নাগাল্যান্ড ও উত্তরাখণ্ডের পর রাজস্থানকেও হারিয়ে টানা তিন জয়ে সন্তোষ ট্রফির কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেল বাংলা।
শেষ মুহূর্তের গোলেই বাজিমাত: হ্যাটট্রিক জয়ে সন্তোষ ট্রফির কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলা
সন্তোষ ট্রফিতে বাংলার জয়রথ থামছেই না। টানা তিন ম্যাচ জিতে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট সংগ্রহ করে অনায়াসেই কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেল সঞ্জয় সেনের দল। প্রথম ম্যাচে নাগাল্যান্ডকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে দ্বিতীয় ম্যাচে উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে কঠিন লড়াইয়ে ১-০ জয় — গ্রুপ পর্বে বাংলা আগেই নিজেদের শক্তির পরিচয় দিয়েছিল। কিন্তু রবিবার রাজস্থানের বিরুদ্ধে ম্যাচটা ছিল সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা। শেষ পর্যন্ত ৮৯ মিনিটের মাথায় বদলি খেলোয়াড় সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোলে জয় নিশ্চিত করে বাংলা।
এই ম্যাচে শুধু তিন পয়েন্টই পায়নি বাংলা, বরং আরও একবার প্রমাণ করেছে — সঞ্জয় সেনের দল কেবল আক্রমণেই নয়, রক্ষণ ও ম্যাচ নিয়ন্ত্রণেও কতটা পরিণত হয়ে উঠেছে। তিন ম্যাচে ৬ গোল করে একটিও গোল না খেয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা নিঃসন্দেহে আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর মতো সাফল্য।
এই প্রতিবেদনে আমরা জানব:
✔ গ্রুপ পর্বে বাংলার ম্যাচ-টু-ম্যাচ পারফরম্যান্স
✔ রাজস্থানের বিরুদ্ধে ম্যাচের ট্যাকটিক্যাল বিশ্লেষণ
✔ সঞ্জয় সেনের কৌশল ও বদলির ভূমিকা
✔ গোলরক্ষক সোমনাথ দত্তের অনবদ্য পারফরম্যান্স
✔ বাংলার রক্ষণভাগের শক্ত ভিত
✔ কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলার সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ
গ্রুপ পর্বে বাংলার দুরন্ত যাত্রা
সন্তোষ ট্রফির গ্রুপ পর্বে বাংলা এমন এক গ্রুপে পড়েছিল যেখানে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের অভাব ছিল না। নাগাল্যান্ড, উত্তরাখণ্ড এবং রাজস্থান — তিনটি দলই নিজেদের রাজ্যের ফুটবলে দ্রুত উন্নতি করছে। কিন্তু প্রথম ম্যাচ থেকেই সঞ্জয় সেনের ছেলেরা বুঝিয়ে দেয়, তারা এই গ্রুপে শুধু অংশগ্রহণ করতে আসেনি, এসেছে শীর্ষস্থান নিশ্চিত করতেই।
প্রথম ম্যাচ: বাংলা ৪–০ নাগাল্যান্ড
গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে নাগাল্যান্ডের বিরুদ্ধে একতরফা আধিপত্য দেখায় বাংলা। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেন রবি হাঁসদা, করণ রাইরা। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে উইং প্লে — সব বিভাগেই নাগাল্যান্ডের উপর চাপে রাখে বাংলা। ফলাফল, ৪-০ গোলের বড় জয়।
এই ম্যাচেই স্পষ্ট হয়ে যায় — বাংলা এবার শুধু সংগঠিত নয়, গোল করার দিক থেকেও ভয়ঙ্কর।
দ্বিতীয় ম্যাচ: বাংলা ১–০ উত্তরাখণ্ড
