তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুরে রবিবার গভীর রাতে বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকায় বিশ বছর বয়সি এক স্নাতকোত্তর ছাত্রীকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তিনজন দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে যারা ছাত্রীর সঙ্গে থাকা যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আহত করে এবং পুলিশ দ্রুত সিসিটিভি ফুটেজ ও মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করে সোমবার ভোরে অভিযান চালিয়ে তিনজনকেই পায়ে গুলি করে গ্রেপ্তার করেছে যাদের বিরুদ্ধে পূর্বেও খুন ডাকাতির মামলা ছিল এবং মুখ্যমন্ত্রী কঠোর শাস্তির আশ্বাস দিয়েছেন
কোয়েম্বাটুরে গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এই নৃশংস ঘটনাটি একদিকে যেমন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরছে তেমনই অন্যদিকে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপের একটি উদাহরণও হয়ে উঠেছে যেখানে রবিবার রাত প্রায় এগারোটা নাগাদ বিমানবন্দর সংলগ্ন ব্রিন্দাবন নগর এলাকার একটি নিরিবিলি জায়গায় বিশ বছর বয়সি এক স্নাতকোত্তর পড়ুয়া ছাত্রী তার পুরুষ বন্ধুর সঙ্গে গাড়িতে বসে ছিলেন এবং হঠাৎ করেই টিভিএস পঞ্চাশ মডেলের একটি স্কুটারে চড়ে তিনজন দুষ্কৃতী সেখানে এসে গাড়ির জানালা ভেঙে তাদের ওপর হামলা চালায় যেখানে একজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে যুবকটির মাথায় এবং হাতে আঘাত করে রক্তাক্ত করে ফেলে এবং ছাত্রীকে জোর করে টেনে গাড়ি থেকে নামিয়ে কাছের ঝোপঝাড়ের মধ্যে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে বলে অভিযোগ উঠেছে যার পর সোমবার সকালে স্থানীয় মানুষজন রক্তাক্ত যুবকটিকে দেখে পুলিশকে খবর দেন এবং তাকে গুরুতর অবস্থায় কোয়েম্বাটুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পুলিশ অবিলম্বে একটি বিশেষ দল গঠন করে সিসিটিভি ফুটেজ ও মোবাইল টাওয়ার ডেটা বিশ্লেষণ করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করে যারা হলেন আটাশ বছর বয়সি গুনা ওরফে থাভাসি ত্রিশ বছর বয়সি কারুপ্পাসামী ওরফে সথীশ এবং পঁচিশ বছর বয়সি কার্তিক ওরফে কালীশ্বরন যারা সকলেই একই এলাকার বাসিন্দা এবং ঘনিষ্ঠ আত্মীয় এবং তাদের বিরুদ্ধে পূর্বে খুন ডাকাতি ও চুরির মতো একাধিক মামলা থাকলেও তারা সম্প্রতি জামিনে মুক্ত হয়েছিল এবং পুলিশের ধারণা রবিবার রাতে তারা মদ্যপ অবস্থায় এই নৃশংস ঘটনা ঘটিয়েছিল এবং সোমবার ভোর থেকেই পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালিয়ে ভেল্লাকিনার এলাকার কাছে তাদের খোঁজ পায় এবং গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলাকালীন অভিযুক্তরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা করলে আত্মরক্ষার জন্য পুলিশ গুলি চালায় যাতে তিনজনই পায়ে গুলিবিদ্ধ হয় এবং তাদের গ্রেপ্তার করে কোয়েম্বাটুর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে একটি চুরি করা মোবাইল ফোন টিভিএস স্কুটার এবং কিছু ধারালো অস্ত্র উদ্ধার হয় যেখানে মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন অভিযুক্তদের কোনওভাবেই ছেড়ে দেওয়া হবে না এবং দ্রুত চার্জশিট দাখিল করে কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত করা হবে এবং ভুক্তভোগী তরুণীর জন্য সমস্ত রকম সহায়তা ও মানসিক পরামর্শের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং রাজ্যের পুলিশ ডিজি শঙ্কর জয়রামন জানিয়েছেন এটি পরিকল্পিত অপরাধ নয় বরং সুযোগসন্ধানী নৃশংসতা তবে অভিযুক্তরা কুখ্যাত অপরাধী এবং এলাকায় তাদের অপরাধের ইতিহাস রয়েছে এবং ঘটনাস্থলটি বিমানবন্দরের খুব কাছে হওয়া সত্ত্বেও যথেষ্ট আলো না থাকায় ও পুলিশ টহলের অভাবের কারণে বহুদিন ধরেই নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ ছিল এবং স্থানীয়রা এখন পুলিশের টহল বাড়ানোর দাবি তুলেছেন এবং বিভিন্ন মহিলা সংগঠন ও ছাত্র সংগঠন রাস্তায় নেমে দ্রুত বিচার ও দোষীদের মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানিয়েছে এবং পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ফরেনসিক প্রমাণ সংগ্রহ করেছে এবং তরুণীর চিকিৎসার জন্য মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে মিলিয়ে দেখা হবে এবং সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে অভিযুক্তরা চুরি করা টিভিএস পঞ্চাশ গাড়িতে এসেছিল এবং ভুক্তভোগীর আইফোন নিয়ে গিয়েছিল যার লোকেশন ট্র্যাক করেই পুলিশ তাদের হদিস পায় এবং তিন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির তিনশো ছিয়াত্তর ডি ধারায় গণধর্ষণ তিনশো চুরানব্বই ধারায় ডাকাতি ও আঘাত তিনশো সাত ধারায় হত্যাচেষ্টা এবং অস্ত্র আইনসহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে এবং তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং দ্রুত চার্জশিট আদালতে পেশ করা হবে যদিও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে কেন এমন কুখ্যাত অপরাধীরা জামিনে মুক্ত ছিল এবং কেন বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা এতটা ঢিলেঢালা ছিল