথে পা বাড়ান।

বিয়ের পর থেকে সৌরভ ও দর্শনা কখনওই নিজেদের সম্পর্ককে অতিরিক্ত প্রদর্শনের বিষয় করে তোলেননি। সোশ্যাল মিডিয়ায় মাঝে মাঝে কিছু মুহূর্ত ভাগ করে নিলেও, ব্যক্তিগত পরিসরকে বরাবরই গুরুত্ব দিয়েছেন তাঁরা। কাজের ব্যস্ততার মধ্যেও কীভাবে সম্পর্ককে সময় দিতে হয়, সেটার এক বাস্তব উদাহরণ হয়ে উঠেছেন এই দম্পতি।

দু’বছরের দাম্পত্য জীবনে তাঁদের সামনে এসেছে নানা চ্যালেঞ্জ। অভিনয় জগতের অনিশ্চয়তা, কাজের চাপ, সময়ের অভাব—সব কিছুর মধ্য দিয়েই তাঁদের এগোতে হয়েছে। কিন্তু সেই সব পরিস্থিতিতে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোই তাঁদের সম্পর্ককে আরও মজবুত করেছে। অনেকের কাছেই সৌরভ-দর্শনার সম্পর্ক মানে পার্টনারশিপের একটি বাস্তব ছবি।

দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকীর দিনটিও তার ব্যতিক্রম নয়। কোনও বড় আয়োজন নয়, কোনও বিলাসবহুল ভ্রমণ নয়—বরং ছোট ছোট মুহূর্তের মধ্যেই তাঁরা খুঁজে নিয়েছেন আনন্দ। সেই কারণেই হয়তো তাঁদের উদ্‌যাপন এত মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে।

তবে নেটিজেনদের করা সন্তান প্রসঙ্গের মন্তব্য আবারও সমাজের একটি পুরনো মানসিকতাকে সামনে নিয়ে এসেছে। এখনও অনেকেই মনে করেন, বিয়ের পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সন্তান না হলে দম্পতির জীবনে কিছু একটা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। কিন্তু সময় বদলেছে। আজকের প্রজন্ম জীবনের প্রতিটি সিদ্ধান্ত নিতে চায় নিজেদের মতো করে, নিজেদের প্রস্তুতি অনুযায়ী।

অনেক অনুরাগীই এই ধরনের মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন। কেউ লিখেছেন, “এটা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয়”, কেউ বলেছেন, “ওরা যখন চাইবে তখনই সিদ্ধান্ত নেবে”, আবার কেউ মন্তব্য করেছেন, “ভালোবাসা থাকলেই পরিবার সম্পূর্ণ।” এই সমর্থন দেখিয়ে দেয়, সমাজের একটি বড় অংশ এখন অন্তত ব্যক্তিগত পরিসরের গুরুত্ব বুঝতে শুরু করেছে।

সৌরভ ও দর্শনার সম্পর্কের সবচেয়ে বড় শক্তি সম্ভবত তাঁদের বন্ধুত্ব। একে অপরের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলা, মতবিরোধ হলেও তা আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নেওয়া—এই গুণগুলোই তাঁদের সম্পর্ককে আলাদা করে তোলে। দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকীর ভিডিওতেও সেই বন্ধুত্বের ছাপ স্পষ্ট।

বর্তমানে দু’জনেই কাজ নিয়ে ব্যস্ত। নতুন প্রজেক্ট, নতুন চরিত্র, নতুন চ্যালেঞ্জ—সব মিলিয়ে তাঁদের পেশাগত জীবনও এগিয়ে চলেছে। কিন্তু তার মাঝেও তাঁরা সময় বের করে নেন নিজেদের জন্য। কখনও ছোট ছুটি, কখনও সাধারণ ডিনার, কখনও শুধুই একসঙ্গে বসে কথা বলা—এই ছোট মুহূর্তগুলিই তাঁদের সম্পর্ককে বাঁচিয়ে রেখেছে।

news image
আরও খবর

বিবাহিত জীবনের দু’বছর পূর্ণ হওয়া মানে শুধুই একটি সংখ্যা নয়। এর মধ্যে লুকিয়ে থাকে অসংখ্য অভিজ্ঞতা, হাসি-কান্না, ভুল বোঝাবুঝি আর সমাধান। সৌরভ ও দর্শনার ক্ষেত্রে এই দু’বছর যেন তাঁদের আরও কাছাকাছি এনে দিয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে যেখানে সম্পর্ক অনেক সময়ই প্রদর্শনের বিষয় হয়ে ওঠে, সেখানে সৌরভ-দর্শনা তাঁদের স্বাভাবিকতাকে ধরে রেখেছেন। তাঁরা প্রমাণ করেছেন, ভালোবাসা মানে নিখুঁত হওয়া নয়, বরং একে অপরের অসম্পূর্ণতাকে গ্রহণ করা।

