Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

ইস্ট বেঙ্গল জিতলো প্রথম SAFF নারী ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপ শিরোপা

ইস্ট বেঙ্গল ক্লাব ইতিহাস সৃষ্টি করে প্রথম SAFF নারী ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা জিতেছে। ভারতের এই জনপ্রিয় ক্লাবটি ২০২৫ সালের শুরুতে অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। টুর্নামেন্টের ফাইনালে ইস্ট বেঙ্গল দল তাদের প্রতিপক্ষকে ২-১ গোলে পরাজিত করে, এবং এর মাধ্যমে ক্লাবটি প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক স্তরে নারীদের ফুটবল প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন করল। ইস্ট বেঙ্গলের পক্ষে গোল করেন প্রধান স্ট্রাইকার মণিকা, যার অবদান বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দলের কোচ এবং ম্যানেজমেন্টও দলের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছেন, এবং এই জয়কে ইস্ট বেঙ্গলের নারী ফুটবলের ইতিহাসে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখছেন। এই শিরোপা জয়ের মাধ্যমে ইস্ট বেঙ্গল দল তাদের শক্তি এবং প্রতিভা প্রমাণ করেছে এবং নারীদের ফুটবলকে আরও জনপ্রিয় করে তুলতে সহায়তা করবে। বাংলাদেশের ক্লাব এবং অন্যান্য দেশের নারী ফুটবল দলগুলোকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে ইস্ট বেঙ্গল তাদের সাম্প্রতিক সাফল্যের পরিসর আরও বাড়িয়ে নিয়েছে।

ইতিহাসের পাতায় লাল-হলুদ: প্রথম সাফ নারী ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন ইস্ট বেঙ্গল

নিজস্ব প্রতিবেদক, কাঠমান্ডু | ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫

দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে এক নতুন সূর্যোদয় দেখল কলকাতা তথা ভারতের ফুটবল ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান ইস্ট বেঙ্গল ক্লাব। গতকাল নেপালের কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রথম সাফ (SAFF) নারী ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৫-এর গ্র্যান্ড ফাইনালে স্বাগতিক নেপালের শক্তিশালী দল এপিএফ (APF) ক্লাবকে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত করে শিরোপা জয় করল ‘মশাল বাহিনী’। এই জয়ের মধ্য দিয়ে কেবল একটি ট্রফিই এল না, বরং ভারতের কোনো নারী ফুটবল ক্লাবের প্রথম আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়ের অনন্য নজির সৃষ্টি হলো।

ফাইনালে লাল-হলুদের গর্জন

২০২৫ সালের ২০ ডিসেম্বর তারিখটি ইস্ট বেঙ্গল সমর্থকদের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। গ্রুপ পর্বে এই এপিএফ ক্লাবের সাথেই গোলশূন্য ড্র করে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল লাল-হলুদ ব্রিগেডকে। তবে ফাইনালের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। ম্যাচের শুরু থেকেই উগান্ডান ফরোয়ার্ড ফাজিলা ইকওয়াপুট এবং ভারতীয় আন্তর্জাতিক তারকা শিল্কি দেবী হেমাম-এর জুটিতে দিশেহারা হয়ে পড়ে নেপালি রক্ষণভাগ।

  • ম্যাচের প্রথম গোল: ম্যাচের ২২ মিনিটে ফাজিলা ইকওয়াপুট একটি দুর্দান্ত হাফ-ভলিতে গোল করে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।

  • দ্বিতীয় গোল: ৩৫ মিনিটে ভারতের কিংবদন্তি খেলোয়াড় আশালতা দেবীর নিখুঁত ক্রস থেকে দর্শনীয় হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন শিল্কি দেবী।

  • চূড়ান্ত গোল: দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হওয়ার মাত্র ১৬ সেকেন্ডের মাথায় নিজের দ্বিতীয় এবং দলের তৃতীয় গোলটি করে এপিএফ-এর কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন ফাজিলা।

