Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

স্মার্টফোনের যুগ শেষ ভারতে চালু হলো বিশ্বের প্রথম সিক্স জি হলোগ্রাফিক যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং পাল্টে গেল কথা বলার সংজ্ঞা

 ভারতের টেলিযোগাযোগ ইতিহাসে এক বৈপ্লবিক দিন আজ থেকে আর ভিডিও কলের জন্য মোবাইল স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে না কারণ ভারতে চালু হলো সিক্স জি হলোগ্রাফিক কলিং পরিষেবা এখন থেকে আপনি যার সাথে কথা বলবেন তাকে হাওয়ায় ভাসমান অবস্থায় আপনার সামনে দেখতে পাবেন মনে হবে তিনি সশরীরে আপনার ঘরে উপস্থিত আছেন আইআইটি মাদ্রাজ এবং কেন্দ্রীয় টেলিযোগাযোগ মন্ত্রকের এই যুগান্তকারী আবিষ্কার বিশ্বের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে এক নতুন দিশা দেখাল  

মানুষের যোগাযোগের মাধ্যম বা মিডিয়া প্রতিনিয়ত বিবর্তিত হয়েছে একসময় আমরা পায়রার পায়ে চিঠি বেঁধে খবর পাঠাতাম তারপর এল টেলিগ্রাম টেলিফোন মোবাইল এবং সবশেষে স্মার্টফোন ও ভিডিও কল কিন্তু মানুষের চাহিদা তো আর সেখানেই থেমে থাকে না আমরা সবসময় চেয়েছি দূরের মানুষকে কাছের মানুষের মতো অনুভব করতে আজ সেই স্বপ্ন বাস্তবে ধরা দিল ভারতের মাটিতে স্মার্টফোনকে জাদুঘরে পাঠানোর সময় এসেছে কারণ আজ থেকে ভারতে শুরু হলো সিক্স জি হলোগ্রাফিক কমিউনিকেশন বা ত্রিমাত্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থা আজ সকালে দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে আয়োজিত ইন্ডিয়া টেলিকম সামিট বা সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিশ্বের প্রথম হলোগ্রাফিক কল করে এই পরিষেবার উদ্বোধন করলেন

এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী যখন মঞ্চে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন তখন তার একটি ত্রিমাত্রিক প্রতিচ্ছবি বা থ্রি ডি হলোগ্রাম চেন্নাইয়ের আইআইটি ক্যাম্পাসে উপস্থিত দর্শকদের মাঝখানে ফুটে ওঠে চেন্নাইয়ের ছাত্রছাত্রীরা অবাক হয়ে দেখে যে প্রধানমন্ত্রী তাদের সামনেই দাঁড়িয়ে ভাষণ দিচ্ছেন অথচ তিনি আসলে দিল্লিতে আছেন এই দৃশ্য দেখে সারা বিশ্ব স্তম্ভিত হয়ে গেছে এতদিন আমরা স্টার ওয়ার্স বা আয়রন ম্যানের মতো সিনেমায় এই প্রযুক্তি দেখেছি কিন্তু আজ তা ভারতের সাধারণ মানুষের হাতের মুঠোয় চলে এল

সিক্স জি এবং হলোগ্রাফিক প্রযুক্তির কারিশমা

ফাইভ জি ইন্টারনেট আমাদের দ্রুত গতি দিয়েছে কিন্তু সিক্স জি আমাদের দিল অকল্পনীয় স্পিড এবং জিরো ল্যাটেন্সি বা কোনো দেরি না হওয়ার সুবিধা বিজ্ঞানীরা বলছেন সিক্স জি প্রযুক্তিতে ইন্টারনেটের গতি ফাইভ জির চেয়ে অন্তত ১০০ গুণ বেশি অর্থাৎ সেকেন্ডে ১ টেরাবাইট ডেটা ট্রান্সফার করা সম্ভব এই বিপুল গতির কারণেই হলোগ্রাফিক কল করা সম্ভব হচ্ছে কারণ একটি জ্যান্ত মানুষের নড়াচড়া এবং তার গলার স্বর রিয়েল টাইমে বা সেই মুহূর্তেই অন্য জায়গায় প্রজেক্ট করতে বা ফুটিয়ে তুলতে প্রচুর ডেটা লাগে

