Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

রাজস্থানের থর মরুভূমিতে উদ্বোধন হলো ভারতের প্রথম এআই চালিত কৃষি মেগা প্রজেক্ট হরিত মরুভূমি এবং সবুজ বিপ্লবের নতুন অধ্যায়

 ভারতের কৃষি এবং অর্থনীতির ইতিহাসে আজ এক ঐতিহাসিক দিন রাজস্থানের ধূসর থর মরুভূমিতে আজ উদ্বোধন হলো বিশ্বের বৃহত্তম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত মেগা কৃষি প্রকল্প হরিত মরুভূমি বাতাস থেকে জল তৈরি করে মরুভূমিকে সবুজ করার এই জাদুকরী প্রযুক্তি ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা এবং কর্মসংস্থানে এক অভাবনীয় বিপ্লব ঘটাবে  

ভারতের কৃষি অর্থনীতি এবং প্রযুক্তির ইতিহাসে আজকের দিনটি এক নতুন এবং অত্যন্ত রোমাঞ্চকর অধ্যায় হিসেবে চিরকাল স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে আজ সকালে রাজস্থানের ধূসর এবং রুক্ষ থর মরুভূমির বুকে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হলো বিশ্বের বৃহত্তম সম্পূর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং রোবোটিক্স চালিত মেগা কৃষি প্রকল্প যার নাম দেওয়া হয়েছে প্রজেক্ট হরিত মরুভূমি এতদিন আমরা ইতিহাস বইতে পড়ে এসেছি যে মরুভূমি হলো এমন এক জায়গা যেখানে প্রাণের স্পন্দন প্রায় নেই বললেই চলে এবং যেখানে কৃষিকাজ করা এক প্রকার অসম্ভব কিন্তু আজ ভারত সেই চিরন্তন ধারণাকে চিরতরে বদলে দিয়ে বিশ্বের দরবারে এক অকল্পনীয় ইঞ্জিনিয়ারিং এবং কৃষি বিজ্ঞানের চমৎকার তুলে ধরল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে যখন এই বিশাল প্রকল্পের প্রথম স্বয়ংক্রিয় ড্রোনগুলো আকাশে উড়ল এবং ধূসর বালির ওপর জলের ধারা নেমে এল তখন উপস্থিত হাজার হাজার কৃষক এবং বিজ্ঞানীরা আনন্দে উল্লাস প্রকাশ করলেন এই মেগা ইভেন্ট প্রমাণ করে দিল যে ভারত এখন আর কেবল প্রকৃতির খামখেয়ালিপনার ওপর নির্ভরশীল নয় বরং ভারত আজ আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে রুক্ষ প্রকৃতিকেও মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে বিশ্বের একচ্ছত্র নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে

এই মেগা প্রজেক্টের ইঞ্জিনিয়ারিং এবং প্রযুক্তিগত বিশালতা সাধারণ মানুষের কল্পনার বাইরে থর মরুভূমিতে জলের কোনো প্রাকৃতিক উৎস নেই এবং বৃষ্টির পরিমাণও অত্যন্ত কম কিন্তু ভারতীয় বিজ্ঞানীরা এক অভাবনীয় জাদুকরী প্রযুক্তির সাহায্যে বাতাস থেকে জল তৈরি করার পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন বিশাল বিশাল অ্যাটমোস্ফেরিক ওয়াটার জেনারেটর বা এডব্লিউজি মেশিন বসানো হয়েছে যা মরুভূমির বাতাসে থাকা সামান্য আর্দ্রতা শোষণ করে তাকে ঘনীভূত করে সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ এবং তরল জলে পরিণত করে এই মেশিনগুলো চালানোর জন্য কোনো জীবাশ্ম জ্বালানি বা কয়লা ব্যবহার করা হয় না বরং প্রখর সূর্যের আলো এবং মরুভূমির প্রবল বাতাসকে কাজে লাগিয়ে সম্পূর্ণ সৌরবিদ্যুৎ এবং উইন্ড টারবাইনের সাহায্যে এই যন্ত্রগুলো চব্বিশ ঘণ্টা কাজ করে চলেছে এই প্রক্রিয়ায় তৈরি হওয়া লক্ষ লক্ষ লিটার জলকে সরাসরি মাটির নিচে থাকা স্মার্ট ড্রিপ ইরিগেশন বা বিন্দু সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে গাছের শিকড়ে পৌঁছে দেওয়া হয় যার ফলে এক ফোঁটা জলও বাষ্পীভূত হয়ে নষ্ট হয় না এটি হলো জল সংরক্ষণের এক চূড়ান্ত নিদর্শন যা আগামী প্রজন্মের জন্য এক নতুন পথ প্রশস্ত করল

