শ্রীময়ী চট্টরাজ একজন প্রখ্যাত টেলিভিশন অভিনেত্রী,যিনি নতুন ধারাবাহিকের শুটিংয়ের মাঝে ১৪ ঘণ্টা শুটিং করে কিভাবে তার একমাত্র মেয়ে কৃষভিকে সামলাবেন,তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একজন মায়ের দায়িত্ব পালন এবং পেশাগত জীবনের সমন্বয় করা বেশ কঠিন, তবে শ্রীময়ী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েও নিজের কাজ এবং মাতৃত্বের ভার একসঙ্গে সামলাতে সক্ষম। তিনি জানেন, তার মেয়ে কৃষভি তার জীবনের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার,এবং শুটিংয়ের মাঝে শ্রীময়ী সবসময় একটি পরিকল্পনা তৈরি করে যাতে সে মেয়ে কৃষভির প্রয়োজনীয়তাগুলো পূর্ণ করতে পারে। শুটিংয়ের সময়েও তিনি তার পরিবারের সহযোগিতায় কাজটি আরও সহজ করে তুলেন। তার স্বামী ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা তাকে সহযোগিতা করেন, যাতে মেয়ে কৃষভি যাতে সময়ের কোন ক্ষতি না হয়। তিনি মেয়ে কৃষভির সাথে খেলা, গল্প বলা বা সময় কাটানোর জন্য নির্দিষ্ট সময় বের করেন, যাতে মেয়ে তার মায়ের প্রতি ভালোবাসা অনুভব করতে পারে। তার জীবনের এই সংগ্রাম এবং সময়ের সঠিক ব্যবস্থাপনা শ্রীময়ী চট্টরাজকে একজন সফল মা এবং অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। শ্রীময়ী চট্টরাজের জীবন আমাদের শেখায় যে, কঠিন সময়েও পরিকল্পনা এবং সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ এবং পরিবারের ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব, এবং এটি সফলতার একটি মূল চাবিকাঠি।
নতুন ধারাবাহিকে শ্রীময়ী চট্টরাজ, ১৪ ঘণ্টা শুটিংয়ের মধ্যে কী করে মেয়ে কৃষভিকে সামলাবেন অভিনেত্রী এটি একেবারেই অস্বাভাবিক কোনো কিছুও নয় যে, একজন অভিনেত্রী যখন নতুন ধারাবাহিকের শুটিং শুরু করেন, তখন তাঁর জীবনে এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন আসে। দিনের অধিকাংশ সময়টা শুটিং নিয়ে কাটাতে হয়, কখনও কখনও একটানা ১৪ ঘণ্টাও। তবে এইসব চ্যালেঞ্জের মাঝে শ্রীময়ী চট্টরাজের মতো অভিজ্ঞ এবং প্রতিশ্রুতিশীল অভিনেত্রী যখন শুটিং সেটে থাকেন, তখন তিনি নিজের জীবনের অন্য দিকগুলিও ঠিকভাবে সামলাতে জানেন। নতুন ধারাবাহিকের শুটিং শুরু করার সময় তার জীবনে রয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তার একমাত্র মেয়ে কৃষভি। এবার প্রশ্ন ওঠে, একজন অভিনেত্রী কীভাবে নিজের পেশাগত জীবন এবং মাতৃত্বের দায়িত্বের ভার একসঙ্গে নিতে পারেন? বিশেষত যখন তাকে ১৪ ঘণ্টা শুটিং করতে হয়, সেখানে মেয়ে কৃষভিকে যত্ন নেওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। তবে শ্রীময়ী চট্টরাজ এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে জানেন, এবং তিনি কিভাবে তাঁর কাজ এবং পরিবারের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখেন, তা জানালে সবার জন্যই একটি দৃষ্টান্ত হতে পারে। শ্রীময়ী চট্টরাজ একজন অত্যন্ত অভিজ্ঞ অভিনেত্রী, যিনি বহু বছর ধরে টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছেন। তাঁর অভিনয়ের কেরিয়ার একের পর এক জনপ্রিয় ধারাবাহিকের সাফল্য নিয়ে প্রশংসিত হয়েছে। তবে একটি অভিনয় জীবনের পাশাপশি তার ব্যক্তিগত জীবনেও রয়েছে নানা চ্যালেঞ্জ। বিশেষত যখন সন্তান থাকেন, তখন মায়ের ভূমিকা গ্রহণ করা আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। শ্রীময়ী জানেন, কাজের জন্য তাকে অনেক সময় বাড়ির বাইরে থাকতে হয়, কিন্তু তার সন্তান কৃষভি তার কাছে সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার। কাজের প্রতি তাঁর প্রতিশ্রুতি এবং সন্তানের প্রতি তার দায়িত্ব পালন করা, এটি একধরনের মায়ের সংগ্রাম। এমনকি ১৪ ঘণ্টার শুটিংয়ের জন্য যখন তাঁকে দীর্ঘ সময়ের জন্য শুটিং সেটে থাকতে হয়, তখন তিনি একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করেন যাতে তিনি তাঁর মেয়ে কৃষভির প্রয়োজনীয়তাগুলো পূরণ করতে পারেন। অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজের একটি গভীর বিশ্বাস রয়েছে—একজন মা হিসাবে তাকে তার কাজের পাশাপাশি সন্তানকে পুরোপুরি সময় দেওয়া উচিত। শ্রীময়ী চট্টরাজ জানান যে, অভিনয় জীবন ও মাতৃত্বের মধ্যে সঠিক সমন্বয় বজায় রাখাটা বেশ কঠিন, কিন্তু এটা সম্ভব। শুটিংয়ের সময় যখন তিনি পুরোপুরি একাগ্র হয়ে কাজ করেন, তখন তার পরিবারের অন্য সদস্যরা, বিশেষ করে তার স্বামী, তাকে সহযোগিতা করেন। তিনি মেয়েকে স্কুল থেকে নিয়ে আসেন, খাবার দেন এবং তার সকল প্রয়োজনীয়তার দিকে লক্ষ্য রাখেন। এছাড়া, শ্রীময়ী সবসময় তাঁর মেয়ে কৃষভির জন্য সময় বের করার চেষ্টা করেন। যখন সে বাড়িতে থাকে, তখন মা-বাবা মিলিয়ে তার সাথে খেলা, গল্প বলা বা পার্কে নিয়ে যাওয়ার জন্য সময় বের করেন। এটি তার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, কারণ তিনি চান যে তাঁর মেয়ে যাতে তার মায়ের প্রতি বিশ্বাস এবং ভালোবাসা অনুভব করতে পারে। এছাড়া, তিনি তাঁর সন্তানকে শিখানোর জন্য নির্দিষ্ট সময়ও বের করেন, যাতে শুটিংয়ের পর তাকে কিছুটা সময় দিতে পারেন। এভাবে তার কাজ এবং মায়ের দায়িত্ব একসঙ্গে চলতে থাকে। এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট, যে শ্রীময়ী চট্টরাজ একা একা কাজ এবং মাতৃত্বের দায়িত্ব পালন করতে পারতেন না। এর জন্য তাঁকে পরিবারের সহযোগিতা প্রয়োজন। মেয়ে কৃষভিকে সামলানোর ক্ষেত্রে তার স্বামী এবং শ্রীময়ীর পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা তাকে সর্বদা সহায়তা প্রদান করেন। এর মাধ্যমে, তিনি তার শুটিংয়ের সময়ও তার মেয়ে কৃষভির সমস্ত প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে পারেন এবং সন্তানকে তার সর্বোত্তম মনোযোগ দিতে পারেন। এছাড়া, তাঁর শুটিং শিডিউলও পরিবারের সঙ্গে কথা বলে রাখা হয়, যাতে মেয়ের সময়ের প্রতি কোনোরকম ক্ষতি না হয়। একাধিকবার শ্রীময়ী চট্টরাজ তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টেও তার পরিবার এবং তাদের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেছেন। এটি বলা যায় যে, শ্রীময়ী চট্টরাজের জীবনে কাজ এবং মাতৃত্বের সমন্বয় একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনেকেই মনে করেন যে, একজন অভিনেত্রী শুধু তার পেশাগত জীবনের মধ্যেই বন্দী থাকতে পারেন, কিন্তু শ্রীময়ী তার জীবনে সঠিক ভারসাম্য বজায় রেখেছেন। তিনি একদিকে তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করছেন, অন্যদিকে তার সন্তানের প্রতি যথাযথ দায়িত্ব পালন করছেন। এটা সবার জন্য একটি শিক্ষার বিষয় যে, সফলতা শুধুমাত্র একটি দিক থেকে অর্জিত হয় না, বরং একজন ব্যক্তি যদি পরিপূর্ণভাবে তার জীবনের সব দিকগুলিকে গুরুত্ব দিয়ে চলতে পারেন, তবেই তা প্রকৃত সফলতা। শ্রীময়ী চট্টরাজ তার কাজের প্রতি নিষ্ঠা এবং তার পরিবারের প্রতি ভালোবাসা দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন, কীভাবে একটি পুর্নাঙ্গ জীবন যাপন করা যায়।