Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

প্রজাতন্ত্র দিবসে সিআরপিএফের পুরুষ বাহিনীকে নেতৃত্ব দেবেন জম্মুর তরুণী সিমরন

বছর ছাব্বিশের সিমরন, জম্মু কাশ্মীরের মেয়ে এবং আধাসেনার অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ড্যান্ট, প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে পুরোপুরি পুরুষ সিআরপিএফ দলকে নেতৃত্ব দিয়ে ইতিহাস গড়বেন।

প্রজাতন্ত্র দিবস ভারতের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং দেশপ্রেমের এক জীবন্ত উদযাপন। প্রতিবছর ২৬ জানুয়ারি রাইসিনা হিল থেকে ইন্ডিয়া গেট হয়ে লালকেল্লা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত কুচকাওয়াজে ভারতের সামরিক শক্তি, আধাসামরিক বাহিনী এবং সশস্ত্র সুরক্ষার প্রদর্শনী হয়। এটি শুধু সামরিক শৃঙ্খলা প্রদর্শনের মঞ্চ নয়, বরং দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, একতা এবং আধুনিক ভারতীয় সেনার ক্ষমতা প্রদর্শনের সুযোগ। ২০২৬ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসে এই ঐতিহ্য আরও একবার নতুন মাত্রা পাবে, কারণ এবার কুচকাওয়াজের নেতৃত্ব দেবেন এক তরুণী, সিমরন বালা।

সিমরন বালা এই মুহূর্তে ভারতীয় ইতিহাসে একটি নতুন দিক উন্মোচন করেছেন। ২৬ জানুয়ারি, দিল্লির কুচকাওয়াজে সিআরপিএফের প্রায় ১৫০ জন পুরুষ জওয়ানের একটি কুচকাওয়াজ দলকে নেতৃত্ব দেবেন তিনি। ভারতের কোনও মহিলা জওয়ান আগে কখনও পুরোপুরি পুরুষ দলের নেতৃত্ব দেননি। তাই সিমরন এই দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এবং ভারতের আধাসামরিক বাহিনীতে নতুন ইতিহাস গড়ার সুযোগ তৈরি করেছেন। এই কৃতিত্ব শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং সমগ্র ভারতীয় সেনা বাহিনীর জন্যও গর্বের বিষয়।

বছর ছাব্বিশের সিমরন জম্মু কাশ্মীরের নওশেরা শহরের কন্যা। ছোট্ট শহর থেকে উঠে আসা এই তরুণী এখন ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আধাসামরিক অফিসার। শিক্ষাজীবনে তিনি রাজউরি জেলার গান্ধীনগরের গভর্নমেন্ট কলেজ ফর উইমেন থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক স্তরের পড়াশোনা শেষ করেন। শিক্ষাজীবনের পরেই তার লক্ষ্য স্থির হয় দেশের জন্য কাজ করার। ২০২৫ সালে ইউপিএসসি পরিচালিত সিএপিএফ অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ড্যান্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি দেশের বৃহত্তম আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফএ যোগ দেন।

সিমরনের যোগদান কেবলই নিয়োগ নয়, বরং প্রতিভা ও নেতৃত্ব প্রদর্শনের সুযোগও ছিল। গুরুগ্রামের সিআরপিএফ অ্যাকাডেমিতে প্রশিক্ষণ চলাকালীন তিনি সেরা অফিসারের পুরস্কার পান। এটি প্রমাণ করে যে তিনি কেবল যোগ্য নয়, বরং কঠোর প্রশিক্ষণ, মানসিক দৃঢ়তা এবং নেতৃত্বের প্রতিভা সম্পন্ন। রাজউরি জেলার ইতিহাসে সিমরনই প্রথম মহিলা যিনি সিআরপিএফ অফিসার হয়েছেন। শুরুতেই তাঁর পোস্টিং হয় ছত্তীসগঢ়ের বস্তারিয়া ব্যাটালিয়নে। এখানে তিনি নকশালবিরোধী অভিযানের দায়িত্ব পান। কঠোর পাহাড়ি অঞ্চল, চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে সিমরন তার দায়িত্ব পালন করেন।

