Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

Electronics Component Manufacturing Scheme র অধীনে ১৭টি প্রকল্প অনুমোদন, ₹৭,১৭২ কোটি বিনিয়োগের সঙ্গে

সরকারি উদ্যোগে ১৭টি ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্ট প্রকল্পের অনুমোদন: ₹৭,১৭২ কোটি বিনিয়োগের মাধ্যমে ভারতের প্রযুক্তি শিল্পে নতুন যুগ ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার দেশের ইলেকট্রনিক্স শিল্পের বিকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। সরকার সম্প্রতি Electronics Component Manufacturing Scheme (ECMS) এর আওতায় ১৭টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে, যার মোট অনুমোদিত বিনিয়োগ পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ₹৭,১৭২ কোটি। এই প্রকল্পগুলি ভারতে প্রযুক্তি খাতের ভবিষ্যত শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে এবং দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করবে। এই পদক্ষেপ ভারতের ইলেকট্রনিক্স শিল্পের জন্য একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কারণ, এর মাধ্যমে দেশের উৎপাদন চেইন শক্তিশালী হবে, এবং বিদেশে রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে, যা জাতীয় অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

সরকারি উদ্যোগে ১৭টি ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্ট প্রকল্পের অনুমোদন: ₹৭,১৭২ কোটি বিনিয়োগের মাধ্যমে ভারতের প্রযুক্তি শিল্পে নতুন যুগ

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার তার ইলেকট্রনিক্স শিল্পের জন্য এক বৃহৎ পদক্ষেপ নিয়েছে, যা দেশের উৎপাদন খাত ও প্রযুক্তি-ভিত্তিক শিল্পে একটি নতুন যুগের সূচনা করতে পারে। সম্প্রতি, Ministry of Electronics and Information Technology (MeitY) ঘোষণা করেছে যে তারা Electronics Component Manufacturing Scheme (ECMS) এর অধীনে ১৭টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এই প্রকল্পগুলোর মোট অনুমোদিত বিনিয়োগ পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ₹৭,১৭২ কোটি। এই প্রকল্পগুলি ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে বাস্তবায়িত হবে এবং এগুলোর মাধ্যমে দেশে ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্ট উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানি বাড়ানো সম্ভব হবে।

এই উদ্যোগ শুধু দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য নয়, বরং ভারতের গ্লোবাল ইলেকট্রনিক্স শিল্পের শক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্ট নির্মাণের ক্ষেত্রে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে এবং দেশীয় উৎপাদন চেইনও আরও উন্নত হবে।


ECMS প্রকল্পের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য

Electronics Component Manufacturing Scheme (ECMS) ভারতের ইলেকট্রনিক্স শিল্পের বিকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সরকারের লক্ষ্য হলো ভারতে ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্ট উৎপাদনকে এগিয়ে নিয়ে আসা, যার ফলে বিদেশি আয়াতিত ইলেকট্রনিক্স পণ্যের উপর নির্ভরতা কমে যাবে এবং দেশীয় উৎপাদন চেইন শক্তিশালী হবে। এটি কেবলমাত্র দেশের ইলেকট্রনিক্স শিল্পের জন্য নয়, বরং বৃহত্তর প্রযুক্তি শিল্পের জন্যও একটি বিশাল পদক্ষেপ।

এই প্রকল্পের আওতায় ১৭টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা মোট ₹৭,১৭২ কোটি বিনিয়োগ করবে। এই প্রকল্পগুলি বিভিন্ন কম্পোনেন্ট উৎপাদন করবে, যেমন ক্যামেরা মডিউল, মাল্টি-লেয়ার পিসিবি (PCB), নির্ধারণকারী অস্কিলেটর, ইলেকট্রনিক সংযোগকারি (connectors), ক্ল্যাডিং ইনক্লোজার ইত্যাদি। এগুলোর উৎপাদন ভারতের অর্থনীতিতে একটি বড় অবদান রাখতে পারে।


বিশ্বব্যাপী ইলেকট্রনিক্স শিল্পের অবস্থান এবং ভারতের প্রয়োজনীয়তা

বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশের জন্য ইলেকট্রনিক্স শিল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। গত এক দশকে, ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্টের চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়েছে, বিশেষত স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, টেলিভিশন, গাড়ি ইত্যাদি শিল্পে। এর ফলে, বিভিন্ন দেশে ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্ট উৎপাদনের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারতের জন্যও ইলেকট্রনিক্স শিল্প একটি বিশাল সুযোগ সৃষ্টি করেছে। সরকারের Make in India উদ্যোগের মাধ্যমে দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির দিকে আরও মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে।

