Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

বাংলাদেশে কর্মরত ভারতীয়দের ওয়ার্ক পারমিট বাতিলের দাবিতে হাদির সংগঠন আদালতে যাওয়ার চাপ দিল্লির বিরুদ্ধে

রবিবার রাত পৌনে ১০টা নাগাদ বাংলাদেশের স্থানীয় সময় অনুযায়ী ঢাকার শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি থেকে হাদির সংগঠন চার দফা দাবি ঘোষণা করে এবং দাবিপূরণের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেয়

বাংলাদেশে কর্মরত ভারতীয়দের ওয়ার্ক পারমিট বাতিলের দাবিতে হাদির সংগঠন আদালতে যাওয়ার চাপ দিল্লির বিরুদ্ধে
International Relations

ওসমান হাদির খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জুড়ে নতুন করে রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে
এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই রাজপথে নেমেছে ইনকিলাব মঞ্চ
সংগঠনটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে তারা বিচার এবং দায়ীদের গ্রেফতারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাবে

রবিবার রাতে ঢাকার শাহবাগ চত্বরে ইনকিলাব মঞ্চের সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়
সেখান থেকেই চার দফা দাবি ঘোষণা করা হয়
এই দাবিগুলির বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের উপর নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে
এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকায় ব্যাপক মানুষের জমায়েত দেখা যায়

ইনকিলাব মঞ্চের নেতারা জানিয়েছেন
শহিদ ওসমান হাদি ছিলেন এই সংগঠনের আহ্বায়ক
তিনি শুধুমাত্র একজন সংগঠক নন
তিনি ছিলেন প্রতিবাদের কণ্ঠস্বর
তাঁর মৃত্যু একটি ব্যক্তিগত হত্যাকাণ্ডের গণ্ডি ছাপিয়ে এখন জাতীয় প্রশ্নে পরিণত হয়েছে

সংগঠনটির মতে
ওসমান হাদির হত্যা গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার উপর সরাসরি আঘাত
একজন সংগঠককে প্রকাশ্য রাস্তায় গুলি করে হত্যা করা হলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে
এই কারণেই ইনকিলাব মঞ্চ আন্দোলনের পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে

আন্দোলনকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী
এই হত্যাকাণ্ডের বিচার যদি দ্রুত এবং স্বচ্ছভাবে না হয়
তবে তা ভবিষ্যতে আরও বড় সংকট ডেকে আনতে পারে
তাঁদের দাবি কেবল আশ্বাস নয়
তাঁরা চান দৃশ্যমান পদক্ষেপ

শাহবাগের কর্মসূচি থেকে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়
চার দফা দাবির মূল উদ্দেশ্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
এর সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিও নিশ্চিত করা
তাঁদের মতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব নাগরিকের জীবন রক্ষা করা
সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলেই রাজপথে প্রতিবাদ অনিবার্য হয়ে ওঠে

ওসমান হাদির নাম এখন আন্দোলনের প্রতীকে পরিণত হয়েছে
তাঁর মৃত্যু তরুণ সমাজের মধ্যে গভীর আলোড়ন সৃষ্টি করেছে
বিশেষ করে শিক্ষার্থী সমাজ এই আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছে

ইনকিলাব মঞ্চের নেতাদের বক্তব্যে উঠে এসেছে
এই আন্দোলন কোনও দলীয় স্বার্থে নয়
এটি ন্যায়ের স্বার্থে
এটি সাধারণ মানুষের অধিকারের স্বার্থে

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে
এই আন্দোলন বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে
একদিকে অন্তর্বর্তী সরকার স্থিতিশীলতা বজায় রাখার চেষ্টা করছে
অন্যদিকে রাজপথে বাড়ছে ন্যায়বিচারের দাবি

শাহবাগ চত্বর দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের প্রতিবাদের কেন্দ্র
এই জায়গা থেকেই একাধিক ঐতিহাসিক আন্দোলনের জন্ম হয়েছে
ওসমান হাদির হত্যার প্রতিবাদে আবারও সেই শাহবাগ সাক্ষী থাকল গণজমায়েতের

ইনকিলাব মঞ্চের বক্তব্য অনুযায়ী
এই আন্দোলন যতদিন না দাবিগুলি পূরণ হচ্ছে
ততদিন চলবে
তারা মনে করে ন্যায়বিচার বিলম্বিত হলে তা অস্বীকারের সমান

বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যেও প্রশ্ন উঠছে
কীভাবে একজন সংগঠক প্রকাশ্যে খুন হন
এবং তার বিচার কত দ্রুত হয়
এই প্রশ্নগুলির উত্তরই নির্ধারণ করবে রাষ্ট্রের উপর মানুষের আস্থা

ওসমান হাদির খুনের ঘটনা বাংলাদেশের জন্য একটি সতর্কবার্তা
এটি মনে করিয়ে দিচ্ছে যে গণতন্ত্র কেবল নির্বাচনেই সীমাবদ্ধ নয়
গণতন্ত্র মানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা
গণতন্ত্র মানে নিরাপদ জীবন

এই প্রেক্ষাপটে ইনকিলাব মঞ্চের আন্দোলন কেবল একটি সংগঠনের আন্দোলন নয়
এটি হয়ে উঠছে ন্যায়বিচারের জন্য এক বৃহত্তর লড়াই

এখন দেশের মানুষের দৃষ্টি অন্তর্বর্তী সরকারের দিকে
সরকার কীভাবে এই সংকট মোকাবিলা করে
কীভাবে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করে
এবং কীভাবে মানুষের আস্থা ফেরাতে পারে
সেই দিকেই তাকিয়ে রয়েছে পুরো দেশ

প্রথম এবং প্রধান দাবি হিসেবে ইনকিলাব মঞ্চ জানিয়েছে
ওসমান হাদির খুনি পরিকল্পনাকারী এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত সকলকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে
তাঁদের দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে
এই বিচার অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেই শেষ করতে হবে বলে তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে

ইনকিলাব মঞ্চের বাকি দাবিগুলির মধ্যে দুটি সরাসরি ভারত সম্পর্কিত
সংগঠনটির দাবি অনুযায়ী বাংলাদেশে কর্মরত ভারতীয় নাগরিকদের কাজের অনুমতি বা ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করতে হবে
তাদের যুক্তি অনুযায়ী দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য এই সিদ্ধান্ত প্রয়োজন
তাদের অভিযোগ বাংলাদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বিদেশি প্রভাব বাড়ছে
এতে দেশের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরা হয়েছে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে
ইনকিলাব মঞ্চের বক্তব্য অনুযায়ী
ভারত যদি শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতাদের বাংলাদেশে ফেরত না দেয়
তবে ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করা উচিত
তাদের দাবি এই পদক্ষেপ নিলে আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে

চতুর্থ দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চ সরাসরি বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর দিকে আঙুল তুলেছে
তাদের অভিযোগ গোয়েন্দা সংস্থা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সেনাবাহিনীর মধ্যে আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ বহু ব্যক্তি রয়েছেন
এই ব্যক্তিরা পরস্পরবিরোধী মন্তব্য করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন
সংগঠনটির দাবি এদের চাকরিচ্যুত করে আইনের আওতায় আনতে হবে

news image
আরও খবর

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের জানিয়েছেন
তাদের চার দফা দাবির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল শহিদ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের বিচার
এই বিচার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হবে
একই সঙ্গে বাকি তিনটি দাবিও অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদেই পূরণ করতে হবে

রবিবার রাতেই সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা করা হয়
তবে আন্দোলন যে এখানেই শেষ নয় তা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে
ইনকিলাব মঞ্চ জানিয়েছে নতুন কর্মসূচির কথা
সোমবার দুপুরে ঢাকার শাহবাগ চত্বরে দেশের সমস্ত স্কুল বিশ্ববিদ্যালয় এবং মাদ্রাসার পড়ুয়াদের সমবেত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে

সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে
বিচার না হওয়া পর্যন্ত এই লড়াই চলবে
এই আন্দোলন শুধু একটি সংগঠনের নয় বরং সাধারণ মানুষের ন্যায়ের দাবি

উল্লেখযোগ্য যে গত ডিসেম্বর মাসে ঢাকার রাস্তায় গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন ওসমান হাদি
গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে সরকারি উদ্যোগে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়
কয়েক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তাঁর মৃত্যু হয়
এই ঘটনার পর থেকেই বাংলাদেশে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে

হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য এবং সমর্থকেরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন
বিভিন্ন জায়গায় সংগঠিত গণরোষের ঘটনা ঘটে
একাধিক সরকারি ভবন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং সংবাদপত্রের দফতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়

