Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

নিম্নচাপের জেরে আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা কতদিন চলবে এই বৃষ্টি-দুর্যোগ কোন কোন জেলায়

নিম্নচাপের প্রভাবে চলবে আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা। বৃষ্টির এই দুর্যোগ আগামী কয়েকদিন ধরে চলতে পারে বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। জানুন কোন কোন এলাকায় বেশি বৃষ্টি হবে এবং দুর্যোগের প্রভাব কতদিন স্থায়ী থাকতে পারে।

বিগত কয়েকদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গের আকাশে একটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে, যা বৃষ্টির পরিমাণ বৃদ্ধি করছে। এই নিম্নচাপের কারণে বৃষ্টির সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আগামী কয়েকদিন ধরে এই বৃষ্টি চলতে পারে। যদিও নিম্নচাপের প্রভাবের কারণে আকাশে মেঘাচ্ছন্ন পরিবেশ বিরাজ করছে, তবে এটি কেবল পশ্চিমবঙ্গ নয়, পূর্ব ভারতের অন্যান্য কিছু রাজ্যেও বৃষ্টির প্রবাহ নিয়ে আসবে।

নিম্নচাপের প্রভাব:

নিম্নচাপের কারণে আকাশে ঘন মেঘ জমে গিয়েছে, এবং বাতাসে আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ার কারণে বৃষ্টির প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে এই নিম্নচাপটি পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী অঞ্চলের দিকে চলে এসেছে এবং কিছুটা দুর্বল হতে হতে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। তবে এটি আবারও শক্তিশালী হয়ে বিভিন্ন জেলা ও শহরে বৃষ্টি বাড়াতে পারে।

নিম্নচাপের প্রভাবের কারণে, চলমান মৌসুমি বৃষ্টির অবস্থা আরও তীব্র হতে পারে। বিশেষ করে কিছু অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি, বজ্রপাত এবং ঝড় হতে পারে, যা কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করতে পারে। এই ধরনের বৃষ্টির প্রভাব আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।

কতদিন চলবে এই বৃষ্টি দুর্যোগ

আবহাওয়া বিভাগের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নিম্নচাপের প্রভাব আগামী ৪-৫ দিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। শুরুতেই পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলো এবং তারপর ধীরে ধীরে উত্তরবঙ্গের কিছু অঞ্চলেও বৃষ্টির প্রবাহ বেড়ে যেতে পারে। এই সময়ে বৃষ্টির কারণে জনজীবনে কিছুটা প্রভাব পড়বে।

আগামী কিছুদিনের মধ্যে, কলকাতা, হুগলি, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং নদীয়া জেলার মতো নিচু অঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে এবং কিছু এলাকায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলাতেও সামান্য বৃষ্টি হতে পারে, তবে এই অঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ একটু কম থাকবে।

বৃষ্টির প্রভাব এবং সতর্কতা:

এতদিন ধরে যে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে, তা কিছু জায়গায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে এবং নিচু অঞ্চলে বৃষ্টির কারণে রাস্তা এবং জনবসতিতে জল জমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরিবহণ ব্যবস্থা কিছুটা বিঘ্নিত হতে পারে এবং নানা স্থানে জলমগ্নতা তৈরি হতে পারে।

এছাড়া, বজ্রপাতের আশঙ্কাও রয়েছে। বিশেষত, পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণাঞ্চল এবং কিছু জেলার পাহাড়ি অঞ্চলে বজ্রপাতে ক্ষতি হতে পারে। সেই কারণে, আবহাওয়া বিভাগ সাধারণ জনগণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

গুড়িপাতা, ঝড় এবং বজ্রপাত:
বিশেষত দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হুগলি, এবং কলকাতার মতো অঞ্চলগুলোতে ঝড় এবং বজ্রপাতের সম্ভবনা বেশি। ফলে, এই এলাকার বাসিন্দাদের বাইরে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে, বিশেষ করে সন্ধ্যার পরে।

কোন কোন জেলায় প্রভাব পড়বে

এমন কিছু জেলা রয়েছে যেখানে বৃষ্টির প্রভাব বেশি হতে পারে। এই জেলা গুলো হলো:

  • কলকাতা: কলকাতার আকাশে মেঘাচ্ছন্ন অবস্থা বিরাজ করছে, এবং এই অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া, বজ্রপাতও হতে পারে।

  • হুগলি এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা: এই অঞ্চলে বেশ কিছু দিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে, এবং সামনের দিনে আরও ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

  • পূর্ব মেদিনীপুর এবং নদীয়া: বৃষ্টির কারণে নদী এলাকায় জল বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

  • উত্তর চব্বিশ পরগনা ও নদীয়া: ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

  • মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও বাঁকুড়া: এই অঞ্চলে অল্প বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, তবে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা কম।

