তরুণ উজবেক গ্র্যান্ডমাস্টার জাভোখির সিন্ডারভ তাঁর সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে candid ভঙ্গিতে স্বীকার করেছেন যে ভারতীয় সুপার ট্যালেন্ট আর. প্রাগনানন্দা তাঁর ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় বাধাগুলোর একটি। হেসে খেলে দেওয়া এই মন্তব্যে যেমন মজা আছে, তেমনি আছে কঠিন বাস্তবতা। সিন্ডারভ বলেন, প্রাগনানন্দা না থাকলে আমি আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট জিততাম যা প্রমাণ করে দুই তরুণ তারকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা এখন বিশ্বের অন্যতম আলোচিত chess rivalry। সিন্ডারভ ব্যাখ্যা করেন যে প্রাগ শুধু প্রতিভাবান নন, বরং অত্যন্ত স্থির, প্রস্তুতিমুখী এবং চাপের মুহূর্তে নিখুঁত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। তাই মুখোমুখি হলে তাঁকে হারানো সহজ নয়। দুই খেলোয়াড়ই জুনিয়র সার্কিট থেকে একসাথে বড় হয়েছেন এবং বহু টুর্নামেন্টে একে অপরের পথ আটকেছেন।বিশেষ করে ক্লাসিক্যাল ফরম্যাটে প্রাগ প্রায়শই সিন্ডারভের জয়ের সম্ভাবনা নষ্ট করে দেন। যদিও মন্তব্যটি হালকা রসিকতার ছলে বলা, কিন্তু সিন্ডারভ স্বীকার করেন যে এই healthy rivalry তাঁকে আরও উন্নত করেছে। তিনি বলেন, প্রাগের মতো খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে লড়াই করা তাঁকে নতুন কৌশল শিখতে, গভীর প্রস্তুতি নিতে এবং আরও শক্তিশালী গ্র্যান্ডমাস্টার হতে সাহায্য করেছে। এই দুই তরুণ তারকার লড়াইই ভবিষ্যতে বিশ্ব দাবাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ভূমিকা:
বিশ্ব দাবা মানচিত্রে এক নতুন, উজ্জ্বল যুগের সূচনা করেছে একঝাঁক টিনএজ প্রতিভা। এই নতুন প্রজন্মের মধ্যে আর. প্রাগনানন্দা (R. Praggnanandhaa), আলিরেজা ফিরোজা, নোদিৰবেক আবদুসত্তোরভ এবং উজবেকিস্তানের জাভোখির সিন্ডারভ (Javokhir Sindarov)-এর মতো নামগুলোই এখন দাবা জগতের ভবিষ্যতের প্রতিচ্ছবি। এই তরুণ গ্র্যান্ডমাস্টারদের মধ্যে অন্যতম জাভোখির সিন্ডারভ সম্প্রতি এক একান্ত সাক্ষাৎকারে হালকা রসিকতার ছলে এমন এক সত্য উচ্চারণ করলেন, যা দাবা জগতের আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। সিন্ডারভ বলেন, "প্রাগনানন্দা না থাকলে আমি আরও কয়েকটি টুর্নামেন্ট জিততাম।" এই উক্তিটি মজার ছলে বলা হলেও, তা এক গভীর বাস্তবতাকে তুলে ধরে। এই দুই তরুণ প্রতিদ্বন্দ্বী বছরের পর বছর ধরে একে অন্যের স্বপ্ন ভেঙেছেন, শিরোপা কেড়ে নিয়েছেন এবং বিশ্ব দাবার মঞ্চে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। তাদের এই স্বাস্থ্যকর প্রতিদ্বন্দ্বিতা (Healthy Rivalry) আজ বিশ্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দাবা প্রতিযোগিতার মধ্যে অন্যতম এবং দাবার ভবিষ্যৎকে আরও উত্তেজক করে তুলেছে। এই বিশদ নিবন্ধে আমরা সিন্ডারভের মন্তব্যের গভীরতা, প্রাগ-সিন্ডারভ প্রতিদ্বন্দ্বিতার শিকড়, এর ইতিবাচক প্রভাব এবং এই লড়াই কেন ভবিষ্যতের দাবা মঞ্চে কেন্দ্রীয় ভূমিকা নেবে, তা বিশ্লেষণ করব।
