সুনীল সোনমের সন্তান ধ্রুবের জন্ম ২০২৩ সালের আগস্টে। ছোট্ট বয়সেই সোশাল মিডিয়ায় জনপ্রিয় সুনীলপুত্রের নানান মজার কাণ্ড
ফুটবল হলো একটি খেলা যা পরিবারকে একত্রিত করে, এবং এটাই হল সুনীল ছেত্রী এবং তার পরিবারের ক্ষেত্রে। এক কিংবদন্তি ফুটবলারের সন্তান হিসেবে ধ্রুবের জীবনযাত্রা এখন থেকেই নজর কেড়েছে। সুনীল ছেত্রী, ভারতের সবচেয়ে বড় ফুটবল তারকা এবং তার স্ত্রী সোনম ভট্টাচার্যের ছেলে ধ্রুব, মাত্র আড়াই বছর বয়সে ফুটবল মাঠে পা রেখেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ছবি প্রমাণ করেছে, যে ফুটবল রক্তের মতো তার শিরা-উপশিরায় বইছে।
এই ছবি দেখে ভারতের ফুটবল প্রেমীরা ধারনা করছেন, ভবিষ্যতে ভারতীয় ফুটবলকে নয়া উচ্চতায় নিয়ে যাবে এই ছোট্ট ফুটবলার। ধ্রুবের দাদা, সুব্রত ভট্টাচার্যও ছিলেন এক সময়ের ফুটবল তারকা, এবং এখন ধ্রুবও তার পরিবারের মতোই ফুটবলে সুনাম অর্জন করতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।
ফুটবল অনেকটাই একটি পারিবারিক খেলা, বিশেষত যখন একজন ফুটবল কিংবদন্তির পরিবার থেকে একজন নতুন ফুটবলারের জন্ম হয়। সুনীল ছেত্রী, ভারতীয় ফুটবলের মুখ, তার ছেলেকে যে ফুটবল খেলতে শিখাবেন, তা আশা করা স্বাভাবিক। এবং সে তো সেই পথেই হাঁটছে। সম্প্রতি বেঙ্গালুরু এফসির অনুশীলন মাঠে ধ্রুবের উপস্থিতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। বাবার হাত ধরে মাঠে পা রেখে ফুটবল জীবনে তার যাত্রা শুরু হলো। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ধ্রুব অন্যান্য ফুটবলারদের সঙ্গে ছোটাছুটি করছে এবং ফুটবলের লাথি কষাচ্ছে।
এখনো খুব ছোট, কিন্তু ধ্রুবের মধ্যে ফুটবলের প্রতি এক ধরনের আকর্ষণ এবং আগ্রহ স্পষ্ট। তার এই ছোটো ছোটো কাণ্ডকারখানায় তার ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে অনেকেই বলেছেন, ভারতীয় ফুটবল শীঘ্রই তার মধ্যে এক নতুন তারকা দেখতে পেতে পারে।
ভারতের সেরা ফুটবল ক্লাবগুলির মধ্যে একটি হচ্ছে বেঙ্গালুরু এফসি। সুনীল ছেত্রী এই ক্লাবের হয়ে খেলেন, এবং তার নেতৃত্বে বেঙ্গালুরু এফসি অনেক সাফল্য অর্জন করেছে। ধ্রুব এখন তার বাবা সুনীলের সঙ্গী হয়ে বেঙ্গালুরু এফসির অনুশীলন মাঠে দেখা দিয়েছে। আইএসএল (Indian Super League) ২০২৪-২৫ মরসুমের দিকে নজর দেওয়ার পাশাপাশি, এটি ফুটবল জগতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময়। ফুটবলারদের বেতন কমানোর সিদ্ধান্তের মধ্যেও সুনীল তার দলের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে অনুশীলনে নেমেছেন, এবং সঙ্গী হয়েছেন তার ছেলেও।
এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, কারণ ধ্রুবের সামনে সম্ভবত এই কঠিন সময়ে ফুটবলে যাত্রা শুরু হওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। যদিও সে এখনো ছোট, কিন্তু তার পিতার পথ অনুসরণ করে বড় মঞ্চে তার পদচিহ্ন রেখে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ধ্রুব শুধু ফুটবলের জন্যই পরিচিত নয়, সে প্রায়ই সামাজিক মাধ্যমে অন্য নানা কাণ্ডকারখানায় সবার নজর কাড়ে। কখনো সে বাবার সঙ্গে জিমে যায়, কখনো মা-বাবার সঙ্গে দস্যিপনায় মেতে থাকে। তবে ফুটবল তার জীবনের এক বড় অংশ হয়ে উঠেছে, এবং এটি তার প্রতি দর্শকদের আগ্রহ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।
২০২৩ সালের আগস্ট মাসে সুনীল এবং সোনম ভট্টাচার্যের কোল আলো করে ধ্রুবর জন্ম হয়, এবং এখন তার ফুটবলের প্রতি আগ্রহ স্পষ্ট। তার ফুটবল জীবনের শুরুটা কি সুনীল এবং তার দাদু সুব্রত ভট্টাচার্যের মতোই হবে? আগামী দিনে কি এই ছোট্ট ছেলেটি তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে ফুটবলকে পেশা হিসেবে বেছে নেবে?
