Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

পাসপোর্ট জটিলতায় থমকে স্বপ্ন কাঁথির মেয়ের পাশে দাঁড়ালেন অভিষেক

পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির মেয়ে অঙ্কিতা প্রধান জনপ্রিয় সঙ্গীত রিয়্যালিটি শো-এর অন্যতম প্রতিযোগী  পাসপোর্ট জটিলতায় পরবর্তী পর্ব থেকে বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হলেও  পরিবারের উদ্যোগে অভিষেকের দফতরের হস্তক্ষেপে মেলে সমাধান।

পাসপোর্ট জটিলতায় থমকে স্বপ্ন  কাঁথির মেয়ের পাশে দাঁড়ালেন অভিষেক
Culture & Lifestyle

জনপ্রিয় সঙ্গীতভিত্তিক রিয়্যালিটি শো-তে অংশ নেওয়া পশ্চিমবঙ্গের এক প্রতিযোগীর পাসপোর্ট-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হলেন Abhishek Banerjee। পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির বাসিন্দা অঙ্কিতা প্রধান বর্তমানে ওই শো-এর অন্যতম আলোচিত প্রতিযোগী। প্রতিভা ও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের জোরে সে পৌঁছে গিয়েছে সেরা দশের লড়াইয়ে। কিন্তু ঠিক এই সময়েই সামনে আসে প্রশাসনিক জটিলতা—পাসপোর্ট সমস্যা।

স্বপ্নের মঞ্চে ওঠার লড়াই

কাঁথির এক সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা অঙ্কিতা ছোটবেলা থেকেই গান শিখছে। স্থানীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ, প্রতিযোগিতায় পুরস্কার—ধাপে ধাপে এগিয়ে এসেছে সে। পরিবারের সীমিত সামর্থ্য সত্ত্বেও মেয়ের স্বপ্নপূরণে কোনও খামতি রাখেননি তার বাবা-মা।

মুম্বইয়ে অনুষ্ঠিত অডিশন ও পরবর্তী পর্বগুলিতে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করে অঙ্কিতা জায়গা করে নেয় মূল প্রতিযোগিতায়। বিচারক ও দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়ে সে সেরা দশে পৌঁছে যায়। এখানেই শুরু নতুন অধ্যায়—বিদেশে শুটিং।

দুবাই অধ্যায়ের আগে বিপত্তি

শো কর্তৃপক্ষ জানায়, ‘সেরা ১০ প্রতিযোগী’ পর্বের শুটিং হবে দুবাইয়ে। ফলে প্রতিযোগীদের বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা থাকা আবশ্যক। অঙ্কিতা নাবালিকা হওয়ায় একা বিদেশযাত্রা সম্ভব নয়। নিয়ম অনুযায়ী, তার সঙ্গে অভিভাবক থাকতে হবে।

এই কারণেই অঙ্কিতা ও তার মা একসঙ্গে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন। তবে প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হয়। অঙ্কিতা নিজের পাসপোর্ট পেয়ে গেলেও তার মা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা পাননি। অন্যদিকে, চ্যানেল কর্তৃপক্ষ তিন দিনের মধ্যে পাসপোর্টের অবস্থা জানাতে বলে। সময়সীমা পেরিয়ে গেলে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।

একদিকে বহু দিনের পরিশ্রম, অন্যদিকে অনিশ্চয়তা—এই পরিস্থিতিতে দুশ্চিন্তায় পড়ে পরিবার।

অভিষেকের দফতরের দ্বারস্থ পরিবার

সমস্যার সমাধানে অঙ্কিতার পরিবার যোগাযোগ করে Abhishek Banerjee-র দফতরের সঙ্গে। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তিনি প্রশাসনিক স্তরে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন।

পরিবারের বক্তব্য, দ্রুত হস্তক্ষেপের ফলেই সমস্যার সমাধান সম্ভব হয়। শনিবার অঙ্কিতার মা পাসপোর্ট হাতে পান। ফলে দুবাই যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

প্রশাসনিক সহায়তা নাকি রাজনৈতিক বার্তা?

এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। জেলার রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ মুখ হলেন Suvendu Adhikari। তাঁর বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রাম।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করছেন, এই ঘটনার মধ্যে ‘স্থানমাহাত্ম্য’ রয়েছে। তাঁদের মতে, জেলার উপর বিশেষ নজর রাখার বার্তাই এতে ফুটে উঠছে। সম্প্রতি নন্দীগ্রামে সেবাশ্রয় কর্মসূচিও করেছেন অভিষেক।

তবে অন্য অংশের মত ভিন্ন। তাঁদের বক্তব্য, একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি হিসেবে নাগরিক সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসা স্বাভাবিক। একে রাজনৈতিক রং দেওয়া উচিত নয়।

নাবালক প্রতিযোগীদের প্রশাসনিক বাস্তবতা

এই ঘটনা আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আনে—নাবালক প্রতিযোগীদের বিদেশযাত্রা সংক্রান্ত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া কতটা সময়সাপেক্ষ? পাসপোর্ট, পুলিশ ভেরিফিকেশন, নথি যাচাই—সব মিলিয়ে অনেক সময় বিলম্ব হয়। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার ক্ষেত্রে তথ্যভাণ্ডার ও কাগজপত্রের সামান্য ত্রুটিতেই সমস্যা দেখা দেয়।

