Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

. সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সঙ্গে কেক কেটে নাতির জন্মদিন উদযাপন প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আশীষ নন্দীর

বর্ধমানের নবাবহাট সংলগ্ন তালপুকুরে অবস্থিত “আমার পাঠশালা” প্রাঙ্গণে সম্প্রতি একটি মানবিক ও অভিনব উদ্যোগের সাক্ষী হয় স্থানীয় সমাজ। প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আশীষ নন্দী তাঁর নাতি অহর্ষি নন্দীর ১৬তম জন্মদিন উদযাপন করেছেন। কিন্তু এদিনের উদযাপন কেবল পারিবারিক আনন্দের সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং তিনি সুবিধাবঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া শিশুদের সঙ্গে জন্মদিনের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন। এই বিশেষ অনুষ্ঠানে মোট ৫০ জন সুবিধাবঞ্চিত শিশু অংশগ্রহণ করে। অনুষ্ঠানের শুরুতেই কেক কেটে সবাই মিলে নাতি অহর্ষি নন্দীর জন্মদিন উদযাপন করা হয়। কেক কাটার আনন্দের সঙ্গে সঙ্গে শিশুদের চোখে আনন্দের ঝলক দেখা যায়। এদিন প্রাপ্ত শিক্ষামূলক ও দৈনন্দিন জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণের মধ্য দিয়ে শিশুরা উপকৃত হয়। আশীষ নন্দী শিক্ষকের উদ্যোগে শিশুদের মধ্যে খাতা, কলম, শিখন সামগ্রী এবং শীতকালে ব্যবহারের জন্য সোয়েটার বিতরণ করা হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুরা শুধু উপহার পায়নি, বরং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ ও উৎসাহও অনুভব করেছে। দুপুরের আহারের জন্য একটি বিশেষ আয়োজন করা হয়। আশীষ নন্দীর পুত্র শ্রী তীর্থরেণু নন্দী শিশুদের জন্য চিকেন বিরিয়ানি পরিবেশন করেন। এভাবে শিশুদের সঙ্গে সময় কাটানো কেবল আনন্দদায়কই নয়, বরং তাদের জন্য একটি উৎসাহব্যঞ্জক ও স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে।

সামাজিক সেবা

বর্ধমানের নবাবহাট সংলগ্ন তালপুকুরের “আমার পাঠশালা” সম্প্রতি এক অনন্য মানবিক উদযাপনের সাক্ষী হয়েছে, যা শুধু একটি জন্মদিনের আনন্দে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জীবনে এক নতুন আশার আলো যোগ করেছে। প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আশীষ নন্দী তাঁর নাতি অহর্ষি নন্দীর ১৬তম জন্মদিন উদযাপন করেছেন এক অভিনব ও মানবিক আঙ্গিকে। এই জন্মদিন উদযাপন কেবল পারিবারিক আনন্দের প্রতিফলন ছিল না, বরং এটি সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগির এক অনন্য প্রয়াস হিসেবে চিহ্নিত হয়।

এই বিশেষ অনুষ্ঠানে মোট পঞ্চাশ জন সুবিধাবঞ্চিত শিশু অংশগ্রহণ করে। শিশুদের মধ্যে রয়েছে সেই সব সন্তান যারা নানা কারণে শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত, সামাজিকভাবে পিছিয়ে পড়েছে বা অভাবের কারণে সাধারণ জীবনযাপনের সামর্থ্য পায়নি। আশা এবং মানবিকতার সঙ্গে পরিকল্পিত এই অনুষ্ঠানে শিশুরা কেবল আনন্দ অনুভব করল না, বরং তাদের জন্য এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতার সূচনা হলো। প্রাঙ্গণে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে শিশুদের চোখে আনন্দের ঝলক স্পষ্ট ছিল। অনুষ্ঠানটি শুরু হয় কেক কেটে। কেক কাটা হলো জন্মদিন উদযাপনের মূল আয়োজন, এবং অহর্ষি নন্দী নিজেই কেক কাটার আনন্দ ভাগাভাগি করেন পঞ্চাশটি শিশুর সঙ্গে। শিশুরা কেক কাটা মুহূর্তে উল্লাসিত হয়েছিল, এবং এই আনন্দের মুহূর্তটি কেবল জন্মদিনের আনন্দ নয়, বরং শিশুদের জীবনে কিছুটা স্বপ্ন ও আশা যোগ করার এক অনন্য সুযোগ হিসেবে প্রতিফলিত হয়।

