মধ্যপ্রদেশে নবায়নযোগ্য শক্তির ক্ষেত্রে একটি বড়সড় শিল্পবিপ্লবের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যেখানে হায়দ্রাবাদভিত্তিক একটি শীর্ষস্থানীয় সবুজ শক্তি কোম্পানি রাজ্যে একাধিক অত্যাধুনিক গ্রীন এনার্জি প্রকল্প স্থাপনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব হায়দ্রাবাদ সফরকালে শিল্পপতিদের সঙ্গে পরপর বৈঠক করেন এবং সেখানে এই সংস্থাটি মধ্যপ্রদেশে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগে আগ্রহ দেখায়। মুখ্যমন্ত্রী জানান যে, রাজ্যের উন্নয়নযাত্রাকে আরও দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিতে তিনি শিল্পক্ষেত্রে নয়া দিগন্ত খুলে দিচ্ছেন এবং বিশেষ করে পরিবেশবান্ধব শক্তি ব্যবস্থার ওপর জোর দিচ্ছেন, কারণ ভবিষ্যতের বিশ্ব গ্রীন এনার্জিতেই টিকে থাকবে।সংস্থাটি জানায় যে, তারা মধ্যপ্রদেশে ১০০ গিগাওয়াট ঘন্টা (GWh) ক্ষমতার অত্যাধুনিক এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম স্থাপন করবে, যা দেশের অন্যতম বৃহৎ শক্তি সংরক্ষণ ব্যবস্থা হতে পারে। এর পাশাপাশি রাজ্যে গড়ে উঠবে গ্রীন হাইড্রোজেন ক্লাস্টার, যা ভবিষ্যতের শক্তিবিপ্লবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। গ্রীন হাইড্রোজেন বর্তমানে বিশ্বজুড়ে শিল্প, পরিবহন, বিমান চলাচল এবং বড় কারখানার শক্তির বিকল্প হিসেবে উঠে আসছে। ফলে মধ্যপ্রদেশে এই প্রযুক্তি আসা মানেই রাজ্য নতুন কর্মসংস্থান, উচ্চ দক্ষতার কর্মী সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের দরজা খুলে দেবে।শুধু তাই নয়, সংস্থাটি বায়ো-রিফাইনারি প্ল্যান্টও স্থাপন করতে চায়, যেখানে তৈরি হবে ২জি ইথানল, মিথানল এবং সাসটেইনেবল এভিয়েশন ফুয়েল (SAF)। বায়োফুয়েল উৎপাদনের ফলে রাজ্যের কৃষকরাও উপকৃত হবেন, কারণ আখ, ভুট্টা, ধানের খড় ও অন্যান্য কৃষিজ বর্জ্য থেকে এই জ্বালানি তৈরি করা সম্ভব। এতে কৃষিপণ্য ও কৃষিজ বর্জ্যের মূল্য বাড়বে এবং কৃষকদের আয় বৃদ্ধি পাবে। মুখ্যমন্ত্রী জানান যে, এ ধরনের প্রকল্প শুধু অর্থনীতি নয়, পরিবেশের ক্ষেত্রেও মধ্যপ্রদেশকে এগিয়ে দেবে এবং ভারতকে গ্রীন এনার্জির আন্তর্জাতিক বাজারে শক্তিশালী প্রতিযোগী করে তুলবে।হায়দ্রাবাদ সফরের সময় মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান যে, মধ্যপ্রদেশ এখন বিনিয়োগবান্ধব, স্বচ্ছ প্রশাসন এবং অনুকূল শিল্পপরিবেশ তৈরি করেছে। তিনি শিল্পপতিদের উদ্দেশ্যে বলেন যে, মধ্যপ্রদেশ অন্য রাজ্যের শিল্প বন্ধ করে এখানে আনতে চায় না, বরং নতুন শিল্প, নতুন প্রযুক্তি এবং পরিবেশবান্ধব শক্তির মাধ্যমে নিজেদের উন্নয়নের পথ তৈরি করতে চায়। তার মতে, আগামী কয়েক বছরে মধ্যপ্রদেশ ভারতের সবুজ শক্তির রাজধানী হয়ে উঠতে পারে, কারণ রাজ্যের ভৌগোলিক অবস্থান, জলবায়ু ও পরিকাঠামো সবুজ শক্তি উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত অনুকূল।এদিকে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে রাজ্যে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে লক্ষাধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, নতুন শহর ও শিল্পাঞ্চলের উন্নয়ন ঘটবে এবং মধ্যপ্রদেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে। এই প্রকল্প রাজ্যের শক্তি ব্যবস্থাকে আধুনিক ও স্থিতিশীল করতে সাহায্য করবে এবং পরিবেশ দূষণ কমিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি পরিচ্ছন্ন, উন্নত ও টেকসই রাজ্য গড়ে তুলবে। সব মিলিয়ে, মধ্যপ্রদেশে হায়দ্রাবাদের এই গ্রীন এনার্জি উদ্যোগ নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে, যা রাজ্যের ইতিহাসে আরেকটি মাইলস্টোন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
