Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে ফের ডেকে পাঠাল ইউনূস সরকারের বিদেশ মন্ত্রক দশ দিনের মধ্যে দ্বিতীয় বার বাড়ছে চাপানউতর

গত ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক ভারতীয় রাষ্ট্রদূত প্রণয় বর্মাকে ডেকে পাঠিয়েছিল। সেই ঘটনার মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই আবারও ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়েছে। এতে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে

ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে ফের ডেকে পাঠাল ইউনূস সরকারের বিদেশ মন্ত্রক দশ দিনের মধ্যে দ্বিতীয় বার বাড়ছে চাপানউতর
International Relations

ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় বর্মাকে ফের ডেকে পাঠাল বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। মঙ্গলবার সকালে ঢাকার বিদেশ মন্ত্রকে তাঁকে তলব করা হয়। গত দশ দিনের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার প্রণয় বর্মাকে ডেকে পাঠাল মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছিল। অল্প সময়ের ব্যবধানে একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ায় ভারত বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনার আবহ তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারকে কেন ফের তলব করা হল সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তবে সাম্প্রতিক কয়েক দিনে দুই দেশের মধ্যে যে কূটনৈতিক টানাপড়েন তৈরি হয়েছে তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন হিসেবে এই ঘটনাকে দেখছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। সীমান্ত পরিস্থিতি ভিসা পরিষেবা এবং কূটনৈতিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত নানা বিষয়কে কেন্দ্র করে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক ক্রমশ সংবেদনশীল হয়ে উঠছে।

নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশে অবস্থিত একাধিক ভারতীয় ভিসা আবেদনকেন্দ্র সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় নয়াদিল্লি। ঢাকায় ভিসা পরিষেবা সীমিত করার পাশাপাশি রাজশাহী খুলনা এবং চট্টগ্রামে ভিসা আবেদনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভারতের তরফে জানানো হয় যে কূটনৈতিক দফতর এবং কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক অস্বস্তি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বাংলাদেশের বিভিন্ন মহলে এই পদক্ষেপ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। সাধারণ নাগরিকদের মধ্যেও ভিসা পরিষেবা বন্ধ হওয়ায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। চিকিৎসা শিক্ষা ব্যবসা এবং পারিবারিক প্রয়োজনে বহু বাংলাদেশি নাগরিক নিয়মিত ভারত যাতায়াত করেন। ফলে ভিসা কেন্দ্র বন্ধ থাকায় তাঁদের ভোগান্তি বাড়ে।

ভারতের সিদ্ধান্তের পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবেই বাংলাদেশও দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। এক রাতের মধ্যে দিল্লিতে বাংলাদেশের ভিসা আবেদনকেন্দ্র অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে শিলিগুড়ি এবং আগরতলায় অবস্থিত বাংলাদেশি ভিসা কেন্দ্র সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশেষ করে শিলিগুড়িতে ভিসা কেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভের ঘটনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা যায়।

এই পরিস্থিতির মধ্যেই ঢাকার বিদেশ মন্ত্রকে ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব করা হয়। কূটনৈতিক মহলের মতে এই তলবের মাধ্যমে বাংলাদেশ তাদের অসন্তোষ এবং অবস্থান স্পষ্ট করতে চেয়েছে। যদিও আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।

সম্প্রতি বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া এক যুবক হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করেও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। ওই ঘটনার প্রতিবাদে দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ হয়। এই বিক্ষোভ নিয়ে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক একটি বিবৃতি প্রকাশ করে জানায় যে বিক্ষোভ হলেও কেউই বাংলাদেশের কূটনৈতিক দফতরের ভিতরে প্রবেশ করেননি। ভারতের মতে কিছু সংবাদমাধ্যম এই ঘটনাকে অতিরঞ্জিত ভাবে উপস্থাপন করেছে।