আইআইটি মাদ্রাজের ডিরেক্টর ডক্টর ভি কামাকোটি বলেন আমরা এই প্রযুক্তির নাম দিয়েছি মায়া এটি একটি ছোট যন্ত্র যা হাতের ঘড়ি বা আংটির মতো পরা যায় একে বলা হয় হোলো কাস্টিং ডিভাইস যখন আপনি কাউকে কল করবেন তখন এই যন্ত্রটি থেকে লেজার রশ্মি বেরিয়ে বাতাসের অণুগুলোকে আয়নিত করে একটি ত্রিমাত্রিক ছবি তৈরি করবে যার সাথে আপনি কথা বলছেন তাকে ঠিক আপনার সামনে বসে থাকতে দেখা যাবে আপনি তার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে পারবেন এমনকি তার গলার স্বর এমনভাবে শোনা যাবে যেন তিনি আপনার পাশেই আছেন কোনো হেডফোন বা স্পিকারের দরকার হবে না কারণ শব্দটি সরাসরি আপনার কানের কাছে বাতাসের কম্পনের মাধ্যমে পৌঁছাবে

স্মার্টফোনের বিদায়ঘণ্টা

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন গত দুই দশক ধরে আমরা মোবাইল স্ক্রিনের দাস হয়ে পড়েছিলাম ঘাড় গুঁজে মোবাইলের দিকে তাকিয়ে থাকার ফলে সার্ভাইকাল স্পন্ডাইলাইটিস এবং চোখের সমস্যা ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়েছিল মায়া ডিভাইস বা হলোগ্রাফিক ফোন আমাদের সেই মুক্তি দিল এখন আর পকেটে ভারী ফোন নিয়ে ঘোরার দরকার নেই হাতের কবজিতে বাঁধা ছোট্ট একটি ব্যান্ডই সব কাজ করবে কল রিসিভ করতে চাইলে শুধু হাওয়ায় হাত নাড়াতে হবে বা জেশ্চার কন্ট্রোল করতে হবে মেসেজ বা ইমেল পড়তে চাইলে হাওয়ায় ভেসে ওঠা ভার্চুয়াল স্ক্রিনে চোখ বোলালেই হবে টাইপ করার দরকার নেই কারণ এই যন্ত্রটি ব্রেন ওয়েভ বা মস্তিষ্কের তরঙ্গ পড়তে পারে আপনি মনে মনে যা লিখবেন তা স্ক্রিনে ফুটে উঠবে

সামাজিক সম্পর্ক এবং পারিবারিক বন্ধন

হলোগ্রাফিক কলের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়বে আমাদের সামাজিক জীবনে যারা কর্মসূত্রে বা পড়াশোনার জন্য বাড়ি থেকে দূরে থাকেন তারা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন ভিডিও কলে প্রিয়জনের মুখ দেখা যায় কিন্তু স্পর্শ বা উপস্থিতির অনুভূতি পাওয়া যায় না হলোগ্রাফিক কলে মনে হবে আপনার মা বা বাবা আপনার ড্রয়িং রুমে সোফায় বসে আছেন একজন সৈনিক যিনি সীমান্তে পাহারা দিচ্ছেন তিনি রাতে তার বাচ্চার জন্মদিনে ভার্চুয়াল বা কৃত্রিমভাবে উপস্থিত থাকতে পারবেন এবং কেক কাটার আনন্দ ভাগ করে নিতে পারবেন এতে মানসিক দূরত্ব কমবে এবং পারিবারিক বন্ধন আরও দৃঢ় হবে বলে মনে করা হচ্ছে

চিকিৎসা ও শিক্ষায় বিপ্লব

টেলিমেডিসিন বা দূর চিকিৎসা ব্যবস্থায় সিক্স জি এক নতুন অধ্যায় যোগ করল এতদিন ডাক্তাররা ভিডিও কলে রোগীর সমস্যা শুনতেন কিন্তু এখন তারা রোগীর হলোগ্রাম দেখে তার পালস বা নাড়ি পরীক্ষা করতে পারবেন এবং নিখুঁতভাবে রোগ নির্ণয় করতে পারবেন এমনকি বিশ্বের এক প্রান্তের সার্জন বা শল্যচিকিৎসক অন্য প্রান্তের রোগীর অপারেশন করতে পারবেন রোবোটিক হাতের মাধ্যমে যা তিনি হলোগ্রামে দেখছেন তা বাস্তবে রোগীর শরীরে ঘটবে