এই বিশাল মরুভূমিতে কৃষিকাজ পরিচালনা করার জন্য মানুষের শারীরিক শ্রমের পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এবং রোবোটিক্স মাটির নিচে লক্ষ লক্ষ আইওটি সেন্সর বসানো আছে যা প্রতি মুহূর্তে মাটির আর্দ্রতা তাপমাত্রা এবং পুষ্টিগুণের ডেটা সংগ্রহ করে এআই সার্ভারে পাঠায় এআই নিজে থেকেই সিদ্ধান্ত নেয় যে কোন গাছে কখন কতটা জল বা সার দিতে হবে আকাশের ওপর দিয়ে প্রতিনিয়ত উড়ে বেড়াচ্ছে বিশাল বিশাল এআই এগ্রিকালচারাল ড্রোন যেগুলো ইনফ্রারেড ক্যামেরার সাহায্যে ফসলের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে এবং কোনো গাছে পোকার আক্রমণ হলে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে কেবল সেই নির্দিষ্ট গাছেই জৈব কীটনাশক স্প্রে করে পুরো ফার্মিং প্রসেস বা কৃষি প্রক্রিয়াটি হলো সম্পূর্ণ অর্গানিক বা রাসায়নিক মুক্ত যার ফলে উৎপাদিত ফসল হয় অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর এই জাদুকরী প্রযুক্তির ফলে রাজস্থানের হাজার হাজার হেক্টর অনুর্বর বালি আজ সবুজ এবং সতেজ ফসলের ক্ষেতে পরিণত হয়েছে যেখানে আগে কেবল কাঁটা গাছ জন্মাত সেখানে আজ গম বাজরা জোয়ার এবং নানা ধরনের দামি ফল ও শাকসবজি চাষ হচ্ছে যা ভারতের খাদ্য নিরাপত্তাকে এক অকল্পনীয় স্তরে নিয়ে গেছে

আধুনিক যুগের এই বিশাল প্রযুক্তিগত কর্মযজ্ঞ পরিচালনার জন্য কর্পোরেট দুনিয়ায় ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে লেন্সট্যাক্স সলিউশনস প্রাইভেট লিমিটেড এবং ডিজিটাইড এর মতো আধুনিক আইটি এবং লজিস্টিক কোম্পানিগুলো এই মেগা প্রজেক্টের সাথে যুক্ত হয়েছে এই কোম্পানিগুলোতে এখন সবচেয়ে বেশি চাহিদা দেখা যাচ্ছে জুনিয়র মাল্টিটাস্কিং এক্সিকিউটিভ পদে একজন জুনিয়র মাল্টিটাস্কিং এক্সিকিউটিভ একই সাথে খামারের এআই ডেটা বিশ্লেষণ করেন ড্রোনের লজিস্টিক সাপ্লাই চেইন অত্যন্ত নিখুঁতভাবে বজায় রাখেন এবং বিদেশের ক্লায়েন্টদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করেন এই বহুমুখী কাজের কারণে কোম্পানিগুলো তরুণদের অত্যন্ত আকর্ষণীয় বেতনের প্যাকেজ দিচ্ছে অনেক ভারতীয় তরুণ এই স্মার্ট এগ্রিকালচার প্রোজেক্টের ডিজিটাল কাজ সামলানোর জন্য সরাসরি সুইজারল্যান্ড এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশের কৃষি প্রযুক্তি কোম্পানির সাথে রিমোট ওয়ার্কের মাধ্যমে যুক্ত হচ্ছেন যা তাদের ঘরে বসেই সুইস ফ্র্যাঙ্ক বা বিদেশি মুদ্রা উপার্জনের এক বিশাল সুযোগ করে দিয়েছে এর ফলে ভারতের তরুণরা আর দেশের বাইরে না গিয়েও বিদেশের উন্নত কর্মসংস্কৃতির সাথে কাজ করতে পারছেন এবং অর্থনৈতিকভাবে প্রবল স্বাধীন হচ্ছেন যা তাদের আগামী দিনে সুইজারল্যান্ডে পাকাপাকিভাবে স্থানান্তরিত হওয়ার স্বপ্ন পূরণের পথে এক বিরাট পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করছে