অন্য দিকে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দাবি করেছে যে ভারত সরকার বিষয়টিকে হালকা করে দেখানোর চেষ্টা করছে। বাংলাদেশের মতে কূটনৈতিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলিকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এই মতপার্থক্যই দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপড়েন আরও বাড়িয়ে তুলছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক ভাবে গভীর এবং বহুমাত্রিক। মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে অর্থনীতি সংস্কৃতি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পর্যন্ত নানা ক্ষেত্রে দুই দেশ একে অপরের উপর নির্ভরশীল। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির কারণে এই সম্পর্কে কিছুটা চাপ তৈরি হয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে দুই দেশের পক্ষেই সংযম এবং কূটনৈতিক পরিপক্বতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সীমান্ত নিরাপত্তা বাণিজ্য যোগাযোগ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পারস্পরিক সহযোগিতার বিকল্প নেই। কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা এবং বোঝাপড়ার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা গেলে উত্তেজনা কমানো সম্ভব বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সব মিলিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারকে ফের ডেকে পাঠানো এবং ভিসা কেন্দ্র বন্ধের ঘটনাগুলি স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক বর্তমানে একটি সংবেদনশীল পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আগামী দিনে এই সম্পর্ক কোন দিকে এগোবে তা অনেকটাই নির্ভর করবে দুই দেশের নেতৃত্বের কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত পারস্পরিক সম্মান এবং আলোচনার সদিচ্ছার উপর।

ভারত প্রথমে ঢাকায় অবস্থিত ভিসা আবেদনকেন্দ্রের কার্যক্রম সীমিত করে। তার পরে পর্যায়ক্রমে রাজশাহী খুলনা এবং চট্টগ্রামের ভিসা আবেদনকেন্দ্র অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভারতের দাবি ছিল বাংলাদেশে ভারতীয় কূটনৈতিক দফতর এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কিছু রাজনৈতিক নেতার ভারতবিরোধী মন্তব্য এবং কূটনৈতিক দফতরের আশপাশে অশান্ত পরিস্থিতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বাংলাদেশের তরুণ নেতা ওসমান হাদির মৃত্যুর ঘটনার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ওই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে বিক্ষোভ শুরু হয় এবং কিছু ক্ষেত্রে ভারতের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ পায়। ভারতীয় হাইকমিশন এবং উপহাইকমিশনের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এই আবহেই ভারত ভিসা কেন্দ্রগুলি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বলে জানায় নয়াদিল্লি।

এই সিদ্ধান্তের পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবেই সোমবার এক রাতের মধ্যে বাংলাদেশ ভারতে অবস্থিত তিনটি ভিসা কেন্দ্র বন্ধ করে দেয়। দিল্লিতে বাংলাদেশের ভিসা আবেদনকেন্দ্র অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে শিলিগুড়ি এবং আগরতলার ভিসা কেন্দ্র সাময়িক ভাবে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় ঢাকা। বিশেষ করে শিলিগুড়িতে ভিসা কেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভের ঘটনা ঘটার পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা যায়।

news image
আরও খবর

ভিসা কেন্দ্র বন্ধ হওয়ার পরের দিনই অর্থাৎ মঙ্গলবার সকালে ঢাকার বিদেশ মন্ত্রকে ভারতীয় হাইকমিশনারকে ডেকে পাঠানোয় ঘটনার গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে এই তলবের মাধ্যমে বাংলাদেশ তাদের অসন্তোষ স্পষ্ট করতে চেয়েছে। যদিও আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

এই উত্তেজনার মধ্যেই ময়মনসিংহে এক যুবক হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ হয়। ওই বিক্ষোভকে ঘিরে বাংলাদেশি কিছু সংবাদমাধ্যমে উত্তেজক খবর প্রকাশিত হয় বলে দাবি করে ভারত। এ নিয়ে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক একটি বিবৃতি প্রকাশ করে জানায় যে বিক্ষোভ হলেও কেউই বাংলাদেশের কূটনৈতিক দফতরের ভিতরে প্রবেশ করেননি। ভারতের বক্তব্য ছিল ঘটনাকে অতিরঞ্জিত করে দেখানো হয়েছে।

তবে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দাবি করে যে ভারত সরকার বিষয়টিকে সরলীকরণ করার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশের মতে এই ঘটনাগুলিকে হালকা ভাবে দেখানোর সুযোগ নেই এবং কূটনৈতিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েই দেখা উচিত। এই মতবিরোধই দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক চাপানউতরকে আরও জোরালো করেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক ভাবে ঘনিষ্ঠ হলেও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির কারণে সম্পর্কে কিছুটা টান ধরেছে। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা রয়েছে। সেই অস্থিরতার প্রভাব কূটনৈতিক সম্পর্কেও পড়ছে বলে মনে করছেন অনেকেই।

