Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

ভারতীয় শেয়ারবাজারে জোয়ার: Reliance–Airtel নেতৃত্বে বাজারমূল্য বৃদ্ধি ₹২.০৫ লক্ষ কোটি

গত সপ্তাহে ভারতের শেয়ারবাজারে দেখা গেল উল্লেখযোগ্য পুনরুদ্ধার। দীর্ঘদিন ধরে বাজারে চলা ওঠানামা, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ, সুদের হার সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা এবং বিনিয়োগকারীদের সতর্ক মনোভাবের মধ্যেও সপ্তাহ শেষে বাজার চমক দেখাল। ভারতীয় শেয়ারবাজারের শীর্ষ ১০টি সবচেয়ে মূল্যবান কোম্পানির মধ্যে ৮টি সংস্থার মোট বাজারমূল্য বেড়ে গেল প্রায় ₹২.০৫ লক্ষ কোটি টাকা। এই উত্থানের ফলে বিনিয়োগকারীদের মনোবল বেড়েছে এবং বাজারে ফিরে এসেছে স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত। BSE Sensex গত সপ্তাহে ১,৩৪৬ পয়েন্ট বা ১.৬২% এবং NSE Nifty ৪১৭ পয়েন্ট বা ১.৬৪% বেড়ে শেষ হয়, যা বাজার পুনর্জাগরণের এক গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত। এই র‍্যালিতে সবচেয়ে বেশি লাভবান দুটি কোম্পানি হলো—Bharti Airtel এবং Reliance Industries। Airtel-এর বাজারমূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ₹৫৫,৬৫২ কোটি, যা সপ্তাহের সবচেয়ে বড় লাফ। এর প্রধান কারণ—কোম্পানির শক্তিশালী আর্থিক ফলাফল, ARPU বৃদ্ধি, 5G পরিষেবার বিস্তার এবং গ্রাহকভিত্তি আরও শক্তিশালী হওয়া। অন্যদিকে, Reliance Industries বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ₹৫৪,৯৪১ কোটি, যা তাদের রিটেল, জিও টেলিকম ও এনার্জি সেক্টরে ধারাবাহিক বৃদ্ধির ফল।

ভারতীয় শেয়ারবাজারে বড় রিবাউন্ড: শীর্ষ ১০ মূল্যবান সংস্থার মধ্যে ৮টি কোম্পানির বাজারমূল্য বেড়েছে ₹২.০৫ লক্ষ কোটি—সবচেয়ে বেশি লাভ Reliance Industries ও Bharti Airtel-এর; অর্থনীতিতে আশার আলো

গত সপ্তাহে ভারতের শেয়ারবাজারে দেখা গেল এক উল্লেখযোগ্য উত্থান। দীর্ঘদিন ধরে বাজারে চলা ওঠানামা, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা, মার্কিন সুদের হার সম্পর্কিত দোলাচল, জিওপলিটিক্যাল চাপ এবং বিনিয়োগকারীদের সতর্ক মনোভাবের মধ্যেও সপ্তাহ শেষে ভারতীয় বাজার দেখল শক্তিশালী পুনরুজ্জীবন। এর ফলে দেশের শীর্ষ ১০ মূল্যবান কোম্পানির মধ্যে ৮টি সংস্থার মিলিত বাজারমূল্য বেড়েছে ₹২,০৫,১৮৫ কোটি। এই বৃদ্ধির ফলে টেলিকম, ব্যাঙ্কিং, টেক ও এনার্জি সেক্টর থেকে শুরু করে FMCG পর্যন্ত সমস্ত বড় কোম্পানির শেয়ারদরে উন্নতি দেখা গেছে।

এই বাজার র‍্যালিতে সবচেয়ে বড় লাভ হয়েছে Bharti Airtel ও Reliance Industries (RIL)–এর, যারা বাজার পুনরুদ্ধারের মূল চালক হিসেবে উঠে এসেছে।

এই ৪০০০ শব্দের বিশদ প্রতিবেদনে আলোচনা করা হবে—

  • বাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতি

  • কোন কোম্পানিগুলো লাভ করেছে

  • কোন কোম্পানি ক্ষতিগ্রস্ত

  • কোন কোন ফ্যাক্টর বাজারকে টেনেছে

  • বিনিয়োগকারীদের মনোভাব

  • সেক্টরভিত্তিক বিশ্লেষণ

  • ভবিষ্যতের সম্ভাবনা

  • ভারতীয় অর্থনীতির উপর প্রভাব


 সপ্তাহের বাজারচিত্র: Sensex ও Nifty দু’টিই তীব্র গতিতে উঠে দাঁড়াল

গত সপ্তাহে BSE Sensex বেড়েছে ১,৩৪৬.৫০ পয়েন্ট বা ১.৬২%, আর NSE Nifty বেড়েছে ৪১৭.৭৫ পয়েন্ট বা ১.৬৪%। বাজারের এই বৃদ্ধি মোটামুটি সব সেক্টরকেই ছুঁয়ে যায়। সব মিলিয়ে ভারতীয় মার্কেট গত সপ্তাহের শেষে দাঁড়িয়েছে এক শক্তিশালী অবস্থানে।

কেন বাজার উঠল?

বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে শেয়ারবাজারের এই পুনরুত্থান একাধিক কারণে হয়েছে—

  • মুদ্রাস্ফীতি কমে আসার প্রবণতা

  • মার্কিন বাজারে ইতিবাচক রিবাউন্ড

  • এশিয়ান বাজারে স্থিতিশীলতা

  • বিনিয়োগকারীদের নতুন আগ্রহ

  • টেলিকম ও ব্যাংকিং সেক্টরে শক্তিশালী ফান্ড ইনফ্লো

  • বড় কোম্পানির কোয়ার্টারলি ফল ভালো আসা

এই সবকটি ফ্যাক্টর একসূত্রে গাঁথা হয়ে বাজারকে শক্তিশালী ভিত্তিতে তুলে এনেছে।


 বিজয়ীদের তালিকা: কোন কোম্পানির বাজারমূল্য কত বেড়েছে

(A) Reliance Industries – ₹৫৪,৯৪১.৮৪ কোটি বৃদ্ধি

বাজারমূল্য: ₹২০,৫৫,৩৭৯.৬১ কোটি

RIL আবারও প্রমাণ করল যে ভারতীয় বাজারে তাদের জায়গা অটুট। পেট্রোকেমিক্যাল, রিটেল, টেলিকম, এনার্জি—সব সেক্টরেই Reliance শক্তিশালী অবস্থানে ছিল। জিও প্ল্যাটফর্ম ও রিটেল ব্যবসার উন্নত পারফরম্যান্স শেয়ারদরকে আরও উচ্চে তুলেছে।

(B) Bharti Airtel – ₹৫৫,৬৫২.৫৪ কোটি বৃদ্ধি

বাজারমূল্য: ₹১১,৯৬,৭০০.৮৪ কোটি

Airtel এই সপ্তাহের সবচেয়ে বড় গেইনার।
কারণ—

  • 5G এক্সপানশনে দ্রুত অগ্রগতি

  • গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধি

  • ARPU (Average Revenue Per User) ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে

  • বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি

Airtel এখন ভারতের সবচেয়ে লাভজনক এবং দ্রুত-বর্ধনশীল টেলিকম কোম্পানিগুলোর অন্যতম।

(C) TCS – ₹৪০,৭৫৭.৭৫ কোটি বৃদ্ধি

বাজারমূল্য: ₹১১,২৩,৪১৬.১৭ কোটি

আইটি সেক্টরে দীর্ঘদিনের মন্দাভাব কাটিয়ে TCS ধীরে ধীরে রিবাউন্ড করছে। মার্কিন বাজারে আইটি পরিষেবা খাতে চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনা এবং কিউ৪ রেজাল্ট ভালো আসার সম্ভাবনায় বিনিয়োগকারীরা আশাবাদী।

(D) HDFC Bank – ₹৯,১৪৯.১৩ কোটি বৃদ্ধি

বাজারমূল্য: ₹১৫,২০,৫২৪.৩৪ কোটি

HDFC Bank আবারও ব্যাংকিং সেক্টরে নেতৃত্ব ধরে রেখেছে।

(E) ICICI Bank – ₹২০,৮৩৪.৩৫ কোটি বৃদ্ধি

বাজারমূল্য: ₹৯,৮০,৩৭৪.৪৩ কোটি

ICICI Bank তার শক্তিশালী ব্যবসায়িক অবস্থান ও কনসিস্টেন্ট প্রফিট গ্রোথের কারণে বড় অঙ্কের বাজারমূল্য অর্জন করেছে।

