বর্ধমানের পর্যটন মেলার উদ্বোধন দিনে হাজির,,দার্জিলিঙের ঐশিকী নেষট,,,এর কর্ণধার অভিক চাটাজী, সহযোগী জেনারেল ম্যানেজার তনময দাস ও ম্যানেজার এস কে হাসান।।।।।।।এই প্রথম বর্ধমান টাউন হলে পযটন মেলায রাজ্যের বিভিন্ন অংশ হতে বহ টুর ট্রাভেল এজেন্সি ,হোটেল, ঐশিকী নেষট এর মতো ঐতিহ্যশালী সংস্থা র আগমনে পযটন মেলা স্থান করে নেয।ব্যবস্থাপনায শান্তনু পাজা সহ বিশিষ্ট জনদের আগমন ও সহযোগিতা উল্লেখযোগ্য। মেলা চলবে আগামী নয ডিসেম্বর পর্যন্ত। ইতিমধ্যেই ভ্রমন পিপাসু মানুষের ঢল চোখে পড়ার মতো।অধিকাংশ অংশ গ্রহন কারী সংস্থা, ও সহযোগী ব্যাক্তি গন তাদের সংস্থার বিষয গুলি সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরেছেন। বিশিষ্ট সাংবাদিক তথা জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি রনেন শীল ,বেঙ্গল পাখিক পত্রিকা সমিতির কার্যকরী সভাপতি শুভাশীষ সিংহ, সহ সভাপতি সমরজিত দাস, সাংবাদিক সুমন্ত সোম,পিন্টু প্যাটেল ,রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী,সৌমেন রায সহ বহ সাধারণ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ নীয।।। রনেন শীল এই উদদোগের ভূযসী প্রসঙসা করেন। ঐশিকি নেষট এর কর্ণধার অভিক চট্টোপাধ্যায পরিস্কার জানিয়েছেন ,রাজ্যের নানা উন্নয়নের সঙ্গে মাননীযা মূখ্য মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পযটন শিল্পের উপর জোর অবশ্যই রাজ্যের মানুষ কে সযঙ সম্পূর্ণ করার উদদোগ লক্ষণীয়। এখানেই বহু মানুষের রুজি রোজগার চলে,যাতে রাজ্যের মানুষের উন্নতি ঘটে।
বর্ধমান শহর বহু যুগ ধরে সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। সাহিত্য, সংগীত থেকে শুরু করে শিল্পকলায় বর্ধমানের অবদান অসাধারণ। এবার সেই ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত হলো আরও একটি নতুন অধ্যায়—বর্ধমান টাউন হলে আয়োজিত পর্যটন মেলা, যা প্রথম দিন থেকেই রঙ, আলো, মানুষের ভিড়ে এক অসাধারণ উৎসবে পরিণত হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে টুর অ্যান্ড ট্রাভেল সংস্থা, রিসর্ট, প্রিমিয়াম হোটেল এবং পর্যটন–সম্পর্কিত বহু প্রতিষ্ঠান এসে এই মেলাকে সমৃদ্ধ করেছে।
স্বাভাবিকভাবেই, এমন একটি মেলার আয়োজন শুধু সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহই বাড়ায় না, বরং রাজ্যের পর্যটনশিল্পের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশও তুলে ধরে। এই কারণে উদ্বোধনী দিনে উপস্থিত ছিলেন বহু গণ্যমান্য ব্যক্তি—বিশিষ্ট সাংবাদিক, সামাজিক কর্মী, বিভিন্ন মিডিয়া প্রতিনিধি এবং রাজ্যের পর্যটন–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিত্বরা।
দার্জিলিংয়ের বিখ্যাত এবং দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী পর্যটন সংস্থা ‘ঐশিকী নেস্ট’–এর উপস্থিতি মেলায় আলাদা মাত্রা এনে দিয়েছে।
কর্ণধার অভিক চট্টোপাধ্যায়, সহযোগী জেনারেল ম্যানেজার তন্ময় দাস এবং ম্যানেজার এস. কে. হাসান–এর অংশগ্রহণ সাধারণ দর্শনার্থীদের মধ্যে প্রবল উৎসাহ সৃষ্টি করে।
