Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

“দিল্লি বিস্ফোরণ: কাশ্মীরের আরও এক প্রযুক্তিগত দক্ষ বাসিন্দাকে গ্রেফতার করল NIA”

দিল্লি বিস্ফোরণ তদন্তে বড় অগ্রগতি। কাশ্মীরের আরও এক প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ যুবককে গ্রেফতার করেছে NIA। বিস্ফোরণের পরিকল্পনা, প্রযুক্তিগত সহায়তা ও যোগাযোগের সূত্রে মিলছে নতুন তথ্য।

দিল্লির ব্যস্ততম এলাকার বিস্ফোরণ ঘিরে উত্তেজনা, আতঙ্ক এবং সন্দেহের আবহের মধ্যেই তদন্তে নেমেছে জাতীয় তদন্ত সংস্থা বা এনআইএ। ঘটনার শুরু থেকে তদন্ত যে একাধিক স্তরে এগোচ্ছে, তা আগেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক গ্রেফতার আরও একবার ইঙ্গিত দিচ্ছে যে বিস্ফোরণের রহস্য কতটা গভীর এবং জটিল। কাশ্মীরের একজন প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ যুবকের গ্রেফতার এই মামলার গতিপথকে সম্পূর্ণ নতুন দিকে নিয়ে গিয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই যুবক শুধু ঘটনায় যুক্ত নন, বরং প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বিস্ফোরণের পরিকল্পনা, সমন্বয় এবং নকশা তৈরিতেও বড় ভূমিকা পালন করেছেন।

দিল্লির মতো সংবেদনশীল শহরে বিস্ফোরণের ঘটনা কখনোই ছোট বিষয় নয়। দেশের প্রশাসন, গোয়েন্দা সংস্থা, নিরাপত্তা বাহিনী—সবাই এমন ঘটনার প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। বিস্ফোরণ ঘটার পর প্রাথমিক অনুমান ছিল যে এটি হয়তো কোনো বিচ্ছিন্ন দলের কাজ, অথবা হঠাৎ পরিকল্পনা। কিন্তু তদন্ত যত গভীরে পৌঁছেছে, ততই স্পষ্ট হয়েছে যে এটি বহুস্তরীয় পরিকল্পনার ফল। বিস্ফোরণ স্থলে যে চিহ্ন, ধাতব অংশ, সার্কিট, ব্যাটারি এবং টাইমার পাওয়া যায়, সেগুলোর বিশ্লেষণেই উঠে আসে প্রযুক্তি ব্যবহারের দিকটি। আধুনিক সার্কিট, দূরনিয়ন্ত্রিত সক্রিয়তার সম্ভাবনা এবং এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যবহারের ইঙ্গিত তদন্তকারীদের আরও সতর্ক করে তোলে।

গ্রেফতার হওয়া যুবকটি দীর্ঘদিন ধরেই প্রযুক্তির নানা শাখায় অভিজ্ঞ ছিলেন। সে শুধু সাধারণ মোবাইল বা ল্যাপটপ ব্যবহারে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সাইবার নিরাপত্তা, সার্কিট ডিজাইন, ডিভাইস মডিফিকেশন, এমনকি এনক্রিপ্টেড অ্যাপ ব্যবহারে ছিল দক্ষ। তদন্তকারীরা তাঁর ডিভাইসগুলি পরীক্ষা করে দেখেছেন যে বেশ কয়েকটি বিশেষ সফটওয়্যার এবং এনক্রিপশন টুল তিনি ব্যবহার করতেন, যা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। তাঁর মোবাইল ফোনে এমন কিছু কোডিং অ্যাপ পাওয়া গেছে, যেগুলো বিশেষভাবে ডিভাইসকে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। প্রযুক্তির এই গভীর জ্ঞানই এনআইএ কর্মকর্তাদের সন্দেহকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

এনআইএ তাঁর বাড়িতে হানা দিয়ে বেশ কিছু ইলেকট্রনিক গ্যাজেট, হার্ডড্রাইভ, চিপ, সিম কার্ড এবং যোগাযোগের নথি উদ্ধার করেছে। এগুলি বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে যে গত কয়েক মাস ধরে তিনি একাধিক নম্বরের মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গার মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন, এমনকি কিছু নম্বর বিদেশি সার্ভার ব্যবহার করত। যে কোনও অপরাধমূলক পরিকল্পনায় যখন প্রযুক্তি এত ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়, তখন তদন্ত আরও জটিল হয়ে ওঠে। কারণ প্রতিটি পদক্ষেপকে বিশ্লেষণ করতে হয় আলাদা করে এবং খোলা চক্ষে তা বোঝা সম্ভব নয়। এখানেই গুরুত্ব পায় সাইবার ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের ভূমিকা।