অঙ্কিতার ক্ষেত্রে সময়সীমা ছিল অত্যন্ত সীমিত। তাই দ্রুত পদক্ষেপ না হলে সুযোগ হাতছাড়া হতে পারত।

পরিবারের আবেগ ও প্রতিক্রিয়া

পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, এই সহায়তা না পেলে অঙ্কিতার স্বপ্ন ভেঙে যেত। মেয়ের প্রতিভা জাতীয় মঞ্চে তুলে ধরার সুযোগ হারিয়ে যেত। তাঁরা কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন দ্রুত সমাধানের জন্য।

অঙ্কিতা নিজেও জানিয়েছে, এখন সে শুধুই গান নিয়ে ভাবতে চায়। প্রশাসনিক জট কাটায় মানসিক চাপ অনেকটাই কমেছে।

রিয়্যালিটি শো ও আন্তর্জাতিক পর্ব

ভারতীয় টেলিভিশনের জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শোগুলিতে বিদেশে শুটিং নতুন নয়। দর্শক আকর্ষণ ও বৈচিত্র আনতেই এই আয়োজন। তবে প্রতিযোগীদের জন্য এটি এক বিরাট সুযোগ। আন্তর্জাতিক মঞ্চে পারফর্ম করা মানে বৃহত্তর দর্শকসমাজের সামনে নিজের প্রতিভা তুলে ধরা।

দুবাই পর্বে সেরা দশ প্রতিযোগীর মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। অঙ্কিতা এখন সেই লড়াইয়ের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।

প্রশাসন, রাজনীতি ও নাগরিক সহায়তা

এই ঘটনা প্রশাসনিক কাঠামোর একটি দিক তুলে ধরে—সমস্যা দ্রুত সমাধানে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ কতটা কার্যকর হতে পারে। যদিও দীর্ঘমেয়াদে প্রয়োজন প্রক্রিয়াগত দক্ষতা বৃদ্ধি, যাতে সাধারণ মানুষকে আলাদা করে দফতরে যোগাযোগ করতে না হয়।

ডিজিটাল পাসপোর্ট ব্যবস্থা ও দ্রুত যাচাই প্রক্রিয়া আরও কার্যকর হলে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব।

news image
আরও খবর

পূর্ব মেদিনীপুরের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

পূর্ব মেদিনীপুর দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল জেলা। নন্দীগ্রাম আন্দোলনের পর থেকে এই অঞ্চল জাতীয় রাজনীতির মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ স্থান পেয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে জেলার প্রতিটি ঘটনাই রাজনৈতিক বিশ্লেষণের অংশ হয়ে ওঠে।

তবে অঙ্কিতার পরিবারের বক্তব্য স্পষ্ট—তাঁরা রাজনীতি বোঝেন না, মেয়ের স্বপ্নটাই তাঁদের কাছে বড়।

সামাজিক মাধ্যমের প্রতিক্রিয়া

ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ প্রশংসা করেছেন দ্রুত সহায়তার জন্য, কেউ আবার প্রশ্ন তুলেছেন প্রশাসনিক ব্যবস্থার গতি নিয়ে।

তবে অধিকাংশেরই মত, একজন কিশোরীর স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করাই মূল বিষয় হওয়া উচিত।

প্রতিভা বনাম প্রক্রিয়া

অঙ্কিতার ঘটনা দেখাল, প্রতিভা থাকলেও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার জটিলতা অনেক সময় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। গ্রামাঞ্চলের প্রতিযোগীদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও প্রকট।

সরকারি দফতরগুলিতে নাগরিকবান্ধব পরিষেবা জোরদার করা প্রয়োজন, যাতে শিল্পী বা ক্রীড়াবিদদের সুযোগ নষ্ট না হয়।

দুবাই যাত্রার প্রস্তুতি

এখন সব জট কাটিয়ে অঙ্কিতা ও তার মা দুবাই যাওয়ার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার পর শুরু হয়েছে ভিসা প্রক্রিয়া ও ভ্রমণ পরিকল্পনা। শো কর্তৃপক্ষও আনুষ্ঠানিকভাবে তার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে।

উপসংহার

কাঁথির অঙ্কিতা প্রধানের পাসপোর্ট-সংক্রান্ত জটিলতা শেষ পর্যন্ত মিটেছে। Abhishek Banerjee-র হস্তক্ষেপে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হয়েছে বলে পরিবারের দাবি। এখন অঙ্কিতা নতুন উদ্যমে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পারফর্ম করার অপেক্ষায়।

এই ঘটনা একদিকে যেমন এক কিশোরীর স্বপ্নপূরণের গল্প, তেমনই অন্যদিকে প্রশাসনিক দক্ষতা, রাজনৈতিক ভূমিকা ও নাগরিক সহায়তার এক বাস্তব উদাহরণ। রাজনীতি থাক বা না থাক, আপাতত সবচেয়ে বড় কথা—এক প্রতিভাবান মেয়ের পথের বাধা সরে গিয়েছে। এখন চোখ দুবাইয়ের মঞ্চে, যেখানে কাঁথির কন্যা সুরে সুরে নতুন ইতিহাস লিখতে পারে।

