৩২ বছর বয়সি ধর্মেন্দ্র কুমায়ু, লোহা মান্ডির বাসিন্দা ও স্থানীয় এক ওষুধের দোকানের কর্মী, বাইক চালানোর সময় হঠাৎ হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুমুখে পতিত হন। মুহূর্তের মধ্যেই ঘটে যায় মর্মান্তিক ‘নিঃশব্দ মৃত্যু’।
মধ্যপ্রদেশের ইন্দৌরে ঘটে গেল এক হৃদয়বিদারক ঘটনা। শুক্রবার দাওয়া বাজার এলাকায় বাইক চালাতে চালাতেই হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল এক যুবকের। মৃতের নাম ধর্মেন্দ্র কুমায়ু, বয়স ৩২। পেশায় তিনি স্থানীয় একটি ওষুধের দোকানের কর্মী ছিলেন এবং লোহা মান্ডি এলাকার বাসিন্দা। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, সেদিন নিয়মমতো বাইক চালিয়ে কাজে যাচ্ছিলেন ধর্মেন্দ্র। হঠাৎই বাইকের গতি কমে আসে, তারপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যান রাস্তায়। আশেপাশের মানুষ ছুটে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেন এবং দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকদের অনুমান, হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে যুবকের।
পরে জানা যায়, ধর্মেন্দ্র পরিবারে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে রেখে গিয়েছেন। তাঁর বাবা-মা ও ভাই অন্যত্র থাকতেন। হঠাৎ এই অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও প্রতিবেশীদের মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। ঘটনাটির ভিডিয়ো রাস্তার ধারের একটি সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে এবং সেই ফুটেজ ‘পিপল্স আপডেট’ নামের এক্স (X) হ্যান্ডল থেকে প্রকাশ্যে আসে। মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয় সেই ভিডিয়ো—নেটপাড়ায় ছড়িয়ে পড়ে শোক ও বিস্ময়ের তরঙ্গ।
ভিডিয়োটি দেখে অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, বিশেষ করে তরুণ বয়সেই ক্রমবর্ধমান হৃদ্রোগের প্রবণতা নিয়ে। কেউ লিখেছেন, “মাত্র ৩২ বছর বয়সে এমন মৃত্যু মর্মান্তিক! আজকাল তরুণদের মধ্যেও হার্ট অ্যাটাক এত বেড়ে যাচ্ছে কেন?” চিকিৎসকদের একাংশের মতে, মানসিক চাপ, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ও অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের কারণেই এই প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে।
ঘটনার সত্যতা যদিও স্বাধীনভাবে যাচাই করেনি লেন্স্পিডিয়া ডট কম, তবুও এই ঘটনাটি আবারও মনে করিয়ে দিল, সুস্থ জীবনধারার গুরুত্ব এবং সময়মতো স্বাস্থ্য পরীক্ষা কতটা জরুরি। এক নিমেষে জীবন থেমে যেতে পারে—ধর্মেন্দ্রর এই ‘নিঃশব্দ মৃত্যু’ সেই তিক্ত সত্যিটাই সামনে এনে দিল।