ভারতীয় ফুটবল তারকা সুনীল ছেত্রী দেশের ইতিহাসে এক অমূল্য রত্ন। কিন্তু তার ছেলে ধ্রুব কি ভারতীয় ফুটবলকে নতুন দিশা দেখাবে? আগামী দিনে, সে যদি সত্যিই ফুটবলে এক নতুন উত্থান ঘটায়, তবে সুনীলের পদাঙ্কই হয়তো তার জন্য পথপ্রদর্শক হবে। ফুটবল পরিবার থেকে আগত ধ্রুব ভারতীয় ফুটবলকে নয়া উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে।
ফুটবলের প্রতি ধ্রুবের আগ্রহ দেখতে দেখতে তার ফুটবল ক্যারিয়ারের অনেকটাই নির্মাণ হতে থাকবে। ভবিষ্যতের ভারতীয় ফুটবল তার দিকে তাকিয়ে থাকবে, এবং সেই সময়ে হয়তো ভারতীয় ফুটবলের সেরা তারকা হয়ে উঠবে সুনীল ছেত্রীর পুত্র ধ্রুব।
ফুটবল, এমন এক খেলা যা পরিবারের মধ্যে একটি অদৃশ্য বন্ধন সৃষ্টি করে। বিশেষত যখন খেলার পেছনে এক কিংবদন্তি থাকে। সুনীল ছেত্রী, ভারতের ফুটবলের জীবন্ত কিংবদন্তি, তার ছোট্ট ছেলে ধ্রুবকে যখন ফুটবল খেলতে শিখাচ্ছেন, তখন সকলের মনে আশার প্রদীপ জ্বলে ওঠে। ফুটবল মাঠে বাবার হাত ধরে পা রেখেই, ধ্রুবের ফুটবল জীবনের যাত্রা শুরু হলো। যদিও সে এখন মাত্র আড়াই বছর বয়সী, তবুও তার প্রতি ফুটবলের প্রতি আগ্রহ স্পষ্ট।
ধ্রুবের বাবা, সুনীল ছেত্রী, তার নিজস্ব ক্ষেত্রে ভারতীয় ফুটবলের সবচেয়ে বড় নাম। তার দাদা, সুব্রত ভট্টাচার্যও এক সময় ফুটবল খেলতেন। এই দুটি শক্তিশালী ফুটবল পরিবারের বংশধর হিসেবে ধ্রুবের নাম শুনে অনেকেই মনে করছেন, আগামী দিনে সে হয়তো তার পরিবারকে ফুটবলের ক্ষেত্রে আরো বড় সাফল্য এনে দেবে। বিশেষত সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ছবি দেখে অনেকেই জানাচ্ছেন, ছোট্ট ধ্রুবের মধ্যে ফুটবল প্রতিভা রয়েছে।
ফুটবল এমন একটি খেলা যেখানে খেলোয়াড়েরা একে অপরের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করে এবং একটি পরিবারই সেই সম্পর্কের ভিত্তি। সুনীল ছেত্রী, একজন কিংবদন্তি ফুটবলার, তার ছেলেকে ফুটবল শিখানোর জন্য প্রস্তুত ছিলেন, এবং এটি সবকিছুতে প্রমাণিত হচ্ছে। সম্প্রতি বেঙ্গালুরু এফসির অনুশীলন মাঠে ধ্রুবকে দেখা গিয়েছে, যেখানে সে তার বাবার হাত ধরে মাঠে পা রাখে এবং ছোট্ট পদক্ষেপে ফুটবল খেলায় নিজেকে মগ্ন করে। এই মুহূর্তটি ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে, কারণ এটি এক নতুন ইতিহাসের সূচনা হতে পারে।
ধ্রুবের এই প্রথম পদক্ষেপের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এবং তার জন্য আরও অনেক দর্শক আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। কিছুতেই মনে হচ্ছে, ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ ধ্রুবের হাতেই থাকতে পারে।
ভারতের অন্যতম সেরা ফুটবল ক্লাব, বেঙ্গালুরু এফসি, যেখানে সুনীল ছেত্রী খেলে থাকেন, সেই ক্লাবের সাথে ধ্রুবের প্রথম সম্পর্ক তৈরি হলো। সুনীলের নেতৃত্বে বেঙ্গালুরু এফসি অনেক সাফল্য অর্জন করেছে এবং তার তত্ত্বাবধানে আইএসএল (Indian Super League) একটি উচ্চ স্থান অর্জন করেছে।
