Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

ঘনঘন বমি জ্বর পেট ব্যথা কলকাতাজুড়ে আক্রান্ত বয়স্ক শিশুরা ছড়াচ্ছে রোটা ভাইরাস

কলকাতায় ঘনঘন  জ্বর পেট ব্যথার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে  বিশেষ করে বয়স্ক এবং শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে। এই উপসর্গগুলি রোটা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে হচ্ছে। জানুন কীভাবে এটি ছড়াচ্ছে এবং কী সতর্কতা নিতে হবে।

 

সম্প্রতি কলকাতায় এক নতুন ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে, যার কারণে ঘনঘন বমি, জ্বর এবং পেট ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। এই ভাইরাসটির নাম রোটা ভাইরাস (Rotavirus), যা প্রধানত গ্যাস্ট্রোএন্টেরাইটিস সৃষ্টি করে এবং শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে শিশুরা, যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে দুর্বল, এবং বয়স্করা, যাদের শারীরিক সহনশীলতা কম থাকে, তারা এই ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন।

রোটা ভাইরাস একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাস যা মানুষের অন্ত্রের মধ্যে প্রবাহিত হয়ে ডায়রিয়া, বমি, জ্বর, এবং পেটব্যথার সৃষ্টি করতে পারে। সাধারণত, এই ভাইরাসটি মলের মাধ্যমে ছড়ায় এবং এটি বিভিন্ন পরিবেশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাসের সংক্রমণ সাধারণত গরম এবং আর্দ্র আবহাওয়ার কারণে আরও বৃদ্ধি পায়, যা কলকাতার বর্তমান আবহাওয়ার সঙ্গে মিলে যায়।

রোটা ভাইরাস কী এবং এর উপসর্গ:

রোটা ভাইরাস এক ধরনের অন্ত্র-জনিত ভাইরাস যা পেট এবং অন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর। এই ভাইরাসটি মূলত শরীরের পানির ভারসাম্য নষ্ট করে, যার ফলে ডিহাইড্রেশন এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি হয়। রোটা ভাইরাসের লক্ষণ সাধারণত ভাইরাস সংক্রমণের পর ১-৩ দিন পর শুরু হয় এবং এতে সাধারণত নিম্নলিখিত উপসর্গগুলি থাকে:

  1. ঘনঘন বমি: প্রথম দিকের লক্ষণ হিসেবে বমি শুরু হতে পারে, যা শরীরের শক্তি কমিয়ে দেয়।

  2. জ্বর: বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোটা ভাইরাসের সংক্রমণ জ্বরের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, যা শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করতে পারে।

  3. পেট ব্যথা ও ডায়রিয়া: রোটা ভাইরাসের কারণে পেটে যন্ত্রণা এবং জলীয় বা পাতলা পেটের সমস্যা হতে পারে। এর ফলে শরীর থেকে প্রয়োজনীয় পানি বের হয়ে যায়, যা ডিহাইড্রেশন সৃষ্টি করতে পারে।

  4. দীর্ঘস্থায়ী উপসর্গ: এই উপসর্গগুলি সাধারণত ৩-৭ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে, তবে পরবর্তীতে কিছু ব্যক্তি আরও দীর্ঘ সময় ধরে দুর্বলতা অনুভব করতে পারেন।

রোটা ভাইরাসের সংক্রমণ কিভাবে ছড়ায়

রোটা ভাইরাস অত্যন্ত সংক্রামক, এবং এটি মূলত মানবদেহের মলের মাধ্যমে ছড়ায়। ভাইরাসটি সংক্রমিত ব্যক্তির দ্বারা ব্যবহৃত কোন বস্তু বা পানি দিয়ে ছড়াতে পারে। এমনকি মল এবং হস্তমৈথুনের মাধ্যমে ভাইরাসটি শরীরে প্রবেশ করতে পারে। এটি সাধারণত শিশুদের মধ্যে দ্রুত ছড়ায়, কারণ তারা বেশি সময় ধরে একে অপরের সঙ্গে খেলে এবং ভাইরাসের সংস্পর্শে আসে।