শিক্ষাক্ষেত্রেও আমূল পরিবর্তন আসবে ক্লাসরুমে বসে ছাত্ররা এখন আর বইয়ের ছবি দেখবে না তারা দেখবে শিক্ষক তাদের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছেন ইতিহাস পড়ানোর সময় শিক্ষক যদি মুঘল সাম্রাজ্যের কথা বলেন তবে ক্লাসরুমের মধ্যেই তাজমহল বা লাল কেল্লার হলোগ্রাম ফুটে উঠবে বিজ্ঞানের ক্লাসে ডিএনএ বা মহাকাশের গ্রহ নক্ষত্রগুলো ছাত্রদের চোখের সামনে ভাসবে এতে পড়াশোনা অনেক বেশি আকর্ষণীয় এবং সহজবোধ্য হবে গ্রামের স্কুলের ছাত্ররাও এখন শহরের সেরা অধ্যাপকের ক্লাস সরাসরি করার সুযোগ পাবে

ব্যবসায়িক জগত এবং ভার্চুয়াল মিটিং

করোনাকালে আমরা জুম বা গুগল মিটে অভ্যস্ত হয়েছিলাম কিন্তু তাতে আই কন্টাক্ট বা চোখের ভাষা বোঝা যেত না হলোগ্রাফিক মিটিং বা হোলো মিট এখন করপোরেট দুনিয়ার নতুন ট্রেন্ড হবে অফিসের বসেরা আর ভিডিও কনফারেন্স করবেন না তারা কনফারেন্স রুমে ভার্চুয়াল চেয়ারে বসে মিটিং করবেন এর ফলে বিমান খরচ এবং সময় বাঁচবে আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক চুক্তি বা ডিল করার জন্য আর বিদেশ ভ্রমণের প্রয়োজন হবে না

বিনোদনের নতুন সংজ্ঞা

news image
আরও খবর

সিনেমা বা খেলা দেখার অভিজ্ঞতাই বদলে যাবে এখন আমরা ফ্ল্যাট স্ক্রিনে ক্রিকেট ম্যাচ দেখি কিন্তু সিক্স জি প্রযুক্তিতে আপনি আপনার ঘরের মেঝেতে ইডেন গার্ডেন্স বা ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের ছোট সংস্করণ তৈরি করতে পারবেন আপনি দেখবেন বিরাট কোহলি বা রোহিত শর্মা আপনার সামনেই ব্যাট করছেন এবং বলটি আপনার পাশ দিয়ে বাউন্ডারিতে যাচ্ছে ভিডিও গেম খেলার সময় মনে হবে আপনি গেমের চরিত্রের সাথেই যুদ্ধ করছেন বা দৌড়াচ্ছেন বিনোদন এখন আর প্যাসিভ বা নিষ্ক্রিয় থাকবে না তা হবে ইমারসিভ বা আচ্ছন্ন করে ফেলার মতো

খরচ এবং সাধারণ মানুষের নাগালে

স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে এত উন্নত প্রযুক্তির দাম কত হবে সরকার জানিয়েছে মায়া ডিভাইস বা হলোগ্রাফিক ফোনের দাম রাখা হয়েছে স্মার্টফোনের দামের সমান বা তার চেয়েও কম মাত্র ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে এই ডিভাইস পাওয়া যাবে রিলায়েন্স জিও এবং এয়ারটেল ইতিমধ্যেই সিক্স জি ডেটা প্যাক বা প্ল্যান ঘোষণা করেছে যা ফাইভ জি প্ল্যানের মতোই সস্তা সরকার চায় গ্রামের শেষ প্রান্তের মানুষটিও যেন এই প্রযুক্তির সুফল পায় ডিজিটাল ইন্ডিয়া এখন হলোগ্রাফিক ইন্ডিয়ায় রূপান্তরিত হচ্ছে

গোপনীয়তা এবং সাইবার নিরাপত্তা

তবে নতুন প্রযুক্তির সাথে নতুন ঝুঁকিও আসে হলোগ্রাফিক কলের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভয় হলো ডিপ ফেক বা নকল ভিডিও তৈরির প্রযুক্তি হ্যাকাররা কি কারো হলোগ্রাম হাইজ্যাক করে প্রতারণা করতে পারে এই প্রশ্নের উত্তরে সাইবার নিরাপত্তা প্রধান বলেন মায়া ডিভাইসে কোয়ান্টাম এনক্রিপশন ব্যবহার করা হয়েছে যা হ্যাক করা প্রায় অসম্ভব এছাড়াও প্রতিটি ব্যক্তির একটি ইউনিক ডিজিটাল বায়োমেট্রিক আইডি থাকবে যা ছাড়া হলোগ্রাম তৈরি করা যাবে না যদি কেউ নকল করার চেষ্টা করে তবে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সঙ্গে সঙ্গে তা ধরে ফেলবে এবং কলটি ব্লক করে দেবে

