Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

আইপিএল শুরুর আট দিন আগে স্বস্তি শাহরুখের কেকেআর শিবিরে, চোট সারিয়ে মাঠে নামতে তৈরি ২৩ বছরের জোরে বোলার

বিসিসিআইয়ের নির্দেশে মুস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে বাদ দিতে হয়েছে কেকেআরকে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে চোট পান হর্ষিত রানা। আইপিএলে তাঁর খেলার সম্ভাবনা প্রায় নেই। বিশ্বকাপের মাঝে চোট পান মাথিশা পাথিরানাও।আগামী ২৮ মার্চ থেকে শুরু হবে আইপিএল। তার আট দিন আগে স্বস্তি শাহরুখ খানের কলকাতা নাইট রাইডার্স শিবিরে। বোলিং আক্রমণ নিয়ে চিন্তা অনেকটাই কমল অভিষেক নায়ারদের। শ্রীলঙ্কার জোরে বোলার মাথিশা পাথিরানা চোট সারিয়ে মাঠে নামার জন্য তৈরি। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট তাঁকে ফিট ঘোষণা করেছে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় চোট পেয়েছিলেন পাথিরানা। বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যান তিনি। তার পর থেকে মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি। স্বাভাবিক ভাবেই তাঁর আইপিএল খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছিল আশঙ্কা। গত সোমবার পাথিরানার এজেন্ট আমিলা কালুগালগে তাঁর একটি ছবি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন। যে ছবিতে পাথিরানাকে কেকেআরের জার্সি পরে উচ্ছ্বাস করতে দেখা গিয়েছিল। সেই ছবির সঙ্গে লড়াইরত ফেন্সারের ইমোজি দেন কালুগালগে। যা থেকে মনে করা হয়েছিল, শ্রীলঙ্কার জোরে বোলার চোট সারিয়ে মাঠে নামার জন্য তৈরি। এ বার শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট বোর্ডও জানিয়ে দিল, পাথিরানা ফিট। কেকেআরের হয়ে তাঁর আইপিএল খেলতে সমস্যা নেই।

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের সচিব বান্দুলা দিশানায়েকে সংবাদসংস্থা পিটিআইকে বলেছেন, ‘‘পাথিরানার রিহ্যাব সম্পূর্ণ। ও এখন সম্পূর্ণ ফিট। আইপিএল খেলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে ওকে। বাকিটা ওর ফ্র্যাঞ্চাইজ়ি সিদ্ধান্ত নেবে। ম্যাচ খেলার মতো জায়গায় রয়েছে মনে করলে, ওকে খেলাতেই পারে। আমরা শুধু বলতে পারি, এই মুহূর্তে পাথিরানা ফিট এবং আইপিএল খেলতে কোনও সমস্যা নেই।’’

পাথিরানা কবে কেকেআর শিবিরে যোগ দেবেন, তা জানা যায়নি। আইপিএলে কেকেআরের প্রথম ম্যাচ ২৯ মার্চ মুম্বইয়ে। তার আগে ২৫ মার্চ অজিঙ্ক রাহানেরা মুম্বই চলে যাবেন। মনে করা হচ্ছে, পাথিরানা সেখানেই দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। আইপিএলের গত নিলামে ২৩ বছরের পাথিরানাকে ১৮ কোটি টাকা দিয়ে কিনেছিলেন কেকেআর কর্তৃপক্ষ।

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশে বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে বাদ দিতে হয়েছে কেকেআরকে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে চোট পান হর্ষিত রানা। অস্ত্রোপচার হলেও তিনি এখনও সুস্থ নন। আইপিএলে তাঁর খেলার সম্ভাবনা প্রায় নেই। তার উপর বিশ্বকাপের মাঝে পাথিরানার চোট চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল শাহরুখের দলকে।