ভারত বিশ্বের অন্যতম বড় ক্রেতা এবং ব্যবহারকারী দেশ, কিন্তু উৎপাদনকারী হিসেবে দেশের অবস্থা এখনও অনেকটাই পিছিয়ে। তাই, দেশের প্রযুক্তি খাতকে শক্তিশালী করার জন্য সরকারের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রকল্পগুলির সফল বাস্তবায়ন হলে, এটি ভারতের প্রযুক্তি খাতের বৈশ্বিক অবস্থানকে দৃঢ় করতে সাহায্য করবে।


পাশাপাশি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ এবং ভারতের প্রস্তুতি

বিশ্ববাজারে ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতা এবং অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা সত্ত্বেও, ভারতের ইলেকট্রনিক্স শিল্পের মধ্যে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, এবং জাপান যেমন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অগ্রগামী, তেমন ভারতও তার ইলেকট্রনিক্স শিল্পের জন্য নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে চাইছে। এই লক্ষ্য অর্জন করতে হলে, ভারতকে একাধিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।

বৈশ্বিক সরবরাহ চেইন সমস্যা এবং উচ্চমানের প্রযুক্তির অভাব অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। তবে, সরকার এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় প্রাসঙ্গিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। "National Electronics Policy (NEP)" এর মাধ্যমে ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন এবং রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য দিকনির্দেশনা প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া, Skill Development এবং Technological Upgradation এর মাধ্যমে শিল্পে দক্ষতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।


অনুমোদিত ১৭টি প্রকল্পের বিনিয়োগ এবং কাঠামো

প্রকল্পগুলোর মধ্যে ১৭টি ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্ট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যাদের মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ₹৭,১৭২ কোটি। এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন কাজ থাকবে, যেমন:

  1. ক্যামেরা মডিউল: ক্যামেরা মডিউল ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। আধুনিক স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, এবং নিরাপত্তা সিস্টেমে ক্যামেরা মডিউলের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।

  2. মাল্টি-লেয়ার পিসিবি (PCB): পিসিবি বা প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড অনেক ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের মূল উপাদান, এবং এর উৎপাদন দেশীয় চাহিদা মেটাতে সাহায্য করবে।

  3. নির্ধারণকারী অস্কিলেটর: অস্কিলেটর ডিজিটাল ডিভাইসের জন্য অপরিহার্য উপাদান।

  4. ইলেকট্রনিক সংযোগকারি (Connectors): এই উপাদানগুলি ব্যবহার হয় বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মধ্যে সংযোগ স্থাপনে, যা দেশীয় উৎপাদন চেইনকে শক্তিশালী করবে।

  5. ক্ল্যাডিং ইনক্লোজার: ইলেকট্রনিক ডিভাইসের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা প্রদান করে এই উপাদান।

এই ১৭টি প্রকল্প ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে বাস্তবায়িত হবে, যার মধ্যে রয়েছে Goa, Gujarat, Jammu & Kashmir, Karnataka, Madhya Pradesh, Maharashtra, Tamil Nadu, Uttar Pradesh, এবং Andhra Pradesh। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ১১,৮০৮ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।


মন্ত্রীদের বক্তব্য এবং প্রকল্পের ভবিষ্যৎ প্রভাব

কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এই প্রকল্পগুলোর অনুমোদন সম্পর্কে জানিয়েছেন, এই উদ্যোগ ভারতের ইলেকট্রনিক্স শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং বিদেশে রপ্তানি বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, “এই প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন দেশের প্রযুক্তি খাতের ভবিষ্যত পরিবর্তন করতে পারে এবং ভারতকে বৈশ্বিক মানচিত্রে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ ব্র্যান্ডের এক শক্তিশালী অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।”

মন্ত্রীর মতে, প্রকল্পগুলোর সফল বাস্তবায়ন দীর্ঘমেয়াদে দেশের কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে এবং দেশের ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন চেইন আরও শক্তিশালী হবে।

Electronics Component Manufacturing Scheme (ECMS): সরকারের উদ্যোগ

ভারতের Ministry of Electronics and Information Technology (MeitY) দীর্ঘদিন ধরে দেশের ইলেকট্রনিক্স খাতের বিকাশে কাজ করে আসছে। Electronics Component Manufacturing Scheme (ECMS) এর মাধ্যমে সরকার দেশীয় ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্ট উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মাধ্যমে ১৭টি প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তি কম্পোনেন্ট উৎপাদন হবে, যেমন ক্যামেরা মডিউল, মাল্টি-লেয়ার পিসিবি (PCB), ইলেকট্রনিক সংযোগকারি (connectors), ক্ল্যাডিং ইনক্লোজার ইত্যাদি।

news image
আরও খবর

এই প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন দেশের প্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন নিশ্চিত করবে এবং বিদেশে রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে ভারতের অর্থনৈতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে। সরকারের লক্ষ্য হলো দেশীয় প্রযুক্তির উৎপাদন বাড়ানো, যাতে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সুযোগ পাওয়া যায়।


