Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অব্যবস্থার অভিযোগে উত্তাল এলাকা, অবরোধে অচল রাজ্য সড়ক

স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থা ও চিকিৎসা পরিষেবার অভাবের অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠল গোটা এলাকা। পর্যাপ্ত চিকিৎসক না থাকা, ওষুধের সংকট, জরুরি পরিষেবার ঘাটতি এবং রোগী হয়রানির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে সামিল হন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, আশপাশের একাধিক গ্রামের মানুষ এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উপর নির্ভরশীল হলেও বাস্তবে এখানে প্রায়ই চিকিৎসক অনুপস্থিত থাকেন। ফলে সাধারণ অসুখ থেকে শুরু করে গুরুতর রোগের ক্ষেত্রেও রোগীদের দূরের হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়, যা অনেক সময় বিপজ্জনক হয়ে উঠছে।প্রথমে শান্তিপূর্ণভাবে স্বাস্থ্যকেন্দ্র চত্বরে শুরু হওয়া প্রতিবাদ ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে রাজ্য সড়কে। বিক্ষোভকারীরা রাস্তা অবরোধ করলে গুরুত্বপূর্ণ ওই সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ যানজটে আটকে পড়েন অফিসযাত্রী, স্কুলপড়ুয়া এবং পণ্যবাহী গাড়ির চালকেরা। যদিও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি সত্ত্বেও অনেকেই আন্দোলনকারীদের দাবিকে সমর্থন করেন এবং স্বাস্থ্য পরিষেবার এই সংকটকে বাস্তব সমস্যা বলে মনে করেন।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, প্রসূতি পরিষেবা ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থার চরম অভাব রয়েছে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। একাধিক ক্ষেত্রে রোগীকে নিজস্ব ব্যবস্থায় বা ভাড়া করা গাড়িতে নিয়ে যেতে হয় দূরের হাসপাতালে। এতে যেমন সময় নষ্ট হয়, তেমনই বাড়ে আর্থিক চাপ। এই পরিস্থিতিতে অবিলম্বে চিকিৎসক নিয়োগ,ওষুধের নিয়মিত সরবরাহ এবং জরুরি পরিষেবা চালুর দাবি তোলা হয়।ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। দীর্ঘ আলোচনা ও আশ্বাসের পর অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। তবে এই ঘটনার মাধ্যমে ফের একবার রাজ্যের গ্রামীণ ও মফস্বল এলাকায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বাস্তব চিত্র সামনে চলে এল, যা নিয়ে প্রশাসনের ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে সাধারণ মানুষের।

স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অব্যবস্থার অভিযোগে উত্তাল এলাকা, অবরোধে অচল রাজ্য সড়ক
স্বাস্থ্য ও সমাজ

স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বিক্ষোভ, অবরোধ রাজ্য সড়কে—এই শিরোনামকে সামনে রেখে গোটা এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনার ছবি ধরা পড়ল। সাধারণ মানুষের ক্ষোভ, দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে জমে থাকা অসন্তোষ এ দিন রাস্তায় নেমে এল প্রকাশ্যে। সকাল থেকেই স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র চত্বরে জমায়েত হতে শুরু করেন এলাকার বাসিন্দারা। প্রথমে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ হলেও ধীরে ধীরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিষেবা নিয়ে একের পর এক অভিযোগ তুলে ক্ষুব্ধ মানুষজন দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরেই এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পর্যাপ্ত চিকিৎসক নেই, নেই প্রয়োজনীয় ওষুধ, নেই জরুরি পরিষেবার ন্যূনতম ব্যবস্থা। রোগী এলেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করানো হয়, শেষ পর্যন্ত অনেককে বিনা চিকিৎসায় ফিরতে হয়। এমন পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই তাঁরা আন্দোলনের পথে নেমেছেন বলে জানান বিক্ষোভকারীরা।স্থানীয়দের অভিযোগ, একমাত্র এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উপর নির্ভর করে আশপাশের একাধিক গ্রামের মানুষ। কিন্তু বাস্তবে এখানে চিকিৎসা পরিষেবা বলতে কার্যত কিছুই নেই। প্রসূতি মহিলা থেকে শুরু করে বয়স্ক রোগী—সকলকেই প্রায়শই দূরের জেলা হাসপাতাল বা বেসরকারি নার্সিংহোমে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এতে একদিকে যেমন সময় নষ্ট হয়, তেমনই বাড়ে আর্থিক চাপ। বহু পরিবারই এই খরচ বহন করতে পারে না। ফলে সাধারণ অসুখ থেকেও বড় বিপদের মুখে পড়ছেন রোগীরা। এমনই একাধিক ঘটনার কথা তুলে ধরে এ দিন বিক্ষোভকারীরা জানান, স্বাস্থ্যকেন্দ্র থাকলেও তা কেবল নামেই, কাজের বেলায় মানুষের কোনও উপকারে আসে না।