মধ্যপ্রদেশে নবায়নযোগ্য শক্তির ক্ষেত্রে নতুন এক ইতিহাস রচনা হতে চলেছে। আর সেই ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে আছে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত—হায়দ্রাবাদভিত্তিক একটি শীর্ষস্থানীয় সবুজ শক্তি সংস্থার বিশাল বিনিয়োগ পরিকল্পনা। এ সংস্থার প্রতিনিধিরা সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ড. মোহন যাদবের সঙ্গে বৈঠক করে রাজ্যে বৈপ্লবিক গ্রীন এনার্জি প্রকল্প স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
এই প্রকল্প শুধু শক্তির জোগান বাড়াবে তা নয়, মধ্যপ্রদেশকে ভারতের অন্যতম শক্তিধর গ্রীন এনার্জি হাব হিসেবে গড়ে তুলতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করবে। মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবও তাঁর বক্তব্যে পরিষ্কার জানিয়েছেন যে, মধ্যপ্রদেশ আগামী দশকে নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদন, গ্রীন ফুয়েল তৈরি, শক্তি সংরক্ষণ, পরিবেশবান্ধব উদ্ভাবন ও শিল্পায়নে দেশের অন্যতম অগ্রণী রাজ্যে পরিণত হবে।
এই নিবন্ধে আমরা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব—সংস্থার পরিকল্পনা, সরকারের প্রস্তুতি, প্রকল্পের সম্ভাব্য প্রভাব, শিল্পক্ষেত্রের বদল, মধ্যপ্রদেশের অর্থনীতিতে এর ভূমিকা, পরিবেশগত সুফল, দেশীয় ও বৈশ্বিক বাজারের সঙ্গে সংযোগ, এবং সামগ্রিকভাবে প্রকল্পটি কীভাবে ভারতের গ্রীন এনার্জি মিশনে নতুন গতিবেগ আনবে।মধ্যপ্রদেশে সবুজ শক্তির ক্ষেত্রে বড়সড় একটি পদক্ষেপের ঘোষণা এসেছে, যেখানে হায়দ্রাবাদভিত্তিক একটি শীর্ষস্থানীয় গ্রীন এনার্জি কোম্পানি রাজ্যে একাধিক অত্যাধুনিক প্রকল্প স্থাপনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব সম্প্রতি হায়দ্রাবাদ সফরকালে শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠক করে জানিয়েছেন যে, মধ্যপ্রদেশকে দেশের গ্রীন এনার্জির রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং এই নতুন বিনিয়োগ সেই লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যোগ করবে। রাজ্যে ১০০ গিগাওয়াট ঘন্টা শক্তি সংরক্ষণ ব্যবস্থার মতো উচ্চক্ষমতার এনার্জি স্টোরেজ প্রকল্প, গ্রীন হাইড্রোজেন ক্লাস্টার, বায়ো-রিফাইনারি প্ল্যান্ট, ২জি ইথানল, মিথানল এবং সাসটেইনেবল এভিয়েশন ফুয়েল উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তুলতে আগ্রহ দেখিয়েছে সংস্থাটি। এই প্রকল্পগুলি কেবল শক্তিচাহিদা পূরণ করবে না, ভবিষ্যতে ভারতকে নবায়নযোগ্য শক্তির আন্তর্জাতিক বাজারে আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব জানান, এই প্রকল্পগুলি রাজ্যের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। তিনি হায়দ্রাবাদের শিল্পপতিদের আশ্বস্ত করেন যে, মধ্যপ্রদেশ বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ ও সহজ পরিকাঠামোগত সুবিধা তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং আগামী কয়েক বছরে রাজ্যে বড় শিল্পগোষ্ঠীর আগমন আরও বাড়বে। তিনি আরও বলেন যে, মধ্যপ্রদেশ কোনও রাজ্যের শিল্প বন্ধ করিয়ে তাদের নিজেদের রাজ্যে আনতে চায় না, বরং নতুন প্রযুক্তি, আধুনিক শক্তি ব্যবস্থা এবং পরিবেশবান্ধব প্রকল্প দিয়ে নতুন শিল্প স্থাপন করতে চায়। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের গ্রামাঞ্চলও বড় উপকার পাবে, কারণ বায়ো-রিফাইনারি প্ল্যান্টের মাধ্যমে কৃষিজ বর্জ্য, আখ ও ভুট্টার মতো ফসল থেকে বায়োফুয়েল উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হবে, যা কৃষকদের বাড়তি আয়ের পথ খুলে দেবে। একই সঙ্গে পরিবেশগত দিক থেকেও মধ্যপ্রদেশ আরও সবুজ ও টেকসই উন্নয়নমুখী রাজ্যে পরিণত হবে। নবায়নযোগ্য শক্তির এই বৃহৎ প্রকল্প রাজ্যে উচ্চপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াবে, নতুন নিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং মধ্যপ্রদেশের শিল্পখাতকে আন্তর্জাতিক মানের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সার্বিকভাবে এই বিনিয়োগ রাজ্যের শক্তি রূপান্তর প্রক্রিয়াকে একটি নতুন মাইলস্টোনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতে মধ্যপ্রদেশকে ভারতের গ্রীন এনার্জি শক্তিকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।
মধ্যপ্রদেশ ভৌগোলিক ও পরিবেশগত দিক থেকে এমন একটি রাজ্য যা সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, বায়োমাস, গ্রীন হাইড্রোজেন উৎপাদন এবং শক্তি সংরক্ষণের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। বিস্তীর্ণ এলাকা, অনুকূল আবহাওয়া, প্রকৃত সম্পদের অভাব নেই—যা সবুজ শক্তি প্রকল্পকে সহজ এবং লাভজনক করে তোলে।
গত কয়েক বছরে ভারত সরকার যে রকমভাবে নবায়নযোগ্য শক্তিতে জোর দিচ্ছে, তাতে মধ্যপ্রদেশের মতো বড় রাজ্যে উন্নত প্রযুক্তির গ্রীন প্রকল্প স্থাপন করা একটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত। ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের মোট শক্তির অন্তত ৫০% নবায়নযোগ্য উৎস থেকে সংগ্রহের লক্ষ্য রয়েছে। তাই মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলোকে এই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
সংস্থাটি যে প্রকল্পগুলো নিয়ে এসেছে, সেগুলো এককথায় অত্যাধুনিক ও ভবিষ্যৎমুখী। প্রধান প্রকল্পগুলো হলো:
১০০ গিগাওয়াট ঘন্টা শক্তি সংরক্ষণ প্রকল্প বলতে বোঝায়—দৈনিক ভিত্তিতে উৎপাদিত শক্তি জমিয়ে রাখা হবে, যাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ২৪ ঘণ্টা, নিরবচ্ছিন্নভাবে বজায় থাকে।
এ ধরনের শক্তি সংরক্ষণ ব্যবস্থা
শিল্পক্ষেত্র,
গ্রিড এনহান্সমেন্ট,
হাসপাতাল,
ডেটা সেন্টার,
মেট্রো রেল নেটওয়ার্ক
এ সবকিছুতে বিপ্লব আনতে পারে।
বিশ্বব্যাপী গ্রীন হাইড্রোজেনকে ভবিষ্যতের শক্তি বলা হচ্ছে।
কারণ—
এটি জিরো কার্বন
শিল্পক্ষেত্র ও যানবাহনে ব্যবহারযোগ্য
স্টিল, সার, কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রির বিকল্প শক্তি
সংস্থাটি মধ্যপ্রদেশে বেশ কয়েকটি গ্রীন হাইড্রোজেন ক্লাস্টার তৈরি করতে চায়।
যেখানে তৈরি হবে—
২জি ইথানল
মিথানল
সাসটেইনেবল এভিয়েশন ফুয়েল (SAF)
এসব জ্বালানি পরিবেশবান্ধব এবং ভবিষ্যতে পেট্রোল-ডিজেলের বিকল্প হয়ে উঠবে।
হায়দ্রাবাদ সফরে মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব স্পষ্টভাবে বলেন—