তদন্তকারীরা ধারণা করছেন, এই যুবক সরাসরি বিস্ফোরণের স্থানটিতে না থাকলেও দূর থেকে সেই বিস্ফোরণ ঘটানোর প্রযুক্তিগত বুদ্ধি এবং সরঞ্জাম সরবরাহ করতে পারে। তাঁর বারবার মোবাইল পরিবর্তন করা, বিভিন্ন ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (VPN) ব্যবহার করা এবং চ্যাটিং অ্যাপে সেল্ফ-ডিলিটিং মেসেজ সিস্টেম সক্রিয় করা—এই সবই সন্দেহকে আরও গভীর করেছে। তদন্তকারীরা বলছেন, এই চিহ্নগুলি একজন সাধারণ নাগরিকের ব্যবহার নয়, বরং পরিকল্পিতভাবে নিজের পরিচয় আড়াল করার চেষ্টা।

সাক্ষাৎকারে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গ্রেফতার হওয়া যুবকটি স্বভাবে শান্ত এবং উচ্চশিক্ষিত ছিল। কেউ ভাবতেই পারেনি যে সে এমন কোনও ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। তবে তদন্তকারীদের অভিযোগ, সে সাধারণ জীবন যাপন করলেও তার গোপন জীবনের রূপরেখা ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। বহু সময় সে নিজের ঘরেই ল্যাপটপ, সার্কিট এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে ব্যস্ত থাকত। বাইরের মানুষের সঙ্গে খুব কম মিশত, কিন্তু অনলাইনে সে ছিল অত্যন্ত সক্রিয়।

দিল্লির বিস্ফোরণ ঘিরে এনআইএ এখন যে দিকটিতে জোর দিচ্ছে তা হল বিস্ফোরণের প্রকৃতি এবং উদ্দেশ্য। তদন্তে জানা গেছে যে ব্যবহৃত ডিভাইসটি ছিল উচ্চ প্রযুক্তির, এবং যেভাবে তা সক্রিয় হয়েছে, তা কোনও অপেশাদারের কাজ নয়। তাছাড়া বিস্ফোরণের সময় এবং স্থানও অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে বেছে নেওয়া হয়েছিল, যাতে কম সময়ে বেশি আতঙ্ক সৃষ্টি করা যায়। তদন্তকারীরা মনে করছেন, বিস্ফোরণের লক্ষ্য শুধু ক্ষতি করা নয়, বরং প্রশাসনিক কাঠামোকে একটি বার্তা দেওয়া।

এই ঘটনার পর থেকে রাজধানীতে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে মেট্রো স্টেশন, সরকারি অফিস, পর্যটক কেন্দ্র এবং ভিড় জমে এমন জায়গায় নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ আরও কড়া করা হয়েছে এবং সন্দেহভাজনদের তালিকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এনআইএ পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে যাতে বিস্ফোরণের পেছনে থাকা পুরো চক্রকে চিহ্নিত করা যায়।

গ্রেফতার হওয়া যুবকের পরিবার দাবি করেছে যে সে নির্দোষ এবং শুধু প্রযুক্তিপ্রেমী হওয়ার কারণে তাকে সন্দেহ করা হচ্ছে। তবে এনআইএ বলছে, কোনও ব্যক্তিকে শুধু সন্দেহের বশে গ্রেফতার করা হয় না। প্রাথমিক প্রমাণ, ডিভাইসের বিশ্লেষণ, যোগাযোগের রেকর্ড এবং তাঁর গতিবিধি—সব মিলিয়ে যথেষ্ট ভিত্তি পাওয়ার পরই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তদন্তকারীরা আরও বলছেন যে এই গ্রেফতারই শেষ নয়, বরং শুরু। এই যুবকের মাধ্যমে তাঁরা আরও কয়েকটি বড় সূত্র পেয়েছেন, যেগুলি হয়তো এই বিস্ফোরণের নেপথ্যে থাকা সংগঠনের কার্যপদ্ধতি এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেবে। তাঁর ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোতে এমন বার্তা এবং ডাটা পাওয়া গেছে যা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে সে একা কাজ করত না, বরং একটি নেটওয়ার্কের অংশ ছিল।