কলকাতার বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ভাইরাসটি গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ার কারণে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে, এবং শিশুরা যেহেতু সহজেই ভাইরাসের শিকার হয়ে পড়ে, তাই তাদের মধ্যে এই ভাইরাসের সংক্রমণ বেশি হচ্ছে। এছাড়া, বয়স্কদের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় তাদেরও আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

রোটা ভাইরাস থেকে সুরক্ষা:

রোটা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকতে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিশুরা এবং বয়স্কদের জন্য সতর্কতা জারি করা জরুরি। নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলি গ্রহণ করলে রোটা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে নিজেকে এবং পরিবারকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব:

  1. পানি এবং খাবার পরিষ্কার রাখা: পানির মাধ্যমে রোটা ভাইরাস দ্রুত ছড়ায়। তাই পরিষ্কার পানি ব্যবহার করতে হবে এবং খাবারগুলিও ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। খাবার এবং পানি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে হবে এবং বাইরে খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

  2. হাত পরিষ্কার রাখা: সবসময় সাবান দিয়ে হাত ধোয়া প্রয়োজন, বিশেষত খাবার খাওয়ার আগে, শৌচাগার ব্যবহার করার পর এবং শিশুদের স্পর্শ করার পর। হাত পরিষ্কার রাখার অভ্যাস রোটা ভাইরাসের সংক্রমণকে অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।

  3. ভ্যাকসিন গ্রহণ: বর্তমানে রোটা ভাইরাসের জন্য একটি টিকা উপলব্ধ রয়েছে। শিশুরা এই টিকা গ্রহণ করলে তাদের রোটা ভাইরাস থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়। একাধিক দেশ এই টিকাকে বাধ্যতামূলক করে দিয়েছে, এবং কলকাতাতেও এটি সহজলভ্য।

  4. ডিহাইড্রেশন থেকে রক্ষা: রোটা ভাইরাসের কারণে শিশুরা দ্রুত ডিহাইড্রেটেড হয়ে যেতে পারে। তাই শিশুকে পর্যাপ্ত পানি এবং ইলেকট্রোলাইট দ্রব্য খাওয়ানো জরুরি। ডিহাইড্রেশন রোধে স্যালাইন ও গ্লুকোজ পানির সমন্বয়ে তৈরি ইলেকট্রোলাইট দ্রব্য ব্যবহার করতে পারেন।

  5. বাইরে যাওয়ার সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন: যেখানে রোটা ভাইরাসের প্রকোপ বেশি, সেসব জায়গায় যাওয়ার সময় হাত ধোয়া এবং স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখার চেষ্টা করুন। শিশুদের বাইরে খেলা বা অস্বাস্থ্যকর জায়গায় চলাফেরা থেকে বিরত রাখুন।

কোনো সমস্যা হলে কী করবেন

যদি কোনো ব্যক্তি, বিশেষ করে শিশু বা বয়স্ক, রোটা ভাইরাসে আক্রান্ত হন এবং যদি তারা দীর্ঘদিন ধরে বমি, পেট ব্যথা বা জ্বর অনুভব করেন, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত। রোটা ভাইরাসের কারণে ডিহাইড্রেশন এবং অন্যান্য গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে, যা চিকিৎসা না করলে জীবনহানির কারণও হয়ে দাঁড়াতে পারে।

ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী, রোটা ভাইরাসের চিকিৎসায় সাধারণত স্যালাইন এবং অন্যান্য ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধক চিকিৎসা দেয়া হয়। এছাড়া, জ্বর এবং পেট ব্যথা উপশম করার জন্য কিছু ওষুধ দেওয়া হতে পারে।

নিষ্কর্ষ:

কলকাতায় রোটা ভাইরাসের সংক্রমণ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, এবং এর কারণে বয়স্ক এবং শিশুদের মধ্যে স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। রোটা ভাইরাস অত্যন্ত সংক্রামক এবং এর উপসর্গগুলি বেশ কষ্টদায়ক। তবে, সঠিক সতর্কতা, ভ্যাকসিন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং প্রাথমিক চিকিৎসার মাধ্যমে এই ভাইরাসের প্রভাব কমানো সম্ভব। তাই, শিশু এবং বয়স্কদের বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে এবং যদি কোনো সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

কলকাতায় বর্তমানে রোটা ভাইরাস সংক্রমণ একটি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে, এবং এটি বয়স্ক এবং শিশুদের মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। রোটা ভাইরাস এক ধরনের অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাস যা গ্যাস্ট্রোএন্টেরাইটিস সৃষ্টি করে, এবং এটি মূলত ডায়রিয়া, বমি, জ্বর এবং পেটব্যথার মতো উপসর্গের মাধ্যমে проявিত হয়। এই ভাইরাসটির সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে, বিশেষ করে এমন সময় যখন শীতকাল এবং আর্দ্র আবহাওয়া কলকাতায় অবস্থান করছে।

news image
আরও খবর

রোটা ভাইরাস কী

রোটা ভাইরাস একটি সাধারণ ভাইরাস যা মানুষের অন্ত্রের মধ্যে সংক্রমণ ঘটায়। সাধারণত এটি শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে দুর্বল। তবে, বয়স্কদের মধ্যে যারা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারিয়েছেন, তারাও আক্রান্ত হতে পারেন। রোটা ভাইরাসের কারণে দ্রুত ডিহাইড্রেশন (শরীরে পানির অভাব) হতে পারে, যা শারীরিক দুর্বলতা সৃষ্টি করে এবং রোগীর অবস্থা আরও খারাপ করতে পারে।

রোটা ভাইরাসের উপসর্গ:

রোটা ভাইরাসের সংক্রমণ সাধারণত ১-৩ দিন পর শুরু হয় এবং এর উপসর্গগুলো অনেকটা সাধারণ ভাইরাল ইনফেকশনের মতো হতে পারে। তবে, রোটা ভাইরাসের উপসর্গ বেশ তীব্র এবং দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু উপসর্গ হলো:

  1. বমি: প্রথমে পেটে অস্বস্তি এবং পরে ঘন ঘন বমি হতে পারে।

  2. জ্বর: শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে জ্বর সৃষ্টি হতে পারে।

  3. পেট ব্যথা: বিশেষভাবে পেটের মাঝের অংশে তীব্র ব্যথা অনুভূত হতে পারে।

  4. ডায়রিয়া: বমি ও পেট ব্যথার সাথে সাথে পাতলা এবং জলীয় মলের প্রবাহ হয়, যা দ্রুত ডিহাইড্রেশন সৃষ্টি করতে পারে।

  5. অস্থিরতা এবং দুর্বলতা: শরীরে প্রয়োজনীয় পানি ও খনিজের ঘাটতি হওয়ার কারণে রোগী দুর্বল এবং অস্থির বোধ করেন।

রোটা ভাইরাসের সংক্রমণ কীভাবে ছড়ায়

রোটা ভাইরাস খুবই সংক্রামক, এবং এটি মূলত মানুষের মলের মাধ্যমে ছড়ায়। ভাইরাসটি সংক্রমিত ব্যক্তির দ্বারা ব্যবহৃত কোনো বস্তু বা পানি দিয়ে ছড়াতে পারে। শিশুরা যেহেতু একে অপরের সঙ্গে খেলাধুলা করে এবং সংক্রামিত পরিবেশে থাকে, তারা খুব সহজেই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। পাশাপাশি, শিশুদের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় তারা অধিক সংক্রমণের শিকার হয়।