উদ্যোগটি আরও বিশেষ হয়ে ওঠে শিশুরা কেবল কেকেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। আশীষ নন্দী এই উপলক্ষে শিশুদের মধ্যে খাতা, কলম এবং বিভিন্ন শিখন সামগ্রী বিতরণ করেন। শিশুদের জন্য শিক্ষার গুরুত্ব বোঝানো এবং তাদের শিক্ষার প্রতি আগ্রহ উদ্দীপিত করা এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল। শীতকালে তাদের জন্য সোয়েটার বিতরণ করা হয়, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনে আরামদায়ক এবং প্রয়োজনীয় হয়ে ওঠে। শিক্ষামূলক উপহার ও দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় সামগ্রীর এই বিতরণ শিশুদের মধ্যে আনন্দের পাশাপাশি আত্মবিশ্বাস ও শিক্ষার প্রতি উৎসাহও জাগায়।

দুপুরের আহারের আয়োজনও ছিল অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট ও মনোমুগ্ধকর। আশীষ নন্দীর পুত্র তীর্থরেণু নন্দী শিশুদের জন্য চিকেন বিরিয়ানি পরিবেশন করেন। শিশুদের মুখে হাসি এবং তাদের উল্লাস কেবল অনুষ্ঠানকে আনন্দময় করেছিল না, বরং এটি প্রমাণ করেছিল যে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদেরও আনন্দ ভাগাভাগি করা সম্ভব, এবং তাদের জীবনেও বিশেষ মুহূর্ত নিয়ে আসা যায়। এই ধরনের উদ্ভাবনী উদ্যোগ স্থানীয় সমাজে মানবিক চেতনাকে জাগিয়ে তোলে এবং শিশুরা বোঝে যে, তাদের জীবনেও ভালোবাসা এবং যত্নের মূল্য আছে।

আমার পাঠশালা-র পক্ষ থেকে সম্পাদক সন্দীপ পাঠক আশীষ নন্দীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তিনি জানান, এই ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং শিশুদের মধ্যে ভালোবাসা ও মানবিকতার বীজ বপন করে। জন্মদিনের এই উদযাপন প্রমাণ করে যে, ছোট্ট উদযাপনও বড় সামাজিক প্রভাব ফেলতে পারে। এটি শুধু আনন্দের অনুষ্ঠান নয়, বরং শিশুদের জীবন ও শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

অহর্ষি নন্দীর জন্মদিন উদযাপন কেবল পারিবারিক সীমাবদ্ধ ছিল না। এটি একটি সমাজসেবা কার্যক্রম হিসেবেও চিহ্নিত হয়েছে, যা স্থানীয় সমাজে মানবিক মূল্যবোধকে সামনে নিয়ে এসেছে। আশীষ নন্দী এবং তার পরিবার শিশুদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে তাদের জীবনে আনন্দ, শিক্ষা এবং সহায়তার আলো ছড়িয়েছেন। এই উদ্ভাবনী উদ্যোগ শিশুদের জন্য শুধু উপহার নয়, বরং তাদের জীবনে একটি নতুন আশা ও স্বপ্নের সূচনা করেছে।                                                                                      