ঐশিকী নেস্ট দীর্ঘদিন ধরে দার্জিলিংসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্যে উচ্চমানের থাকার ব্যবস্থা, নিরাপদ যাতায়াত এবং অতিথি–সেবার জন্য বিশেষ পরিচিত। মেলায় তাদের কাউন্টারে মানুষের ভিড় স্পষ্টই জানিয়ে দেয় যে ভ্রমণপিপাসুরা বিশ্বস্ত, অভিজ্ঞ এবং সংগঠিত পর্যটন পরিষেবা খুঁজছেন।
অভিক চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিকদের বলেন—
“বর্ধমানের মতো শহরে পর্যটন মেলার আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়। রাজ্যের মানুষ এখন দেশ–বিদেশে ঘুরতে আগ্রহী হচ্ছেন। তাদের জন্য সঠিক দিকনির্দেশ ও নিরাপদ প্যাকেজ অত্যন্ত প্রয়োজন।”
ঐতিহাসিক টাউন হল দীর্ঘদিন ধরে বর্ধমানের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র।
তবে এই প্রথম সেখানে হচ্ছে বড় মাপের পর্যটন মেলা।
এর গুরুত্ব তিনটি কারণে—
হুগলি, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, কলকাতা—এলাকার অনেক সংস্থা এখানে অংশগ্রহণ করেছে।
এটি বর্ধমানকে একটি পর্যটন–হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করবে।
মানুষ স্টল–এ গিয়ে নিজেদের বাজেট, চাহিদা, গন্তব্য অনুযায়ী প্যাকেজ নিতে পারছেন।
এতে প্রতারণা কমে, স্বচ্ছতা বাড়ে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের অধীনে পর্যটন–শিল্পকে রাজস্ব এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র হিসেবে তোলা হচ্ছে।
এই মেলা সেই উদ্যোগের বাস্তব উদাহরণ।
মেলার প্রধান আকর্ষণ ছিল সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ।
প্রথম দিন থেকেই দেখা যায়—
পরিবার
ছাত্রছাত্রী
সিনিয়র সিটিজেন
স্থানীয় ও জেলার বাইরের পর্যটনপ্রেমী
ভ্রমণ–ক্লাব সদস্য
—সকলেই এসে ভিড় জমান।
বেশ কয়েকটি সংস্থার স্টলে মানুষের এত ভিড় হয়েছিল যে স্বেচ্ছাসেবকদের আলাদা করে লাইনে দাঁড় করাতে হয়।
ট্রাভেল সংস্থাগুলি তাদের—
দার্জিলিং
সিকিম
উত্তরাখণ্ড
দক্ষিণ ভারত
আন্দামান
নেপাল
ভুটান
—এলাকার ট্যুর প্যাকেজ তুলে ধরে।
অনেকে সঙ্গে সঙ্গে বুকিং করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—
রনেন শীল, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি
শুভাশীষ সিংহ, বেঙ্গল পত্রিকা সমিতির কার্যকরী সভাপতি
সমরজিৎ দাস, সহ–সভাপতি
সাংবাদিক সুমন্ত সোম, পিন্টু প্যাটেল, রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী, সৌমেন রায়
স্থানীয় সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব
প্রশাসনিক প্রতিনিধিরা
রনেন শীল তাঁর বক্তব্যে বলেন—
“পর্যটন শিল্পে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা অসীম। বর্ধমানের মতো জেলায় এই ধরনের আয়োজন মানুষের উন্নয়ন ও সচেতনতার জন্য অত্যন্ত জরুরি।”
মেলার মূল ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন শান্তনু পাজা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত।
স্টল বিন্যাস
আলো–বাতি
নিরাপত্তা
স্টেজ–পরিচালনা
অতিথি–অভ্যর্থনা
ভিড়–নিয়ন্ত্রণ
—সব ক্ষেত্রেই তিনি এবং তাঁর টিম প্রশংসা অর্জন করে।
