Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

বিশ্বের প্রথম অধিনায়ক হিসাবে এই কীর্তি গড়লেন শুভমন ডাবল সেঞ্চুরিতে একাধিক বিশ্বরেকর্ড

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে বিধ্বংসী ডাবল সেঞ্চুরি করে ইতিহাস গড়লেন শুভমন গিল বিশ্বের প্রথম অধিনায়ক হিসাবে টেস্ট ও এক দিনের ক্রিকেট দুই ফরম্যাটেই দ্বিশতরানের নজির গড়লেন তিনি মাত্র ১১৭ বলে ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করে পুরুষদের ওয়ানডেতে দ্রুততম দ্বিশতরানের বিশ্বরেকর্ডও নিজের নামে করলেন তাঁর অপরাজিত ২২৩ রানের ইনিংসে ভর করে ৪০৬ রানের বিশাল লক্ষ্য পেরিয়ে জয় পেল ভারত

ভারতীয় ক্রিকেটে এক স্মরণীয় অধ্যায় লিখলেন শুভমন গিল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে গুয়াহাটিতে দ্বিতীয় এক দিনের ম্যাচে তাঁর অপরাজিত ২২৩ রানের ইনিংস একাধিক রেকর্ডের জন্ম দিল। বিশাল রান তাড়া করতে নেমে ভারতীয় অধিনায়ক যে ব্যাটিং উপহার দিলেন, তার বিশেষত্ব ছিল দ্রুত রান তোলার পাশাপাশি শেষ পর্যন্ত উইকেটে থেকে দলকে জেতানো। মাত্র ১১৭ বলে দ্বিশতরান পূর্ণ করে পুরুষদের ওয়ানডেতে দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড গড়লেন তিনি।

৩০ সেপ্টেম্বরের এই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তুলেছিল ৭ উইকেটে ৪০৫ রান। জবাবে ভারত মাত্র ৪৩.৩ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। আট উইকেটের জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ২–০ ব্যবধানে এগিয়ে সিরিজও নিশ্চিত করে ভারত। বিশাল লক্ষ্য থাকা সত্ত্বেও ৩৯ বল বাকি থাকতে ম্যাচ শেষ করে দেওয়া ভারতের ব্যাটিংয়ের দাপট স্পষ্ট করে। শুভমনের সঙ্গে রোহিত শর্মার শতরানও এই জয়ের ভিত গড়ে দেয়। ওয়ানডেতে ৪০৬ রানের লক্ষ্য মানে শুরু থেকেই নিয়মিত দ্রুত রান তোলার প্রয়োজন। কয়েকটি ভালো ওভার যথেষ্ট নয় দীর্ঘ সময় ধরে রানের গতি বজায় রাখতে হয়। আবার অতিরিক্ত ঝুঁকি নিয়ে দ্রুত উইকেট হারালে সেই লক্ষ্য আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। ভারতের সামনে তাই আক্রমণ ও উইকেট ধরে রাখার মধ্যে ভারসাম্য তৈরির চ্যালেঞ্জ ছিল শুভমন ও রোহিত সেই পরীক্ষায় সফল হন। উদ্বোধনী জুটিতে তাঁরা যোগ করেন ২৫৫ রান। রোহিতের ব্যাট থেকে আসে ১০১ রান। দুই ওপেনারের এই জুটি ভারতকে এমন অবস্থানে পৌঁছে দেয়, যেখান থেকে বাকি ব্যাটারদের জন্য লক্ষ্য সামলানো তুলনামূলক সহজ হয়। রোহিত আউট হওয়ার পরেও শুভমন নিজের ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান এবং অপরাজিত থেকে জয় নিশ্চিত করেন। শুভমনের ইনিংসের সবচেয়ে আলোচিত মাইলফলক ছিল ১১৭ বলে ডাবল সেঞ্চুরি। এর আগে পুরুষদের ওয়ানডেতে দ্রুততম দ্বিশতরানের রেকর্ড ছিল ঈশান কিশনের। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তিনি ১২৬ বলে ২০০ রান পূর্ণ করেছিলেন। শুভমন সেই মাইলফলকে পৌঁছলেন আরও নয় বল কম খেলে। দ্বিশতরান পর্যন্ত পৌঁছনোর গতি এবং সম্পূর্ণ ইনিংসের দৈর্ঘ্য আলাদা। শুভমন ২০০ রান পূর্ণ করেন ১১৭ বলে, আর ম্যাচ শেষে তাঁর সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩৩ বলে অপরাজিত ২২৩। এই ইনিংস পুরুষদের ওয়ানডেতে রান তাড়া করতে নেমে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোরেরও নতুন নজির। আগে এই রেকর্ড ছিল গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের অপরাজিত ২০১ রানের।

