Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

বক্স অফিসে ঝড় তুলছে ‘ধুরন্ধর’ দ্বিতীয় সোমবারেও ইতিহাস! ১১ দিনে প্রায় ₹৪০০ কোটির দোরগোড়ায় আদিত্য ধর পরিচালিত ছবি

ঐতিহাসিক দ্বিতীয় সপ্তাহান্তের ঝড়ো সাফল্যের পর নতুন সপ্তাহেও দুর্দান্ত ছন্দে যাত্রা শুরু করল ধুরন্ধর। মুক্তির একাদশ দিনে, সোমবার ভারতীয় বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছে ₹৩১.৮০ কোটি নেট, যা আবারও তার অপ্রতিরোধ্য গতির প্রমাণ দেয়। সপ্তাহজুড়ে ভরপুর শো, দর্শকের টানা উপস্থিতি ও রিপিট অডিয়েন্সের ভালোবাসায় বক্স অফিসের প্রচলিত সব হিসেব উল্টে দিয়েছে এই ছবি। প্রথম সপ্তাহে ₹২১৮ কোটি ও দ্বিতীয় সপ্তাহান্তে ₹১৪৬.৬০ কোটি আয়ের পর মোট আয় দাঁড়িয়েছে ₹৩৯৬.৪০ কোটি নেট (ভারত)। জিও স্টুডিওস ও বি৬২ স্টুডিওস প্রযোজিত, আদিত্য ধর পরিচালিত এই ছবি দর্শকের স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা ও মুখে-মুখে প্রচারের জোরে এক অনন্য বক্স অফিস রেকর্ড গড়ে চলেছে, যা ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে বিরল।

ধুরন্ধর - বক্স অফিসের ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব অধ্যায়

ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে কিছু কিছু ছবি আসে যা শুধুমাত্র বক্স অফিসের রেকর্ড ভাঙে না, বরং দর্শকদের হৃদয়ে এমন এক অমোচনীয় ছাপ রেখে যায় যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম মনে থাকে। জিও স্টুডিওস এবং বি৬২ স্টুডিওসের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত এবং আদিত্য ধর পরিচালিত ধুরন্ধর ঠিক সেই রকমই একটি চলচ্চিত্র, যা মুক্তির মাত্র এগারো দিনের মধ্যে বক্স অফিসে এমন তুফান তুলেছে যা আগে কখনো দেখা যায়নি। ছবিটি শুধুমাত্র একটি বাণিজ্যিক সাফল্য নয়, এটি একটি সাংস্কৃতিক ঘটনা হয়ে উঠেছে যা সমগ্র দেশকে তার জাদুতে আবদ্ধ করে রেখেছে।

ধুরন্ধরের যাত্রা শুরু হয়েছিল অভূতপূর্ব উৎসাহ এবং প্রত্যাশা নিয়ে। প্রথম সপ্তাহেই ছবিটি সংগ্রহ করেছে মোট দুইশো আঠারো কোটি টাকা, যা নিজেই একটি বিরাট অর্জন। কিন্তু ছবিটির আসল শক্তি প্রকাশিত হয়েছে দ্বিতীয় সপ্তাহান্তে, যেখানে এটি আরও একশো ছেচল্লিশ কোটি ষাট লক্ষ টাকা যোগ করেছে তার সংগ্রহে। এই ধরনের দ্বিতীয় সপ্তাহান্তের পারফরম্যান্স ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে অত্যন্ত বিরল এবং এটি প্রমাণ করে যে দর্শকরা শুধুমাত্র একবার নয়, বারবার এই ছবি দেখতে হলে ভিড় করছেন।