প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে নেতৃত্ব দেওয়া সিমরনের জন্য এক বড় দায়িত্ব। প্রতিবারের মতো এ বছরও কুচকাওয়াজ দল রাইসিনা হিল থেকে লালকেল্লা পর্যন্ত নির্ধারিত পথ ধরে চলবে। ভারতের সামরিক শক্তি এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য প্রদর্শন করবেন সেনার জওয়ানেরা। এবার কুচকাওয়াজে রয়্যাল এনফিল্ড বুলেট বাইকে চড়ে সিআরপিএফ এবং সশস্ত্র সীমা বাহিনীর মহিলা ডেয়ার ডেভিলসদের যৌথ দলও অংশ নেবে। এই যৌথ অংশগ্রহণ ২০২০ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুরূপ হলেও এবার নেতৃত্ব দেবেন পুরোপুরি পুরুষ দলের ওপর একজন মহিলা।

সিমরনের ইতিহাস ও কাজের মানসিকতা প্রতিটি নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। ছোট্ট শহর নওশেরার কন্যা থেকে ভারতের আধাসামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ পদে উত্তরণ এবং ইতিহাস গড়া, এটি শুধু দেশের জন্য নয়, বরং নারী ক্ষমতায়নের এক অসাধারণ উদাহরণ। তার নেতৃত্বের মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে কঠোর পরিশ্রম, ধৈর্য, এবং মানসিক দৃঢ়তা থাকলে যে কোনও মহিলা ভারতীয় সেনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে নেতৃত্ব দেওয়া সিমরনের জন্য এক বড় দায়িত্ব। প্রতিবারের মতো এ বছরও কুচকাওয়াজ দল রাইসিনা হিল থেকে লালকেল্লা পর্যন্ত নির্ধারিত পথ ধরে চলবে। ভারতের সামরিক শক্তি এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য প্রদর্শন করবেন সেনার জওয়ানেরা। এবার কুচকাওয়াজে রয়্যাল এনফিল্ড বুলেট বাইকে চড়ে সিআরপিএফ এবং সশস্ত্র সীমা বাহিনীর মহিলা ডেয়ার ডেভিলসদের যৌথ দলও অংশ নেবে। এই যৌথ অংশগ্রহণ ২০২০ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুরূপ হলেও এবার নেতৃত্ব দেবেন পুরোপুরি পুরুষ দলের ওপর একজন মহিলা।

সিমরনের ইতিহাস ও কাজের মানসিকতা প্রতিটি নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। ছোট্ট শহর নওশেরার কন্যা থেকে ভারতের আধাসামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ পদে উত্তরণ এবং ইতিহাস গড়া, এটি শুধু দেশের জন্য নয়, বরং নারী ক্ষমতায়নের এক অসাধারণ উদাহরণ। তার নেতৃত্বের মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে কঠোর পরিশ্রম, ধৈর্য, এবং মানসিক দৃঢ়তা থাকলে যে কোনও মহিলা ভারতীয় সেনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

সিমরন শুধু নেতৃত্বের জন্য নয়, দেশের জন্য দায়িত্ব এবং নীতি-নৈতিকতার দৃষ্টিকোণ থেকেও অনন্য। তিনি কেবল পুরুষ বাহিনীকে মেনে চলতে বলেন না, বরং তাদের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধের শিক্ষা দেন। তার কঠোর প্রশিক্ষণ, পরিকল্পিত কৌশল এবং মানসিক দৃঢ়তা কেবল কুচকাওয়াজ নয়, বরং সামরিক প্রশিক্ষণ ও দায়িত্ব পালনের প্রতীক।