এই ডাবল সেঞ্চুরির মাধ্যমে শুভমন বিশ্বের প্রথম অধিনায়ক হিসাবে টেস্ট ও এক দিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট দুই ফরম্যাটেই দ্বিশতরান করার নজির গড়লেন। অধিনায়ক হিসাবে এর আগে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এজবাস্টন টেস্টে তিনি ২৬৯ রান করেছিলেন। এবার ওয়ানডেতেও নেতৃত্ব দেওয়ার সময় ২০০ রানের সীমা পেরোলেন। রেকর্ডটির তাৎপর্য অধিনায়ক পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত। টেস্ট ও ওয়ানডে উভয় ফরম্যাটে ডাবল সেঞ্চুরি করা ক্রিকেটার আগেও ছিলেন। কিন্তু অধিনায়ক হিসাবে দুই ফরম্যাটেই এই কীর্তি গড়ার ক্ষেত্রে শুভমন প্রথম। তাঁর এই অর্জন তাই ব্যক্তিগত ব্যাটিং সাফল্যের পাশাপাশি নেতৃত্বের সময় বড় ইনিংস খেলার একটি বিশেষ মাইলফলক। গুয়াহাটির ইনিংসটি শুভমনের ওয়ানডে কেরিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি। প্রথম দ্বিশতরানটি এসেছিল ২০২৩ সালে হায়দরাবাদে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে। এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একই মাইলফলক স্পর্শ করে পুরুষদের ওয়ানডেতে একাধিক ডাবল সেঞ্চুরি করা দ্বিতীয় ব্যাটার হলেন তিনি। তাঁর আগে এই অর্জন ছিল রোহিত শর্মার। গুয়াহাটিতে শুভমন শতরান পূর্ণ করেছিলেন মাত্র ৬২ বলে। ভারতীয় অধিনায়ক হিসাবে পুরুষদের ওয়ানডেতে এটিও দ্রুততম সেঞ্চুরির নজির। অর্থাৎ একই ইনিংসে শতরান ও দ্বিশতরান দুই পর্যায়েই তাঁর রান তোলার গতি রেকর্ড তৈরি করেছে। প্রথম ওয়ানডেতে ১১০ রান করার পর দ্বিতীয় ম্যাচেও বড় ইনিংস খেলে সিরিজে নিজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেন তিনি।

news image
আরও খবর

ভারতের জয়ের আগে ব্যাট হাতে অসাধারণ দিন কাটিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজও। জন ক্যাম্পবেল করেন ৬৮ বলে ১০১ রান, শাই হোপের সংগ্রহ ৯৪ বলে ১০৪ এবং আমির জাঙ্গু খেলেন ৭৭ বলে ১১৪ রানের ইনিংস। তিন ব্যাটারের সেঞ্চুরিতে ক্যারিবীয়রা নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে প্রথমবার ৪০০ রানের সীমা অতিক্রম করে। এই স্কোর ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং সাফল্যের বড় প্রমাণ। কিন্তু ভারতের উদ্বোধনী জুটি এবং শুভমনের দীর্ঘ ইনিংসের সামনে সেই সংগ্রহও রক্ষা করা যায়নি। ম্যাচটি দেখাল, ব্যাটিংয়ের অনুকূল পরিস্থিতিতে বড় স্কোর গড়ার পরেও প্রতিপক্ষের রানের গতি নিয়ন্ত্রণ করা কতটা জরুরি। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে কুলদীপ যাদব ৬৫ রানে দুই উইকেট নেন। শুভমনের ইনিংসের গুরুত্ব বিচার করতে গেলে ডাবল সেঞ্চুরির পাশাপাশি ম্যাচের পরিস্থিতিও দেখতে হয়। তিনি ব্যাট করতে নামার আগেই ভারতের সামনে নির্দিষ্ট এবং অত্যন্ত বড় লক্ষ্য ছিল। ফলে তাঁর প্রতিটি পর্যায়ের রান দলের প্রয়োজনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিল। এই রান তাড়া ভারতের পুরুষদের ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বোচ্চ সফল রান তাড়া। বিশ্ব ক্রিকেটের পুরুষদের ওয়ানডেতেও এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সফল লক্ষ্য অতিক্রমের নজির। এর আগে ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকা ৪৩৫ রানের লক্ষ্য পেরিয়েছিল। সেই ঐতিহাসিক ম্যাচের পর গুয়াহাটির এই জয় বড় লক্ষ্য তাড়া করার তালিকায় বিশেষ জায়গা পেল। শুভমনের সাফল্যের সবচেয়ে কার্যকর দিক ছিল তাঁর ইনিংসের পরিণতি। ব্যক্তিগত মাইলফলক পেরিয়েও তিনি দলের কাজ সম্পূর্ণ করেছেন। রোহিতের সঙ্গে বড় জুটি, দ্রুত দ্বিশতরান এবং অপরাজিত থেকে ম্যাচ শেষ করা এই তিনটি বিষয় মিলিয়ে গুয়াহাটির ইনিংস ভারতীয় ক্রিকেটের স্মরণীয় ব্যাটিং পারফরম্যান্স হয়ে রইল। সিরিজ জয়ের সঙ্গে একাধিক রেকর্ড যুক্ত হওয়ায় এই ম্যাচের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