এই ঘটনায় দেশজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে। প্রযুক্তির যুগে অপরাধীরা যে কতটা উন্নত পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারে, তা প্রতিটি ঘটনার সঙ্গে আরও পরিষ্কার হচ্ছে। তাই শুধুমাত্র প্রচলিত তদন্ত পদ্ধতি নয়, উন্নত প্রযুক্তির সহায়তাও এখন অপরিহার্য। এনআইএ ইতিমধ্যে আরও প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞদের এই তদন্তে যুক্ত করেছে যাতে কোনও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ফসকে না যায়।

news image
আরও খবর

দিল্লি বিস্ফোরণের এই তদন্ত এখন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দাঁড়িয়ে। গ্রেফতার হওয়া যুবকের ভূমিকা, তাঁর প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং যোগাযোগ নেটওয়ার্ক—সব কিছুই পরবর্তী তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। দেশজুড়ে নজর এখন এনআইএ–র পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। কারণ প্রত্যেকটি নতুন তথ্য এই বিস্ফোরণের রহস্যকে আরেকটু খুলে দিচ্ছে, একই সঙ্গে প্রশাসনকে সতর্ক করছে যে ভবিষ্যতে আরও বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা কর 

দিল্লির বিস্ফোরণ ঘটনার তদন্ত যতই এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন নতুন তথ্য, যা গোটা মামলাটিকে আরও জটিল ও রহস্যময় করে তুলছে। রাজধানীর ব্যস্ত এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই এনআইএ তদন্তভার হাতে নিয়ে একের পর এক অভিযান চালাচ্ছে। সাম্প্রতিক গ্রেফতার সেই তদন্তে নতুন মোড় এনে দিয়েছে। কাশ্মীরের একজন প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত দক্ষ যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে, যে তদন্তের গতিপথকে সম্পূর্ণ নতুন দিকে নিয়ে গিয়েছে। এনআইএ–র দাবি, এই যুবক শুধু বিস্ফোরণের পরিকল্পনাতেই যুক্ত ছিলেন না, বরং প্রযুক্তির সাহায্যে এই বিস্ফোরণ ঘটানোর পিছনেও তাঁর বড় ভূমিকা থাকতে পারে।

প্রথম থেকেই সন্দেহ দানা বাঁধে যে বিস্ফোরণে ব্যবহৃত ডিভাইসটি সাধারণ বিস্ফোরক নয়, বরং অত্যন্ত সূক্ষ্ম প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি একটি উন্নত ডিভাইস। বিস্ফোরণের তীব্রতা, সময় নির্বাচন, এবং যেভাবে ডিভাইসটি সক্রিয় হয়েছিল, তাতে তদন্তকারীরা নিশ্চিত হন যে এটি কোনও অপেশাদারের কাজ নয়। বিস্ফোরণস্থলে উদ্ধার হওয়া সার্কিট, ব্যাটারি, মাইক্রো-চিপ এবং ছোট ছোট তারের খুঁটিনাটি বিশ্লেষণেই উঠে আসে যে ডিভাইস তৈরি করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়েছে উন্নতমানের ইলেকট্রনিক কম্পোনেন্ট, যেগুলি সাধারণত বাজারে সহজে পাওয়া যায় না। এখান থেকেই তদন্তকারীরা ধারণা করেন যে ঘটনার পেছনে প্রযুক্তি-দক্ষ কেউ রয়েছে।

গ্রেফতার হওয়া যুবকটি সেই সন্দেহকেই আরও দৃঢ় করেছে। তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে একাধিক ল্যাপটপ, হার্ডড্রাইভ, সার্কিট বোর্ড, বহু সিম কার্ড এবং বিশেষায়িত সফটওয়্যার। তাঁর ইলেকট্রনিক ডিভাইসে পাওয়া গেছে এমন কিছু অ্যাপ্লিকেশন, যেগুলি সাধারণ ব্যবহারকারীরা সচরাচর ব্যবহার করেন না। তদন্তকারীরা বলছেন, ডিভাইসগুলোতে একাধিক এনক্রিপশন-ভিত্তিক টুল, আইপি পরিবর্তনকারী সফটওয়্যার, এবং অজানা যোগাযোগ অ্যাপ ছিল, যা কোনও অপরাধমূলক চক্রই ব্যবহার করে থাকে নিজেদের পরিচয় আড়াল করতে।