সিমরনের কেরিয়ার কেবল কুচকাওয়াজের জন্য সীমাবদ্ধ নয়। ছত্তীসগঢ়ে নকশালবিরোধী অভিযানের সময় তিনি নিজের নেতৃত্ব, কৌশল, এবং সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। কঠিন পাহাড়ি এলাকা, সংরক্ষিত অঞ্চলে নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং জওয়ানদের মানসিক দৃঢ়তা বজায় রাখা এসবই তাঁর দক্ষতা এবং নেতৃত্ব প্রমাণ করে। এই অভিজ্ঞতা প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে প্রদর্শনের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ কেবল সামরিক প্রদর্শনী নয়, বরং দেশপ্রেম, ঐক্য এবং সামরিক কৌশলের মেলবন্ধন। ২৬ জানুয়ারি, সিমরন নেতৃত্বে পুরুষ জওয়ানরা এই ঐতিহ্যবাহী রুটে প্রদর্শনী করবেন। প্রতিটি পদক্ষেপে শৃঙ্খলা, প্রতিটি যাত্রায় সামরিক দক্ষতা এবং প্রতিটি পদচারণায় দেশপ্রেম সবই দৃশ্যমান হবে। সিমরনের নেতৃত্ব এই সমস্ত উপাদানকে একটি দৃঢ় কাঠামোর মধ্যে উপস্থাপন করবে।

শৈশব ও পরিবার

সিমরন বালার জন্ম জম্মু কাশ্মীরের নওশেরা শহরে। ছোট্ট শহরে বেড়ে উঠা তিনি শৈশব থেকেই কৃতিত্ব, শৃঙ্খলা এবং দায়িত্ববোধের সঙ্গে পরিচিত হন। তার পরিবারে শিক্ষার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ছিল। বাবা ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা এবং মা একজন শিক্ষিকা। পরিবার তাকে ছোটবেলা থেকেই উৎসাহিত করেছিল যাতে তিনি সব ক্ষেত্রে নিজেকে পরীক্ষা করতে পারে। সিমরনের বড়ো ভাই এবং ছোট বোনও শিক্ষাজীবনে খুব ভালো অর্জন করে। পরিবারের সমর্থন এবং পরামর্শ তাকে কঠোর পরিশ্রমের মূল্য বোঝায়।

শৈশব থেকেই সিমরন ছিলেন ক্রীড়া, নৃত্য এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়। স্কুলের সময় তিনি স্কুলে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতেন এবং তার নেতৃত্ব এবং সংগঠন ক্ষমতার জন্য সহপাঠী এবং শিক্ষকরা তাকে প্রশংসা করতেন। ছোটবেলা থেকেই তার মধ্যে দেশের জন্য কিছু করার আকাঙ্ক্ষা দেখা যেত।

শিক্ষাজীবন

সিমরনের শিক্ষাজীবন জম্মুর গান্ধীনগরের গভর্নমেন্ট কলেজ ফর উইমেন থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করে। কলেজ জীবনে তিনি শুধু শিক্ষায় মনোনিবেশ করেননি বরং সামাজিক কার্যক্রমেও সক্রিয় ছিলেন। তিনি কলেজে ছাত্র পরিষদে নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করেন এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সামরিক অনুশীলনে অংশ নেন। তার এই সক্রিয়তা এবং নেতৃত্ব প্রদর্শন ছিল ভবিষ্যতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি।

news image
আরও খবর

শিক্ষাজীবনে সিমরন বুঝতে পেরেছিলেন যে দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ পাওয়া তার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই স্নাতক সমাপন করার পর তিনি সিদ্ধান্ত নেন আধাসামরিক বাহিনীতে যোগদানের। তিনি ইউপিএসসি পরিচালিত সিএপিএফ অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ড্যান্ট পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি শুরু করেন। কঠোর পড়াশোনা এবং ধৈর্য্য সিমরনের শক্তি হিসেবে কাজ করে।

প্রশিক্ষণ জীবন

২০২৫ সালে সিমরন সিএপিএফ অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ড্যান্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ওই বছরের এপ্রিল মাসে তিনি দেশের বৃহত্তম আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফে যোগ দেন। প্রশিক্ষণ শুরু হয় গুরুগ্রামের সিআরপিএফ অ্যাকাডেমিতে। সেখানে তিনি শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক দৃঢ়তা, নেতৃত্ব এবং কৌশলগত চিন্তাভাবনা শেখার সঙ্গে সঙ্গে কঠোর শৃঙ্খলা মেনে চলার প্রশিক্ষণ পান। তিনি প্রশিক্ষণের সময় সেরা অফিসারের পুরস্কার পান।

