হনুমানের চরিত্রকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া এই বিশেষ ছবিতে নাকি থাকছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সানি দেওল। খবর অনুযায়ী, খোদ হনুমানের ভূমিকাতেই তাকে দেখা যাবে। সঙ্গীতনির্ভর এই সিনেমায় হাল্কের মতো দারুণ ভিজ্যুয়াল এফেক্ট ও নাটকীয় একশন ভ্রমণ থাকবে। ফ্যানদের মধ্যে আগ্রহ আরও বাড়িয়েছে প্রশ্ন, ছবিতে সানি দেওল কীভাবে হনুমানের সঙ্গে জুড়ে দেবেন দর্শকদের মুগ্ধ করার গল্প?
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সানি দেওল এবার একেবারেই নতুন রূপে হাজির হতে যাচ্ছেন—তিনি অভিনয় করতে চলেছেন খোদ হনুমানের চরিত্রে। ‘গদর ২’-এর সাফল্যের পর থেকে সানির হাতে একের পর এক কাজ এসেছে, এবং তার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্ট হলো নিতেশ তিওয়ারির পরিচালনায় তৈরি হওয়া ‘রামায়ণ’। এই ছবির প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগে সানি দেওল ইতিমধ্যেই হনুমানের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। কিন্তু এখানেই থেমে থাকছেন না অভিনেতা; প্রযোজকরা এবার এমন একটি ছবি তৈরি করতে চলেছেন, যেখানে শুধু হনুমানের চরিত্রকে কেন্দ্র করে গল্প সাজানো হবে।
সঙ্গে থাকবে সঙ্গীতের বিশেষ বৈশিষ্ট্য—শোনা যাচ্ছে, ছবিতে অন্তত একটি ১২ মিনিটের গান থাকবে। ছবির ধারা ও ভিজ্যুয়াল প্রেজেন্টেশনে অনেকটা ‘অ্যাভেঞ্জার্স’-স্টাইল কাহিনী নির্মাণের ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ প্রতিটি ছোট গল্প বা দৃশ্যই মূল কাহিনীর সঙ্গে সুতোয় গাঁথা থাকবে। সূত্র জানিয়েছে, “হনুমান হলেন আমাদের হাল্ক। তাঁকে থামানো যায় না, আবার তিনি খুব স্নেহশীলও বটে।”
প্রযোজকরা জানিয়েছেন, ‘রামায়ণ’ ছবিতে হনুমানের চরিত্রটি যেভাবে লেখা হয়েছে, তা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে এই চরিত্রকে কেন্দ্র করে আলাদা ছবি তৈরি করা সম্ভব। সূত্রের মতে, প্রযোজকের পছন্দের তালিকায় প্রথমেই ছিলেন সানি দেওল। তাঁকে ছাড়া আর কেউ এই চরিত্রে মানানসই নয়—এটি নায়কের শারীরিক উপস্থিতি, একশন দক্ষতা এবং পারফরম্যান্সের গুণগত মান বিবেচনা করে নেওয়া সিদ্ধান্ত। সানির শক্তিশালী ফ্যানবেস ও অ্যাকশন হিরো হিসেবে পরিচিতি ছবির সাফল্যের সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
ছবিটি কেবল অ্যাকশন বা ধারা-প্রবাহের জন্য নয়, এটি সঙ্গীতনির্ভর হবে। ১২ মিনিটের গানসহ অন্যান্য সঙ্গীত অংশ সিনেমাটির মূল গল্পের সঙ্গে মিলিয়ে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশ তৈরি করবে। সঙ্গীতের মাধ্যমে চরিত্রের আবেগ, শক্তি এবং মানবিক দিক ফুটিয়ে তোলা হবে। সানির হনুমান চরিত্রকে আরও জীবন্ত করতে বিশেষভাবে সঙ্গীতের ব্যবহার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
জানা গেছে, ছবিতে হনুমানকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হবে, যা তাঁকে শুধুমাত্র শক্তিশালী সুপারহিরো হিসেবে নয়, বরং মানবিক ও স্নেহশীল চরিত্র হিসেবেও তুলে ধরবে। প্রযোজকের মতে, “হনুমান হলেন হাল্কের মতো অপ্রতিরোধ্য শক্তি, কিন্তু তাঁর হৃদয় অত্যন্ত কোমল। এই দ্বন্দ্বই চরিত্রটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।”
প্রযোজকরা স্পষ্ট করেছেন যে, ছবিতে ভিজ্যুয়াল এফেক্টকে কেন্দ্র করে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হবে। হনুমানের শক্তিশালী কায়দা, লাফ ও যুদ্ধের দৃশ্যগুলো অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে প্রদর্শিত হবে। সানির শারীরিক উপস্থিতি এবং একশন সিনগুলো দর্শকদের চোখে ধাক্কা দেওয়ার মতো হবে। এছাড়া, ছবির দৃশ্যগুলোর মধ্যে কমেডি, নাটকীয়তা ও আবেগের মিশ্রণ থাকবে, যাতে শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক সকল বয়সের দর্শক উপভোগ করতে পারেন।