দ্বিতীয় ম্যাচে উত্তরাখণ্ড ছিল অনেক বেশি সংগঠিত ও রক্ষণে শক্তিশালী। এই ম্যাচে সহজে সুযোগ তৈরি করতে পারেনি বাংলা। তবে অভিজ্ঞতা ও ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়ে শেষ পর্যন্ত ১-০ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় রবি হাঁসদার দল।
এই ম্যাচের মাধ্যমে বাংলা বুঝে যায় — গ্রুপের বাকি ম্যাচগুলো সহজ হবে না। প্রতিপক্ষরা কেবল রক্ষণাত্মক নয়, সুযোগ পেলেই প্রতি-আক্রমণে ভয় ধরাতে পারে।
রাজস্থানের বিরুদ্ধে ম্যাচ: সবচেয়ে বড় পরীক্ষা
রবিবারের ম্যাচটা ছিল কার্যত গ্রুপ পর্বের ফাইনাল। কারণ, এই ম্যাচে জয় পেলেই নিশ্চিত কোয়ার্টার ফাইনাল। রাজস্থান আগের দুই ম্যাচেই শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে এবং তাদের রক্ষণভাগ ছিল যথেষ্ট সংগঠিত।
এছাড়া, গতবারের সন্তোষ ট্রফিতেও গ্রুপ পর্বে রাজস্থানের বিরুদ্ধে খেলেছিল বাংলা। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই সঞ্জয় সেন জানতেন — রাজস্থানের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত আক্রমণাত্মক খেললে বিপদ ডেকে আনা হতে পারে। তাই এই ম্যাচে তিনি বেছে নেন একটু ভিন্ন কৌশল।
ট্যাকটিক্স: প্রতি-আক্রমণের উপর ভরসা
রাজস্থানের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই প্রতি-আক্রমণের কৌশল নেয় বাংলা। বল পায়ে রেখে আক্রমণ সাজানোর বদলে, মাঝমাঠে ব্লক তৈরি করে দ্রুত উইং দিয়ে আক্রমণে ওঠার পরিকল্পনা করেন সঞ্জয় সেন।
এই ম্যাচে প্রথম একাদশে ছিলেন না বাংলার নির্ভরযোগ্য স্ট্রাইকার উত্তম হাঁসদা। পরিবর্তে সামনে ছিলেন রবি হাঁসদা ও করণ রাই। মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণে ছিলেন সৌরভ মণ্ডল ও অভিজিৎ হালদাররা। রক্ষণে ছিলেন আগের দুই ম্যাচের মতোই পরীক্ষিত জুটি।
প্রথমার্ধে দুই দলই বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও কেউই গোল করতে পারেনি। রাজস্থান কয়েকবার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল, কিন্তু প্রতিবারই বাধা হয়ে দাঁড়ান বাংলার গোলরক্ষক সোমনাথ দত্ত।
গোলরক্ষক সোমনাথ দত্ত: বাংলার অদৃশ্য নায়ক
এই ম্যাচে বাংলার জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন গোলরক্ষক সোমনাথ দত্ত। প্রথমার্ধেই রাজস্থান দুইবার প্রায় নিশ্চিত গোলের সুযোগ পেয়েছিল। একবার ডান প্রান্ত থেকে আসা শটে দুর্দান্ত রিফ্লেক্স সেভ করেন সোমনাথ। আরেকবার কর্নার থেকে আসা হেডে ঝাঁপিয়ে পড়ে বল লাইন থেকে সরিয়ে দেন তিনি।
পুরো গ্রুপ পর্বে একটিও গোল না খাওয়ার পিছনে সোমনাথের ভূমিকা অপরিসীম। শুধু শট থামানো নয়, রক্ষণভাগকে সংগঠিত রাখা, কর্নার ও ফ্রি-কিকের সময় সঠিক নির্দেশ দেওয়া — সব মিলিয়ে একজন আধুনিক গোলরক্ষকের মতোই নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধে বদল এবং ম্যাচের মোড় ঘোরা
দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হওয়ার পর সঞ্জয় সেন বুঝতে পারেন — শুধু প্রতি-আক্রমণে ভর করে গোল পাওয়া কঠিন হবে। রাজস্থান তখন আরও সাবধানী হয়ে উঠেছে। মাঝমাঠে বলের দখল বাড়াচ্ছে তারা।
এই পরিস্থিতিতে ৬৫ মিনিটের মাথায় সঞ্জয় সেন সিদ্ধান্ত নেন — বদলি হিসেবে নামান সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। নরহরি শ্রেষ্ঠ ও সায়ন — দুইজনই শুরুতে প্রথম একাদশে ছিলেন না। তবে সঞ্জয় জানতেন, শেষ দিকে ম্যাচ খুলে দেওয়ার ক্ষমতা এই দুই ফুটবলারেরই আছে।