“মধ্যপ্রদেশকে গ্রীন এনার্জির রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। ভবিষ্যতে ভারত গ্রীন এনার্জির নেতৃত্ব দেবে, আর তার কেন্দ্রবিন্দু হবে মধ্যপ্রদেশ।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন—
এই ধরনের প্রকল্প নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াবে এবং রাজ্যে বড় বিনিয়োগ আনবে।
তিনি বলেন—
“আমরা চাই না অন্য রাজ্যের শিল্পগুলি বন্ধ হয়ে এখানে চলে আসুক। বরং আমরা চাই নতুন সুযোগ ও নতুন প্রযুক্তি নিয়ে নতুন শিল্প আসুক। মধ্যপ্রদেশ প্রস্তুত।”
বি-টেক, আইটি, বায়োটেক, ম্যানুফ্যাকচারিং, জ্বালানি, এভিয়েশনসহ নানা খাতে শিল্পপতিদের সঙ্গে আলোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী।
হায়দ্রাবাদের সংস্থাগুলো মধ্যপ্রদেশের বিনিয়োগ পরিবেশের প্রশংসা করে।
এ সময় বিনিয়োগকারীরা জানতে চান—
শিল্প নিরাপত্তা
জলসুবিধা
বিদ্যুৎ
জমি বরাদ্দ
কর সুবিধা
পরিবহন সুবিধা
সরকার নিশ্চিত করে—সমস্ত সুবিধা দ্রুত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় দেওয়া হবে।
গ্রীন এনার্জি প্রকল্পে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে লক্ষাধিক কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে।
এই প্রকল্পগুলো রাজ্যের রাজস্ব কয়েকগুণ বাড়াবে।
উঁচু মানের মেশিন
আধুনিক ল্যাব
আন্তর্জাতিক সহযোগিতা
এসবই আনবে নতুন যুগের প্রযুক্তি।
কার্বন নিঃসরণ কমবে
বায়ু দূষণ কমবে
পরবর্তী প্রজন্মের জন্য পরিবেশ রক্ষা হবে
বিশ্বজুড়ে নবায়নযোগ্য শক্তির বাজার দ্রুত বাড়ছে।
ভারত এখন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ সৌর শক্তি উৎপাদক।
মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যে গ্রীন এনার্জি প্রকল্প তৈরি হলে, ভারত—
আন্তর্জাতিক বাজারে শক্তিশালী অবস্থানে থাকবে
গ্রীন ফুয়েল রপ্তানি করতে পারবে
বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করবে
২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের ২৫% জ্বালানির উৎস হবে গ্রীন হাইড্রোজেন।
মধ্যপ্রদেশের আবহাওয়া, পানির উৎস, বসতি ও জমির পরিমাণ—
এ সবই এ শিল্পের জন্য উপযুক্ত।
গ্রীন হাইড্রোজেন উৎপাদন হলে—
যানবাহন
রেল
বিমান
কারখানা
এ সব ক্ষেত্রেই হবে শক্তির বিপ্লব।
বায়ো-রিফাইনারি প্ল্যান্ট খোলার ফলে—
আখ
ভুট্টা
কৃষিজ বর্জ্য
এসব থেকেই তৈরি হবে বায়োফুয়েল।
ফলে কৃষকরা অতিরিক্ত আয় পাবেন।
প্লাস্টিক ও কেমিক্যাল বর্জ্য কমবে
জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমবে
মধ্যপ্রদেশ গত ২০ বছরে শিল্পক্ষেত্রে অনেক এগিয়েছে।
কিন্তু এই গ্রীন এনার্জি প্রকল্প রাজ্যকে আরও এগিয়ে দেবে—
মেট্রো শহরের সঙ্গে যুক্ত করবে
বড় বিনিয়োগকারী আনবে
বহুজাতিক সংস্থাদের বিশ্বাস বাড়াবে
এটি মধ্যপ্রদেশকে ভারতের একটি “Green Industrial Powerhouse” বানাতে পারে।
হায়দ্রাবাদভিত্তিক সংস্থার গ্রীন এনার্জি প্রকল্প শুধু আর্থিক উন্নয়নই নয়, মধ্যপ্রদেশের সামাজিক ও পরিবেশগত কাঠামো পুরোপুরি বদলে দিতে সক্ষম।
মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের নেতৃত্বে রাজ্যকে গ্রীন এনার্জির কেন্দ্র বানানোর যে পরিকল্পনা শুরু হয়েছে—তা ভারতকে আগামী দশকে গ্লোবাল লিডার বানাতে সাহায্য করবে।
এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন হলে—
অর্থনীতি শক্তিশালী হবে
পরিকাঠামো উন্নত হবে
কর্মসংস্থান বাড়বে
পরিবেশ রক্ষা হবে
এভাবে মধ্যপ্রদেশ হয়ে উঠবে ভারতের নতুন Green Energy Capital।