একাদশ দিনে, অর্থাৎ দ্বিতীয় সোমবারে ধুরন্ধর যে পারফরম্যান্স দেখিয়েছে তা সত্যিই রেকর্ড-ভাঙা। সাধারণত যেকোনো ছবির জন্য সোমবার একটি চ্যালেঞ্জিং দিন কারণ সপ্তাহান্তের উচ্ছ্বাস কমে যায় এবং দর্শক সংখ্যা স্বাভাবিকভাবেই হ্রাস পায়। কিন্তু ধুরন্ধর সমস্ত প্রত্যাশাকে ভুল প্রমাণিত করে একাদশ দিনে একাই সংগ্রহ করেছে একত্রিশ কোটি আশি লক্ষ টাকা। এই সংখ্যাটি অনেক বড় বাজেটের ছবির প্রথম সপ্তাহের মোট সংগ্রহের চেয়েও বেশি। এই পরিসংখ্যান স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত করে যে ছবিটির গতি কোনোভাবেই কমছে না, বরং প্রতিটি দিন নতুন উচ্চতায় পৌঁছাচ্ছে।

ধুরন্ধরের মোট ভারতীয় নেট সংগ্রহ এখন দাঁড়িয়েছে তিনশো ছিয়ানব্বই কোটি চল্লিশ লক্ষ টাকা, এবং এটি মাত্র এগারো দিনের মধ্যে অর্জিত। এই গতিতে চলতে থাকলে ছবিটি খুব শীঘ্রই পাঁচশো কোটি ক্লাবে প্রবেश করবে এবং সম্ভবত আরও বড় মাইলস্টোন স্পর্শ করবে। যা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য তা হলো এই সাফল্য সম্পূর্ণভাবে জৈবিক এবং দর্শকদের ভালোবাসা থেকে উৎপন্ন। কোনো কৃত্রিম প্রচার বা ম্যানিপুলেশন ছাড়াই ছবিটি এই উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা এর গুণমান এবং দর্শকদের সাথে সংযোগের প্রমাণ।

দেশের প্রতিটি কোণে, ছোট শহর থেকে শুরু করে মেগাপলিস পর্যন্ত, ধুরন্ধর একই রকম উৎসাহ এবং সমর্থন পাচ্ছে। মাল্টিপ্লেক্স এবং সিঙ্গেল স্ক্রিন উভয় জায়গায় দর্শকরা ভিড় করছেন। প্রতিটি শো হাউসফুল হচ্ছে এবং অনেক জায়গায় অতিরিক্ত শো যোগ করা হচ্ছে দর্শকদের চাহিদা মেটাতে। সিনেমা হলের মালিকরা জানাচ্ছেন যে তারা এত দীর্ঘ সময় ধরে এমন ধারাবাহিক উচ্চ অকুপেন্সি দেখেননি। সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা এবং রাতের শো সবগুলোতেই দর্শক সংখ্যা প্রায় সমান রয়েছে, যা অত্যন্ত অস্বাভাবিক এবং ছবিটির ব্যাপক আবেদনের সাক্ষ্য।

ধুরন্ধরের সাফল্যের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। প্রথমত, ছবিটির বিষয়বস্তু এবং গল্প বলার ধরন দর্শকদের গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। আদিত্য ধর যে দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এই ছবি নির্মাণ করেছেন তা একইসাথে বিনোদনমূলক এবং অর্থবহ। ছবিটি শুধুমাত্র চাক্ষুষ দর্শনীয়তা নয়, বরং একটি শক্তিশালী আবেগময় যাত্রা যা দর্শকদের হাসায়, কাঁদায় এবং চিন্তা করতে বাধ্য করে। চিত্রনাট্যের প্রতিটি দৃশ্য সযত্নে তৈরি করা হয়েছে, প্রতিটি চরিত্র গভীরতা এবং উদ্দেশ্য নিয়ে আঁকা হয়েছে। এই স্তরের কারুকার্য এবং মনোযোগ আজকের বুদ্ধিমান দর্শকদের কাছে পৌঁছায় যারা ভালো সিনেমার প্রশংসা করেন।