মেলা শুরু হওয়ার আগে থেকেই শহরে প্রচার হয়েছিল—ফলে মানুষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
ঐশিকী নেস্ট–এর কর্ণধার অভিক চট্টোপাধ্যায় বলেন—
“পর্যটন শিল্পে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা অনস্বীকার্য। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা নতুন করে সাজানো হয়েছে। হোমস্টে প্রকল্প, পাহাড় থেকে সমুদ্র—সব ক্ষেত্রেই উন্নয়ন হয়েছে। এতে বহু মানুষের রুজি–রোজগার হচ্ছে।”
তিনি আরও জানান—
“পর্যটন শিল্প এখন কেবল বিলাসিতা নয়, এটি মানুষের অর্থনীতির অংশ। রাজ্যের উন্নয়ন এখন পর্যটনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।”
উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন—
আগামী কয়েক দিনে দর্শনার্থীর সংখ্যা আরও বাড়বে
নতুন প্যাকেজ ঘোষণা হবে
ট্রাভেল টক–শো আয়োজন করা হতে পারে
ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা হতে পারে
ভ্রমণ–বিষয়ক সেমিনার আয়োজনের সম্ভাবনাও রয়েছে
এই মেলাকে কেন্দ্র করে বর্ধমান শহরের হোটেল, রেস্তোরাঁ, ব্যবসা–বাণিজ্যও কিছুটা সক্রিয় হয়েছে।
ভারতের রাজস্ব ও কর্মসংস্থানের অন্যতম বড় উৎস হয়ে উঠছে পর্যটন শিল্প। বিশ্বব্যাপী পর্যটন এখন শুধু বিনোদন বা ভ্রমণসুখের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি আঞ্চলিক অর্থনীতিকে গতিশীল করার অন্যতম হাতিয়ার। পশ্চিমবঙ্গেও এই খাত দ্রুত বিকাশমান। বর্ধমান টাউন হলে আয়োজিত পর্যটন মেলার গুরুত্ব তাই শুধু প্রদর্শনী বা উৎসব নয়—এটি জেলার অর্থনৈতিক দিগন্তকে নতুনভাবে রাঙিয়ে তুলতে পারে।
বর্ধমানের অবস্থান ভৌগোলিকভাবে এমন জায়গায় যেখানে উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গ এবং ঝাড়খণ্ড–ওড়িশা অঞ্চলের মানুষের চলাচলও সহজ। তাই পর্যটন মেলার মতো বড় আয়োজন ভবিষ্যতে বর্ধমানকে মধ্যবঙ্গের ট্যুরিজম হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারে বলেই বিশেষজ্ঞদের মত।
পর্যটন শিল্প শুধু হোটেল বা ট্রাভেল সংস্থাকে নয়, বরং অসংখ্য মানুষকে পরোক্ষভাবে রোজগারের পথ দেখায়। যেমন—
স্থানীয় গাইড
গাড়ির চালক
রেস্তোরাঁ মালিক
ফটোগ্রাফার
হোমস্টে মালিক
স্থানীয় দোকানি
হস্তশিল্প বিক্রেতা
পরিবহণ শ্রমিক
সাংস্কৃতিক কর্মী
একটি পর্যটন মেলা একজন শিল্পীর কাজকে যেমন তুলে ধরে, তেমনই বহু ছোট ব্যবসায়ীকে সম্ভাবনার মুখ দেখায়।
বর্ধমানের মতো জেলায় যেখানে শিক্ষিত যুবকদের তুলনামূলক বেশি কর্মসংস্থানের প্রয়োজন রয়েছে, সেখানে পর্যটন খাত বাস্তবিকই একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।
ঐশিকী নেস্টের কর্ণধার অভিক চট্টোপাধ্যায়ের মতে—
“পর্যটন খাত যতই উন্নত হবে, ততই বহু মানুষের রুজি–রোজগার নিশ্চিত হবে। বর্ধমানের এই মেলা সেই পরিবর্তনের সূচনা।”
গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গের পর্যটনশিল্প যেভাবে বিকাশ লাভ করেছে, তা রাজ্যের উন্নয়ন নীতির অন্যতম ফল।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে—