প্রকল্পগুলির লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য

এই ১৭টি প্রকল্পের মাধ্যমে দেশে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্ট উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, যা দেশের উৎপাদন খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে। প্রকল্পগুলির মাধ্যমে তৈরি হবে:

  1. ক্যামেরা মডিউল – আধুনিক স্মার্টফোন এবং অন্যান্য ডিভাইসে ক্যামেরার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

  2. মাল্টি-লেয়ার পিসিবি (PCB) – পিসিবি ডিজিটাল ডিভাইসগুলির জন্য অপরিহার্য উপাদান।

  3. ইলেকট্রনিক সংযোগকারি (Connectors) – ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলির মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য এই উপাদান প্রয়োজনীয়।

  4. ক্ল্যাডিং ইনক্লোজার – ইলেকট্রনিক ডিভাইসের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবহার হয়।

এই প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন হলে, ভারতীয় প্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং বিদেশী পণ্য আমদানি কমবে। এছাড়া, দেশের কর্মসংস্থান বৃদ্ধিও ঘটবে, কারণ এসব প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।


প্রকল্পগুলির বিনিয়োগ এবং বৈশ্বিক প্রভাব

এই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে মোট ₹৭,১৭২ কোটি বিনিয়োগ আসবে, যা একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে গণনা করা হচ্ছে। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন হবে, যার মধ্যে রয়েছে Goa, Gujarat, Jammu & Kashmir, Karnataka, Madhya Pradesh, Maharashtra, Tamil Nadu, Uttar Pradesh এবং Andhra Pradesh। এই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে ১১,৮০৮টি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, যা দেশের বেকারত্বের হার কমাতে সহায়ক হবে।

বিশ্বব্যাপী ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে, ভারতের ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন খাতে বিশাল সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে, স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, টেলিভিশন, গাড়ি ইত্যাদি খাতে ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্টের চাহিদা বেড়েছে। এই প্রকল্পগুলি সফল হলে, ভারত আন্তর্জাতিক বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক হতে পারবে এবং রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে।


মন্ত্রীদের বক্তব্য এবং ভবিষ্যৎ প্রভাব

ভারতের কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এই প্রকল্পগুলির অনুমোদন সম্পর্কে বলেন, “এই উদ্যোগটি দেশের ইলেকট্রনিক্স শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং বিদেশে রপ্তানি বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করবে।” তিনি আরও বলেন, “প্রকল্পগুলির মাধ্যমে প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং দেশে মানসম্পন্ন ইলেকট্রনিক্স পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব হবে।”

এছাড়া, তিনি উল্লেখ করেন যে, এই প্রকল্পগুলির সফল বাস্তবায়ন শুধুমাত্র ভারতের প্রযুক্তি খাতকে শক্তিশালী করবে না, বরং এটি ভারতের বৈশ্বিক প্রযুক্তি বাজারের অবস্থানকে আরও দৃঢ় করবে। ভারতের “মেড ইন ইন্ডিয়া” ব্র্যান্ড আরও প্রতিষ্ঠিত হবে, এবং দেশটি আন্তর্জাতিক বাজারে তার প্রযুক্তি পণ্য রপ্তানি করতে সক্ষম হবে।


ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি

ভারত সরকারের এই পদক্ষেপ শুধু দেশের উৎপাদন খাতকে উন্নত করার জন্য নয়, বরং বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি খাতে ভারতের অবস্থান শক্তিশালী করার জন্যও একটি বড় পদক্ষেপ। তবে, এই পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করতে হলে আরও কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।

  • উচ্চমানের প্রযুক্তি এবং ডিজাইন: ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্টগুলোর মান নিশ্চিত করতে হবে।

  • সাপ্লাই চেইন: স্থানীয় সাপ্লাই চেইন গঠন এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে হবে।

  • রপ্তানি বাজার: বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা করার জন্য বিদেশী বাজারে পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে হবে।

এই সমস্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হলে সরকারের সহযোগিতা, সঠিক নীতি, এবং দক্ষতা নিশ্চিত করা জরুরি।


উপসংহার

ভারতের Electronics Component Manufacturing Scheme (ECMS) এর অধীনে ১৭টি প্রকল্প অনুমোদনের মাধ্যমে সরকার ভারতের প্রযুক্তি শিল্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। এই প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন দেশের ইলেকট্রনিক্স শিল্পে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং দেশের বৈশ্বিক প্রযুক্তি খাতে অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে। দেশের পণ্য উৎপাদন চেইন বাড়ানোর পাশাপাশি কর্মসংস্থান বৃদ্ধি হবে, এবং মেড ইন ইন্ডিয়া ব্র্যান্ডের বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতা আরও বৃদ্ধি পাবে। সফল বাস্তবায়ন হলে, এটি দেশের অর্থনীতির জন্য এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হতে পারে।

Preview image