দ্বিতীয়ত, ছবিটির অভিনয় পারফরম্যান্স একেবারে ব্যতিক্রমী। প্রধান ভূমিকা থেকে শুরু করে সহায়ক চরিত্র পর্যন্ত, প্রত্যেক অভিনেতা তাদের সর্বস্ব দিয়ে পর্দায় জীবন্ত হয়ে উঠেছেন। তাদের অভিনয় এতটাই বিশ্বাসযোগ্য এবং প্রভাবশালী যে দর্শকরা সহজেই চরিত্রগুলির সাথে সংযুক্ত হতে পারেন। এই সংযোগই একটি ছবিকে স্মরণীয় করে তোলে এবং দর্শকদের বারবার দেখতে উৎসাহিত করে। অভিনেতারা তাদের চরিত্রের জটিলতা এবং সূক্ষ্মতা এমনভাবে তুলে ধরেছেন যা প্রশংসনীয়।

তৃতীয়ত, ছবিটির প্রযুক্তিগত দিকগুলি বিশ্বমানের। সিনেমাটোগ্রাফি শ্বাসরুদ্ধকর, প্রতিটি ফ্রেম একটি শিল্পকর্মের মতো সুন্দর। সম্পাদনা তীক্ষ্ণ এবং কার্যকর, ছবিটিকে একটি দুর্দান্ত গতি দেয়। সঙ্গীত এবং পটভূমি স্কোর আবেগময় মুহূর্তগুলি বাড়িয়ে তোলে এবং দর্শকদের আরও গভীরভাবে কাহিনীতে টেনে নেয়। শব্দ নকশা নিমগ্নকারী এবং দৃশ্যমান প্রভাব প্রতিটি দৃশ্যে বাস্তবতা যোগ করে। এই সমস্ত উপাদান একসাথে মিলে একটি সিনেমাটিক অভিজ্ঞতা সৃষ্টি করে যা অবিস্মরণীয়।

ধুরন্ধরের সাফল্য শুধুমাত্র সংখ্যায় প্রতিফলিত হয় না, বরং সোশ্যাল মিডিয়া এবং মুখের কথায় যে প্রতিক্রিয়া এসেছে তাতেও স্পষ্ট। ছবিটি সম্পর্কে কথা বলতে এবং তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে দর্শকরা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ভিড় করছেন। হ্যাশট্যাগ ট্রেন্ডিং হচ্ছে, ফ্যান আর্ট তৈরি হচ্ছে এবং সংলাপ ভাইরাল হচ্ছে। এই ধরনের জৈবিক প্রচার যেকোনো পেইড বিজ্ঞাপনের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং কার্যকর। মানুষ তাদের বন্ধু এবং পরিবারকে ছবিটি দেখতে উৎসাহিত করছেন, এবং এই মুখের কথার প্রভাব ছবিটির সাফল্যের একটি বড় চালক।

ছবিটির রিপিট ভ্যালু অসাধারণ। অনেক দর্শক ইতিমধ্যে দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং এমনকি চতুর্থবার ছবিটি দেখছেন। প্রতিবার দেখার সময় তারা নতুন স্তর, সূক্ষ্মতা এবং বিবরণ আবিষ্কার করছেন যা তাদের প্রথম দেখার সময় হয়তো মিস করেছিলেন। এই ধরনের রিপিট দর্শকরাই দীর্ঘমেয়াদী বক্স অফিস সাফল্যের মূল চাবিকাঠি এবং ধুরন্ধর এই ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী পারফরম্যান্স করছে। এটি ইঙ্গিত করে যে ছবিটি শুধুমাত্র একবার দেখার জন্য নয়, বরং এটি এমন একটি অভিজ্ঞতা যা মানুষ বারবার পুনরায় অভিজ্ঞতা করতে চায়।

news image
আরও খবর

শিল্প বিশেষজ্ঞ এবং বক্স অফিস বিশ্লেষকরা ধুরন্ধরের ঘটনাকে একটি গেম-চেঞ্জার হিসেবে দেখছেন। এটি প্রমাণ করেছে যে দর্শকরা মানসম্পন্ন বিষয়বস্তুর জন্য সিনেমা হলে আসতে প্রস্তুত। ওটিটি প্ল্যাটফর্মের উত্থান এবং মহামারীর প্রভাবের পরে, অনেকে ভাবছিলেন যে থিয়েট্রিক্যাল অভিজ্ঞতার আবেদন কমে গেছে কিনা। কিন্তু ধুরন্ধর দৃঢ়ভাবে প্রমাণ করেছে যে বড় পর্দার জাদু এখনও অটুট রয়েছে। যখন একটি ছবিতে সবকিছু থাকে - দুর্দান্ত গল্প, শক্তিশালী পারফরম্যান্স, শীর্ষ-মানের প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং আবেগময় অনুরণন - দর্শকরা একটি সাম্প্রদায়িক দেখার অভিজ্ঞতায় অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী।

আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো ছবিটি কীভাবে সমস্ত জনসংখ্যার মধ্যে আবেদন করেছে। পুরুষ, মহিলা, যুবক, বয়স্ক, শহুরে, গ্রামীণ - প্রতিটি বিভাগ থেকে দর্শকরা বিপুল সংখ্যায় আসছেন। এই ধরনের সর্বজনীন আবেদন খুব কম ছবিই অর্জন করতে পারে। সাধারণত একটি ছবি হয় একটি নির্দিষ্ট জনসংখ্যার জন্য তৈরি হয় অথবা এটি বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পায়। কিন্তু ধুরন্ধর এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে এটি সকলের সাথে কথা বলে। এটি এমন থিম এবং আবেগ স্পর্শ করে যা সর্বজনীন এবং চিরন্তন।

পরিবারগুলি একসাথে ছবিটি দেখতে আসছে, এটিকে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে পরিণত করছে। বন্ধুদের গ্রুপ একসাথে টিকিট বুক করছে এবং পরে এটি সম্পর্কে আলোচনা করছে। কলেজের ছাত্ররা এবং তরুণ প্রাপ্তবয়স্করা ছবিটির শক্তি এবং শৈলী পছন্দ করছে। মধ্যবয়সী এবং বয়স্ক দর্শকরা এর আবেগময় গভীরতা এবং বার্তা প্রশংসা করছে। এই ধরনের ক্রস-জেনারেশনাল আবেদন একটি ছবিকে একটি সাংস্কৃতিক মাইলস্টোন করে তোলে।

আর্থিক সাফল্যের বাইরে, ধুরন্ধর একটি সাংস্কৃতিক প্রভাবও তৈরি করছে। ছবিটির থিম এবং বার্তা মানুষের মধ্যে কথোপকথন শুরু করছে। এটি মূল্যবোধ, সম্পর্ক, সংগ্রাম এবং জয়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলি উত্থাপন করছে। দর্শকরা ছবি থেকে অনুপ্রেরণা নিচ্ছেন এবং এর বার্তা তাদের নিজস্ব জীবনে প্রয়োগ করছেন। এই ধরনের প্রভাব অত্যন্ত বিরল এবং এটি প্রমাণ করে যে সিনেমা শুধুমাত্র বিনোদন নয়, এটি একটি শক্তিশালী মাধ্যম যা সমাজকে প্রভাবিত করতে এবং পরিবর্তন আনতে পারে।

চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির জন্য, ধুরন্ধর একটি আশার আলো। এটি প্রমাণ করে যে যখন নির্মাতারা গল্প, চরিত্র এবং মানসম্পন্ন নির্মাণে ফোকাস করেন তখন সাফল্য অনিবার্য। এটি একটি অনুস্মারক যে দর্শকরা বুদ্ধিমান এবং প্রশংসাকারী এবং তারা এমন সিনেমার দাবি রাখে যা তাদের সময় এবং অর্থের মূল্য দেয়। ধুরন্ধরের সাফল্য অন্যান্য ফিল্মমেকারদের উৎসাহিত করবে উচ্চাভিলাষী এবং অর্থবহ প্রকল্প নিতে, জেনে যে যদি সঠিকভাবে সম্পন্ন করা হয় তবে পুরস্কার বিশাল হতে পারে।