সানি দেওল ইতিমধ্যেই বলিউডে এক শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছেন। তাঁর শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘জাট’ দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। এছাড়া ‘বর্ডার ২’-তেও তাকে দেখা যাবে। এই প্রজেক্টগুলো প্রমাণ করে যে, সানি দেওল নিয়মিতভাবে অ্যাকশন, নাটক ও ঐতিহাসিক চরিত্রে নিজেকে প্রমাণ করছেন। হনুমানের চরিত্রে অভিনয়ও তাঁর ক্যারিয়ারের একটি নতুন অধ্যায় শুরু করবে।
কেন্দ্রীয় চরিত্র: হনুমান
অভিনয় করছেন: সানি দেওল
ধারণা: হাল্কের মতো শক্তিশালী, কিন্তু মানবিক ও স্নেহশীল
সঙ্গীত: বিশেষভাবে অন্তর্ভুক্ত, অন্তত ১২ মিনিটের গান
ভিজ্যুয়াল এফেক্ট: অ্যাকশন দৃশ্য ও নাটকীয়তা বাস্তবসম্মত
অন্যান্য: ‘অ্যাভেঞ্জার্স’-স্টাইল সুতোয় গাঁথা কাহিনী
প্রজেক্টের ঘনিষ্ঠ সূত্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এই ছবি ‘রামায়ণ ইউনিভার্স’-এর অংশ হিসেবে তৈরি করা হচ্ছে। অর্থাৎ ভবিষ্যতে আরও চরিত্র ও গল্প এই ইউনিভার্সের মধ্যে যুক্ত হতে পারে। এমন পরিকল্পনা দর্শকদের জন্য একটি সুপরিকল্পিত, ধারাবাহিক এবং উত্তেজনাপূর্ণ সিনেমা অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।
ফ্যানদের মধ্যে আগ্রহ ইতিমধ্যেই অনেকটাই বেড়ে গেছে। প্রশ্ন উঠেছে, সানি দেওল কিভাবে হনুমানের শক্তি, গতিশীলতা ও মানবিক দিকগুলো ফুটিয়ে তুলবেন। বিশেষ করে শিশু, কিশোর এবং যুবক দর্শকরা এই ছবিকে দারুণভাবে গ্রহণ করবে বলে মনে করা হচ্ছে। সঙ্গীতনির্ভর দৃশ্যগুলোও এই অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
সানি দেওলের হনুমান চরিত্রের এই নতুন ছবি কেবল একটি সাধারণ চলচ্চিত্র নয়; এটি এক নতুন যুগের বলিউড প্রজেক্টের সূচনা। শক্তিশালী একশন, সঙ্গীত, ভিজ্যুয়াল এফেক্ট এবং মানবিক আবেগ—এই সব মিলিয়ে ছবিটি দর্শকদের জন্য একটি অ্যাপিক অভিজ্ঞতা উপস্থাপন করবে।
পরিশেষে বলা যায়, সানি দেওলকে হনুমান হিসেবে দেখা শুধু ফ্যানদের জন্য নয়, বরং পুরো বলিউডের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এটি দেখাবে, একজন অভিনেতা কীভাবে ক্লাসিক চরিত্রকে নতুন আঙ্গিকে জীবন দিতে পারে। ছবির মুক্তি এবং তার প্রতিক্রিয়া কবে হবে, তা এখনও অজানা, কিন্তু আগ্রহ ইতিমধ্যেই আকাশ ছুঁয়ে ফেলেছে।
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সানি দেওল এবার একেবারেই নতুন রূপে হাজির হতে যাচ্ছেন—তিনি অভিনয় করতে চলেছেন খোদ হনুমানের চরিত্রে। ‘গদর ২’-এর সাফল্যের পর থেকে সানির হাতে একের পর এক কাজ এসেছে, এবং তার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্ট হলো নিতেশ তিওয়ারির পরিচালনায় তৈরি হওয়া ‘রামায়ণ’। এই ছবির প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগে সানি দেওল ইতিমধ্যেই হনুমানের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। কিন্তু এখানেই থেমে থাকছেন না অভিনেতা; প্রযোজকরা এবার এমন একটি ছবি তৈরি করতে চলেছেন, যেখানে শুধু হনুমানের চরিত্রকে কেন্দ্র করে গল্প সাজানো হবে।
সঙ্গে থাকবে সঙ্গীতের বিশেষ বৈশিষ্ট্য—শোনা যাচ্ছে, ছবিতে অন্তত একটি ১২ মিনিটের গান থাকবে। ছবির ধারা ও ভিজ্যুয়াল প্রেজেন্টেশনে অনেকটা ‘অ্যাভেঞ্জার্স’-স্টাইল কাহিনী নির্মাণের ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ প্রতিটি ছোট গল্প বা দৃশ্যই মূল কাহিনীর সঙ্গে সুতোয় গাঁথা থাকবে। সূত্র জানিয়েছে, “হনুমান হলেন আমাদের হাল্ক। তাঁকে থামানো যায় না, আবার তিনি খুব স্নেহশীলও বটে।”