এনআইএ আরও জানতে পেরেছে যে এই যুবক গত কয়েক মাস ধরে কখনও VPN, কখনও ভার্চুয়াল নম্বর, আবার কখনও বিদেশি সার্ভার ব্যবহার করে যোগাযোগ রক্ষা করছিল। তাঁর কল রেকর্ড এবং চ্যাট লগ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সে একাধিক মানুষের সঙ্গে কথা বলেছে, যাদের পরিচয় এখনও ধোঁয়াশায়। আরও চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো—তাঁর অধিকাংশ মেসেজই ‘অটো-ডিলিট’ মোডে ছিল, অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময় পর সেগুলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যায়।

তবে স্থানীয়রা দাবি করেন, ওই যুবক অত্যন্ত শান্ত স্বভাবের ছিল, বাইরে কারও সাথে বেশি মিশত না, কিন্তু প্রযুক্তিতে তার দক্ষতা ছিল ছোট থেকেই। অনেকেই জানতেন যে সে সারাদিন ল্যাপটপ বা মোবাইলে ব্যস্ত থাকে। কিন্তু তারা কেউই বুঝতে পারেননি যে সেই প্রযুক্তি-দক্ষতা কোনও অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার হতে পারে। যুবকের পরিবারও জানিয়েছে, ছেলে নির্দোষ, তাকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হচ্ছে।

অন্যদিকে এনআইএ স্পষ্ট জানিয়েছে যে প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া প্রমাণ ছাড়া কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। ডিভাইসগুলো থেকে পাওয়া তথ্য, যোগাযোগের নথি, আর তাঁর সন্দেহজনক গতিবিধি—সবই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে সে ঘটনার সঙ্গে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে যুক্ত। এ ছাড়া আরও বেশ কিছু সূত্র পাওয়া গেছে, যেগুলি বলছে যে বিস্ফোরকের নকশা এবং পরিকল্পনা তৈরিতে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

এই ঘটনার পর থেকে রাজধানীতে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে সংবেদনশীল এলাকায় সিসিটিভির নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। মেট্রো স্টেশন, সরকারি ভবন, পর্যটন কেন্দ্র, রেলওয়ে স্টেশন—প্রতিটি জায়গায় নিরাপত্তা বাহিনী এখন আরও সতর্ক। কারণ তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই বিস্ফোরণ হয়তো কোনও বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ ছিল, অথবা একটি পরীক্ষামূলক হামলা, যাতে ভবিষ্যতে আরও বড় কিছু ঘটানো যায়।

তদন্তে উঠে এসেছে আরও একটি বিষয়—এই যুবক একা ছিল না। তার যোগাযোগের নেটওয়ার্ক বিশদে বিশ্লেষণ করে এনআইএ জানতে পেরেছে যে সে হয়তো একটি বড় চক্রের সদস্য। সেই চক্রের সদস্যরা শুধু দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নয়, বিদেশেও ছড়িয়ে আছে। তাই তদন্ত এখন আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বিস্তৃত হচ্ছে। বিদেশি তদন্ত সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং একাধিক সার্ভারের লগ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

দিল্লির বিস্ফোরণের ঘটনাটি দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করেছে। প্রযুক্তির যুগে কোনও অপরাধী কীভাবে গোপনে কাজ করে যেতে পারে, তা এই ঘটনাই আরও স্পষ্ট করেছে। তাই শুধুমাত্র প্রচলিত গোয়েন্দা তদন্ত আর যথেষ্ট নয়। এখন অপরাধ দমনে প্রযুক্তিগত দক্ষতা, সাইবার ফরেনসিক, ডেটা বিশ্লেষণ এবং ডিজিটাল নজরদারি অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এনআইএ–র তদন্ত এখন এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে। গ্রেফতার হওয়া যুবকের জিজ্ঞাসাবাদ, ডিভাইস বিশ্লেষণ, যোগাযোগ চিহ্নিতকরণ—সবকিছু মিলিয়ে আগামী দিনগুলোতে আরও বড় তথ্য সামনে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই বিস্ফোরণের নেপথ্যে থাকা উদ্দেশ্য এবং পরিকল্পনা যতই সামনে আসবে, ততই স্পষ্ট হবে যে ঘটনাটি কোনও সাধারণ অপরাধ নয়, বরং একটি সুসংগঠিত, প্রযুক্তিনির্ভর পরিকল্পনার ফল।

Preview image