তবে আনন্দের এই উদ্‌যাপনের মাঝেই আলোচনার স্রোত ঘুরে যায় অন্যদিকে। সোশ্যাল মিডিয়ার স্বভাবসিদ্ধ কৌতূহল আর অতিরিক্ত ব্যক্তিগত আগ্রহের কারণে নেটিজেনদের একাংশ দম্পতির ব্যক্তিগত জীবনে উঁকি দিতে শুরু করেন। বিশেষ করে সন্তান প্রসঙ্গ উঠে আসে বারবার। কেউ লেখেন, “একটা ছানা লাগবে তো নাকি?”, কেউ বলেন, “এবার বাচ্চা কাচ্চা নাও”, আবার কেউ সরাসরি মন্তব্য করেন, “এবার একটা ছানার জন্ম দাও।”

এই ধরনের মন্তব্য নতুন কিছু নয়। বিশেষ করে তারকা দম্পতিদের ক্ষেত্রে বিবাহের কিছু সময় পার হলেই সমাজের একাংশ তাঁদের পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করে। সৌরভ ও দর্শনার ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। যদিও এই মন্তব্যগুলির বেশিরভাগই হয়তো কৌতূহল বা মজা থেকে করা, তবুও অনেক সময় তা ব্যক্তিগত পরিসরে হস্তক্ষেপের শামিল হয়ে ওঠে।

উল্লেখ্য, সৌরভ দাস ও দর্শনা বণিক—দু’জনেই নিজেদের অভিনয় দক্ষতা ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে আলাদা জায়গা করে নিয়েছেন টলিপাড়ায়। সৌরভ টেলিভিশন ও ওয়েব সিরিজে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। অন্যদিকে দর্শনাও টেলিভিশন ও ডিজিটাল মাধ্যমে নিজের অভিনয় প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। কাজের সূত্রেই তাঁদের পরিচয়, সেখান থেকেই বন্ধুত্ব, এবং ধীরে ধীরে সেই বন্ধুত্ব রূপ নেয় গভীর সম্পর্কে।

দীর্ঘ সময়ের সম্পর্কের পর বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সৌরভ ও দর্শনা। তাঁদের বিয়ে ঘিরেও ছিল অনুরাগীদের প্রবল আগ্রহ। ঘরোয়া আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে, কাছের মানুষদের উপস্থিতিতে তাঁরা সাতপাকে বাঁধা পড়েন। বিয়ের পরও তাঁরা কখনওই নিজেদের সম্পর্ককে অতিরিক্ত প্রদর্শনের বিষয় করে তোলেননি। বরং স্বাভাবিক জীবনযাপন, কাজের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং ব্যক্তিগত পরিসরকে গুরুত্ব দেওয়াই তাঁদের সম্পর্কের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

দু’বছরের দাম্পত্য জীবনে সৌরভ-দর্শনা একাধিকবার প্রমাণ করেছেন যে সম্পর্ক মানে শুধু ভালোবাসা নয়, বরং একে অপরকে বোঝা, সম্মান করা এবং পাশে থাকা। কাজের ব্যস্ততার মধ্যেও তাঁরা সময় বের করে নেন একসঙ্গে থাকার জন্য। কখনও ছুটি কাটাতে যাওয়া, কখনও সাধারণ ডিনার ডেট, আবার কখনও শুধু বাড়িতে সময় কাটানো—এই ছোট ছোট মুহূর্তই তাঁদের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে।

তাই দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকীর দিনে ভাগ করে নেওয়া সেই ভিডিও আসলে শুধুই একটি উদ্‌যাপন নয়, বরং তাঁদের দু’বছরের জার্নির একটি ঝলক। সেখানে কোনও নাটকীয়তা নেই, নেই অতিরিক্ত আড়ম্বর। আছে শুধুই স্বাভাবিকতা আর আন্তরিকতা। সেই কারণেই হয়তো ভিডিওটি এত দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় এবং অনুরাগীদের মনে জায়গা করে নেয়।