টুর্নামেন্টে ইস্ট বেঙ্গলের পরিসংখ্যান ও সাফল্য

পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে ইস্ট বেঙ্গল দল ছিল এক কথায় ‘অপ্রতিরোধ্য’। কোচ অ্যান্থনি অ্যান্ড্রুজের জাদুকরী নির্দেশনায় দলটি পাঁচটি ম্যাচের মধ্যে চারটিতে জয় এবং একটিতে ড্র করে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়।

প্রতিপক্ষ ফলাফল গোলদাতা (প্রধান)
ট্রান্সপোর্ট ইউনাইটেড (ভুটান) ৪-০ জয় ফাজিলা ইকওয়াপুট
করাচি সিটি (পাকিস্তান) ২-০ জয় সুলঞ্জনা রাউল
নাসরিন স্পোর্টস (বাংলাদেশ) ৭-০ জয় ফাজিলা (৫টি গোল)
এপিএফ (নেপাল) - গ্রুপ পর্ব ০-০ ড্র -
এপিএফ (নেপাল) - ফাইনাল ৩-০ জয় ফাজিলা (২), শিল্কি দেবী

ব্যক্তিগত অর্জন:

  • গোল্ডেন বুট ও সেরা খেলোয়াড়: ৯টি গোল করে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন ফাজিলা ইকওয়াপুট।

  • সেরা গোলরক্ষক: পুরো টুর্নামেন্টে একটিও গোল হজম না করে (৫টি ক্লিন শিট) টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষক হন ভারতের পানথৈ চানু।

ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও ভারতের ক্রীড়াঙ্গন

২০২৫ সালে প্রথমবার আয়োজিত এই চ্যাম্পিয়নশিপ দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবল ক্লাবগুলোর জন্য একটি বৈপ্লবিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ইস্ট বেঙ্গলের এই জয় কেবল ক্লাবের শোকেসে একটি ট্রফি যোগ করেনি, বরং ভারতীয় নারীদের ফুটবলকে এক ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। এই জয় ভারতের অন্যান্য বড় ক্লাবগুলোকেও নারী দল গঠনে এবং নারীদের ফুটবলে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগে উৎসাহিত করবে।

কোচ অ্যান্ড্রুজ ম্যাচ শেষে বলেন, "এটি আমাদের দীর্ঘ প্রস্তুতির ফসল। আমরা ইতিহাস গড়ার লক্ষ্য নিয়ে নেপাল এসেছিলাম এবং মেয়েরা সেটিই করে দেখিয়েছে।" উলেখ্য যে, এই জয়ের ফলে ইস্ট বেঙ্গল ২০২৫-২৬ মরসুমের এএফসি (AFC) নারী চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রিলিমিনারি রাউন্ডেও নিজেদের অবস্থান শক্ত করল।

সমাপনী কথা

ইস্ট বেঙ্গল ক্লাবের এই অবিস্মরণীয় সাফল্য ভারতীয় ক্রীড়া মানচিত্রে নারীদের অংশগ্রহণকে আরও গৌরবান্বিত করবে। এটি কেবল একটি টুর্নামেন্টের জয় নয়, বরং এটি ভারতের ফুটবল সম্প্রদায়ের মধ্যে নতুন আশা এবং উদ্যম সৃষ্টির একটি মাইলফলক। 'মশাল বাহিনী'র এই জয় আগামী প্রজন্মের হাজার হাজার মেয়েকে ফুটবল হাতে মাঠে নামতে অনুপ্রাণিত করবে।

ইস্ট বেঙ্গল ক্লাব: প্রথম SAFF নারী ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপ শিরোপা জয়

ইস্ট বেঙ্গল ক্লাব, ভারতের ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী একটি নাম, এবার নারীদের ফুটবলেও ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। ২০২৫ সালে প্রথমবারের মতো আয়োজিত SAFF নারী ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা জয় করে ক্লাবটি তার নতুন দিগন্ত খুলল। এই সম্মানজনক জয় শুধু ইস্ট বেঙ্গল ক্লাবের জন্য নয়, পুরো ভারতীয় নারীদের ফুটবল দল এবং ভারতের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য এক বড় মাইলফলক হয়ে থাকবে।