এমন এক সময়ে ধ্রুব বেঙ্গালুরু এফসির অনুশীলন মাঠে আসতে শুরু করেছে, যখন ফুটবল জগত একটি নয়া অধ্যায়ে প্রবেশ করছে। আইএসএল ২০২৪-২৫ মরসুমের দিকে যখন নজর দেওয়া হচ্ছে, তখন সুনীল এবং তার পরিবার ফুটবলকে কতটা গুরুত্ব দেয় তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। যদিও এই সময়ে ক্লাবের ফুটবলারদের বেতন কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তবুও সুনীল তার দলের প্রতি নিষ্ঠাবান রয়েছেন এবং ধ্রুবকে অনুশীলনে নিয়ে আসছেন।
এটি শুধুমাত্র একটি ফুটবল ক্যাম্প নয়, বরং ফুটবলে ধ্রুবের জীবনের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে।
ধ্রুব শুধু ফুটবলই নয়, আরও নানা কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে থাকে। কখনো সে বাবার সঙ্গে জিমে যায়, কখনো মা-বাবার সঙ্গে দস্যিপনায় মেতে ওঠে। তবে ফুটবল তার জীবনের এক বড় অংশ হয়ে উঠেছে, এবং এতে তার প্রতি মানুষের আগ্রহ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার ছোটো ছোটো কাণ্ডকারখানায় সবাই মুগ্ধ।
ফুটবলে রক্তের সম্পর্ক শুধু তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে নয়, বরং তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রারও অংশ হয়ে উঠেছে। প্রতিদিনের জীবনকে ফুটবলের সাথে মিশিয়ে দেওয়া ধ্রুবের ভবিষ্যতের দিকে আরো বেশি মনোযোগ আকর্ষণ করছে।
২০২৩ সালের আগস্ট মাসে সুনীল এবং সোনম ভট্টাচার্যের কোল আলো করে ধ্রুবর জন্ম হয়। তখন থেকেই তার প্রতি ফুটবলের আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। সেই আগ্রহ থেকে শুরু করে ফুটবলের প্রতি তার ভালোবাসা এবং সুনীলের মতো তারকা ফুটবলারের ছেলেকে দেখতে পাওয়ার মধ্যে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত আছে।
এখন প্রশ্ন হলো, ধ্রুব কি তার বাবা এবং দাদুর পদাঙ্ক অনুসরণ করবে? ফুটবলে আসলে এক কিংবদন্তির জীবনই বেছে নেবে কি ধ্রুব? তার ছোট্টো বয়সের মধ্যে ফুটবল সম্পর্কে যে আগ্রহ রয়েছে, তা ভবিষ্যতে আরো বড় হতে পারে।
ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে সুনীল ছেত্রী যেমন এক অমূল্য রত্ন, তেমনি তার ছেলেও এক নতুন সম্ভাবনার নাম হতে পারে। যদিও ধ্রুব এখনো খুব ছোট, তবুও সে যদি সুনীল এবং তার দাদু সুব্রত ভট্টাচার্যের মতোই ফুটবলে তার প্রতিভা প্রমাণ করে, তবে ভারতীয় ফুটবল একটি নতুন দিশা পাবে।
সোশ্যাল মিডিয়া এবং অনুশীলনের ছবিগুলি প্রমাণ করছে, যে ধ্রুব ফুটবলে ইতিমধ্যেই পা রেখেছে এবং ভবিষ্যতে এটি তার জীবনের মূল হয়ে উঠতে পারে। তাই ভারতীয় ফুটবল শীঘ্রই তার মধ্যে এক নতুন তারকা দেখতে পেতে পারে।