সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে তিন দিনের প্রস্তাবিত ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের আগে গ্রাহকদের সুবিধায় আজ রবিবারও খোলা থাকছে দেশের সব রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক ও আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্ক তাই জরুরি শাখার কাজ আজই সেরে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বেসরকারি ব্যাঙ্কের শাখা খোলা থাকবে কি না তা সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের ঘোষণার উপর নির্ভর করবে
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশজুড়ে তিন দিনের ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। তার আগে গ্রাহকদের জরুরি কাজের সুযোগ দিতে আজ, রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর, দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক এবং আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলি খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সাধারণত রবিবার ব্যাঙ্কের শাখা বন্ধ থাকে। কিন্তু প্রস্তাবিত ধর্মঘটের কারণে টানা কয়েক দিন শাখার পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকায় এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অর্থ মন্ত্রকের ঘোষণা অনুযায়ী, আজ সব রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক ও আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্ক স্বাভাবিকভাবে কাজ করার কথা। এর মধ্যে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক, ব্যাঙ্ক অফ বরোদা, কানাড়া ব্যাঙ্ক এবং অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখা পড়ে। আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলিও এই নির্দেশের আওতায় রয়েছে। তবে কোনও নির্দিষ্ট শাখায় যাওয়ার আগে তার খোলার সময় ও পরিষেবা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের বিজ্ঞপ্তি দেখে নেওয়া সুবিধাজনক হবে। বেসরকারি ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রে একই নিয়ম ধরে নেওয়া যাবে না। রবিবার তাদের শাখা খোলা থাকবে কি না, তা সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের নিজস্ব ঘোষণার উপর নির্ভর করবে। তাই বেসরকারি ব্যাঙ্কের গ্রাহকদের শাখায় যাওয়ার আগে ব্যাঙ্কের ওয়েবসাইট, অ্যাপ বা গ্রাহক পরিষেবায় তথ্য মিলিয়ে নেওয়া উচিত। কেন রবিবার ব্যাঙ্ক খোলার সিদ্ধান্ত ২৬ সেপ্টেম্বর ছিল চতুর্থ শনিবার এবং ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার। এই দুই দিনের সাপ্তাহিক ছুটির পরেই ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। ফলে রবিবার শাখা বন্ধ থাকলে অনেক গ্রাহক গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য টানা কয়েক দিন অপেক্ষা করতে বাধ্য হতে পারতেন। সেই অসুবিধা কমাতেই আজ রাষ্ট্রায়ত্ত ও আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কে কাজের সুযোগ রাখা হয়েছে। যাঁদের শাখায় গিয়ে কাজ করা জরুরি, তাঁরা আজ সেই কাজ সেরে নিতে পারেন। বিশেষ করে এমন লেনদেন বা নথি সংক্রান্ত কাজ, যার জন্য ব্যাঙ্ককর্মীর সাহায্য প্রয়োজন, তা পিছিয়ে না রাখাই ভালো। চেক জমা দেওয়া, অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত আবেদন বা অন্য কোনও সময়সীমা থাকা কাজের ক্ষেত্রে শাখায় আগে যোগাযোগ করলে কোন পরিষেবা আজ পাওয়া যাবে, তা জানা সহজ হবে।
ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ব্যাঙ্ক কর্মী ও আধিকারিকদের সংগঠনগুলির যৌথ মঞ্চ ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাঙ্ক ইউনিয়নস। পাঁচ দিনের কর্মসপ্তাহ চালু-সহ বিভিন্ন দাবি রয়েছে তাদের। তবে ধর্মঘটের ডাক দেওয়া মানেই ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর দেশের প্রতিটি ব্যাঙ্কের প্রতিটি শাখা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে, এমন নয়। কোন শাখায় কতটা কাজ হবে, তা কর্মীদের অংশগ্রহণ ও ব্যাঙ্কের বিকল্প ব্যবস্থার উপর নির্ভর করতে পারে। শাখায় নগদ লেনদেন, চেক সংক্রান্ত কাজ এবং অন্যান্য সরাসরি পরিষেবায় দেরি বা ব্যাঘাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এটিএম, ইউপিআই, মোবাইল ব্যাঙ্কিং ও ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিংয়ের মতো পরিষেবা সাধারণত শাখার কাউন্টারের কাজ থেকে আলাদাভাবে চলে। ধর্মঘটের দিনগুলিতে এগুলি ব্যবহার করার সুযোগ থাকতে পারে। তবু জরুরি লেনদেন একেবারে শেষ মুহূর্তের জন্য রেখে দেওয়া ঠিক হবে না। কোনও লেনদেনের নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকলে আগে থেকেই তা সম্পন্ন করার চেষ্টা করা ভালো। আজ রবিবার ব্যাঙ্ক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত গ্রাহকদের জন্য একটি বাড়তি সুযোগ। তবে ধর্মঘট চলবে কি না বা পরিষেবায় ঠিক কতটা প্রভাব পড়বে সে বিষয়ে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। তাই শাখায় যাওয়ার আগে এবং পরবর্তী তিন দিন ব্যাঙ্কিং কাজের পরিকল্পনা করার সময় নিজের ব্যাঙ্কের সর্বশেষ ঘোষণা দেখে নেওয়াই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়। ব্যাঙ্ক কর্মী ও আধিকারিকদের সংগঠনগুলির যৌথ মঞ্চ ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাঙ্ক ইউনিয়নস ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দিনের দেশব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। তাদের দাবিগুলির মধ্যে অন্যতম পাঁচ দিনের ব্যাঙ্কিং কর্মসপ্তাহ চালু করা। ধর্মঘটের সময় শাখায় গিয়ে কাজ করতে হবে এমন গ্রাহকদের উদ্বেগ তাই স্বাভাবিক। বিশেষ করে মাসের শেষ দিকে অনেকেরই টাকা জমা, চেক বা অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত জরুরি কাজ থাকে।
তবে ধর্মঘটের ডাক দেওয়া মানেই দেশের প্রতিটি ব্যাঙ্কের প্রতিটি শাখা তিন দিন সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক নয়। কোনও শাখায় পরিষেবা কতটা পাওয়া যাবে, তা সেখানকার কর্মীদের অংশগ্রহণ এবং ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থার উপর নির্ভর করতে পারে। একটি শাখায় সীমিত কাজ চললেও অন্য শাখায় বেশি সময় লাগতে পারে। তাই জরুরি কাজের জন্য শাখায় যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি ও শাখার পরিস্থিতি জেনে নেওয়া ভালো। ধর্মঘট হলে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়তে পারে কাউন্টারে গিয়ে করতে হয় এমন কাজে। নগদ জমা বা তোলা, চেক জমা দেওয়া, নথি যাচাই এবং কর্মীর সহায়তা প্রয়োজন এমন অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত পরিষেবায় দেরি হতে পারে। চেক জমা নেওয়া হলেও তার নিষ্পত্তি কখন হবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। নির্দিষ্ট দিনে টাকা পৌঁছনো প্রয়োজন হলে শুধু চেক জমা দেওয়ার তারিখ দেখে নিশ্চিন্ত না হয়ে প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার সময় সম্পর্কে ব্যাঙ্কে খোঁজ নেওয়া উচিত।
