Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

এক কিশোরের আক্রমণে রক্তাক্ত আরেক কিশোর

নৈহাটির একটি শান্ত পাড়ায় হঠাৎই অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে যখন অষ্টম শ্রেণির ছাত্র দেবাংশ সরকার প্রতিবেশী যুবক শুভ মজুমদারের ধারালো অস্ত্রের কোপে গুরুতর আহত হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং স্থানীয়রা শুভকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। শুভর পরিবারের দাবি, সে দীর্ঘদিন মানসিক সমস্যায় ভুগছিল এবং আচমকা আচরণ পরিবর্তন হতো। তবে দেবাংশের পরিবারের অভিযোগ,এটি পরিকল্পিত হামলা এবং শুভর পরিবারের মানসিক অসুস্থতার দাবি দায় এড়ানোর চেষ্টা। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং পুলিশ খতিয়ে দেখছে শুভ সত্যিই মানসিক অসুস্থ ছিল কি না ও অস্ত্রটি কোথা থেকে পেল। দেবাংশের অবস্থা স্থিতিশীল হলেও মানসিকভাবে বড় ধাক্কা পেয়েছে। ঘটনাটি কিশোর যুবকদের মানসিক স্বাস্থ্য, পরিবারে নজরদারি এবং সমাজে সহিংস প্রবণতা বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এনেছে, যা ভবিষ্যতের নিরাপত্তার জন্য নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।

নৈহাটির শান্ত পাড়ায় আচমকাই শোরগোল পড়ে যায় এক বিকেলে যখন অষ্টম শ্রেণির ছাত্র দেবাংশ সরকার রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে এবং মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে যেখানে প্রত্যক্ষদর্শীদের কেউ চিৎকার করে এবং কেউ ছুটে যায় দেবাংশকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য আবার কেউ দৌড়ে যায় অভিযুক্ত শুভ মজুমদারের বাড়ির দিকে এবং এভাবে যেন হঠাৎই সাধারণ একটি ছুটির বিকেল অশান্ত হয়ে ওঠে যার ঘটনার আকস্মিকতা এবং নিষ্ঠুরতা এবং ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত উভয়েই প্রায় একই সমাজের ছেলে হওয়ায় এলাকাবাসীর মনে প্রশ্নের ঝড় বইছে যে এমন ঘটনা ঘটল কীভাবে এবং একজন কিশোর কেন অন্য কিশোরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করতে যাবে এবং এর পিছনে কি কোনো ব্যক্তিগত রাগ নাকি মানসিক সমস্যার গভীর ছায়া রয়েছে যেখানে দেবাংশ সরকার অষ্টম শ্রেণির ছাত্র হিসেবে পড়াশোনায় আগ্রহী এবং চঞ্চল প্রকৃতির ছেলে হিসেবে পরিচিত ছিল এবং স্কুলে যেমন পড়াশোনায় মন দিত তেমনি খেলাধুলায়ও বেশ সক্রিয় ছিল এবং তার বাবা-মা দুজনেই কাজ করেন তবে ছেলের দিকে যথেষ্ট নজর রাখতেন এবং দেবাংশের সহপাঠীরা জানায় সে মূলত বেশ শান্ত স্বভাবের এবং কারও সঙ্গে সহজে ঝামেলায় জড়ায় না যার ফলে তাকে লক্ষ্য করে এভাবে ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো সত্যিই অবিশ্বাস্য বলে মনে করছেন অনেকে এবং অন্যদিকে অভিযুক্ত শুভ মজুমদার এলাকার পরিচিত যুবক যার বয়স মাত্র সতেরো হলেও তাকে অনেকে প্রাপ্তবয়স্কের মতোই দেখতে অভ্যস্ত এবং শুভর পরিবারের দাবি সে বেশ কিছুদিন ধরেই মানসিক সমস্যায় ভুগছিল এবং কখনও চুপচাপ দিন কাটাত আবার কখনও অকারণে রেগে যেত তবে এসব আচরণও যে তাকে এমন এক পরিস্থিতিতে ঠেলে দেবে তা তার নিজের পরিবারও