কাঁথির অঙ্কিতা প্রধানের ঘটনাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এনে দেয়—প্রতিভা কি সব সময় নিজের জোরে পথ করে নিতে পারে, নাকি প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার জটিলতা অনেক সময় সেই পথ আটকে দেয়? বাস্তবতা হল, শুধুমাত্র দক্ষতা বা পরিশ্রমই যথেষ্ট নয়; কখনও কখনও কাগজপত্র, অনুমোদন, যাচাই—এই সব আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

গ্রামাঞ্চল থেকে উঠে আসা প্রতিযোগীদের ক্ষেত্রে এই সমস্যাটি আরও প্রকট। শহুরে পরিকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তির সহজলভ্যতা বা প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা অনেক সময় তাঁদের নাগালের বাইরে থাকে। পাসপোর্টের মতো একটি নথি পেতে পুলিশ ভেরিফিকেশন, ঠিকানার প্রমাণ, জন্মতারিখের নথি—সব কিছু নিখুঁত থাকতে হয়। সামান্য ভুল বা বিলম্বই বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

অঙ্কিতার ক্ষেত্রে ঠিক সেটাই হয়েছিল। সে নিজে পাসপোর্ট পেলেও তার মায়ের পাসপোর্ট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে না মেলায় আন্তর্জাতিক পর্বে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী, নাবালিকা হওয়ায় তার সঙ্গে অভিভাবকের থাকা বাধ্যতামূলক। ফলে প্রশাসনিক বিলম্ব সরাসরি তার স্বপ্নের উপর প্রভাব ফেলতে চলেছিল।

এই পরিস্থিতি দেখায়, প্রতিভা যতই উজ্জ্বল হোক, প্রক্রিয়ার গতি তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে। তাই সরকারি দফতরগুলিতে নাগরিকবান্ধব পরিষেবা জোরদার করা অত্যন্ত প্রয়োজন। ডিজিটাল আবেদন প্রক্রিয়া, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পরিষেবা প্রদান, দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তি—এসব ব্যবস্থা আরও কার্যকর হলে শিল্পী, ক্রীড়াবিদ বা অন্যান্য প্রতিভাবান তরুণ-তরুণীদের সুযোগ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা কমে।

একই সঙ্গে প্রয়োজন তথ্য ও সচেতনতা বৃদ্ধি। অনেক সময় আবেদনকারীরা সঠিক নথি বা প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবগত না থাকায় দেরি হয়। গ্রামাঞ্চলে প্রশাসনিক সহায়তা শিবির, অনলাইন পরিষেবার প্রশিক্ষণ বা স্থানীয় স্তরে সহায়ক কেন্দ্র গড়ে তোলা হলে এই সমস্যার সমাধান সহজ হতে পারে।

অঙ্কিতার ঘটনার আর একটি দিকও রয়েছে—জনপ্রতিনিধির হস্তক্ষেপ। পরিবারের দাবি অনুযায়ী, Abhishek Banerjee-র দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করার পর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হয়। এতে বোঝা যায়, সঠিক স্তরে বিষয়টি পৌঁছালে সমাধান সম্ভব। তবে দীর্ঘমেয়াদে লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন ব্যবস্থা তৈরি করা, যেখানে সাধারণ মানুষকে বিশেষ হস্তক্ষেপের প্রয়োজন না হয়।

দুবাই যাত্রার প্রস্তুতি

সব জট কাটিয়ে এখন অঙ্কিতা ও তার মা দুবাই যাওয়ার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার পর শুরু হয়েছে ভিসা প্রক্রিয়া, টিকিট বুকিং, প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ—সব মিলিয়ে এক ব্যস্ত সময়। আন্তর্জাতিক মঞ্চে পারফর্ম করার সুযোগ যে কোনও শিল্পীর কাছেই স্বপ্নের মতো। অঙ্কিতার ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম নয়।

শো কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে তার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে। ‘সেরা ১০ প্রতিযোগী’ পর্বে জায়গা পাওয়া মানেই প্রতিযোগিতা আরও কঠিন। নতুন পরিবেশ, আন্তর্জাতিক দর্শক, বড় মঞ্চ—সব মিলিয়ে চ্যালেঞ্জও বড়। তবে প্রশাসনিক অনিশ্চয়তা কেটে যাওয়ায় এখন তার মনোযোগ সম্পূর্ণভাবে গানের প্রস্তুতিতে।

পরিবারের সদস্যরাও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন। কয়েক দিন আগেও যেখানে অনিশ্চয়তা ঘিরে ছিল, এখন সেখানে উচ্ছ্বাস ও প্রত্যাশা। স্থানীয় এলাকাতেও উৎসাহের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কাঁথির মানুষ তাদের মেয়ের আন্তর্জাতিক মঞ্চে পারফরম্যান্স দেখার অপেক্ষায়।

 

Preview image