প্রযুক্তি এবং কৃষির এই অপূর্ব মেলবন্ধন ডিজিটাল কন্টেন্ট ক্রিয়েশন এবং সোশ্যাল মিডিয়ার জগতেও এক বিশাল বিপ্লব এনেছে অনেক প্রতিভাবান তরুণ যারা গ্রাফিক ডিজাইন করতে মিম বানাতে ইউটিউব থাম্বনেল তৈরি করতে এবং নিউজ আর্টিকেল লিখতে ভালোবাসেন তারা এখন এই প্রজেক্ট হরিত মরুভূমির অত্যাধুনিক পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে অত্যন্ত আকর্ষণীয় ইউজিসি অ্যাডস বা ইউজার জেনারেটেড কন্টেন্ট তৈরি করছেন গ্লোবাল ব্র্যান্ডগুলো এখন প্রথাগত বিজ্ঞাপনের বদলে এই তরুণদের তৈরি করা বাস্তব এবং ট্রেন্ডিং কন্টেন্টের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছে তরুণ কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা নিজেদের ফেসবুক পেজ এর মাধ্যমে এই বিশাল সবুজ মরুভূমি এবং এআই ড্রোনের কাজ করার পদ্ধতি শেয়ার করছেন তারা এমন ভিডিও বানাচ্ছেন যেখানে অত্যন্ত জটিল বিজ্ঞানকে সহজ ভাষায় সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরা হচ্ছে এবং এই ভিডিওগুলো কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হয়ে যাচ্ছে এই ইউজিসি অ্যাডসগুলো তৈরি করে তরুণরা প্রচুর অর্থ উপার্জন করছেন এবং নিজেদের একটি স্বাধীন ডিজিটাল মিডিয়া ক্যারিয়ার তৈরি করছেন তারা বুঝতে পেরেছেন যে ডিজিটাল যুগে সৃজনশীল কন্টেন্টই হলো উপার্জনের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার

এই উপার্জিত অর্থ এবং মরুভূমির বুকে এই জাদুকরী সবুজ পরিবেশ তরুণ সৃজনশীল মানুষদের স্বপ্ন পূরণের এক নতুন পথ খুলে দিয়েছে অনেক স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতা বা ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফিল্মমেকার যারা টাকার অভাবে তাদের মনের মতো সিনেমা বানাতে পারতেন না তারা এখন ফেসবুক পেজ এবং ইউজিসি অ্যাডস থেকে আয় করা টাকা সরাসরি তাদের নিজেদের শর্ট ফিল্ম প্রোজেকশনে বিনিয়োগ করছেন অনেক তরুণ নির্মাতা এই বিশাল প্রযুক্তির খামার এবং মরুভূমির নিঃসঙ্গতাকেই তাদের সিনেমার প্রেক্ষাপট হিসেবে ব্যবহার করছেন উদাহরণস্বরূপ এক তরুণ নির্মাতা এমন একটি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার বা মনস্তাত্ত্বিক শর্ট ফিল্ম তৈরি করছেন যার নাম দ্য গ্লাস কেজ বা কাঁচের খাঁচা যেখানে একটি চরিত্র এই বিশাল প্রযুক্তির ঘেরাটোপে আটকে পড়া এক অদ্ভুত মানসিক অবস্থার মধ্যে দিয়ে যায় এই ধরনের গভীর এবং চিন্তাশীল সিনেমা বানানোর জন্য যে মানসিক স্বাধীনতা এবং প্রযুক্তির প্রয়োজন তা তারা এখন নিজেদের উপার্জিত অর্থ থেকেই পাচ্ছেন এবং অত্যন্ত কম বাজেটে এমন বিশ্বমানের শর্ট ফিল্ম তৈরি করছেন যা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হওয়ার যোগ্যতা রাখে