  • উত্তরবঙ্গ: দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, এবং কোচবিহার জেলার পাহাড়ি অঞ্চলে কিছুটা বৃষ্টি হবে, তবে এই অঞ্চলে বিশেষ ভারী বৃষ্টি হবে না।

নিম্নচাপের প্রভাব থেকে সুরক্ষিত থাকার পরামর্শ

নিম্নচাপের প্রভাব থেকে সুরক্ষিত থাকার জন্য, আবহাওয়া বিভাগ কিছু সতর্কতা জারি করেছে:

  1. বাইরে বের হওয়া এড়িয়ে চলুন: বিশেষত বজ্রপাতের সময়, বাহিরে যাওয়ার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করুন।

  2. জলমগ্ন এলাকায় চলাফেরা না করা: সড়কগুলোতে জল জমে গেলে সেগুলোর মধ্যে চলাচল এড়িয়ে চলুন।

  3. বিদ্যুৎ সংযোগে সতর্কতা: বজ্রপাতের সময় বিদ্যুৎ সরঞ্জাম ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

  4. বৃষ্টির প্রস্তুতি বৃষ্টির কারণে আবাদি জমির ক্ষতি হতে পারে, তাই কৃষকদের সঠিক প্রস্তুতি নিতে বলা হচ্ছে।

নিষ্কর্ষ

নিম্নচাপের কারণে আগামী ৪-৫ দিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের কিছু অঞ্চলে। জনজীবনে কিছুটা বিঘ্ন ঘটতে পারে, তবে সতর্কতা মেনে চললে এর প্রভাব কমানো সম্ভব। আবহাওয়া বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

news image
আরও খবর

নিম্নচাপের প্রভাব এবং সুরক্ষিত থাকার পরামর্শ:

বর্তমান আবহাওয়া পরিস্থিতি সারা বাংলায় ভারী বৃষ্টির কারণে একে অপরকে প্রভাবিত করছে। বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ায় বৃষ্টির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আগামী কয়েকদিন এর প্রভাব চলবে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের কিছু অঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ বেশিই হতে পারে। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে, আবহাওয়া বিভাগ জনসাধারণকে সতর্ক থাকতে এবং নিচের কিছু পরামর্শ মেনে চলতে বলেছে যাতে তারা বিপদের মুখে না পড়েন।

নিম্নচাপের প্রভাবের মূল কারণ:

নিম্নচাপ একটি আবহাওয়ার বিশেষ ঘটনা যা সাধারণত বৃষ্টির প্রবাহের সৃষ্টি করে। এটি তখন ঘটে যখন বাতাসের চাপ কমে যায় এবং সমুদ্র থেকে আর্দ্রতা আরও বেশি পরিমাণে মেঘে জমে যায়, ফলে ভারী বৃষ্টি হয়। এই সময় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রপাতের সম্ভাবনা থাকে। বর্তমানে নিম্নচাপ পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে, যার কারণে রাজ্যের কিছু অঞ্চলে অতিরিক্ত বৃষ্টি হবে। মূলত, ৪-৫ দিন ধরে এই পরিস্থিতি চলতে পারে।

বৃষ্টির জন্য প্রস্তুতি এবং সতর্কতা:

নিম্নচাপের কারণে সৃষ্ট বৃষ্টি এবং বজ্রপাতের ফলে জনজীবনে বেশ কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে, যেমন জলাবদ্ধতা, রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের সমস্যা ইত্যাদি। এর ফলে, আবহাওয়া বিভাগ কিছু সতর্কতা জারি করেছে যাতে সাধারণ মানুষ এ ধরনের দুর্যোগের মুখে সুরক্ষিত থাকতে পারে।

  1. বাইরে বের হওয়া এড়িয়ে চলুন:
    বিশেষত বজ্রপাতের সময়, বাইরে গিয়ে কোনও কাজ না করার চেষ্টা করুন। বজ্রপাতের কারণে শারীরিক ক্ষতি হতে পারে, তাই নিরাপদ জায়গায় অবস্থান করুন। জনবহুল জায়গায় বা খোলা মাঠে থাকা থেকে বিরত থাকুন। বজ্রপাতের সময় খোলা স্থানে থাকার ক্ষেত্রে সুরক্ষিত কোনো জায়গায় আশ্রয় নিন, যেমন একটি বড় ভবনের ভিতরে অথবা একটি গুহার মধ্যে।

  2. জলমগ্ন এলাকায় চলাফেরা না করা:
    বৃষ্টির কারণে রাস্তা বা শহরাঞ্চলে জল জমে গিয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে। সড়কগুলোতে জল জমে গেলে সেগুলোর মধ্যে চলাফেরা করা অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে। কাঁদা বা জলাবদ্ধ সড়কে চলাচল করলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়। বিশেষত রাস্তার পাশে বা নিচু জায়গাগুলোতে সড়ক ডুবে যেতে পারে, তাই এ ধরনের জায়গায় চলাচল করার সময় সাবধান থাকুন।