পরিবেশগত প্রভাব

স্মার্টফোন তৈরিতে প্রচুর প্লাস্টিক লিথিয়াম ব্যাটারি এবং বিরল খনিজ লাগে যা পরিবেশের ক্ষতি করে এবং ই ওয়েস্ট বা ইলেকট্রনিক বর্জ্য বাড়ায় হলোগ্রাফিক ডিভাইস আকারে ছোট হওয়ায় এতে কাঁচামাল বা র মেটেরিয়াল অনেক কম লাগে এর ব্যাটারি সোলার চার্জিং বা শরীরের তাপ থেকে চার্জ হতে পারে তাই এটি অনেক বেশি পরিবেশবান্ধব পুরনো মোবাইল ফোনগুলো রিসাইকেল করে বা পুনর্ব্যবহার করে নতুন ডিভাইস তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার

আন্তর্জাতিক মহলে ভারতের অবস্থান

সিক্স জি প্রযুক্তিতে ভারত এখন বিশ্বের চালকের আসনে আমেরিকা চিন বা দক্ষিণ কোরিয়া ফাইভ জি নিয়ে কাজ করলেও সিক্স জি এবং হলোগ্রাফিক প্রযুক্তিতে ভারত তাদের টেক্কা দিয়েছে নোকিয়া এরিকসন এবং স্যামসাং এর মতো বহুজাতিক কোম্পানিগুলো এখন ভারতের প্রযুক্তির লাইসেন্স নেওয়ার জন্য লাইন দিচ্ছে ভারত এখন প্রযুক্তি রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে যা দেশের জিডিপি বা মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনে বিশাল অবদান রাখবে

মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব বা সাইকোলজিক্যাল এফেক্ট

মনোবিজ্ঞানীরা অবশ্য কিছু উদ্বেগের কথাও বলছেন তারা বলছেন মানুষ যদি সারাক্ষণ ভার্চুয়াল বা কৃত্রিম জগতে থাকে তবে বাস্তবের সাথে তার যোগাযোগ কমে যেতে পারে হলোগ্রাফিক মানুষ দেখে যদি আমরা অভ্যস্ত হয়ে যাই তবে আসল মানুষের স্পর্শ বা সঙ্গ কি আমাদের আর ভালো লাগবে একা থাকার প্রবণতা বাড়তে পারে তাই প্রযুক্তির ব্যবহারের একটি নির্দিষ্ট সীমারেখা বা লক্ষ্মণরেখা থাকা দরকার ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ন্ত্রিত হওয়া উচিত

ভবিষ্যতের পরিকল্পনা

সরকার জানিয়েছে ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের ১০০টি স্মার্ট সিটিকে সম্পূর্ণ হলোগ্রাফিক সিটি বা হোলো সিটি হিসেবে গড়ে তোলা হবে সেখানে রাস্তার ট্রাফিক সিগন্যাল বিলবোর্ড এবং সাইনবোর্ড সব কিছুই হবে হলোগ্রাফিক অর্থাৎ কোনো ভৌত বা ফিজিক্যাল কাঠামো থাকবে না যা প্রয়োজন মতো অন বা অফ করা যাবে এর ফলে শহর দেখতে অনেক পরিষ্কার এবং আধুনিক লাগবে এছাড়াও মহাকাশ অভিযানে বা স্পেস মিশনে মহাকাশচারীরা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে পৃথিবীর সাথে যোগাযোগ রাখবেন

উপসংহার

২০২৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি দিনটি আমাদের শিখিয়ে দিল যে কল্পনাই হলো বিজ্ঞানের প্রথম ধাপ মানুষ যা ভাবতে পারে তা একদিন না একদিন সত্যি হয় সিক্স জি হলোগ্রাফিক কল কেবল একটি প্রযুক্তি নয় এটি মানুষের একাকিত্ব দূর করার এক হাতিয়ার এটি আমাদের শেখায় যে দূরত্ব এখন আর কোনো বাধা নয় মন চাইলে নিমেষের মধ্যে আমরা প্রিয়জনের কাছে পৌঁছে যেতে পারি শরীর দিয়ে না হলেও অবয়ব দিয়ে ভারতের বিজ্ঞানীরা আজ আমাদের হাতে এক জাদুর কাঠি তুলে দিলেন এখন আমাদের দায়িত্ব এই জাদুকে মানবকল্যাণে ব্যবহার করা স্মার্টফোনকে বিদায় জানিয়ে আমরা এখন এক স্ক্রিনলেস বা পর্দাবিহীন ভবিষ্যতে পা রাখলাম যেখানে পৃথিবীটাই আমাদের স্ক্রিন এবং আকাশটাই আমাদের ক্যানভাস জয় বিজ্ঞান জয় ভারত

Preview image