ভিসা কেন্দ্র বন্ধ হওয়া সাধারণ মানুষের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। চিকিৎসা শিক্ষা ব্যবসা এবং পারিবারিক কারণে বহু মানুষ নিয়মিত ভারত যাতায়াত করেন। ভিসা পরিষেবা বন্ধ থাকায় সাধারণ নাগরিকদের ভোগান্তি বাড়ছে। দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে উদ্বেগ এবং অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে।

কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা এবং সমাধানের পথ খোঁজা এখন দুই দেশের জন্যই জরুরি হয়ে উঠেছে। ভারত বারবার জানিয়েছে তারা বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। একই সঙ্গে নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনও আপস করা হবে না বলেও স্পষ্ট করেছে নয়াদিল্লি। অন্য দিকে বাংলাদেশও তাদের সার্বভৌমত্ব এবং কূটনৈতিক মর্যাদা রক্ষার বিষয়ে অনড় অবস্থানে রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় হাইকমিশনারকে ডেকে পাঠানোর ঘটনাকে শুধুমাত্র একটি নিয়মিত কূটনৈতিক প্রক্রিয়া হিসেবে দেখছেন না আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা
বরং এই পদক্ষেপকে ভারত বাংলাদেশ সম্পর্কের বর্তমান জটিল বাস্তবতার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে
দুই দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে যে অবিশ্বাস এবং অস্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে তারই একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত এই তলব

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সীমান্ত নিরাপত্তা ভিসা পরিষেবা এবং কূটনৈতিক সুরক্ষা সংক্রান্ত নানা ঘটনায় উত্তেজনা ধীরে ধীরে বেড়েছে
এই আবহে হাইকমিশনারকে তলব করার বিষয়টি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে
কূটনৈতিক মহলের মতে এই ধরনের ঘটনা সাধারণত তখনই ঘটে যখন আলোচনার টেবিলে অসন্তোষ জমে ওঠে

বর্তমান প্রেক্ষাপটে দুই দেশের সংযম এবং দায়িত্বশীল আচরণ অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে
ভারত এবং বাংলাদেশ শুধু প্রতিবেশী রাষ্ট্র নয়
ইতিহাস সংস্কৃতি অর্থনীতি এবং মানবিক যোগাযোগের মাধ্যমে তারা গভীরভাবে যুক্ত
এই সম্পর্কের উপর নির্ভর করে সীমান্ত এলাকার স্থিতিশীলতা বাণিজ্যিক গতিশীলতা এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা

সীমান্ত নিরাপত্তা একটি সংবেদনশীল বিষয়
এই ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা না থাকলে সমস্যা আরও জটিল হতে পারে
একই ভাবে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ব্যাহত হলে দুই দেশের ব্যবসায়ী মহল এবং শ্রমজীবী মানুষ ক্ষতির মুখে পড়বেন
ভ্রমণ এবং চিকিৎসা শিক্ষার মতো ক্ষেত্রেও ভিসা পরিষেবার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

দীর্ঘমেয়াদে যদি কূটনৈতিক টানাপড়েন চলতে থাকে তবে তার প্রভাব শুধু দ্বিপাক্ষিক স্তরে সীমাবদ্ধ থাকবে না
পুরো দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের উপর এর প্রভাব পড়তে পারে
আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা শান্তি এবং উন্নয়নের জন্য ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি

এই কারণেই কূটনৈতিক মহল আশাবাদী যে আলোচনার মাধ্যমেই উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করা হবে
উভয় দেশের নেতৃত্ব যদি বাস্তবতা উপলব্ধি করে সংলাপের পথ বেছে নেয়
তবে ভুল বোঝাবুঝি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব

সব মিলিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারকে ফের তলব করা এবং ভিসা কেন্দ্র বন্ধের মতো ঘটনাগুলি একটি সতর্ক সংকেত দিচ্ছে
এটি স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক এখন একটি সংবেদনশীল পর্যায়ের মধ্যে দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে
আগামী দিনে এই সম্পর্ক কোন পথে যাবে তা নির্ভর করবে কূটনৈতিক দূরদর্শিতা পারস্পরিক সম্মান এবং গঠনমূলক সিদ্ধান্তের উপর

Preview image