বিক্ষোভ চলাকালীন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে জোরালো স্লোগান ওঠে। পরিষেবা উন্নত করার দাবি জানিয়ে স্বাস্থ্য দফতরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন আন্দোলনকারীরা। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, শুধু স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মধ্যে প্রতিবাদ সীমাবদ্ধ না রেখে তাঁরা রাজ্য সড়কে নেমে অবরোধ শুরু করেন। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ ওই সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ স্তব্ধ হয়ে যায়। সকাল থেকেই দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। অফিসগামী মানুষ, স্কুলের পড়ুয়া, পণ্যবাহী গাড়ি—সবাই আটকে পড়েন রাস্তায়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকায় চরম ভোগান্তির শিকার হন সাধারণ মানুষ। অবরোধকারীদের বক্তব্য ছিল স্পষ্ট—যতক্ষণ না প্রশাসনের তরফে কোনও আশ্বাস মিলছে, ততক্ষণ এই আন্দোলন চলবে। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পর্যাপ্ত সংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগ করতে হবে, সব সময়ে ওষুধের জোগান নিশ্চিত করতে হবে এবং জরুরি পরিষেবার ব্যবস্থা চালু করতে হবে। বিশেষ করে প্রসূতি পরিষেবা ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থার উন্নতির দাবি তোলা হয়। বিক্ষোভকারীদের অনেকেই বলেন, বহু সময়ে রাতের বেলা জরুরি রোগী এলে অ্যাম্বুলেন্স না থাকায় নিজস্ব গাড়ি বা ভাড়া করা গাড়িতে নিয়ে যেতে হয় হাসপাতালে। এই বিলম্বের কারণে অনেকের প্রাণ সংশয় পর্যন্ত হয়েছে। রাজ্য সড়কে অবরোধের জেরে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। প্রথমে পুলিশের তরফে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে অবরোধ তুলে নেওয়ার অনুরোধ করা হয়। তবে ক্ষুব্ধ জনতা তাঁদের দাবিতে অনড় থাকেন। পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের বাগ্‌বিতণ্ডাও শুরু হয় এক পর্যায়ে। যদিও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে দেওয়া হয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়, সমস্যাগুলি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হবে। সেই আশ্বাসের পর দীর্ঘক্ষণ পর অবরোধ ওঠে। এই ঘটনার পর নতুন করে প্রশ্ন উঠছে রাজ্যের প্রান্তিক এলাকাগুলিতে স্বাস্থ্য পরিষেবার বাস্তব চিত্র নিয়ে। সরকারি কাগজে-কলমে একাধিক প্রকল্প, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড, বিনামূল্যে চিকিৎসার কথা বলা হলেও বাস্তবে সেই পরিষেবা কতটা মানুষের কাছে পৌঁছচ্ছে, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন এলাকাবাসী। বিশেষ করে গ্রামীণ ও মফস্বল এলাকায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলির পরিকাঠামো, মানবসম্পদ ও ব্যবস্থাপনার অভাব দিনের পর দিন প্রকট হচ্ছে বলে অভিযোগ। বহু ক্ষেত্রেই স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভবন থাকলেও চিকিৎসক নেই, বা থাকলেও নিয়মিত আসেন না। ফলে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে বেসরকারি চিকিৎসার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া এক প্রবীণ বাসিন্দা জানান, তিনি বহু বছর ধরে এই এলাকায় রয়েছেন। আগে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রেই ছোটখাটো চিকিৎসা মিলত, কিন্তু গত কয়েক বছরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। সাধারণ জ্বর-সর্দির জন্যও এখন বাইরে যেতে হয়। গরিব মানুষের পক্ষে তা অত্যন্ত কষ্টকর। আর এক মহিলা বিক্ষোভকারী বলেন, অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তাঁকে একাধিকবার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এসে পরিষেবা না পেয়ে ফিরতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ধার করে টাকা নিয়ে বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি হতে হয়েছিল। এই অভিজ্ঞতা তাঁকে আন্দোলনে নামতে বাধ্য করেছে বলে জানান তিনি। অবরোধের সময় রাস্তায় আটকে পড়া যাত্রীরাও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের অনেকেই বলেন, আন্দোলনের কারণ তাঁরা বুঝতে পারছেন, কিন্তু এর জেরে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগও কম নয়। তবে অনেকেই আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যদি সমস্যা চলতে থাকে, তাহলে এই ধরনের প্রতিবাদ অনিবার্য হয়ে ওঠে। প্রশাসনের উচিত আগেভাগেই সমস্যা সমাধান করা, তাহলে রাস্তায় নেমে আন্দোলনের প্রয়োজন পড়ত না।