আমার পাঠশালার পক্ষ থেকে সম্পাদক সন্দীপ পাঠক আশীষ নন্দীর এই অভিনব উদ্যোগকে স্বাগত জানান। এ ধরনের উদ্যোগ শুধু জন্মদিন উদযাপন নয়, বরং সামাজিক দায়বদ্ধতার একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে স্থানীয় সমাজে প্রভাব ফেলে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিশুরা আনন্দ ও উৎসাহে মেতেছিল এবং তাদের মধ্যে শিক্ষার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব গড়ে উঠেছে।

অহর্ষি নন্দীর জন্মদিন উপলক্ষে এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ প্রমাণ করে যে, ছোট্ট উদযাপনও বড় সামাজিক প্রভাব ফেলতে পারে। এটি স্থানীয়দের মধ্যে মানবিক চেতনাকে জাগিয়ে তোলে এবং শিশুদের মধ্যে ভালোবাসা, শিক্ষার প্রতি আগ্রহ ও সহমর্মিতার বীজ বপন করে। এই ধরনের উদ্ভাবনী উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করে।

সমস্ত অনুষ্ঠানটি ছিল আনন্দ, শিক্ষা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার মিলিত উদযাপন। আশীষ নন্দী ও তার পরিবার এই উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং তাদের জীবনে আনন্দ ও শিক্ষামূলক সহায়তা নিয়ে এসেছেন। অনুষ্ঠানটি কেবল একটি জন্মদিনের উদযাপন ছিল না, বরং এটি মানবিকতা, শিক্ষা ও সেবা সংক্রান্ত মূল্যবোধকে সামনে আনার এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।                                                                                                    

news image
আরও খবর

বর্ধমানের নবাবহাট সংলগ্ন তালপুকুরে অবস্থিত “আমার পাঠশালা” সম্প্রতি এক মানবিক উদযাপনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। এখানে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বিশেষ জন্মদিনের অনুষ্ঠান, যা স্থানীয় সমাজের জন্য এক অনন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আশীষ নন্দী তাঁর নাতি অহর্ষি নন্দীর ১৬তম জন্মদিন উদযাপন করেছেন বিশেষভাবে, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সঙ্গে মিলিত হয়ে। এটি ছিল কেবল পারিবারিক আনন্দের অনুষ্ঠান নয়, বরং সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জীবনে স্বপ্ন ও আশা যোগ করার এক মানবিক প্রচেষ্টা।

পাঠশালার প্রাঙ্গণটি সজ্জিত করা হয়েছিল বিশেষভাবে, যেখানে শিশুদের জন্য আনন্দময় পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়। শিশুদের চোখে আগ্রহ এবং মুখে কৌতূহল স্পষ্ট ছিল। অনুষ্ঠানের সূচনা কেক কাটা দিয়ে হয়। কেক কাটা মুহূর্তটি ছিল জন্মদিন উদযাপনের প্রাণকেন্দ্র। শিশুদের চোখে উজ্জ্বলতা এবং মুখে হাসি দেখা যায় যখন অহর্ষি নন্দী কেক কাটছিলেন। এই মুহূর্তটি কেবল জন্মদিন উদযাপনের আনন্দ নয়, বরং একটি মানবিক বার্তা বহন করছিল, যা সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়।

উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য ছিল শিশুদের আনন্দ এবং শিক্ষার প্রতি উৎসাহ বৃদ্ধি করা। আশীষ নন্দী শিশুরা যাতে শিক্ষার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে পারে, সেই লক্ষ্যেই তাদের মধ্যে বিভিন্ন শিক্ষামূলক উপহার বিতরণ করা হয়। শিশুদের হাতে খাতা, কলম এবং অন্যান্য শিক্ষামূলক সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি শীতকালে তাদের আরাম এবং স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য সোয়েটার বিতরণ করা হয়। এ ধরনের উপহার শিশুদের জীবনকে সরাসরি প্রভাবিত করে, তাদের শিক্ষার প্রতি আগ্রহ উদ্দীপিত করে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।