আর. প্রাগনানন্দা এখন কেবল ভারতের নয়, বিশ্ব দাবারই এক অমূল্য রত্ন। তাঁর সহজাত প্রতিভা, কঠোর পরিশ্রম এবং ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে খেলার ক্ষমতা তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। তাঁর খেলার যেসব বিশেষত্ব সিন্ডারভকে বারবার চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে:
দ্রুত ও গভীর ক্যালকুলেশন: প্রাগের মস্তিষ্কের গণনা করার ক্ষমতা অবিশ্বাস্য। তিনি জটিল পজিশনে দ্রুততম সময়ে সঠিক চালটি খুঁজে বের করতে পারেন।
চাপের মুহূর্তে স্থির থাকা: বড় টুর্নামেন্ট বা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে যখন চাপ তুঙ্গে থাকে, প্রাগ তখন ঠান্ডা মাথায় খেলেন। তাঁর এই স্থির মানসিকতা সিন্ডারভকে একাধিকবার হতাশ করেছে।
এন্ডগেমে নিখুঁত কৌশল: প্রাগের এন্ডগেম দক্ষতা অনেকের কাছেই ঈর্ষণীয়। আপাতদৃষ্টিতে ড্র হয়ে যাওয়া পজিশন থেকেও তিনি জয় ছিনিয়ে নিতে পারেন।
ওপেনিং-প্রস্তুতির অসাধারণ শৃঙ্খলা: প্রাগ প্রায়শই এমন কিছু ওপেনিং বেছে নেন, যা প্রতিপক্ষের জন্য অপ্রত্যাশিত এবং গভীর কৌশলী জটিলতা তৈরি করে।
বহু আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে, বিশেষ করে জুনিয়র বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ, র্যাপিড টুর্নামেন্ট এবং কিছু বড় ইভেন্টে, প্রাগের বিরুদ্ধে সিন্ডারভ বারবার কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন। সিন্ডারভ স্বয়ং স্বীকার করেন, "ওর খেলা পড়া কঠিন। প্রাগ গণনা খুব দ্রুত করে, দ্রুত অবস্থান বদলে ফেলে, এবং ভুল করলেও তাড়াতাড়ি ঠিক করে নেয়।" অনেক ম্যাচেই দেখা গেছে—সিন্ডারভ প্রায় জেতা গেমে প্রাগের 'Brilliance' বা রিসোর্সফুল ডিফেন্সের কাছে হার মেনেছেন।
প্রাগ ও সিন্ডারভের এই 'Rivalry' আজকের নয়; এর শিকড় প্রোথিত হয়েছে তাদের কৈশোরে, যখন দু'জনেই ১২-১৩ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক দাবার মঞ্চে পা রাখেন। জুনিয়র সার্কিট থেকে শুরু করে সিনিয়র ইভেন্ট পর্যন্ত, তারা বহুবার একে অপরের মুখোমুখি হয়েছেন, যা তাদের ব্যক্তিগত এবং পেশাদার প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও গভীর করেছে।
যে জায়গাগুলোতে দুইজন সবচেয়ে বেশি মুখোমুখি হয়েছেন:
| ইভেন্ট | গুরুত্ব | প্রতিদ্বন্দ্বিতার ধরণ |
| World Youth Championships | বিশ্ব শিরোপা | বয়স-ভিত্তিক চূড়ান্ত লড়াই |
| Asian Junior Events | মহাদেশীয় আধিপত্য | আঞ্চলিক শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই |
| Global Chess League | উচ্চ চাপ ও দলীয় খেলা | দ্রুত সিদ্ধান্ত ও কৌশলী প্রয়োগ |
| FIDE র্যাপিড ও ব্লিটজ | গতির দাবা | দ্রুত গণনা ও স্নায়ুর যুদ্ধ |
| অনলাইন সুপার টুর্নামেন্ট | ধারাবাহিক পারফরম্যান্স | দীর্ঘ টুর্নামেন্টে মুখোমুখি হওয়া |
এত বেশি প্রতিযোগিতা এবং মুখোমুখি লড়াইয়ের কারণে সিন্ডারভের বক্তব্যের বাস্তবতা আরও স্পষ্ট হয়। তারা কেবল প্রতিদ্বন্দ্বী নন, তারা একে অপরের খেলার কৌশল এবং মানসিক দুর্বলতার সঙ্গে পরিচিত।