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিরোধী শিবিরের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রকৃত চিত্র এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই সামনে এসেছে। তাঁদের দাবি, উন্নয়নের প্রচার যতই করা হোক, বাস্তবে গ্রামীণ স্বাস্থ্য পরিষেবা ভেঙে পড়েছে। অন্যদিকে শাসক দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কিছু সমস্যা থাকলেও সরকার তা সমাধানের জন্য কাজ করছে এবং স্থানীয় স্তরে কোনও গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সব মিলিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বিক্ষোভ ও রাজ্য সড়ক অবরোধের এই ঘটনা শুধু একটি এলাকার সমস্যা নয়, বরং বৃহত্তর স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সংকটের প্রতিফলন বলেই মনে করছেন অনেকেই। মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করার দাবি নতুন করে সামনে এসেছে। প্রশাসনের আশ্বাস কতটা বাস্তবায়িত হয়, এবং কবে নাগাদ স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিষেবার বাস্তব উন্নতি ঘটে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে গোটা এলাকা। কারণ সাধারণ মানুষের প্রশ্ন একটাই—স্বাস্থ্যকেন্দ্র যদি মানুষের প্রয়োজনে কাজ না করে, তাহলে তার অস্তিত্বের মানে কী?স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থা ও চিকিৎসা পরিষেবার অভাবের অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠল গোটা এলাকা। পর্যাপ্ত চিকিৎসক না থাকা, ওষুধের সংকট, জরুরি পরিষেবার ঘাটতি এবং রোগী হয়রানির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে সামিল হন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, আশপাশের একাধিক গ্রামের মানুষ এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উপর নির্ভরশীল হলেও বাস্তবে এখানে প্রায়ই চিকিৎসক অনুপস্থিত থাকেন। ফলে সাধারণ অসুখ থেকে শুরু করে গুরুতর রোগের ক্ষেত্রেও রোগীদের দূরের হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়, যা অনেক সময় বিপজ্জনক হয়ে উঠছে।প্রথমে শান্তিপূর্ণভাবে স্বাস্থ্যকেন্দ্র চত্বরে শুরু হওয়া প্রতিবাদ ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে রাজ্য সড়কে। বিক্ষোভকারীরা রাস্তা অবরোধ করলে গুরুত্বপূর্ণ ওই সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ যানজটে আটকে পড়েন অফিসযাত্রী, স্কুলপড়ুয়া এবং পণ্যবাহী গাড়ির চালকেরা। যদিও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি সত্ত্বেও অনেকেই আন্দোলনকারীদের দাবিকে সমর্থন করেন এবং স্বাস্থ্য পরিষেবার এই সংকটকে বাস্তব সমস্যা বলে মনে করেন।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, প্রসূতি পরিষেবা ও অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থার চরম অভাব রয়েছে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। একাধিক ক্ষেত্রে রোগীকে নিজস্ব ব্যবস্থায় বা ভাড়া করা গাড়িতে নিয়ে যেতে হয় দূরের হাসপাতালে। এতে যেমন সময় নষ্ট হয়, তেমনই বাড়ে আর্থিক চাপ। এই পরিস্থিতিতে অবিলম্বে চিকিৎসক নিয়োগ,ওষুধের নিয়মিত সরবরাহ এবং জরুরি পরিষেবা চালুর দাবি তোলা হয়।ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। দীর্ঘ আলোচনা ও আশ্বাসের পর অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। তবে এই ঘটনার মাধ্যমে ফের একবার রাজ্যের গ্রামীণ ও মফস্বল এলাকায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বাস্তব চিত্র সামনে চলে এল, যা নিয়ে প্রশাসনের ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে সাধারণ মানুষের।স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পর্যাপ্ত চিকিৎসক, ওষুধ ও জরুরি পরিষেবার অভাবের প্রতিবাদে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ থেকে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে রাজ্য সড়কে, যার জেরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যান চলাচল ব্যাহত হয়। গ্রামীণ স্বাস্থ্য পরিষেবার বেহাল অবস্থার অভিযোগ তুলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেন বিক্ষোভকারীরা। রোগী হয়রানি, প্রসূতি পরিষেবার ঘাটতি এবং অ্যাম্বুলেন্স সংকট নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে সামনে এল রাজ্যের প্রান্তিক এলাকায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বাস্তব চিত্র।

news image
Preview image