Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

বিজেপিকে নিশানা করে বিস্ফোরক মন্তব্য সাংসদ অভিজিতের কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়ে উঠল প্রশ্ন

প্রাক্তন বিচারপতির দাবি, বাংলার রাজনীতিতে ‘অবাঙালি নেতৃত্বের প্রভাব’ বাড়ছে। উত্তর ভারতের চিন্তাভাবনা দিয়ে বাংলার মানুষকে বোঝানো সম্ভব নয়, মন্তব্য তাঁর।

বিজেপিকে নিশানা করে বিস্ফোরক মন্তব্য সাংসদ অভিজিতের কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়ে উঠল প্রশ্ন
রাজনীতি

বিজেপি ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন তমলুকের সাংসদ তথা প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর বিস্ফোরক মন্তব্যে অস্বস্তিতে বঙ্গ বিজেপি। বৃহস্পতিবার এক সাক্ষাৎকারে অভিজিৎ স্পষ্ট জানালেন, বিজেপির হয়ে ভোটে দাঁড়ানোর মূল উদ্দেশ্য ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ক্ষমতা থেকে সরানো। কিন্তু সেই লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, “রাজ্যের পরিস্থিতি বদলাতে চায় না কেন্দ্রীয় সরকারই।”

অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের অভিযোগ, বিজেপি বাংলার আবেগ বুঝতে ব্যর্থ। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “কেন পশ্চিমবঙ্গের মতো শাসনহীন রাজ্যে এখনও ৩৫৫ ধারা জারি করা হচ্ছে না?” তাঁর দাবি, রাজ্যে প্রকৃত পরিবর্তন আনতে হলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর অধীনে নির্বাচন করাতে হবে। যদিও এই পদক্ষেপেও পরিবর্তন আসবে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত নন তিনি। বলেন, “তার পর যদি তৃণমূল আসে, আসবে।”

প্রাক্তন বিচারপতি বাংলায় “অবাঙালি বিজেপি নেতৃত্বের প্রভাব” নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, উত্তর ভারতের রাজনৈতিক ভাবনা দিয়ে বাংলার মানসিকতা বোঝা সম্ভব নয়। “হিন্দি বলয় থেকে নেতা এনে ভোট করানো যাবে না,” বলেন তিনি। বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বকে কটাক্ষ করে যোগ করেন, “পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মন, মেজাজ, অভিমান দিল্লিওয়ালা নেতারা বোঝেন না।”

news image
আরও খবর

নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অভিজিৎ। তাঁর অভিযোগ, ভোটার তালিকা নিয়ে অনিয়মের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দেওয়া হলেও রাজ্য সরকার বা কমিশন কার্যত কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। পাশাপাশি, সিবিআই ও ইডির কার্যকলাপ নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “বড় নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তদন্ত এগোয় না।” তাঁর পরামর্শ— কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির কর্তা ব্যক্তিদের জবাবদিহি করতে হবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে।

অভিজিতের এই মন্তব্য ঘিরে তোলপাড় বঙ্গ রাজনীতি। বিজেপির একাংশ ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, বিষয়টি দলের ভিতরে আলোচনার দাবি রাখে।

Preview image