news image
আরও খবর

চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে এখন আর বড় বড় স্টুডিও বা দামি এডিটিং প্যানেলের দরকার নেই তরুণ নির্মাতারা মরুভূমির এই শান্ত পরিবেশে বসেই তাদের অ্যাপল আইপ্যাড প্রো বা উন্নত ট্যাবলেট ব্যবহার করে ফোরকে রেজোলিউশনের ভিডিও এডিটিং করছেন আইপ্যাড প্রো এর শক্তিশালী প্রসেসরের সাহায্যে তারা মরুভূমির সোনালি বালির সাথে সবুজ ফসলের বৈপরীত্যকে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে কালার গ্রেডিং করছেন এবং সিনেমা বা বিজ্ঞাপনের জন্য স্পেশাল ভিজ্যুয়াল এফেক্টস তৈরি করছেন অরিজিনাল ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক বা আবহসংগীত তৈরি করার ক্ষেত্রেও তারা অত্যন্ত সৃজনশীল পদ্ধতি নিচ্ছেন অনেক তরুণ যারা জনপ্রিয় ব্যান্ড সনম এর সুমধুর গান শুনতে ভালোবাসেন এবং নিজেরাও গিটার বাজিয়ে নতুন নতুন সুর সৃষ্টি করতে পারেন তারা এখন ডিজিটাল প্রযুক্তির সাহায্যে ভার্চুয়াল গিটার বা আসল অ্যাকোস্টিক গিটার বাজিয়ে তাদের শর্ট ফিল্ম দ্য গ্লাস কেজ এর জন্য সম্পূর্ণ নতুন ধরনের অরিজিনাল মিউজিক তৈরি করছেন মরুভূমির হাওয়ার শব্দ এবং এআই ড্রোনের যান্ত্রিক গুঞ্জনকে ডিজিটালভাবে মিক্সিং করে তারা এমন সুর সৃষ্টি করছেন যা দর্শকদের মনে এক গভীর রেখাপাত করছে সৃজনশীলতার এই জোয়ার প্রমাণ করে যে সঠিক পরিবেশ এবং প্রযুক্তি থাকলে মানুষের কল্পনা যেকোনো সীমা অতিক্রম করতে পারে

তরুণ প্রজন্মের বিনোদনের পদ্ধতিতেও এই উন্নত স্মার্ট কৃষি শহরগুলো এক বড় পরিবর্তন এনেছে মরুভূমির বুকে তৈরি হওয়া এই স্মার্ট সিটিগুলোতে বসানো ফাইভ জি এবং কোয়ান্টাম ইন্টারনেটের কারণে যারা ভিডিও গেম খেলতে ভালোবাসেন তাদের জন্য এক নতুন গেমিং স্বর্গ তৈরি হয়েছে গেমাররা যারা চরম অ্যাকশন টাইপ বা ব্রুটাল লাইক মোবাইল গেম পছন্দ করেন তারা কোনো রকম ল্যাগ ছাড়াই বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের গেমারদের সাথে লাইভ টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছেন এছাড়া যারা স্পোর্টস গেম ভালোবাসেন তারা ইফুটবল এর মতো গেমে মেতে আছেন অনেক তরুণ যারা বাস্তবের মাঠে গিয়ে ফুটবল খেলার পাশাপাশি ভার্চুয়াল জগতেও ফুটবল খেলতে ভালোবাসেন তারা এই গেমে নিজেদের মোহনবাগান ড্রিম টিম তৈরি করার জন্য বিভিন্ন ম্যানেজার চয়েস এবং টিম বিল্ডিং স্ট্র্যাটেজি নিয়ে বন্ধুদের সাথে দীর্ঘ আলোচনা করছেন এবং নিজেদের স্বপ্নের দল তৈরি করে আন্তর্জাতিক স্তরে খেলছেন এই গেমগুলোতে তারা বিদেশের খেলোয়াড়দের হারিয়ে প্রচুর আনন্দ এবং পুরস্কার পাচ্ছেন