  3. বিদ্যুৎ সংযোগে সতর্কতা:
    বজ্রপাতের সময় বিদ্যুৎ সরঞ্জাম ব্যবহার করা একেবারেই নিরাপদ নয়। বিদ্যুতের সংস্পর্শে আসার ফলে শক লাগতে পারে অথবা আগুনের ঘটনা ঘটতে পারে। তাই বজ্রপাতের সময় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রাখার চেষ্টা করুন। যদি বিদ্যুৎ সরঞ্জামের সমস্যা হয়, তাহলে দ্রুত বিদ্যুৎ বিভাগে যোগাযোগ করুন। এছাড়া, ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারের সময় সচেতন থাকুন এবং যদি সম্ভব হয়, বিদ্যুতের ঝুঁকি থেকে নিরাপদে থাকুন।

  4. বৃষ্টির জন্য কৃষকদের প্রস্তুতি:
    বিশেষ করে কৃষকদের জন্য, বৃষ্টির কারণে তাদের আবাদি জমির ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। অতিরিক্ত বৃষ্টি জমির উপরে জল জমিয়ে দিতে পারে এবং কৃষির জন্য গুরুত্বপূর্ণ শস্যের ক্ষতি করতে পারে। কৃষকদের সতর্ক থাকতে হবে এবং জমি পরিষ্কার এবং সঠিকভাবে প্রস্তুত রাখতে হবে। এতে করে আবাদি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম হবে এবং কৃষি উৎপাদন বজায় থাকবে। তাদের উচিত বৃষ্টির সময় আবাদি জমির উপর জল থেকে সুরক্ষিত করার জন্য কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করা, যেমন গর্ত বা সেচ ব্যবস্থা স্থাপন করা যাতে জল জমে না থাকে।

নিম্নচাপের প্রভাবের স্থায়ীত্ব:

এতদিন ধরে যে বৃষ্টির প্রবাহ চলছে, তা নিম্নচাপের কারণে আরও তীব্র হতে পারে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৪-৫ দিন ধরে বৃষ্টির প্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে, বিশেষ করে দক্ষিণ এবং পূর্ব পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। যেহেতু নিম্নচাপ শক্তিশালী হচ্ছে, এটি আরও কিছু সময় বৃষ্টি নিয়ে আসবে এবং আগামী কয়েকদিন পর্যন্ত এর প্রভাব থাকবে। তবে, সময়ের সাথে সাথে নিম্নচাপের শক্তি কমতে পারে, এবং বৃষ্টির প্রবাহও ধীরে ধীরে কমে যাবে।

কোন কোন জেলায় প্রভাব পড়বে

নিম্নচাপের প্রভাব আগামী কিছু দিন চলতে পারে, এবং বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের কিছু জেলা এতে বেশি আক্রান্ত হতে পারে। এই জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে:

  • কলকাতা: কলকাতা শহরে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, যার ফলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতে পারে। শহরের নিকটবর্তী অঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ বেশি হতে পারে।

  • দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা এবং হুগলি: এই দুটি জেলায় অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতা এবং রাস্তায় সমস্যা হতে পারে।

  • পূর্ব মেদিনীপুর, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ: এই অঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ কম হলেও কিছু এলাকায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

  • উত্তর ২৪ পরগনা ও বীরভূম: কিছু বৃষ্টির প্রবাহ এই অঞ্চলে আসতে পারে, তবে এই জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ কম থাকবে।

  • উত্তরবঙ্গ: বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, কোচবিহার এলাকায় পাহাড়ি বৃষ্টি হবে, কিন্তু এই অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির পরিমাণ কম হবে।

কীভাবে সুরক্ষিত থাকবেন

  • বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন।

  • বৃষ্টির কারণে আবাসিক এলাকা এবং সড়কগুলোতে জলাবদ্ধতা এড়াতে, নিচু এলাকাগুলোতে প্রবেশ না করার চেষ্টা করুন।

  • বজ্রপাতের সময় ঘরেই থাকুন এবং বাইরে বেরোবেন না।

  • কৃষকদের জন্য সেচ ব্যবস্থাপনা এবং জমি পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা করুন।

নিষ্কর্ষ:

নিম্নচাপের কারণে পশ্চিমবঙ্গের কিছু অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই বৃষ্টির দুর্যোগ আগামী কয়েকদিন চলতে পারে। জনজীবনে কিছুটা বিঘ্ন ঘটবে, তবে সঠিক সতর্কতা অবলম্বন করলে এর প্রভাব কমানো সম্ভব। সড়ক যোগাযোগে সমস্যা, জলাবদ্ধতা, বজ্রপাত এবং কৃষিক্ষেত্রে ক্ষতি হতে পারে। এর প্রভাব থেকে সুরক্ষিত থাকতে, আবহাওয়া বিভাগের দেয়া নির্দেশনা অনুসরণ করুন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সতর্ক থাকুন।


 

Preview image