এই ডাবল সেঞ্চুরির মাধ্যমে শুভমন বিশ্বের প্রথম অধিনায়ক হিসাবে টেস্ট ও এক দিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট দুই ফরম্যাটেই দ্বিশতরান করার নজির গড়লেন। অধিনায়ক হিসাবে এর আগে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এজবাস্টন টেস্টে তিনি ২৬৯ রান করেছিলেন। এবার ওয়ানডেতেও নেতৃত্ব দেওয়ার সময় ২০০ রানের সীমা পেরোলেন। রেকর্ডটির তাৎপর্য অধিনায়ক পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত। টেস্ট ও ওয়ানডে উভয় ফরম্যাটে ডাবল সেঞ্চুরি করা ক্রিকেটার আগেও ছিলেন। কিন্তু অধিনায়ক হিসাবে দুই ফরম্যাটেই এই কীর্তি গড়ার ক্ষেত্রে শুভমন প্রথম। তাঁর এই অর্জন তাই ব্যক্তিগত ব্যাটিং সাফল্যের পাশাপাশি নেতৃত্বের সময় বড় ইনিংস খেলার একটি বিশেষ মাইলফলক। গুয়াহাটির ইনিংসটি শুভমনের ওয়ানডে কেরিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি। প্রথম দ্বিশতরানটি এসেছিল ২০২৩ সালে হায়দরাবাদে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে। এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একই মাইলফলক স্পর্শ করে পুরুষদের ওয়ানডেতে একাধিক ডাবল সেঞ্চুরি করা দ্বিতীয় ব্যাটার হলেন তিনি। তাঁর আগে এই অর্জন ছিল রোহিত শর্মার। গুয়াহাটিতে শুভমন শতরান পূর্ণ করেছিলেন মাত্র ৬২ বলে। ভারতীয় অধিনায়ক হিসাবে পুরুষদের ওয়ানডেতে এটিও দ্রুততম সেঞ্চুরির নজির। অর্থাৎ একই ইনিংসে শতরান ও দ্বিশতরান দুই পর্যায়েই তাঁর রান তোলার গতি রেকর্ড তৈরি করেছে। প্রথম ওয়ানডেতে ১১০ রান করার পর দ্বিতীয় ম্যাচেও বড় ইনিংস খেলে সিরিজে নিজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেন তিনি।ভারতের সামনে তাই আক্রমণ ও উইকেট ধরে রাখার মধ্যে ভারসাম্য তৈরির চ্যালেঞ্জ ছিল শুভমন ও রোহিত সেই পরীক্ষায় সফল হন। উদ্বোধনী জুটিতে তাঁরা যোগ করেন ২৫৫ রান। রোহিতের ব্যাট থেকে আসে ১০১ রান। দুই ওপেনারের এই জুটি ভারতকে এমন অবস্থানে পৌঁছে দেয়, যেখান থেকে বাকি ব্যাটারদের জন্য লক্ষ্য সামলানো তুলনামূলক সহজ হয়। রোহিত আউট হওয়ার পরেও শুভমন নিজের ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান এবং অপরাজিত থেকে জয় নিশ্চিত করেন। শুভমনের ইনিংসের সবচেয়ে আলোচিত মাইলফলক ছিল ১১৭ বলে ডাবল সেঞ্চুরি। এর আগে পুরুষদের ওয়ানডেতে দ্রুততম দ্বিশতরানের রেকর্ড ছিল ঈশান কিশনের। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তিনি ১২৬ বলে ২০০ রান পূর্ণ করেছিলেন। শুভমন সেই মাইলফলকে পৌঁছলেন আরও নয় বল কম খেলে। দ্বিশতরান পর্যন্ত পৌঁছনোর গতি এবং সম্পূর্ণ ইনিংসের দৈর্ঘ্য আলাদা। শুভমন ২০০ রান পূর্ণ করেন ১১৭ বলে, আর ম্যাচ শেষে তাঁর সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩৩ বলে অপরাজিত ২২৩। এই ইনিংস পুরুষদের ওয়ানডেতে রান তাড়া করতে নেমে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোরেরও নতুন নজির। আগে এই রেকর্ড ছিল গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের অপরাজিত ২০১ রানের।

Preview image