সায়ন নামার পরই আক্রমণে নতুন গতি আসে বাংলার খেলায়। বাঁ দিক দিয়ে তাঁর দৌড়, দ্রুত পাস আদান-প্রদান এবং ডিফেন্সের পিছনে বল পাঠানোর দক্ষতা রাজস্থানের রক্ষণভাগকে চাপে ফেলে দেয়।
৮৯ মিনিটের নাটকীয় গোল
ম্যাচ যখন প্রায় ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছে, তখনই আসে সেই মুহূর্ত — যা পুরো ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেয়।
৮৯ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে একটি দ্রুত পাস পান করণ রাই। তিনি ডান প্রান্তে দৌড়াতে থাকা সায়নের দিকে বল বাড়িয়ে দেন। রাজস্থানের ডিফেন্ডাররা তখন অবস্থান ঠিক করতে ব্যস্ত। সায়ন প্রথম টাচেই বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বক্সের ভিতরে ঢুকে পড়েন। সামনে বেরিয়ে আসা গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে নিখুঁত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন।
গোলের সঙ্গে সঙ্গে বেঞ্চ থেকে ছুটে আসেন সতীর্থরা। সঞ্জয় সেনের মুখেও তখন প্রশান্তির হাসি। কারণ, এই গোল শুধু ম্যাচ জেতায়নি — বাংলাকে নিশ্চিতভাবে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে দিয়েছে।
পরিসংখ্যান বলছে বাংলার আধিপত্য
গ্রুপ পর্বে বাংলার পারফরম্যান্স পরিসংখ্যানের ভাষায়ও চোখে পড়ার মতো:
✔ ম্যাচ: ৩
✔ জয়: ৩
✔ গোল: ৬
✔ গোল খাওয়া: ০
✔ ক্লিন শিট: ৩
✔ পয়েন্ট: ৯
এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে — বাংলা শুধু ম্যাচ জিতছে না, বরং নিয়ন্ত্রিত ও ভারসাম্যপূর্ণ ফুটবল খেলছে।
রক্ষণভাগ: বাংলার সবচেয়ে বড় শক্তি
এই সন্তোষ ট্রফিতে বাংলার সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে উঠেছে তাদের রক্ষণভাগ। তিন ম্যাচে একটিও গোল না খাওয়া কোনও কাকতালীয় ঘটনা নয়।
রক্ষণভাগে:
✔ সেন্টার ব্যাকে দৃঢ় উপস্থিতি
✔ ফুলব্যাকদের দ্রুত ট্র্যাকব্যাক
✔ মাঝমাঠের ডিফেন্সিভ স্ক্রিন
✔ গোলরক্ষকের আত্মবিশ্বাস
সব মিলিয়ে বাংলা একটি সুসংগঠিত ডিফেন্স ইউনিট হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নকআউট পর্বে যেখানে একটি গোলেই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যায়, সেখানে এমন শক্ত রক্ষণভাগই বড় অস্ত্র হতে পারে।
সঞ্জয় সেনের কোচিং দর্শন
সঞ্জয় সেন ভারতীয় ফুটবলে পরিচিত একটি নাম। মোহনবাগানকে আই-লিগ জেতানো থেকে শুরু করে বহু তরুণ ফুটবলার গড়ে তোলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।
এই সন্তোষ ট্রফিতে তাঁর কোচিং দর্শনের কয়েকটি দিক স্পষ্ট হয়ে উঠেছে:
✔ প্রতিপক্ষ অনুযায়ী কৌশল বদল
✔ ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে সময়মতো বদলি
✔ তরুণ ও অভিজ্ঞ ফুটবলারদের ভারসাম্য
✔ রক্ষণকে ভিত্তি করে আক্রমণ গড়ে তোলা
রাজস্থানের বিরুদ্ধে সায়নকে বদলি হিসেবে নামানোর সিদ্ধান্তই তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ। সেই একটি বদলই ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দিয়েছে।