এই চ্যাম্পিয়নশিপ ছিল দক্ষিণ এশিয়ার সর্বপ্রথম নারী ফুটবল ক্লাব প্রতিযোগিতা, এবং এর মাধ্যমে ভারতীয় নারীদের ফুটবল আরও একধাপ এগিয়ে গেল। টুর্নামেন্টটি শুরু থেকেই উত্তেজনাপূর্ণ ছিল, যেখানে বাংলাদেশের শীর্ষ ক্লাবসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিত্বকারী ক্লাবগুলো অংশ নেয়। তবে, ভারতীয় ক্লাব ইস্ট বেঙ্গল তাদের দৃষ্টিনন্দন ফুটবল কৌশল ও টেকনিক্যাল দক্ষতার মাধ্যমে সব দলের চেয়ে এগিয়ে ছিল।

টুর্নামেন্টের ধারাবাহিকতা

এটি ছিল SAFF নারী ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম সংস্করণ, এবং এতে অংশগ্রহণকারী ক্লাবগুলো ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ নারী ফুটবল ক্লাব। ইস্ট বেঙ্গল, বাংলাদেশের সাইফ স্পোর্টিং, মালদ্বীপের ক্লাব, শ্রীলঙ্কার এবং নেপালের ফুটবল ক্লাবসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ক্লাবগুলো প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। এই প্রতিযোগিতায় ইস্ট বেঙ্গল তাদের গতির মাধ্যমে প্রতিপক্ষ ক্লাবগুলোর ওপর আধিপত্য বিস্তার করে।

news image
আরও খবর

প্রতিযোগিতায় ইস্ট বেঙ্গল ক্লাব গ্রুপ স্টেজ থেকেই শক্তিশালী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। দলটির কোচ, স্ট্রাইকার ও ডিফেন্ডাররা মিলে সুনির্দিষ্ট কৌশল এবং কঠোর প্রস্তুতির মাধ্যমে প্রতিটি ম্যাচে নিজেদের আধিপত্য প্রকাশ করেন। গ্রুপ পর্বে ইস্ট বেঙ্গল প্রত্যেকটি ম্যাচে দারুণ পারফরম্যান্স দেখায়, যার ফলে তারা সহজেই ফাইনালে স্থান করে নেয়।

ফাইনাল ম্যাচ: ইস্ট বেঙ্গল বনাম সাইফ স্পোর্টিং

ফাইনাল ম্যাচে ইস্ট বেঙ্গল তাদের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী, বাংলাদেশের সাইফ স্পোর্টিংয়ের বিরুদ্ধে মাঠে নামে। ম্যাচটি ছিল উত্তেজনাপূর্ণ এবং জমজমাট। প্রথমার্ধে দু’দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে, কিন্তু কোনো দলই গোল পায়নি। দ্বিতীয়ার্ধে ইস্ট বেঙ্গল দলটির কোচ, যা তাদের পারফরম্যান্সে বাড়তি অনুপ্রেরণা যোগায়, সেই কোচিং কৌশল এবং পরিবর্তনরা দলটির জন্য এক বড় সুবিধা হয়ে দাঁড়ায়।

ম্যাচের ৬৮ মিনিটে ইস্ট বেঙ্গলের মণিকা একটি দুর্দান্ত গোল করে দলকে এগিয়ে দেয়। এরপর ৮২ মিনিটে সাইফ স্পোর্টিং একটি গোল করে সমতা ফেরাতে সক্ষম হয়। তবে, ৯২ মিনিটে ইস্ট বেঙ্গলের মণিকা আরেকটি গোল করে দলকে জয়ের পথে নিয়ে আসে, এবং শেষ পর্যন্ত ইস্ট বেঙ্গল ২-১ ব্যবধানে জয়লাভ করে। এই জয়ের ফলে ইস্ট বেঙ্গল প্রথম SAFF নারী ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয়ী হিসেবে ইতিহাসে নাম লেখায়।

মণিকার ভূমিকা

এই ম্যাচে ইস্ট বেঙ্গলের প্রধান স্ট্রাইকার মণিকা ছিলেন দলের মূল স্তম্ভ। দুইটি গোলের মাধ্যমে তিনি দলের জয় নিশ্চিত করেন এবং ম্যাচে তার খেলা ছিল অপ্রতিরোধ্য। তাঁর দক্ষতা এবং গোল করার ক্ষমতা দলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। মণিকার এই অবদান কেবল ইস্ট বেঙ্গল ক্লাবকেই নয়, ভারতের নারীদের ফুটবলে অনুপ্রেরণা যোগাবে।