বাংলাদেশ পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে
তবে এখনও মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম এবং তার সহযোগী আলমগীর শেখ অধরা
এই নিয়েই সাধারণ মানুষের ক্ষোভ আরও বেড়েছে

ঘরে বাইরে প্রবল চাপের মুখে ইউনূস প্রশাসনের ঘোষণার পরেও বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি শান্ত হয়নি
হাদি হত্যার বিচার অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেই সম্পন্ন করা হবে বলে জানানো হলেও ইনকিলাব মঞ্চ তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে
এই অবস্থান থেকেই স্পষ্ট যে সরকারের ঘোষণার উপর পুরোপুরি আস্থা রাখতে পারছে না আন্দোলনকারী সংগঠন এবং সাধারণ মানুষ

ওসমান হাদির মৃত্যু শুধুমাত্র একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নয়
এটি এখন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গভীর সংকেত হয়ে উঠেছে
এই মৃত্যু ঘিরে প্রশ্ন উঠছে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রশাসনিক দায়িত্ব এবং ন্যায়বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে

ইনকিলাব মঞ্চের মতে বিচার ঘোষণায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না
দায়ীদের দ্রুত গ্রেফতার নিশ্চিত করতে হবে
তদন্ত প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ করতে হবে
এবং বিচার যেন রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয় তা নিশ্চিত করা জরুরি

বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে
একদিকে সরকার বলছে বিচার হবে
অন্যদিকে আন্দোলনকারীরা বলছে দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে
এই টানাপোড়েন রাজনৈতিক অস্থিরতাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই আন্দোলন নতুন মাত্রা যোগ করেছে
এখন আর বিষয়টি শুধু একটি হত্যার বিচার চাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই
এটি পরিণত হয়েছে জবাবদিহি এবং রাষ্ট্র পরিচালনার স্বচ্ছতা নিয়ে বৃহত্তর প্রশ্নে

আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বিদেশনীতি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক
বিদেশে আশ্রিত রাজনৈতিক নেতাদের প্রত্যাবর্তন
এবং আন্তর্জাতিক আদালতের সম্ভাব্য ভূমিকা
সব মিলিয়ে বিষয়টি কূটনৈতিক স্তরেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে

একই সঙ্গে প্রশাসনিক কাঠামো নিয়েও প্রশ্ন তুলছে ইনকিলাব মঞ্চ
গোয়েন্দা সংস্থা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হচ্ছে
এই সমস্ত অভিযোগ সরকারকে আরও সতর্ক অবস্থান নিতে বাধ্য করছে

বিশেষজ্ঞদের মতে এই আন্দোলন দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রভাবিত হতে পারে
শিক্ষার্থী সমাজের অংশগ্রহণ
সাংস্কৃতিক সংগঠনের সমর্থন
এবং সাধারণ মানুষের ক্ষোভ একত্রিত হলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার নিতে পারে

ওসমান হাদি একটি নাম নয়
তিনি এখন প্রতীকে পরিণত হয়েছেন
ন্যায়বিচারের প্রতীক
প্রতিবাদের প্রতীক
এবং রাষ্ট্রীয় জবাবদিহির প্রতীক

এই কারণেই তাঁর মৃত্যু ঘিরে আন্দোলন থামছে না
মানুষ চাইছে দৃশ্যমান পদক্ষেপ
কেবল আশ্বাস নয়

বর্তমানে বাংলাদেশ এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দাঁড়িয়ে
এই মোড় থেকে কোন পথে দেশ এগোবে তা নির্ভর করছে সরকারের সিদ্ধান্ত এবং বাস্তব পদক্ষেপের উপর
বিচার প্রক্রিয়া কতটা দ্রুত এবং স্বচ্ছ হয়
দায়ীদের বিরুদ্ধে কতটা কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়
এবং প্রশাসনিক সংস্কারে সরকার কতটা আন্তরিক হয়

এই সমস্ত বিষয়ের উপরই নির্ভর করছে আন্দোলনের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশ
একই সঙ্গে নির্ভর করছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ

এখন দেশবাসীর দৃষ্টি সরকারের দিকে
সরকার কি কেবল প্রতিশ্রুতি দেবে নাকি কার্যকর পদক্ষেপ নেবে
এই প্রশ্নের উত্তরই নির্ধারণ করবে বর্তমান সংকটের পরিণতি

Preview image