এছাড়া, রোটা ভাইরাস পরিবেশে আর্দ্রতা এবং গরম আবহাওয়ার কারণে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যা কলকাতার বর্তমান আবহাওয়ার সঙ্গে একেবারে মিলে যায়।

রোটা ভাইরাস থেকে সুরক্ষা এবং সতর্কতা:

রোটা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকতে কিছু বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। যদি রোটা ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকতে চান, তবে নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত:

  1. হাত পরিষ্কার রাখা: সবসময় সাবান দিয়ে হাত ধোয়া প্রয়োজন, বিশেষত খাবার খাওয়ার আগে এবং শৌচাগার ব্যবহারের পর। হাত ধোয়ার অভ্যাস রোটা ভাইরাসের সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে।

  2. খাবার এবং পানির পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা: পানির মাধ্যমে রোটা ভাইরাস দ্রুত ছড়াতে পারে, তাই পরিষ্কার পানি ব্যবহার করতে হবে এবং খাবারগুলো ভালোভাবে ধুয়ে খেতে হবে।

  3. ভ্যাকসিনেশন: রোটা ভাইরাসের জন্য বর্তমানে একটি টিকা রয়েছে, যা শিশুদেরকে দেওয়া হলে তারা ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকে। এই টিকার মাধ্যমে শিশুরা রোটা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পায়, এবং এটি বিশ্বব্যাপী অনেক দেশে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কলকাতাতেও এই টিকা সহজলভ্য।

  4. ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ: রোটা ভাইরাসের কারণে শিশুদের মধ্যে ডিহাইড্রেশন হতে পারে, যা খুবই বিপজ্জনক। তাই ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধের জন্য ইলেকট্রোলাইট ও স্যালাইন পানীয় গ্রহণ করানো উচিত। যদি বাচ্চার বমি ও পাতলা পায়খানা চলতে থাকে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শে স্যালাইন ব্যবহার করুন।

  5. বাইরে যাওয়ার সময় সতর্ক থাকা: যেখানে রোটা ভাইরাসের প্রকোপ বেশি, সেসব জায়গায় যাওয়ার সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। শিশুদের বাইরে খেলা বা অস্বাস্থ্যকর জায়গায় চলাফেরা থেকে বিরত রাখা উচিত।

রোটা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে কী করবেন

যদি আপনি বা আপনার পরিবারে কেউ রোটা ভাইরাসে আক্রান্ত হন, তবে উপসর্গ দেখা দেওয়ার পর দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সাধারণত, রোটা ভাইরাসের চিকিৎসা কোনও নির্দিষ্ট অ্যান্টিবায়োটিক দ্বারা হয় না, তবে ডিহাইড্রেশন রোধ এবং উপসর্গগুলি কমানোর জন্য চিকিৎসক স্যালাইন বা ইলেকট্রোলাইটের ব্যবস্থা করেন। এছাড়া, রোগীকে যথাযথ বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়।

রোটা ভাইরাসের কারণে দীর্ঘস্থায়ী ডিহাইড্রেশন হতে পারে, যা স্বাস্থ্যগত জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। তাই, যদি বাচ্চার শরীরের তাপমাত্রা বেশি থাকে, বা সে পানীয় খাচ্ছে না এবং খুব দুর্বল হয়ে যাচ্ছে, তবে দ্রুত হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

নিষ্কর্ষ:

কলকাতায় রোটা ভাইরাসের সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে, এবং বয়স্ক এবং শিশুদের মধ্যে এটি স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করছে। সঠিক সতর্কতা, স্বাস্থ্যবিধি, ভ্যাকসিন এবং প্রাথমিক চিকিৎসার মাধ্যমে রোটা ভাইরাসের প্রভাব কমানো সম্ভব। বিশেষ করে, শিশুদের এবং বয়স্কদের সুরক্ষার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা এবং সতর্ক থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, এবং জনগণকে সচেতন করা জরুরি।


 

Preview image