(F) Infosys – ₹১০,৪৪৮.৩২ কোটি বৃদ্ধি

বাজারমূল্য: ₹৬,২৪,১৯৮.৮০ কোটি

Infosys এর ইনফোসেক ও ডেটা পরিষেবা সেক্টরে উন্নত কর্মক্ষমতা শেয়ারদর বাড়িয়েছে।

(G) SBI – ₹১০,৫২২.৯০ কোটি বৃদ্ধি

বাজারমূল্য: ₹৮,৯২,৯২৩.৭৯ কোটি

SBI ধারাবাহিকভাবে ভারতীয় মার্কেটের অন্যতম শক্তিশালী ব্যাংক। সরকারি প্রকল্প, রিটেল ব্যাঙ্কিং, MSME সেক্টরে বাড়তি কার্যক্রম শেয়ারদর বাড়িয়েছে।

(H) Hindustan Unilever – ₹২,৮৭৮.২৫ কোটি বৃদ্ধি

বাজারমূল্য: ₹৫,৭০,১৮৭.০৬ কোটি

FMCG মার্কেটে তুলনামূলক স্থিতিশীল চাহিদা থাকা এবং মূল্যস্ফীতি কমে আসায় HUL শেয়ারদরে উন্নতি হয়েছে।


 ক্ষতিগ্রস্ত কোম্পানি: Bajaj Finance ও LIC

Bajaj Finance – বাজারমূল্য কমেছে ₹৩০,১৪৭.৯৪ কোটি

বাজারমূল্য: ₹৬,৩৩,৫৭৩.৩৮ কোটি

শেয়ারদর পতনের প্রধান কারণ—

LIC – বাজারমূল্য কমেছে ₹৯,২৬৬.১২ কোটি

বাজারমূল্য: ₹৫,৭৫,১০০.৪২ কোটি

LIC-এর দুর্বল কোয়ার্টারলি ফল, পলিসি সেল কমে যাওয়া এবং ব্যালান্সশিট নিয়ে নানা জল্পনা বাজারকে প্রভাবিত করেছে।


 কোন সেক্টর বাজারকে টেনে তুলেছে?

 টেলিকম (Airtel, Jio) — সর্বোচ্চ উন্নয়ন

 ব্যাংকিং (HDFC, ICICI, SBI) — শক্তিশালী রিবাউন্ড

 আইটি (TCS, Infosys) — রিকভারির পথে

 FMCG (HUL) — স্থিতিশীলতা

 এনার্জি (Reliance) — বাজারের স্তম্ভ


 বিনিয়োগকারীদের মনোভাব: Market Sentiment

বাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে দেখা গেছে—

  • নতুন আগ্রহ

  • স্থিরতার আশ্বাস

  • মধ্যমেয়াদি বিনিয়োগে উচ্ছ্বাস

  • দাম কমে বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রবণতা

FII ও DII—দু’পক্ষই নেট বায়ার হয়েছে।


 ভারতীয় অর্থনীতির উপর প্রভাব

এই বাজার বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে অর্থনীতিতে বহু ইতিবাচক সংকেত দেখা যাচ্ছে—

  • রুপির স্থিতিশীলতা

  • আমদানি-রপ্তানি ভারসাম্যে উন্নতি

  • ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশনে বৃদ্ধি

  • স্টার্টআপ ও MSME সেক্টরে নতুন বিনিয়োগ

  • ভোক্তা ব্যয় ক্ষমতা বাড়া


 ভবিষ্যতে কী হতে পারে?

বিশেষজ্ঞদের মতে—

  • বাজার আরও ৩–৪% উপরে উঠতে পারে

  • টেলিকম ও ব্যাংকিং সেক্টর সামনে আরও শক্তিশালী হতে পারে

  • আইটি সেক্টর ২০২৫ থেকে রিবাউন্ড করবে

  • FMCG বাজারে স্থিতিশীল বৃদ্ধি থাকবে

    শুধু এই দুই কোম্পানি নয়—অন্যান্য কোম্পানিরও বাজারমূল্যে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা যায়।
    TCS বেড়েছে প্রায় ₹৪০,৭৫৭ কোটি—বিশেষজ্ঞদের মতে, IT পরিষেবায় ধীরে ধীরে চাহিদা ফিরছে।
    ICICI Bank বেড়েছে ₹২০,৮৩৪ কোটি, যা তাদের স্থিতিশীল ব্যবসা ও উন্নত আর্থিক ফলাফলের ফল।
    HDFC Bank-এর বাজারমূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ₹৯,১৪৯ কোটি; সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকটি ধারাবাহিকভাবে শেয়ারবাজারে শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে।
    State Bank of India (SBI)-র বাজারমূল্য বেড়েছে ₹১০,৫২২ কোটি, যা ভারতের বৃহত্তম ব্যাংকটির শক্তিশালী ব্যবসায়িক ভিত্তিরই প্রতিফলন।
    এছাড়াও Infosys বেড়েছে ₹১০,৪৪৮ কোটি এবং Hindustan Unilever বেড়েছে ₹২,৮৭৮ কোটি।