হোমস্টে প্রকল্প
দিঘা, মন্দারমণি, তাজপুর–এর উন্নয়ন
দার্জিলিং–কালিম্পং–কুর্সিয়ং–এর পরিকাঠামো উন্নয়ন
সুন্দরবনকে ইকো–ট্যুরিজমে পরিণত করা
আদিবাসী–অঞ্চলের পর্যটন প্রচার
ট্রাভেল অ্যাপ ও ডিজিটাল প্রচার
পর্যটন নিরাপত্তা জোরদার
—এই সব প্রকল্প রাজ্যকে জাতীয় পর্যটন মানচিত্রে বিশেষ জায়গা দিয়েছে।
অভিক চট্টোপাধ্যায় বলেন—
“যেখানে সরকার নিজে পর্যটনের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে, সেখানে ট্রাভেল সংস্থাগুলির কাজ আরও সহজ হয়ে যায়। রাজ্যের মানুষের মধ্যেও ভ্রমণের প্রবণতা এখন অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।”
মেলায় অংশগ্রহণকারী সংস্থাগুলির মধ্যে ছিল—
দার্জিলিং–সিকিমের হোটেল ও রিসর্ট
বেসরকারি ট্রাভেল কোম্পানি
বিদেশি ট্যুর বুকিং এজেন্সি
রাজ্যের হেরিটেজ ট্যুর অপারেটর
অ্যাডভেঞ্চার ট্রাভেল গ্রুপ
বিভিন্ন ট্রেকিং সংগঠন
যা জানা গেছে, মেলার প্রথম দিনেই বহু সংস্থা—
২০০–র বেশি প্যাকেজ ইনকোয়ারি পেয়েছে
৫০+ অগ্রিম বুকিং হয়েছে
সাধারণ মানুষের বাজেট অনুযায়ী নতুন প্যাকেজ সাজিয়েছে
ঐশিকী নেস্টের স্টলে সবচেয়ে বেশি ভিড় লক্ষ্য করা যায়।
উত্তরবঙ্গের প্রতি বর্ধমানের মানুষের আকর্ষণ বহুদিনের।
অনেকে সরাসরি দার্জিলিং, লামাহাটা, লেপচাজগত, সান্দাকফু, কালিম্পং–এর হোটেল বুকিংয়ের জন্য যোগাযোগ করেন।
তন্ময় দাস বলেন—
“মানুষ এখন নিরাপদ ও পেশাদার ভ্রমণ পরিষেবা চান। এই মেলায় আমরা সেই পরিষেবাগুলি তুলে ধরতে পেরে খুশি।”
মেলায় উপস্থিত সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত ইতিবাচক।
অনেকে বলেন—
“এমন মেলা আগে হয়নি। খুব উপকার হলো।”
“একসঙ্গে এত সংস্থার তথ্য পাওয়া সত্যিই সুবিধাজনক।”
“এখানেই আমাদের দার্জিলিং ট্যুর বুক করলাম।”
“বাজেট ফ্রেন্ডলি প্যাকেজ পেয়ে খুশি।”
ছোট শিশুদের জন্যও বিশেষ আকর্ষণের ব্যবস্থা ছিল।
ট্রাভেল–থিমযুক্ত ফটো পয়েন্ট, পাহাড়–সমুদ্র–জঙ্গল–ভিত্তিক ব্যাকড্রপ দর্শনীয় ছিল।
রনেন শীল, শুভাশীষ সিংহ ও সমরজিৎ দাসসহ বহু সাংবাদিক জানিয়েছেন—
“এ ধরনের মেলা পর্যটন সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করে। একই সঙ্গে স্থানীয় অর্থনীতি উপকৃত হয়।”
সাংবাদিক সুমন্ত সোম বলেন—
“বর্ধমানের মাঝামাঝি ভৌগোলিক অবস্থান ভবিষ্যতে এটিকে পর্যটনের প্রধান কেন্দ্র করে তুলতে পারে।”
কলকাতা–দুর্গাপুর–আসানসোল—ত্রিভুজের কেন্দ্রে বর্ধমান অবস্থান।
হাওড়া–নিউ জলপাইগুড়ি লাইন, NH–19–এর সুবিধা।
পর্যটকদের জন্য বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ।
মধ্যবিত্তের আধিক্য; ভ্রমণ চাহিদা বেশি।
রাজবাড়ি, 108 শিবমন্দির, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়—সব মিলিয়ে আকর্ষণীয় গন্তব্য।
অর্থনীতিবিদরা মনে করেন—
যদি এই মেলা প্রতি বছর আয়োজন করা হয়, তবে বর্ধমান—
পর্যটন ট্রেড ফেয়ারের স্থায়ী ঠিকানা হতে পারে
রাজ্যের নতুন ব্যবসা কেন্দ্র হিসাবে পরিচিত হতে পারে
জেলার জন্য বেড়ে উঠবে হোটেল–রেস্তোরাঁ–যানবাহন–দোকানপাটের চাহিদা
যুবকদের কর্মসংস্থান আরও বাড়বে