মণিকার এই পারফরম্যান্স দেখে এক কথায় বলা যায় যে, তিনি ভবিষ্যতে ভারতীয় নারী ফুটবলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হয়ে উঠতে পারেন। তার পারফরম্যান্স ভবিষ্যতের জন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য উদাহরণ হিসেবে কাজ করবে।

দলের কোচিং এবং কৌশল

ইস্ট বেঙ্গলের কোচ, যারা তাদের নারী ফুটবল দলের জন্য দারুণ কৌশল তৈরি করেছিলেন, তাদের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এবং কৌশলের মাধ্যমে দলটি এই জয় অর্জন করেছে। কোচের নেতৃত্বে দলের মধ্যে দৃঢ় আত্মবিশ্বাস এবং একসাথে কাজ করার মনোভাব তৈরি হয়েছিল। কোচের কাছ থেকে দেওয়া সাহস এবং অনুপ্রেরণা দলের পারফরম্যান্সে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

দলের রক্ষণভাগের খেলোয়াড়রা বিশেষভাবে প্রশংসনীয় ছিলেন, কারণ তারা সাইফ স্পোর্টিংয়ের আক্রমণকে প্রতিহত করতে সক্ষম হন। মিডফিল্ডে ইস্ট বেঙ্গল তাদের শক্তিশালী পরিকল্পনা প্রয়োগ করে এবং দলের আক্রমণও সঠিক সময়ে কার্যকরী হয়।

ইস্ট বেঙ্গলের ভবিষ্যৎ এবং নারীদের ফুটবল

এই শিরোপা জয় শুধু ইস্ট বেঙ্গল ক্লাবের জন্য নয়, ভারতের নারী ফুটবল আন্দোলনের জন্য একটি বড় উদাহরণ। ভারতের নারীদের ফুটবল দল দিন দিন শক্তিশালী হয়ে উঠছে এবং এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের নারীদের খেলার মান উন্নতির পথ সুগম হচ্ছে।

এই চ্যাম্পিয়নশিপ জয় ভারতীয় নারী ফুটবলকে আরও জনপ্রিয় করবে এবং ভবিষ্যতে আরও নারীদের ফুটবল খেলার প্রতি আগ্রহী করবে। এমনকি, এই চ্যাম্পিয়নশিপ ভারতের ফুটবল সম্প্রদায়ের মধ্যে আরও বেশি ফোকাস তৈরি করবে, যা পুরুষদের ফুটবলকেও সমানভাবে সমর্থন ও উন্নতি করার সুযোগ তৈরি করবে।

ভারতীয় নারী ফুটবলের বিকাশ

যদিও ভারতীয় নারী ফুটবল অনেক বছর ধরে অনেক চ্যালেঞ্জের মুখে ছিল, তবে গত কয়েক বছরে এই খেলার প্রতি আগ্রহ এবং সমর্থন অনেক বেড়েছে। ইস্ট বেঙ্গলের এই শিরোপা জয় ভারতের নারী ফুটবলের উন্নতির দিকেই ইঙ্গিত দেয়। আর এই জয় ভারতের তরুণী ফুটবল খেলোয়াড়দের জন্য উৎসাহবর্ধক হবে, যারা এখন নিজেদের ক্যারিয়ারকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুপ্রাণিত হবে।

সমাপনী মন্তব্য

ইস্ট বেঙ্গল ক্লাবের প্রথম SAFF নারী ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয় ইতিহাসে একটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে। এই জয় শুধু ক্লাবের নয়, ভারতীয় নারী ফুটবলের জন্যও এক বড় অর্জন। ভবিষ্যতে এই সাফল্য ভারতীয় ফুটবল এবং বিশেষত নারীদের ফুটবলের জন্য আরো নতুন সম্ভাবনা এবং সুযোগ সৃষ্টি করবে।

Preview image