নতুন নিয়মে আতঙ্ক ছড়াল প্রবাসী ভারতীয়দের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট (DHS) ঘোষণা করেছে—এখন থেকে আর স্বয়ংক্রিয়ভাবে (Automatic Extension) কাজের অনুমতি (Work Permit বা EAD) বাড়ানো হবে না। মানে, যাদের কাজের পারমিটের মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে, আর নবায়নের অনুমোদন এখনো আসেনি — তারা তৎক্ষণাৎ কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হবেন।
এই সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন ভারতীয় নাগরিকরা, কারণ যুক্তরাষ্ট্রে H-1B ও H-4 ভিসাধারীদের মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি।
এই ভিসাধারীদের মধ্যে অনেকেই IT, মেডিকেল, রিসার্চ ও টেকনোলজি কোম্পানিতে কাজ করেন।
নতুন নিয়মে তারা যেকোনো সময় চাকরি হারাতে পারেন, এমনকি যদি তারা সময়মতো নবায়নের আবেদনও করে থাকেন!
DHS বলেছে —
“যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করা কোনো অধিকার নয়, এটা একটা সুবিধা মাত্র।”
এই বক্তব্য নিয়েই দেশজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
বিশেষ করে ভারতীয়রা বলছেন — “আমরাই তো আমেরিকার অর্থনীতির মেরুদণ্ড। আজ যারা IT কোম্পানি চালাচ্ছে, তাদের অর্ধেকই ভারতীয় ট্যালেন্ট!”
ভারতীয় কমিউনিটি ও আইনজীবীদের মতে, এটা শুধু একটি প্রশাসনিক পরিবর্তন নয় — এটা ভারতীয়দের প্রতি অবমাননা।
তারা বলছেন, আমেরিকা একদিকে ভারতীয় কোম্পানির সঙ্গে কোটি কোটি ডলারের ব্যবসা করছে,
অন্যদিকে ভারতীয় কর্মীদের উপর কড়া শর্ত চাপাচ্ছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই লিখছেন —
“আমেরিকা ভারতীয়দের থেকে মুনাফা নিচ্ছে, আর এখন সুযোগ পেলেই দরজা বন্ধ করছে।”
ভারত এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ট্যালেন্ট পাওয়ারহাউস।
যখন পুরো বিশ্ব ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, গবেষক ও সফটওয়্যার এক্সপার্টদের দিকে তাকিয়ে আছে —
তখন আমেরিকার এই সিদ্ধান্ত স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে যে, তারা বিদেশি প্রতিভাকে ভয় পাচ্ছে।এটা শুধু অভিবাসনের ইস্যু নয় — এটা এক ধরনের “ব্রেন রেস” যেখানে আমেরিকা ভারতীয় মেধাকে বাধা দিতে চাইছে।
জার হাজার ভারতীয় EAD নবায়নের অনুমোদন না পেলে কাজ হারাবেন।
পরিবার, লোন, ভিসা স্ট্যাটাস — সবকিছু ঝুঁকিতে পড়বে।
ভারত সরকার ও NRI সংস্থাগুলিকে এখন এই বিষয়ে কূটনৈতিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে হবে।