এটিএম, ইউপিআই, মোবাইল ব্যাঙ্কিং ও ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং শাখার কাউন্টার থেকে আলাদাভাবে পরিচালিত হয়। ফলে ধর্মঘটের দিনগুলিতেও এই পরিষেবাগুলি ব্যবহারের সুযোগ থাকার কথা। দৈনন্দিন টাকা পাঠানো, ব্যালান্স দেখা বা সাধারণ পেমেন্টের জন্য গ্রাহকেরা ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করতে পারেন। তবে ডিজিটাল পরিষেবা চালু থাকার সম্ভাবনা আর প্রতিটি লেনদেন নির্দিষ্ট মুহূর্তে সফল হবে দুটি এক বিষয় নয়। তাই সময়সীমা থাকা পেমেন্ট আগেভাগে করে রাখা সুবিধাজনক। যাঁদের নগদ টাকার প্রয়োজন হতে পারে, তাঁরা এটিএমের উপর নির্ভর করার আগে নিজের প্রয়োজন হিসাব করে রাখতে পারেন। কোনও এটিএমে টাকা শেষ হয়ে গেলে অন্য এটিএম খুঁজতে সময় লাগতে পারে। একইভাবে ব্যবসার পেমেন্ট, ঋণের কিস্তি বা অন্য কোনও নির্ধারিত তারিখের লেনদেন থাকলে শেষ দিনের অপেক্ষা না করে আগে থেকেই ব্যবস্থা করা ভালো।
এই পরিস্থিতিতে ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার রাষ্ট্রায়ত্ত ও আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্ক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত গ্রাহকদের বাড়তি সুযোগ দিয়েছে। সাধারণত রবিবার শাখায় গিয়ে কাজ করা যায় না। কিন্তু প্রস্তাবিত ধর্মঘটের আগে আজ প্রয়োজনীয় শাখাভিত্তিক কাজ সেরে নেওয়া সম্ভব হতে পারে। কোনও নির্দিষ্ট পরিষেবা বা শাখার সময় নিয়ে সন্দেহ থাকলে বেরোনোর আগে ব্যাঙ্কের সঙ্গে যোগাযোগ করলে অযথা যাতায়াত এড়ানো যাবে। ধর্মঘট নিয়ে আলোচনা বা সিদ্ধান্তে পরিবর্তন হলে পরবর্তী তিন দিনের পরিষেবার ছবিও বদলাতে পারে। তাই পুরনো খবরের ভিত্তিতে পরিকল্পনা না করে নিজের ব্যাঙ্কের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেখে চলাই ভালো। কোন কাজ আজ শাখায় করতে হবে, কোনটি ডিজিটাল মাধ্যমে করা যাবে এবং কোনটির জন্য সময় হাতে রাখা প্রয়োজন এই হিসাব আগে করলে সম্ভাব্য ব্যাঘাতের মধ্যেও জরুরি ব্যাঙ্কিং কাজ সামলানো সহজ হবে। তবে ধর্মঘটের ডাক দেওয়া মানেই দেশের প্রতিটি ব্যাঙ্কের প্রতিটি শাখা তিন দিন সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক নয়। কোনও শাখায় পরিষেবা কতটা পাওয়া যাবে, তা সেখানকার কর্মীদের অংশগ্রহণ এবং ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থার উপর নির্ভর করতে পারে। একটি শাখায় সীমিত কাজ চললেও অন্য শাখায় বেশি সময় লাগতে পারে। তাই জরুরি কাজের জন্য শাখায় যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি ও শাখার পরিস্থিতি জেনে নেওয়া ভালো। ধর্মঘট হলে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়তে পারে কাউন্টারে গিয়ে করতে হয় এমন কাজে। নগদ জমা বা তোলা, চেক জমা দেওয়া, নথি যাচাই এবং কর্মীর সহায়তা প্রয়োজন এমন অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত পরিষেবায় দেরি হতে পারে। চেক জমা নেওয়া হলেও তার নিষ্পত্তি কখন হবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। নির্দিষ্ট দিনে টাকা পৌঁছনো প্রয়োজন হলে শুধু চেক জমা দেওয়ার তারিখ দেখে নিশ্চিন্ত না হয়ে প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার সময় সম্পর্কে ব্যাঙ্কে খোঁজ নেওয়া উচিত।
এটিএম, ইউপিআই, মোবাইল ব্যাঙ্কিং ও ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং শাখার কাউন্টার থেকে আলাদাভাবে পরিচালিত হয়। ফলে ধর্মঘটের দিনগুলিতেও এই পরিষেবাগুলি ব্যবহারের সুযোগ থাকার কথা। দৈনন্দিন টাকা পাঠানো, ব্যালান্স দেখা বা সাধারণ পেমেন্টের জন্য গ্রাহকেরা ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করতে পারেন। তবে ডিজিটাল পরিষেবা চালু থাকার সম্ভাবনা আর প্রতিটি লেনদেন নির্দিষ্ট মুহূর্তে সফল হবে দুটি এক বিষয় নয়। তাই সময়সীমা থাকা পেমেন্ট আগেভাগে করে রাখা সুবিধাজনক। যাঁদের নগদ টাকার প্রয়োজন হতে পারে, তাঁরা এটিএমের উপর নির্ভর করার আগে নিজের প্রয়োজন হিসাব করে রাখতে পারেন। কোনও এটিএমে টাকা শেষ হয়ে গেলে অন্য এটিএম খুঁজতে সময় লাগতে পারে। একইভাবে ব্যবসার পেমেন্ট, ঋণের কিস্তি বা অন্য কোনও নির্ধারিত তারিখের লেনদেন থাকলে শেষ দিনের অপেক্ষা না করে আগে থেকেই ব্যবস্থা করা ভালো।