তরুণ প্রজন্মের ফ্যাশন এবং জীবনযাত্রার ওপরও আধুনিক অ্যানিমে এবং পপ সংস্কৃতির গভীর প্রভাব পড়েছে অনেক তরুণ যারা বিখ্যাত অ্যানিমে অ্যাটাক অন টাইটান এর জনপ্রিয় চরিত্র এরেন ইয়েগার এর মতো লম্বা চুল রেখে নিজেদের এক স্বাধীন এবং আধুনিক লুক দিচ্ছেন তারা এই নতুন স্টাইল নিয়েই গেমিং লাইভ স্ট্রিম করছেন এবং মেগা প্রজেক্ট নিয়ে ট্রেন্ডিং ভ্লগ তৈরি করছেন অনেকের ভিডিওর ব্যাকগ্রাউন্ডে ডিসপ্লে হিসেবে রাখা থাকে অত্যন্ত সুন্দর এবং ধারালো কাতানা তলোয়ার যা তাদের রুচি এবং স্টাইল স্টেটমেন্টকে আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তোলে এই কাতানাগুলো কেবল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হলেও এটি তাদের ইউটিউব বা ফেসবুক ভিডিওর ভিউয়ারশিপ বাড়াতে দারুন সাহায্য করে তাদের এই স্বাধীন এবং ছকভাঙা জীবনযাপন অন্যান্য তরুণদেরও নিজেদের প্যাশন অনুসরণ করতে অনুপ্রাণিত করছে

শিক্ষাব্যবস্থা এবং দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই কৃষি মেগা প্রজেক্ট এক বিশাল এবং নীরব পরিবর্তন এনেছে নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় বা এনএসওইউ এর মতো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে যে সমস্ত ছাত্রছাত্রীরা ব্যাচেলর অফ আর্টস বা বিএ পড়াশোনা করছেন তারা এখন এই স্মার্ট এগ্রিকালচার প্রজেক্টকে তাদের লাইভ কেস স্টাডি হিসেবে ব্যবহার করছেন এনএসওইউ এর দূরশিক্ষার ছাত্রছাত্রীরা ক্লাউড প্রযুক্তির মাধ্যমে এই এআই সার্ভার থেকে সরাসরি ডেটা নিয়ে ভারতের গ্রামীণ অর্থনীতি এবং প্রযুক্তির প্রভাব নিয়ে গবেষণা করছেন প্রথাগত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানের ছাত্রছাত্রীদের মতোই তারা এখন বাড়িতে বসে আধুনিক কৃষি অর্থনীতির মতো বিষয় শিখতে পারছেন এই প্রযুক্তি প্রমাণ করেছে যে মেধা থাকলে এবং সঠিক ডিজিটাল পরিকাঠামো পেলে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষার্থীর অবস্থান কখনোই তাদের উচ্চশিক্ষার পথে বাধা হতে পারে না এটি ভারতের শিক্ষাব্যবস্থায় এক গণতান্ত্রিক বিপ্লব এনেছে যেখানে মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কলাবিভাগের ছাত্রও দেশের মেগা প্রজেক্টের বিশাল ইকোসিস্টেমের সাথে সরাসরি যুক্ত হতে পারছে

আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং শক্তি কূটনীতির ক্ষেত্রে ভারতের এই মরুভূমি জয়ের সাফল্য এক বিশাল আলোড়ন সৃষ্টি করেছে মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকার অনেক দেশ যারা মরুভূমির প্রসার এবং জলের অভাবে ভুগছে তারা আজ ভারতের এই সম্পূর্ণ নিজস্ব এবং সাশ্রয়ী প্রযুক্তির সাফল্য দেখে রীতিমতো বিস্মিত এবং হতবাক পৃথিবীর কোনো দেশ আজ পর্যন্ত এত বড় স্কেলে মরুভূমির বুকে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় এবং এআই নিয়ন্ত্রিত সবুজ খামার তৈরি করতে পারেনি ভারত সরকার ঘোষণা করেছে যে তারা বসুধৈব কুটুম্বকম বা সমগ্র বিশ্ব এক পরিবার এই নীতির ভিত্তিতে বিশ্বের সমস্ত বন্ধু রাষ্ট্রের সাথে এই কৃষি প্রযুক্তির সুবিধা ভাগ করে নেবে অনেক উন্নয়নশীল দেশ যারা খাদ্যের অভাবে নিজেদের পরিকাঠামো গড়তে পারছিল না তারা এখন ভারতের এই প্রজেক্ট হরিত মরুভূমির মডেল নিজেদের দেশে বাস্তবায়ন করার জন্য প্রবল আগ্রহ প্রকাশ করছে এটি ভারতের সফট পাওয়ার এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক শক্তিকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে ভারত আজ প্রমাণ করল যে তারা কেবল তথ্যপ্রযুক্তি বা মহাকাশ গবেষণাতেই নয় বরং মানব সভ্যতার সবচেয়ে বড় প্রয়োজন খাদ্যের জোগান সুনিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও সমগ্র বিশ্বকে নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত

২০২৬ সালের ২৬শে ফেব্রুয়ারি দিনটি ভারতের কৃষি গবেষণা গ্রিন টেকনোলজি এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় হিসেবে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে থর মরুভূমির বুকে সফলভাবে তৈরি হওয়া এই প্রজেক্ট হরিত মরুভূমি কেবল সোলার প্যানেল এআই ড্রোন আর প্রযুক্তির তৈরি একটি খামার নয় এটি হলো কোটি কোটি ভারতীয়ের আশা আকাঙ্ক্ষা এবং স্বনির্ভরতার এক জীবন্ত প্রতীক যে রাজস্থান একদিন রুক্ষতা এবং জলের অভাবের জন্য পরিচিত ছিল আজ সেই রাজস্থান ভারতের খাদ্যভাণ্ডার এবং সবুজ বিপ্লবের নতুন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে একজন সাধারণ জুনিয়র মাল্টিটাস্কিং এক্সিকিউটিভ থেকে শুরু করে একজন স্বাধীন শর্ট ফিল্ম নির্মাতা বা একজন মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র প্রত্যেকেই আজ এই নতুন কৃষি বিপ্লবের সুফল ভোগ করার সুযোগ পাচ্ছেন এবং নিজেদের জীবনকে নতুনভাবে সাজাচ্ছেন আমরা এখন এমন এক যুগে প্রবেশ করলাম যেখানে ভারতের বিজ্ঞানীদের মেধা যেকোনো প্রাকৃতিক বাধাকে অনায়াসে জয় করতে পারে ভারত আজ বিশ্বকে দেখিয়ে দিল যে সদিচ্ছা অসীম সাহস এবং আধুনিক প্রযুক্তি থাকলে মরুভূমির তপ্ত বালি থেকেও জীবনের স্পন্দন জাগিয়ে তোলা সম্ভব জয় বিজ্ঞান জয় কৃষি জয় ভারত

Preview image