    কিন্তু সকলেই যে লাভ করেছে তা নয়। শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে দুটি সংস্থা—Bajaj Finance এবং LIC—তাদের বাজারমূল্য হারিয়েছে।
    Bajaj Finance সংকটে পড়েছে NBFC সেক্টরের চাপ, মুনাফা কমে যাওয়া এবং ঋণের ঝুঁকি বাড়ার কারণে। তাদের বাজারমূল্য কমেছে প্রায় ₹৩০,১৪৭ কোটি।
    অন্যদিকে LIC-এর বাজারমূল্য কমেছে ₹৯,২৬৬ কোটি, যা সাম্প্রতিক আর্থিক ফল দুর্বল হওয়া এবং বিনিয়োগকারীদের মনোভাব নরম হওয়ার প্রতিফলন।

    এই বাজার পুনরুদ্ধারের কারণসমূহ

    বাজার পুনরুদ্ধারের পেছনে কয়েকটি বড় কারণ রয়েছে—

  • মুদ্রাস্ফীতি কমে আসার লক্ষণ

  • বৈশ্বিক বাজারে সাময়িক স্থিতিশীলতা

  • বিনিয়োগকারীদের নতুন আগ্রহ

  • টেলিকম ও ব্যাংকিং সেক্টরে ধারাবাহিক উন্নতি

  • IT সেক্টরের জন্য বিদেশি বাজারে নতুন সুযোগ

  • বড় কোম্পানিগুলির শক্তিশালী আর্থিক প্রতিবেদন

  • বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজারে “রিবাউন্ড-র‍্যালি” শুরু হয়েছে, যা আগামী সপ্তাহগুলিতে আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

    সেক্টর ভিত্তিক বিশ্লেষণ

  • টেলিকম সেক্টর: Airtel সবচেয়ে বেশি লাভ করেছে। 5G এক্সপ্যানশন, উচ্চ ARPU এবং প্রিমিয়াম গ্রাহকভিত্তি—সব মিলিয়ে এই সেক্টর উত্থানের মূল চালক।

  • বাংকিং সেক্টর: HDFC Bank, ICICI Bank এবং SBI—এই তিন ব্যাংকের বৃদ্ধিই Sensex ও Nifty-র বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে।

  • IT সেক্টর: TCS ও Infosys, দু’টিই বাজারে শক্তিশালী সংকেত দিয়েছে।

  • FMCG সেক্টর: Hindustan Unilever কমোডিটি দামের পতনের কারণে খানিকটা লাভ তুলেছে।

  • বিনিয়োগকারীদের মনোভাব

    এই সপ্তাহের ইতিবাচক বাজার চলনের পর—

  • খুচরো বিনিয়োগকারীরা বাজারে নতুন করে আশাবাদী

  • বিদেশি বিনিয়োগকারী (FII) ও দেশীয় বিনিয়োগকারী (DII) উভয়েই নেট বায়ার

  • মিডক্যাপ ও স্মলক্যাপে সাবধানতা বজায় থাকলেও লার্জক্যাপ সেক্টর অনেক বেশি স্থিতিশীল

  • অর্থনীতিতে প্রভাব

    বাজারে এই বৃদ্ধি অর্থনীতির জন্য এক ইতিবাচক সঙ্কেত—

  • রুপির স্থিতিশীলতা

  • রিটেল ইনভেস্টরদের আগ্রহ বৃদ্ধি

  • শিল্পখাতে বিনিয়োগ বাড়ার সম্ভাবনা

  • ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার উপর আস্থা বৃদ্ধি

  • উপসংহার

    ভারতের শেয়ারবাজারে গত সপ্তাহের উত্থান প্রমাণ করে—
    বড় সংস্থাগুলো এখনও বাজারের চালক, এবং ঠিক সময়ে ফলপ্রসূ পারফরম্যান্স করলে বাজার দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারে। শীর্ষ ১০ সংস্থার মধ্যে ৮টি যে পরিমাণ বাজারমূল্য অর্জন করেছে তা অভূতপূর্ব। এই র‍্যালির সবচেয়ে বড় অবদান Airtel ও Reliance-এর, যারা বাজারকে উজ্জীবিত করেছে। যদিও LIC ও Bajaj Finance পিছিয়েছে, পুরো বাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতি এখন অনেক বেশি স্থিতিশীল এবং আশাব্যঞ্জক।

Preview image