ভাবেনি এবং ঘটনার দিন বিকেলে দেবাংশ বাড়ির কাছেই বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করছিল এবং পাড়ার গলিতে তখন সাধারণ দিনের মতোই মানুষের আনাগোনা ছিল যখন হঠাৎ শুভ সেই জায়গায় এসে দাঁড়ায় এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি শুভর হাতে তখন একটি ধারালো অস্ত্র ছিল এবং তার আচরণ দেখেই বোঝা যাচ্ছিল কিছু একটা অস্বাভাবিক ঘটতে চলেছে এবং কেউ কেউ ভেবেছিলেন হয়তো পুজোর সময়কার উৎসবের প্রস্তুতি বা কোনও কাজের জন্য সে ওই অস্ত্র বহন করছে কিন্তু শুভ আচমকা দেবাংশের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়বে সেটা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি এবং মুহূর্তের মধ্যেই কাঁপিয়ে দেওয়া চিৎকার শোনা যায় যখন দেবাংশকে লক্ষ্য করে শুভ কোপ মারে এবং প্রথম আঘাতেই দেবাংশ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে এবং তার বন্ধুরা হতভম্ব হয়ে চারদিকে ছুটোছুটি শুরু করে এবং কেউ শুভকে থামানোর চেষ্টা করে এবং কেউ আবার সাহায্যের জন্য চিৎকার করতে থাকে এবং আশেপাশের বাড়ির মানুষজন চেঁচামেচি শুনে বাইরে বেরিয়ে এসে দৃশ্য দেখে অবাক হয়ে যায় এবং রক্তাক্ত দেবাংশকে তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং কয়েকজন মিলে শুভকে ধরে ফেলে এবং পুলিশের কাছে খবর পৌঁছতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নৈহাটি থানার টিম এবং শুভকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং ঘটনার তদন্ত শুরু হয় এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার আচরণ আরও সন্দেহজনক বলে মনে হয় কারণ সে যেমন মাঝে মাঝে চুপ করে থাকছিল তেমনই আবার কখনও এলোমেলো কথা বলছিল এবং শুভর পরিবার দাবি করে সে গত কিছুদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিল এবং কখনও স্বাভাবিক আচরণ করত আবার কখনও হঠাৎ রেগে যেত বা চিৎকার করত এবং তার মা বলেন সন্তানকে চিকিৎসার জন্য মনোরোগ বিশেষজ্ঞ দেখানো দরকার ছিল কিন্তু ঠিকমতো সময় করতে পারেননি এবং তার মধ্যেই ঘটল এমন ভয়াবহ ঘটনা যেখানে দেবাংশের পরিবারের বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং তাদের দাবি শুভর সঙ্গে দেবাংশের কোনোরকম ব্যক্তিগত শত্রুতা ছিল না এবং দুজনের মধ্যে কোনও ধরনের ঝগড়া বা মনোমালিন্য কখনও নজরে পড়েনি এবং দেবাংশের বাবা বলেন শুভর পরিবারের মানসিক অসুস্থতার দাবি আসলে দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা এবং যদি মানসিক সমস্যা ছিলই তাহলে তাকে কেন একা ছাড়া হচ্ছিল এবং কেন তার হাতে ধারালো অস্ত্র থাকতে দিচ্ছিল পরিবার এবং এসব প্রশ্নের উত্তর তারা চান এবং দেবাংশের পরিবারের স্পষ্ট দাবি এটি পরিকল্পিত হামলা এবং উদ্দেশ্য ছিল খুন না হলে এমন নিষ্ঠুর আঘাত কেউ হঠাৎ করে করতে পারে না এবং এলাকার মানুষজনও বিভক্ত হয়ে পড়েছে দুই মেরুতে যেখানে কেউ বলছেন শুভ মানসিকভাবে অসুস্থ এবং এটি এক ধরনের আকস্মিক আক্রমণ অন্যদিকে অনেকে মনে করছেন শুভর মধ্যে অনেকদিন ধরেই আক্রমণাত্মক মনোভাব দেখা যাচ্ছিল এবং সে ইচ্ছাকৃতভাবেই দেবাংশকে আঘাত করেছে এবং ঘটনাস্থলে থাকা