পাথিরানার প্রত্যাবর্তন: কেকেআরের জন্য স্বস্তির খবর, আইপিএলের আগে নতুন আশার আলো

ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম উত্তেজনাপূর্ণ টুর্নামেন্ট আইপিএলকে ঘিরে প্রতি বছরই তৈরি হয় আলাদা উত্তেজনা। তার উপর যখন কোনও বড় দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় চোট পেয়ে মাঠের বাইরে চলে যান, তখন সেই দলের সমর্থকদের উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। এই বছরও ঠিক তেমনই পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। শ্রীলঙ্কার তরুণ গতিময় বোলার মাথিশা পাথিরানা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় চোট পাওয়ায় তাঁর আইপিএল খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছিল বড়সড় সংশয়। তবে শেষমেশ সেই সংশয় কাটিয়ে স্বস্তির খবর দিয়েছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড—পাথিরানা এখন সম্পূর্ণ ফিট এবং আইপিএলে খেলতে তাঁর কোনও বাধা নেই।


চোট থেকে ছিটকে যাওয়া: কেকেআরের চিন্তার শুরু

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় পাথিরানা চোট পান, যার ফলে তাঁকে মাঝপথেই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যেতে হয়। একজন তরুণ ফাস্ট বোলারের জন্য এটি শুধু শারীরিক নয়, মানসিকভাবেও বড় ধাক্কা। বিশেষ করে যখন তিনি নিজের ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছেন এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।

এই চোটের পর থেকেই তিনি মাঠের বাইরে ছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে—তিনি কি আইপিএলে খেলতে পারবেন? কেকেআর সমর্থকদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। কারণ পাথিরানা শুধু একজন বোলার নন, তিনি দলের ডেথ ওভারের অন্যতম ভরসা।


সোশ্যাল মিডিয়ায় ইঙ্গিত: আশার আলো জ্বালাল একটি ছবি

গত সোমবার পাথিরানার এজেন্ট আমিলা কালুগালগে একটি ছবি পোস্ট করেন সমাজমাধ্যমে। সেই ছবিতে দেখা যায়, পাথিরানা কেকেআরের জার্সি পরে উচ্ছ্বাস করছেন। ছবিটির সঙ্গে দেওয়া হয়েছিল একটি ফেন্সারের (যোদ্ধার) ইমোজি।

এই পোস্ট থেকেই শুরু হয় নতুন জল্পনা। অনেকেই মনে করতে শুরু করেন, পাথিরানা হয়তো দ্রুতই মাঠে ফিরতে চলেছেন। যদিও এটি কোনও সরকারি ঘোষণা ছিল না, তবুও এই ছবি সমর্থকদের মনে নতুন আশার সঞ্চার করে।


শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের ঘোষণা: ফিট পাথিরানা

অবশেষে সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড জানিয়ে দেয়—পাথিরানা এখন পুরোপুরি ফিট। বোর্ডের সচিব বান্দুলা দিশানায়েকে সংবাদসংস্থা পিটিআইকে জানান:

“পাথিরানার রিহ্যাব সম্পূর্ণ হয়েছে। ও এখন সম্পূর্ণ ফিট। আইপিএল খেলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এখন ওর ফ্র্যাঞ্চাইজ়ি চাইলে ওকে খেলাতে পারে।”

এই ঘোষণার পর কেকেআর শিবিরে স্বস্তির হাওয়া বইতে শুরু করেছে। কারণ একটি গুরুত্বপূর্ণ পেস অপশন ফের পাওয়া মানে দলের বোলিং শক্তি অনেকটাই বাড়বে।


কেকেআরের পরিকল্পনায় পাথিরানার গুরুত্ব

কেকেআর এবারের আইপিএল নিলামে পাথিরানাকে ১৮ কোটি টাকায় কিনেছিল। এই বিপুল অর্থ খরচ করে তাঁকে দলে নেওয়ার পেছনে ছিল স্পষ্ট পরিকল্পনা।

কেন পাথিরানা এত গুরুত্বপূর্ণ?