রবি হাঁসদা ও করণ রাই: আক্রমণের মেরুদণ্ড
যদিও রাজস্থানের বিরুদ্ধে গোল পাননি, তবু রবি হাঁসদা ও করণ রাই পুরো ম্যাচ জুড়েই রাজস্থানের রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রেখেছেন।
রবি হাঁসদা:
✔ বল ধরে রাখার দক্ষতা
✔ উইংয়ে জায়গা তৈরি করা
✔ মাঝমাঠের সঙ্গে সংযোগ তৈরি
করণ রাই:
✔ দ্রুত দৌড়
✔ ডিফেন্সের পিছনে বল নেওয়ার ক্ষমতা
✔ সতীর্থদের জন্য জায়গা তৈরি করা
এই দুইয়ের সমন্বয়ই বাংলার আক্রমণভাগকে গতিশীল করে তুলেছে।
উত্তম হাঁসদার অনুপস্থিতি ও দলের গভীরতা
এই ম্যাচে প্রথম একাদশে ছিলেন না বাংলার অন্যতম স্ট্রাইকার উত্তম হাঁসদা। তবু তাঁর অনুপস্থিতিতে দলের পারফরম্যান্সে কোনও বড় প্রভাব পড়েনি — বরং এটি প্রমাণ করেছে যে সঞ্জয় সেনের স্কোয়াডে রয়েছে পর্যাপ্ত গভীরতা।
এই গভীরতাই নকআউট পর্বে বাংলার সবচেয়ে বড় সম্পদ হতে পারে।
রাজস্থানের শক্ত প্রতিরোধ
এই ম্যাচে রাজস্থানও যথেষ্ট সংগঠিত ফুটবল খেলেছে। বিশেষ করে তাদের মাঝমাঠের প্রেসিং এবং দ্রুত প্রতি-আক্রমণ বাংলাকে বারবার সমস্যায় ফেলেছে।
প্রথমার্ধে রাজস্থানের একটি হেড এবং একটি লং-রেঞ্জ শট নিশ্চিত গোলের মতোই মনে হয়েছিল। কিন্তু সোমনাথ দত্তের দৃঢ়তায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
রাজস্থানের কোচ ম্যাচ শেষে বলেন,
“আমরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ম্যাচে ছিলাম। কিন্তু একটি ছোট ভুলের খেসারত দিতে হয়েছে।”
নকআউটের আগে আত্মবিশ্বাসের জোয়ার
টানা তিন ম্যাচে জয় এবং কোনও গোল না খাওয়ার আত্মবিশ্বাস নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখছে বাংলা। এই মুহূর্তে দল মানসিকভাবে যেমন শক্ত, তেমনই ট্যাকটিক্যাল দিক থেকেও প্রস্তুত।
বিশেষজ্ঞদের মতে:
✔ নকআউটে প্রথম গোল পাওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
✔ বাংলা সেই চাপ সামলাতে পারবে
✔ রক্ষণভাগের দৃঢ়তা বড় ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেবে
কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলার সম্ভাবনা
এখন প্রশ্ন — কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলার সামনে কী চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে?
সম্ভাব্য প্রতিপক্ষরা:
✔ শক্তিশালী উত্তর-পূর্বের দল
✔ অভিজ্ঞ দক্ষিণী দল
✔ হোস্ট রাজ্য দল
তবে যে কোনও প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধেই বাংলার হাতে রয়েছে:
✔ সংগঠিত রক্ষণ
✔ দ্রুত প্রতি-আক্রমণ
✔ বেঞ্চের শক্তি
✔ অভিজ্ঞ কোচিং
সব মিলিয়ে বাংলা এবার ট্রফির অন্যতম দাবিদার বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশেষজ্ঞরা।
সন্তোষ ট্রফির ইতিহাসে বাংলার অবস্থান
সন্তোষ ট্রফি মানেই বাংলার গৌরব। দেশের সবচেয়ে প্রাচীন ফুটবল টুর্নামেন্টে বাংলা অতীতে বহুবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেই ধারাবাহিকতা কিছুটা কমে এসেছিল।
এই বছর সঞ্জয় সেনের হাত ধরে যে সংগঠিত ও আত্মবিশ্বাসী বাংলা দল দেখা যাচ্ছে, তা আবারও বাংলার ফুটবল ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।