প্রযোজক জিও স্টুডিওস এবং বি৬২ স্টুডিওসের জন্য, এই সাফল্য একটি বিরাট কৃতিত্ব এবং তাদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং প্রকল্পের প্রতি বিশ্বাসের প্রমাণ। তারা আদিত্য ধরের দৃষ্টিভঙ্গিকে সমর্থন করেছেন এবং তাকে তার শৈল্পিক স্বাধীনতা দিয়ে এমন একটি মাস্টারপিস তৈরি করার সুযোগ দিয়েছেন যা এখন সমগ্র দেশকে মোহিত করছে। এই ধরনের প্রযোজক-পরিচালক সহযোগিতা ইন্ডাস্ট্রির জন্য একটি মডেল হিসেবে কাজ করে এবং দেখায় যে যখন সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গি এবং শক্তিশালী প্রযোজনা সহায়তা একত্রিত হয় তখন জাদু ঘটে।

আদিত্য ধর তার পূর্ববর্তী কাজের মাধ্যমে ইতিমধ্যে নিজেকে একজন প্রতিভাবান ফিল্মমেকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন, কিন্তু ধুরন্ধর তাকে একটি সম্পূর্ণ নতুন স্তরে নিয়ে গেছে। তার দক্ষতা, দৃষ্টিভঙ্গি এবং নৈপুণ্য এই ছবিতে সম্পূর্ণরূপে প্রদর্শিত হয়েছে। তিনি প্রমাণ করেছেন যে তিনি শুধুমাত্র একজন পরিচালক নয়, বরং একজন দক্ষ গল্পকার যিনি মহাকাব্যিক স্কেলে গল্প বলতে জানেন যেখানে ব্যক্তিগত আবেগময় মুহূর্তগুলি হারিয়ে যায় না। তার কাজ অনুপ্রাণিত করে এবং ইন্ডাস্ট্রিতে পরবর্তী প্রজন্মের ফিল্মমেকারদের জন্য একটি বেঞ্চমার্ক স্থাপন করে।

যেহেতু ধুরন্ধর তার বক্স অফিস যাত্রা অব্যাহত রেখেছে, সমস্ত চোখ এটি পরবর্তীতে কোন মাইলস্টোনগুলি অর্জন করবে তার দিকে। চারশো কোটি ক্লাব এখন দৃষ্টিতে রয়েছে এবং পাঁচশো কোটি মার্ক একটি বাস্তব সম্ভাবনা বলে মনে হচ্ছে। ছবিটি ইতিমধ্যে ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে সর্বকালের সর্বোচ্চ গ্রসারগুলির মধ্যে একটি হিসেবে নিজেকে স্থাপন করেছে এবং প্রতিটি অতিবাহিত দিনে, এটি আরও উঁচুতে আরোহণ করছে। যা বিশেষভাবে আশ্চর্যজনক তা হলো এই সাফল্য টেকসই এবং জৈবিক, কোনো কৃত্রিম বুস্ট বা ম্যানিপুলেশন দ্বারা চালিত নয়।

ধুরন্ধরের গল্প শুধুমাত্র বক্স অফিস সংখ্যার গল্প নয়। এটি ভালোবাসা এবং স্বীকৃতির গল্প যা দর্শকরা একটি ছবিকে প্রদান করেছেন যা তাদের হৃদয় স্পর্শ করেছে। এটি শক্তির গল্প যা মানসম্পন্ন সিনেমার রয়েছে সমস্ত বাধা অতিক্রম করতে এবং একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব তৈরি করতে। এটি এমন একটি গল্প যা প্রমাণ করে যে যখন সৃজনশীলতা, আবেগ এবং দক্ষতা একসাথে আসে তখন ফলাফল ব্যতিক্রমী হয়। ধুরন্ধর শুধুমাত্র একটি ছবি নয়, এটি একটি ঘটনা, একটি উদযাপন, এবং ভারতীয় সিনেমার শক্তি এবং সম্ভাবনার প্রমাণ। এটি একটি যাত্রা যা শুরু হয়েছে অসাধারণভাবে এবং যা প্রতিদিন নতুন রেকর্ড স্থাপন করে চলেছে, দর্শকদের ভালোবাসায় ভাসমান হয়ে।

Preview image