  • ডেথ ওভারে দক্ষতা: শেষের ওভারগুলোতে ইয়র্কার এবং ভ্যারিয়েশন দিয়ে রান আটকাতে পারেন

  • অপ্রচলিত অ্যাকশন: তাঁর বোলিং অ্যাকশন ব্যাটসম্যানদের জন্য অস্বস্তিকর

  • উচ্চ গতি: নিয়মিত ১৪০-১৫০ কিমি/ঘণ্টা গতিতে বল করতে পারেন

  • ম্যাচ-উইনার: একাই ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে

এই গুণগুলির জন্যই তাঁকে ‘বেবি মালিঙ্গা’ বলা হয়।


দলের অন্যান্য সমস্যাও ছিল

পাথিরানার চোটের পাশাপাশি কেকেআর আরও কিছু সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিল:

১. মুস্তাফিজুর রহমানের অনুপস্থিতি

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নির্দেশ অনুযায়ী বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে দলে রাখা যায়নি। ফলে বোলিং আক্রমণে একটি বড় ফাঁক তৈরি হয়।

২. হর্ষিত রানার চোট

ভারতীয় পেসার হর্ষিত রানা চোট পাওয়ার পর অস্ত্রোপচার করান। কিন্তু এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। ফলে তাঁর আইপিএল খেলার সম্ভাবনা খুবই কম।

এই পরিস্থিতিতে পাথিরানার ফিট হয়ে ওঠা কেকেআরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।


কবে যোগ দেবেন পাথিরানা?

যদিও এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি তিনি কবে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন, তবে ধারণা করা হচ্ছে তিনি খুব শীঘ্রই কেকেআর শিবিরে যোগ দেবেন।

  • কেকেআরের প্রথম ম্যাচ: ২৯ মার্চ, মুম্বইয়ে

  • দল মুম্বই যাবে: ২৫ মার্চ

সম্ভবত এই সময়ের মধ্যেই পাথিরানা দলের সঙ্গে যুক্ত হবেন।


রিহ্যাব থেকে ম্যাচ ফিটনেস: কতটা প্রস্তুত?

কোনও খেলোয়াড় “ফিট” ঘোষণা হওয়া মানেই তিনি ম্যাচ খেলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত—এমন নয়। এখানে কয়েকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ:

  1. ম্যাচ ফিটনেস: দীর্ঘদিন খেলার বাইরে থাকার পর ম্যাচের চাপ নেওয়া

  2. রিদম: বোলিং রিদম ফিরে পাওয়া

  3. মানসিক প্রস্তুতি: চোটের ভয় কাটিয়ে ওঠা

এই কারণেই শ্রীলঙ্কা বোর্ড স্পষ্ট বলেছে—শেষ সিদ্ধান্ত নেবে ফ্র্যাঞ্চাইজ়ি।


কেকেআরের সম্ভাব্য কৌশল

পাথিরানাকে নিয়ে কেকেআর কী কৌশল নিতে পারে?

ধীরে ধীরে ব্যবহার

প্রথম কয়েকটি ম্যাচে তাঁকে পুরো কোটা বল না করিয়ে ধীরে ধীরে ফিরিয়ে আনা হতে পারে।

news image
আরও খবর

ডেথ ওভার স্পেশালিস্ট

তাঁকে বিশেষ করে শেষের ৪-৫ ওভারে ব্যবহার করা হতে পারে।

ম্যাচ অনুযায়ী নির্বাচন

সব ম্যাচে না খেলিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলানো হতে পারে।


আইপিএলে পাথিরানার সম্ভাব্য প্রভাব

পাথিরানা যদি নিজের ফর্মে থাকেন, তাহলে তিনি কেকেআরের জন্য গেম-চেঞ্জার হতে পারেন।

সম্ভাব্য প্রভাব:

  • ডেথ ওভারে রান কমানো

  • গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেওয়া

  • প্রতিপক্ষের উপর চাপ সৃষ্টি

  • ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া


সমর্থকদের প্রত্যাশা

কেকেআর সমর্থকদের কাছে পাথিরানা এখন আশার প্রতীক। এত সমস্যা সত্ত্বেও তাঁর ফেরা দলকে নতুন আত্মবিশ্বাস দিয়েছে।

সমর্থকদের প্রত্যাশা:

  • দ্রুত ফর্মে ফেরা

  • ধারাবাহিক পারফরম্যান্স

  • ম্যাচ জেতানো স্পেল


উপসংহার

সব মিলিয়ে বলা যায়, পাথিরানার ফিট হয়ে ওঠা কেকেআরের জন্য এক বিশাল স্বস্তির খবর। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় চোট পেয়ে মাঠের বাইরে চলে যাওয়ার পর তাঁর আইপিএল খেলা নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা এখন অনেকটাই কেটে গেছে।