সিন্ডারভের মন্তব্যটি রসিকতা হলেও, তিনি স্বীকার করেছেন যে প্রাগের উপস্থিতি তাঁর ক্যারিয়ারের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক। প্রতিদ্বন্দ্বিতা কেবল শিরোপা কেড়ে নেয় না, বরং একজন খেলোয়াড়কে নিজের দুর্বলতা দূর করতে এবং আরও ভালো খেলোয়াড় হতে উৎসাহিত করে।
সিন্ডারভ স্বীকার করেছেন: “প্রাগ না থাকলে হয়তো আরও শিরোপা থাকতো, কিন্তু সত্যি বলতে, প্রাগ থাকায় আমি আরও ভালো খেলোয়াড় হয়েছি।”
প্রাগের প্রতিদ্বন্দ্বিতা সিন্ডারভের যেসব ক্ষেত্রে উন্নতি ঘটিয়েছে:
১. নতুন ওপেনিং শেখার বাধ্যবাধকতা: প্রাগ প্রায়ই আপাতদৃষ্টিতে দুর্বল বা অপ্রচলিত ওপেনিং ব্যবহার করেন, কিন্তু গভীর প্রস্তুতির কারণে ট্যাকটিক্যাল জটিলতা তৈরি করে দেন। ফলে সিন্ডারভকে বারবার নতুন ভ্যারিয়েশন এবং ট্রিকি পজিশন নিয়ে গভীরভাবে গবেষণা করতে হয়েছে।
২. মানসিক শক্তি বৃদ্ধি: প্রাগের বিরুদ্ধে ম্যাচ মানেই উচ্চচাপের পরিবেশ—এক ভুল মানেই হার। সিন্ডারভ বলেন, "প্রাগের বিরুদ্ধে খেলা মানে নিজেকে পরীক্ষা করা।" এই চাপ সহ্য করার ফলে তাঁর 'Mental Toughness' অনেক বেড়েছে।
৩. এন্ডগেম দক্ষতা উন্নত করা: প্রাগ এন্ডগেমে অবিশ্বাস্য পারদর্শী। সিন্ডারভ এই ক্ষেত্রে নিজেকে দুর্বল মনে করায়, প্রাগের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তাকে এন্ডগেমে বাড়তি সময় বিনিয়োগ করতে বাধ্য করেছে।
৪. ম্যাচ-পরবর্তী বিশ্লেষণ থেকে শিক্ষা: সিন্ডারভ বলেন, "ওর সঙ্গে ম্যাচের পরে পজিশন বিশ্লেষণ করলেই বোঝা যায়, কত গভীরভাবে চিন্তা করে সে।" প্রাগের চালের গভীরতা তাঁকে আরও ভালো কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিতে শিখিয়েছে।
দাবা বিশেষজ্ঞরা অনেকেই মনে করছেন—এই দুই তরুণ তারকার লড়াই ভবিষ্যতে দাবা বিশ্বের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে। তাদের মধ্যে বিদ্যমান বৈশিষ্ট্যগুলো এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে:
দু'জনেই অত্যন্ত ট্যাকটিক্যাল: উভয় খেলোয়াড়ই বোর্ডে দ্রুত কম্বিনেশন দেখতে পান এবং ঝুঁকি নিতে ভয় পান না।
দু'জনের Temperament স্থির: বড় ম্যাচেও নিজেদের আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষমতা তাদের আছে।
দু'জনের খেলার স্টাইল ভিন্ন: প্রাগ কিছুটা পজিশনাল স্থিতিশীলতা এবং কৌশলী জটিলতা পছন্দ করেন, অন্যদিকে সিন্ডারভ প্রায়শই তীব্র আক্রমণে বিশ্বাসী। এই বৈচিত্র্যই তাদের মুখোমুখি লড়াইকে আরও মনোমুগ্ধকর করে তোলে।
দু'জনেরই দ্রুত শেখার ক্ষমতা প্রবল: তারা সহজেই নতুন ওপেনিং এবং কৌশল আয়ত্ত করে নিতে পারেন।
ইতিমধ্যে বড় টুর্নামেন্টে সাফল্য: দু'জনেই ইতিমধ্যে বড় টুর্নামেন্টে সিনিয়র গ্র্যান্ডমাস্টারদের হারিয়ে সাফল্য পেয়েছেন।
অনেক বিশ্লেষকের মতে, "যেভাবে কার্লসেন–আনন্দ বা কার্লসেন–কারুয়ানা rivalry দাবাকে এগিয়ে নিয়েছে, ভবিষ্যতে প্রাগ–সিন্ডারভ সেটাই করবে। এই ধরনের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাই খেলোয়াড়দের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণে সাহায্য করে।"