প্রশিক্ষণকালীন সময়ে সিমরন শিখেছেন কিভাবে দলকে মেনে চলতে হবে, কৌশলগত পরিকল্পনা করতে হবে, কঠিন পরিস্থিতিতে মানসিক দৃঢ়তা বজায় রাখতে হবে এবং জওয়ানদের মধ্যে শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস বজায় রাখতে হবে। এই অভিজ্ঞতা তাকে প্রজাতন্ত্র দিবসে পুরুষ বাহিনীকে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত করে।

আধাসামরিক বাহিনীর অভিজ্ঞতা

প্রথম পোস্টিং হয় ছত্তীসগঢ়ের বস্তারিয়া ব্যাটালিয়নে। এই অঞ্চলে নকশালবিরোধী অভিযান পরিচালনার দায়িত্ব পান সিমরন। কঠিন পাহাড়ি এলাকা, সীমিত নিরাপত্তা সুবিধা এবং চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে তিনি সফলভাবে জওয়ানদের নেতৃত্ব দেন। এই অভিজ্ঞতা তাকে কঠোর পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং দলের আত্মবিশ্বাস বজায় রাখার দক্ষতা শেখায়।

প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজের প্রস্তুতি

প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে সিমরনের নেতৃত্বে প্রায় ১৫০ জন পুরুষ জওয়ান অংশ নেবেন। এই প্রদর্শনীর প্রস্তুতি শুরু হয় মাসখানেক আগে। প্রতিদিন জওয়ানরা নির্দিষ্ট রুট ধরে কুচকাওয়াজের অনুশীলন করে। প্রতিটি পদক্ষেপ, সমন্বয় এবং শৃঙ্খলা পরীক্ষা করা হয়। সিমরন তার দলকে অনুপ্রাণিত করেন এবং সকলকে মানসিকভাবে শক্তিশালী রাখেন।

প্রতিটি অনুশীলন, পদচারণা এবং গানের সঙ্গে সমন্বয় নিশ্চিত করা হয়। সিমরনের নেতৃত্বে জওয়ানরা শৃঙ্খলা বজায় রেখে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট বিন্যাসে চলতে শিখে। প্রতিটি ধাপের পরিকল্পনা জটিল হলেও সিমরন তার দক্ষ নেতৃত্ব দিয়ে তা সহজ এবং কার্যকরভাবে সম্পন্ন করেন।

অন্যান্য বাহিনীর অংশগ্রহণ

এ বছর কুচকাওয়াজে রয়্যাল এনফিল্ড বুলেট বাইকে চড়ে সিআরপিএফ এবং সশস্ত্র সীমাবাহিনী মহিলা ডেয়ার ডেভিলসদের যৌথ দল অংশ নেবে। এছাড়া সিআইএসএফ এর কুচকাওয়াজ দল এবং ব্যান্ড দলও থাকবে। সীমান্তরক্ষী বাহিনী উটের পিঠে চড়ে অংশ নেবে। প্রতিটি বাহিনী তাদের নিজস্ব দক্ষতা এবং বৈচিত্র্য প্রদর্শন করবে।

প্রতিটি ধাপের বিশদ বর্ণনা

রাইসিনা হিল থেকে শুরু করে ইন্ডিয়া গেট এবং লালকেল্লা পর্যন্ত কুচকাওয়াজ দলের ধাপ পরিকল্পিত। প্রতিটি পদক্ষেপ, শৃঙ্খলা, ব্যান্ডের সঙ্গ, সমন্বয়, এবং দৃঢ় শারীরিকভাবে বাহিনী এগোতে শিখে। প্রতিটি পদক্ষেপের সঙ্গে সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী, শক্তি প্রদর্শন এবং দেশপ্রেমের বার্তা সংযুক্ত থাকে।

নারী ক্ষমতায়নের প্রভাব

সিমরনের এই নেতৃত্ব নারী ক্ষমতায়নের এক চূড়ান্ত উদাহরণ। তিনি প্রমাণ করেছেন যে নারীরাও পুরুষদের সমান নেতৃত্ব দিতে সক্ষম। তার এই কৃতিত্ব শুধু সিআরপিএফ নয়, বরং সমগ্র দেশের যুবসমাজের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।

Preview image