দুপুরের খাবারের আয়োজনও ছিল বিশেষভাবে। শিশুদের জন্য সুস্বাদু খাবার পরিবেশনের মাধ্যমে তাদের আনন্দ আরও বাড়ানো হয়। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া প্রত্যেক শিশুর চোখে আনন্দ এবং মুখে হাসি স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়। এটি প্রমাণ করে যে, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদেরও আনন্দ ভাগাভাগি করা সম্ভব এবং তাদের জীবনে বিশেষ মুহূর্ত সৃষ্টি করা যায়।

এই জন্মদিন উদযাপনের মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে সামাজিক এবং মানবিক মূল্যবোধ বিকাশের চেষ্টা করা হয়েছে। তারা অনুভব করে যে, সমাজে তাদের জন্য স্থান আছে, তাদের প্রতি ভালোবাসা রয়েছে এবং তাদের জীবনেও আশা এবং সম্ভাবনার দরজা খোলা রয়েছে। এটি কেবল একটি জন্মদিনের অনুষ্ঠান নয়, বরং সমাজের পিছিয়ে পড়া শিশুদের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলার এক অনন্য উদ্যোগ।

পাঠশালার পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানটির স্বাগত জানানো হয় এবং আশীষ নন্দীর এই উদ্যোগকে প্রশংসা জানানো হয়। স্থানীয় সমাজের মানুষরা এই ধরনের মানবিক কর্মকাণ্ডকে উদাহরণ হিসেবে দেখছেন। এটি প্রমাণ করে যে, ব্যক্তিগত আনন্দ এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা একসঙ্গে মিলিত হয়ে সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

শিশুরা এই অনুষ্ঠানে কেবল উপহারই পায়নি, বরং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ এবং সমাজের ভালোবাসা অনুভব করেছে। জন্মদিন উদযাপন কেবল পারিবারিক আনন্দ নয়, বরং শিশুদের জীবনে এক নতুন আশা, স্বপ্ন এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহের সূচনা করেছে। আশীষ নন্দী এবং তার পরিবারের এই উদ্যোগ সমাজে মানবিক চেতনাকে জাগিয়ে তুলেছে এবং স্থানীয় শিশুদের জন্য একটি স্থায়ী প্রভাব ফেলেছে।

এই অনুষ্ঠানটি ছিল মানবিকতা, আনন্দ এবং শিক্ষার এক সমন্বিত উদযাপন। শিশুরা শুধু কেক খেয়েছে বা উপহার পেয়েছে তা নয়, তারা অনুভব করেছে সমাজের মানুষের প্রতি তাদের আশা ও ভালোবাসা। এটি একটি উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, জন্মদিন উদযাপন কেবল ব্যক্তিগত আনন্দের জন্য নয়, বরং সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য এক নতুন সুযোগও তৈরি করতে পারে। এই ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে, শিশুদের মধ্যে সহমর্মিতা, শিক্ষার প্রতি আগ্রহ এবং ভালোবাসার বার্তা প্রেরণ করে।

আশীষ নন্দী এবং তার পরিবারের এই উদ্যোগ একটি উদাহরণ হিসেবে স্থানীয় সমাজে মানবিক চেতনা জাগ্রত করেছে। শিশুদের মুখে হাসি ফোটানো, তাদের হাতে শিক্ষামূলক উপহার তুলে দেওয়া এবং তাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করা এ ধরনের উদ্যোগকে সমাজের জন্য অনুপ্রেরণামূলক করে তুলেছে। এই জন্মদিন উদযাপন প্রমাণ করে যে, ব্যক্তি জীবনেও আনন্দ উদযাপন করা যায় এবং সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য তা মানবিকভাবে অর্থপূর্ণ করা যায়। এটি কেবল জন্মদিন উদযাপন নয়, বরং সামাজিক দায়বদ্ধতা, মানবিকতা এবং শিক্ষার প্রতি শ্রদ্ধার এক উদাহরণ।

Preview image