অবশেষে, শ্রীময়ী চট্টরাজের জীবন আমাদের শেখায় যে, জীবনে চ্যালেঞ্জ আসবেই। তবে, যদি আপনি নিজের পরিবারকে ভালোবাসেন এবং তাদের জন্য কিছু করতে চান, তবে কঠিন সময়েও সঠিক পরিকল্পনা এবং ভালো সহায়তার মাধ্যমে সবকিছু সামলানো সম্ভব। এটাই শ্রীময়ী চট্টরাজের জীবন দর্শন—একজন মা হিসেবে তার দায়িত্ব এবং একজন অভিনেত্রী হিসেবে তার কাজ, দুটি বিষয়ই সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর জীবন প্রতিদিনের সংগ্রাম এবং তার মেয়ের প্রতি ভালোবাসা এবং তার কাজের প্রতি নিষ্ঠার উদাহরণ হতে পারে।শ্রীময়ী চট্টরাজ একজন প্রখ্যাত টেলিভিশন অভিনেত্রী, যিনি নতুন ধারাবাহিকের শুটিংয়ের মাঝে ১৪ ঘণ্টা শুটিং করে কিভাবে তার একমাত্র মেয়ে কৃষভিকে সামলাবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একজন মায়ের দায়িত্ব পালন এবং পেশাগত জীবনের সমন্বয় করা বেশ কঠিন, তবে শ্রীময়ী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েও নিজের কাজ এবং মাতৃত্বের ভার একসঙ্গে সামলাতে সক্ষম। তিনি জানেন, তার মেয়ে কৃষভি তার জীবনের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার, এবং শুটিংয়ের মাঝে শ্রীময়ী সবসময় একটি পরিকল্পনা তৈরি করে যাতে সে মেয়ে কৃষভির প্রয়োজনীয়তাগুলো পূর্ণ করতে পারে। শুটিংয়ের সময়েও তিনি তার পরিবারের সহযোগিতায় কাজটি আরও সহজ করে তুলেন। তার স্বামী ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা তাকে সহযোগিতা করেন, যাতে মেয়ে কৃষভি যাতে সময়ের কোন ক্ষতি না হয়। তিনি মেয়ে কৃষভির সাথে খেলা, গল্প বলা বা সময় কাটানোর জন্য নির্দিষ্ট সময় বের করেন, যাতে মেয়ে তার মায়ের প্রতি ভালোবাসা অনুভব করতে পারে। তার জীবনের এই সংগ্রাম এবং সময়ের সঠিক ব্যবস্থাপনা শ্রীময়ী চট্টরাজকে একজন সফল মা এবং অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। শ্রীময়ী চট্টরাজের জীবন আমাদের শেখায় যে, কঠিন সময়েও পরিকল্পনা এবং সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ এবং পরিবারের ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব, এবং এটি সফলতার একটি মূল চাবিকাঠি।একজন অভিনেত্রী হিসেবে শ্রীময়ী জানেন, কাজের জন্য তাকে অনেক সময় বাড়ির বাইরে থাকতে হয়, তবে সে কখনও তার মেয়ে কৃষভির প্রয়োজনীয়তা ও যত্ন নিয়ে কোনো ছাড় দেয় না। যখন তার দীর্ঘ শুটিংয়ের সময় হয়, তখন তিনি শুটিংয়ের সাথে সাথে তার মেয়ে কৃষভির সময় ও যত্নের ব্যাপারে কঠোর পরিকল্পনা তৈরি করেন। তিনি জানেন, মাতৃত্বের জন্য তাকে কাজের মাঝেও নির্দিষ্ট সময় বের করতে হবে, যাতে তার মেয়ে তার মায়ের প্রতি ভালোবাসা এবং দৃষ্টান্ত অনুভব করতে পারে।শ্রীময়ী চট্টরাজ একা একা কাজ এবং মাতৃত্বের দায়িত্ব পালন করতে পারেন না। এর জন্য তাকে তার পরিবারের সাহায্য প্রয়োজন। তার স্বামী এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা তাকে সর্বদা সহযোগিতা করেন, যাতে শ্রীময়ী তার কাজ এবং মায়ের দায়িত্ব একসাথে পালন করতে পারেন। তাঁর স্বামী বিশেষভাবে মেয়ে কৃষভিকে স্কুল থেকে নিয়ে আসা, খাবার দেওয়া এবং তার দৈনন্দিন প্রয়োজনগুলো পূরণ করতে সাহায্য করেন। এর ফলে, শ্রীময়ী তার শুটিং শিডিউল মেনে চলতে পারেন এবং একই সাথে তার মেয়ে কৃষভির সব চাহিদা পূরণ করতে পারেন।এছাড়া, তার পরিবারের সদস্যরা, বিশেষ করে শ্রীময়ীর মা এবং শ্বাশুড়ি, তাকে সাহায্য করেন যখন শ্রীময়ী শুটিং সেটে ব্যস্ত থাকেন। একে অপরকে সহযোগিতা করেই শ্রীময়ী তার জীবনের সব দিককে সঠিকভাবে সামলাতে পারেন।