তবে সোশ্যাল মিডিয়ার উজ্জ্বল দিকের পাশাপাশি এর অন্ধকার দিকও অস্বীকার করা যায় না। শুভেচ্ছার পাশাপাশি যখন ব্যক্তিগত প্রশ্ন উঠে আসে, তখন তা অনেক সময় অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সন্তান নেওয়া বা না নেওয়া সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত—এ কথা সমাজে বারবার বলা হলেও বাস্তবে সেই মানসিকতা এখনও পুরোপুরি গড়ে ওঠেনি। বিশেষ করে তারকা দম্পতিদের ক্ষেত্রে মানুষ ধরে নেয়, তাঁদের জীবনের প্রতিটি দিক নিয়েই মন্তব্য করার অধিকার সবার আছে।

এই পরিস্থিতিতে সৌরভ ও দর্শনা কোনও প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া জানাননি। তাঁরা না কোনও মন্তব্যের জবাব দিয়েছেন, না কোনও ব্যাখ্যা। বরং তাঁদের নীরবতাই যেন অনেক কিছু বলে দেয়। হয়তো তাঁরা বিশ্বাস করেন, জীবনের এই সিদ্ধান্তগুলো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, নিজেদের মতো করেই নেওয়া উচিত, বাইরের চাপ বা প্রশ্নের ভিত্তিতে নয়।

অনুরাগীদের একাংশও অবশ্য এই ধরনের মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন। অনেকেই কমেন্টবক্সে লিখেছেন, “এটা ওদের ব্যক্তিগত বিষয়”, “ভালোবাসা আর সুখটাই আসল”, “এই প্রশ্নগুলো করা উচিত নয়।” এই সমর্থন দেখিয়ে দেয়, ধীরে ধীরে হলেও সমাজের একটি অংশ ব্যক্তিগত পরিসরের গুরুত্ব বুঝতে শিখছে।

দাম্পত্য জীবনের দুই বছর পূর্ণ হওয়া মানেই যে সম্পর্কের সব কিছু নিখুঁত—এমনটা নয়। এই দু’বছরে নিশ্চয়ই এসেছে নানা চ্যালেঞ্জ, মতবিরোধ, কঠিন সময়। কিন্তু সেই সবকিছুর মধ্য দিয়েই একে অপরের পাশে দাঁড়ানোই একটি সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখে। সৌরভ ও দর্শনার হাসিমুখের ছবিগুলো সেই পরিপক্বতারই ইঙ্গিত দেয়।

বর্তমানে দু’জনেই নিজেদের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। অভিনয়ের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, নতুন প্রজেক্ট—সব মিলিয়ে জীবন এগিয়ে চলেছে নিজস্ব গতিতে। আর তার মাঝেই তাঁরা উপভোগ করছেন দাম্পত্য জীবনের প্রতিটি অধ্যায়। দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকী সেই যাত্রাপথেরই একটি মাইলস্টোন।

সব মিলিয়ে বলা যায়, সৌরভ দাস ও দর্শনা বণিকের দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকী শুধু একটি তারিখ নয়, বরং ভালোবাসা, বোঝাপড়া আর পারস্পরিক সম্মানের এক সুন্দর উদাহরণ। নেটিজেনদের নানা মন্তব্য, কৌতূহল বা প্রশ্নের ঊর্ধ্বে উঠে তাঁদের সম্পর্ক আজও অটুট। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা কী সিদ্ধান্ত নেবেন, কীভাবে তাঁদের পরিবার এগোবে—সেটা একান্তই তাঁদের বিষয়। আপাতত, হাসি আর ভালোবাসায় ভরা এই দু’বছরের সাফল্যই তাঁদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

দু’বছর পেরিয়েও সৌরভ-দর্শনার চোখে মুখে যে স্বস্তি আর আনন্দের ছাপ, সেটাই প্রমাণ করে—সম্পর্কের আসল শক্তি কোনও সামাজিক প্রত্যাশা নয়, বরং একে অপরের প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও ভালোবাসা। আর সেই শক্তির জোরেই তাঁদের দাম্পত্য জীবন এগিয়ে চলুক আরও বহু বছর।

Preview image