সিন্ডারভের মন্তব্যটি যে কেবল রসিকতা নয়, বাস্তবতারও প্রতিফলন, তা কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা থেকে বোঝা যায়:
| ঘটনা | ইভেন্ট | ফলাফল এবং প্রভাব |
| দুই রাউন্ডে পরাজয় | Asian Youth Chess Championship | প্রাগ সিন্ডারভকে দুটি গুরুত্বপূর্ণ রাউন্ডে পরাজিত করে শিরোপা জেতেন, সিন্ডারভকে পিছিয়ে দেন। |
| টাইব্রেকারে হার | Rapid Global Juniors | টাইব্রেকারে সিন্ডারভ ভালো অবস্থানে থাকলেও প্রাগের একটি Brilliant Tactical Trick তাঁকে হারিয়ে দেয়। |
| ফাইনালের পথ বন্ধ | অনলাইন র্যাপিড সিরিজ | একাধিকবার প্রাগ সিন্ডারভকে নকআউট পর্বে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার পথ বন্ধ করেছেন। |
| Decisive Battle | ক্লাসিক্যাল ম্যাচ | কিছু ম্যাচে সিন্ডারভ পরিষ্কার অগ্রগতিতে থাকা অবস্থায় প্রাগের রিসোর্সফুল ডিফেন্স তাঁকে জয় পেতে দেয়নি। |
এই উদাহরণগুলো স্পষ্ট করে যে, প্রাগনানন্দা কেবল একজন প্রতিদ্বন্দ্বী নন, বরং সিন্ডারভের শিরোপা জয়ের পথে সবচেয়ে বড় বাধাগুলোর মধ্যে অন্যতম।
প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকা সত্ত্বেও, এই দুই তরুণ তারকার মধ্যে রয়েছে এক গভীর সম্মান এবং বন্ধুত্ব। সিন্ডারভ বলেন, “প্রাগ আমার বন্ধু, প্রতিদ্বন্দ্বী এবং অনুপ্রেরণা—সবকিছুই।”
পরস্পরের প্রতি সম্মান: "আমরা একে অপরকে চিনি বহুদিন ধরে। প্রাগ নীরব, কিন্তু অত্যন্ত ভদ্র এবং কঠোর পরিশ্রমী।"
Healthy Competition: তাদের এই সম্পর্ক শত্রুতার নয়, বরং পরস্পরকে উন্নত করার এক সুস্থ প্রতিযোগিতা, যা দাবার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু দুই খেলোয়াড়ের নয়, বরং দুই দেশের দাবা উন্নয়ন ব্যবস্থার প্রতিফলন। এই দুই দেশই এখন বিশ্ব দাবায় নতুন শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
ভারত: প্রাগ, গুকেশ, নিহাল সরিন, রাহুল শ্রীবাস্তব—একঝাঁক তরুণ প্রতিভা।
উজবেকিস্তান: আবদুসত্তোরভ (Nodirbek Abdusattorov), সিন্ডারভ, ইয়াকুবয়েভ—এক শক্তিশালী ত্রয়ী।
এই দুই দেশের চেস শক্তি আজ বৈশ্বিক মানের, এবং তাদের এই উত্থান আন্তর্জাতিক দাবার মানকে আরও উঁচু করে তুলেছে।
উপসংহার:
জাভোখির সিন্ডারভের সরল স্বীকারোক্তি—"প্রাগ না থাকলে আরও শিরোপা পেতাম"—রসিকতার মাধ্যমে এক গভীর সত্যকে তুলে ধরেছে। এই দুই তরুণ তারকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা কেবল শিরোপা জেতা-হারার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি একে অপরকে আরও বড় খেলোয়াড় বানানোর একটি চলমান প্রক্রিয়া। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আগামী দশকে বিশ্ব দাবার আসল লড়াই হবে প্রাগ বনাম সিন্ডারভ এবং আবদুসত্তোরভের মতো তরুণদের মধ্যে। তাদের এই প্রতিযোগিতা দাবা প্রেমীদের আরও অনেক স্মরণীয় ম্যাচ উপহার দেবে, এবং দাবার ভবিষ্যৎকে আরও আকর্ষণীয় ও উজ্জ্বল করবে। এই স্বাস্থ্যকর যুদ্ধই বিশ্ব দাবার উন্নতির প্রধান চালিকাশক্তি।