এক প্রতিবেশী বলেন শুভ মাঝে মাঝে অদ্ভুত আচরণ করত এবং কখনও একা একা কথা বলত কখনও আবার চেঁচিয়ে উঠত যদিও এসব আচরণকে কেউ গুরুত্ব দেয়নি কারণ আধুনিক জীবনে অনেকেই উদ্বেগ এবং দুশ্চিন্তা বা অন্যান্য সমস্যায় ভোগেন কিন্তু এমন সমস্যা যে কখনও কখনও বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে সে সম্পর্কে সচেতনতা এখনও কম এবং দেবাংশ বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং ডাক্তাররা জানিয়েছেন আঘাত বেশ গভীর ছিল তবে যথাসময়ে হাসপাতালে নেওয়ায় প্রাণে বেঁচে গেছে এবং অপারেশন সফল হয়েছে কিন্তু শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি তার মানসিক পুনর্বাসনের দিকেও নজর দিতে হবে কারণ এমন আকস্মিক ও নির্মম আঘাত কোনও কিশোরের মনে গভীর আতঙ্ক তৈরি করতে পারে যার প্রভাব দীর্ঘদিন থেকে যেতে পারে এবং পরিবার এবং স্কুল এবং সমাজ সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে দেবাংশকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে এবং তার বন্ধুরাও বেশ ভীত যারা ঘটনাটির সময় উপস্থিত ছিল তারা এখনও সেই মুহূর্তের কথা মনে করে কেঁপে উঠছে এবং তদন্তকারীরা শুভর পরিবারের বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করতে উদ্যোগী হয়েছে এবং তারা খতিয়ে দেখছে শুভ সত্যিই মানসিক সমস্যায় ভুগছিল কি না এবং সে কি কোনো ধরনের চিকিৎসা পাচ্ছিল এবং পাশাপাশি জানা হচ্ছে অস্ত্রটি কোথা থেকে এল এবং শুভ কি আগে থেকেই দেবাংশকে আঘাত করার পরিকল্পনা করেছিল নাকি হঠাৎ রাগের মাথায় এত বড় অপরাধ করে ফেলেছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ এবং প্রতিবেশীদের বক্তব্য এবং দেবাংশের জবানবন্দি সবকিছু মিলিয়ে তদন্ত আরও গভীর হচ্ছে এবং এই ঘটনার পর আবারও প্রশ্ন উঠছে সমাজে কিশোর-যুবকদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতার অভাব নিয়ে যেখানে অনেক সময় বাড়ির বড়রা সন্তানদের আচরণের পরিবর্তন বুঝতে পারেন কিন্তু তাকে গুরুত্ব দেন না এবং মানসিক রোগকে এখনও লজ্জা বা গোপনীয়তার বিষয় বলে মনে করা হয় যার ফলে সমস্যা জটিল হয়ে ওঠে এবং বিশেষজ্ঞদের মতে কিশোর বয়সে আবেগের তারতম্য এবং রাগ এবং অস্থিরতা এবং হতাশা এসব খুবই সাধারণ বিষয় কিন্তু যখন এসব আচরণ চরম পর্যায়ে পৌঁছে যায় বা আশেপাশের মানুষের নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক হয়ে ওঠে তখন অবশ্যই চিকিৎসা নেওয়া দরকার এবং নৈহাটির এই ঘটনাটি দেখিয়ে দিচ্ছে মানসিক স্বাস্থ্য অবহেলার ফল কতটা ভয়াবহ হতে পারে এবং সামাজিকভাবেও এমন ঘটনা আমাদের চোখ খুলে দেয় যেখানে শিশু-কিশোরদের কাছে ধারালো অস্ত্র বা বিপজ্জনক জিনিস সহজলভ্য হয়ে যাওয়া বড় সমস্যা এবং বাড়িতে কেউ যদি এমন জিনিস ব্যবহার করেন তা নিরাপদ স্থানে রাখা উচিত এবং আবার সমাজের তরুণরা যখন বাইক স্টান্ট এবং মারামারি এবং গ্যাং কালচার বা অস্ত্র প্রদর্শনে আগ্রহী হয়ে ওঠে তখন সেটিও নজর এড়িয়ে যায় এবং ফলে ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে সহিংস প্রবণতা বাড়তে থাকে এবং শুভ মজুমদারের ক্ষেত্রে এমন কিছু ছিল কি না তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে তবে সমাজ হিসেবে আমাদের এখনই সচেতন হওয়া দরকার এবং দেবাংশের পরিবার এখন শুধু ন্যায় বিচার চায় এবং তারা বলছেন দেবাংশের জীবন ঝুঁকির মুখে ফেলে যে ক্ষতি হয়েছে তা ক্ষমার যোগ্য নয় এবং শুভকে কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক এবং অন্যদিকে শুভর পরিবার বিপর্যস্ত এবং তারা একদিকে ছেলের অপরাধের জন্য অনুতপ্ত অন্যদিকে ভয় পাচ্ছে কী শাস্তি হতে পারে এবং শুভর মা কান্নার সুরে বলেন সে ইচ্ছে করে করেনি এবং তার মানসিক সমস্যা ছিল কিন্তু দেবাংশের পরিবার সেই যুক্তি মানতে নারাজ এবং এই ঘটনার জেরে এলাকায় বাড়তি পুলিশ টহল বসানো হয়েছে এবং স্থানীয় কাউন্সিলর এবং সামাজিক সংস্থাগুলোও পরিবার দুটির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে যাতে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ না হয় এবং স্কুলেও নিরাপত্তা ও ছাত্রদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর বিশেষ নজর দেওয়ার নির্দেশ এসেছে এবং শিক্ষকরা বলছেন দেবাংশের পাশে তারা সবসময় থাকবে এবং তাকে আবার স্কুলে ফিরতে সাহায্য করবে এবং একই সঙ্গে শিক্ষকদের মধ্যে আলোচনা চলছে কীভাবে ছাত্রদের আচরণগত পরিবর্তন আগেভাগে চিহ্নিত করে তাদের পরামর্শ দেওয়া যায় এবং অন্যদিকে কিশোর অপরাধ নিয়ে আইন কী বলে সেটিও এই ঘটনার প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ এবং সতেরো বছরের একজন অভিযুক্তকে কি প্রাপ্তবয়স্ক অপরাধীর মতো বিচার করা উচিত নাকি কিশোর বিচার বোর্ডের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত এই বিতর্কও নতুন করে সামনে আসছে এবং যদি শুভ সত্যিই মানসিক সমস্যায় ভুগে থাকে তাহলে তার চিকিৎসা ও পুনর্বাসন জরুরি কিন্তু যদি তার আচরণ পরিকল্পিত এবং সচেতনভাবে করা হয় তাহলে কঠোর শাস্তির দাবিও ন্যায্য এবং শেষ পর্যন্ত নৈহাটির এই ঘটনা আমাদের সামনে বহু প্রশ্ন তুলে ধরে যেখানে একজন কিশোরের হাতে আরেক কিশোর আক্রান্ত এবং পরিবারের দায়িত্ব এবং সমাজের সচেতনতা এবং মানসিক স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা সবই নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে এবং দেবাংশ সুস্থ হয়ে উঠুক এটাই সকলের কামনা এবং আবার শুভও যেন সঠিক বিচার পায় এবং প্রয়োজনে চিকিৎসা পায় সেটাও সমাজের প্রাপ্তবয়স্ক অংশের দায়িত্ব এবং আইন তার কাজ করবে এবং সময় তার উত্তর দেবে তবে এই ঘটনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল সমাজে ছোট ছোট অস্বাভাবিকতা বা সমস্যাকেও কখনও হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয় কারণ আজকের অবহেলা আগামী দিনের বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে এবং নৈহাটির এই অস্থির বিকেল তাই হয়ে থাকল এক কঠিন শিক্ষা সবার জন্য এবং প্রতিটি পরিবার এবং প্রতিটি বিদ্যালয় এবং গোটা সমাজের জন্য যা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে সতর্কতা এবং দায়িত্বশীলতা এবং সচেতনতা ছাড়া আমরা আমাদের সন্তানদের এবং সমাজের ভবিষ্যৎ রক্ষা করতে পারব না

news image
আরও খবর
Preview image