তবে সামনে এখনও চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তাঁকে ম্যাচ ফিটনেস ফিরে পেতে হবে, নিজের ছন্দ খুঁজে পেতে হবে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—নিজেকে আবার প্রমাণ করতে হবে।

যদি তিনি তা করতে পারেন, তাহলে এই আইপিএলে কেকেআরের সাফল্যের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে উঠতে পারেন পাথিরানা।

পাথিরানার ফিটনেস ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা: দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি

পাথিরানার বর্তমান ফিটনেস শুধুমাত্র আইপিএলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়, এটি তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের জন্যও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। একজন তরুণ ফাস্ট বোলারের জন্য বারবার চোট পাওয়া বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই এই রিহ্যাব প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হওয়া তাঁর ভবিষ্যতের জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত।

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডও নিশ্চয়ই তাঁকে নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করছে। কারণ সীমিত ওভারের ক্রিকেটে পাথিরানা ইতিমধ্যেই নিজের আলাদা পরিচয় তৈরি করেছেন। তাঁর বোলিং স্টাইল, বিশেষ করে স্লিং অ্যাকশন, তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তোলে। তবে এই ধরনের অ্যাকশন অনেক সময় শরীরের উপর অতিরিক্ত চাপ ফেলে, যা চোটের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই ভবিষ্যতে তাঁর ফিটনেস ম্যানেজমেন্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।


আইপিএল: পাথিরানার জন্য বড় মঞ্চ

আইপিএল শুধু একটি লিগ নয়, এটি বিশ্বের অন্যতম বড় ক্রিকেট মঞ্চ যেখানে পারফরম্যান্স সরাসরি একজন খেলোয়াড়ের ক্যারিয়ারে প্রভাব ফেলে। পাথিরানার জন্য এবারের আইপিএল একটি “কমব্যাক সিজন” হতে চলেছে।

যদি তিনি এই মঞ্চে সফল হন, তাহলে:

  • আন্তর্জাতিক দলে তাঁর জায়গা আরও মজবুত হবে

  • ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে তাঁর চাহিদা বাড়বে

  • বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যানদের বিরুদ্ধে আত্মবিশ্বাস বাড়বে

অন্যদিকে, যদি তিনি প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে না পারেন, তাহলে সমালোচনার মুখেও পড়তে হতে পারে। তাই এই আইপিএল তাঁর জন্য একটি “make or break” মুহূর্ত হিসেবেও দেখা যেতে পারে।


দলের ভারসাম্যে পাথিরানার ভূমিকা

একটি সফল টি-টোয়েন্টি দলের জন্য সঠিক বোলিং কম্বিনেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাথিরানার উপস্থিতি কেকেআরকে সেই ভারসাম্য এনে দিতে পারে।

তিনি থাকলে:

  • নতুন বল ও পুরনো বল—দুই অবস্থাতেই বিকল্প বাড়ে

  • ক্যাপ্টেনের হাতে আরও কৌশলগত অপশন থাকে

  • স্পিনারদের উপর চাপ কমে

বিশেষ করে মুম্বইয়ের মতো পিচে, যেখানে রান বেশি হয়, সেখানে একজন দক্ষ ডেথ বোলার দলের জন্য অমূল্য সম্পদ।


শেষ কথা

সব দিক থেকে বিচার করলে, পাথিরানার প্রত্যাবর্তন শুধু একজন খেলোয়াড়ের ফেরা নয়—এটি একটি দলের আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া। কেকেআর এখন নতুন উদ্যমে আইপিএলের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারবে।

এখন সবকিছু নির্ভর করছে মাঠের পারফরম্যান্সের উপর। সমর্থকরা অপেক্ষা করছেন—আবার সেই গতিময় ইয়র্কার, আবার সেই উইকেট উদযাপন, আবার সেই ম্যাচ জেতানো মুহূর্ত দেখার জন্য।

পাথিরানা কি পারবেন প্রত্যাশা পূরণ করতে? উত্তর মিলবে খুব শীঘ্রই, আইপিএলের মঞ্চেই।

Preview image