প্রযোজকরা জানিয়েছেন, ‘রামায়ণ’ ছবিতে হনুমানের চরিত্রটি যেভাবে লেখা হয়েছে, তা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে এই চরিত্রকে কেন্দ্র করে আলাদা ছবি তৈরি করা সম্ভব। সূত্রের মতে, প্রযোজকের পছন্দের তালিকায় প্রথমেই ছিলেন সানি দেওল। তাঁকে ছাড়া আর কেউ এই চরিত্রে মানানসই নয়—এটি নায়কের শারীরিক উপস্থিতি, একশন দক্ষতা এবং পারফরম্যান্সের গুণগত মান বিবেচনা করে নেওয়া সিদ্ধান্ত। সানির শক্তিশালী ফ্যানবেস ও অ্যাকশন হিরো হিসেবে পরিচিতি ছবির সাফল্যের সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
ছবিটি কেবল অ্যাকশন বা ধারা-প্রবাহের জন্য নয়, এটি সঙ্গীতনির্ভর হবে। ১২ মিনিটের গানসহ অন্যান্য সঙ্গীত অংশ সিনেমাটির মূল গল্পের সঙ্গে মিলিয়ে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশ তৈরি করবে। সঙ্গীতের মাধ্যমে চরিত্রের আবেগ, শক্তি এবং মানবিক দিক ফুটিয়ে তোলা হবে। সানির হনুমান চরিত্রকে আরও জীবন্ত করতে বিশেষভাবে সঙ্গীতের ব্যবহার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
জানা গেছে, ছবিতে হনুমানকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হবে, যা তাঁকে শুধুমাত্র শক্তিশালী সুপারহিরো হিসেবে নয়, বরং মানবিক ও স্নেহশীল চরিত্র হিসেবেও তুলে ধরবে। প্রযোজকের মতে, “হনুমান হলেন হাল্কের মতো অপ্রতিরোধ্য শক্তি, কিন্তু তাঁর হৃদয় অত্যন্ত কোমল। এই দ্বন্দ্বই চরিত্রটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।”
প্রযোজকরা স্পষ্ট করেছেন যে, ছবিতে ভিজ্যুয়াল এফেক্টকে কেন্দ্র করে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হবে। হনুমানের শক্তিশালী কায়দা, লাফ ও যুদ্ধের দৃশ্যগুলো অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে প্রদর্শিত হবে। সানির শারীরিক উপস্থিতি এবং একশন সিনগুলো দর্শকদের চোখে ধাক্কা দেওয়ার মতো হবে। এছাড়া, ছবির দৃশ্যগুলোর মধ্যে কমেডি, নাটকীয়তা ও আবেগের মিশ্রণ থাকবে, যাতে শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক সকল বয়সের দর্শক উপভোগ করতে পারেন।
সানি দেওল ইতিমধ্যেই বলিউডে এক শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছেন। তাঁর শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘জাট’ দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। এছাড়া ‘বর্ডার ২’-তেও তাকে দেখা যাবে। এই প্রজেক্টগুলো প্রমাণ করে যে, সানি দেওল নিয়মিতভাবে অ্যাকশন, নাটক ও ঐতিহাসিক চরিত্রে নিজেকে প্রমাণ করছেন। হনুমানের চরিত্রে অভিনয়ও তাঁর ক্যারিয়ারের একটি নতুন অধ্যায় শুরু করবে।
কেন্দ্রীয় চরিত্র: হনুমান
অভিনয় করছেন: সানি দেওল
ধারণা: হাল্কের মতো শক্তিশালী, কিন্তু মানবিক ও স্নেহশীল
সঙ্গীত: বিশেষভাবে অন্তর্ভুক্ত, অন্তত ১২ মিনিটের গান
ভিজ্যুয়াল এফেক্ট: অ্যাকশন দৃশ্য ও নাটকীয়তা বাস্তবসম্মত
অন্যান্য: ‘অ্যাভেঞ্জার্স’-স্টাইল সুতোয় গাঁথা কাহিনী
প্রজেক্টের ঘনিষ্ঠ সূত্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এই ছবি ‘রামায়ণ ইউনিভার্স’-এর অংশ হিসেবে তৈরি করা হচ্ছে। অর্থাৎ ভবিষ্যতে আরও চরিত্র ও গল্প এই ইউনিভার্সের মধ্যে যুক্ত হতে পারে। এমন পরিকল্পনা দর্শকদের জন্য একটি সুপরিকল্পিত, ধারাবাহিক এবং উত্তেজনাপূর্ণ সিনেমা অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।
ফ্যানদের মধ্যে আগ্রহ ইতিমধ্যেই অনেকটাই বেড়ে গেছে। প্রশ্ন উঠেছে, সানি দেওল কিভাবে হনুমানের শক্তি, গতিশীলতা ও মানবিক দিকগুলো ফুটিয়ে তুলবেন। বিশেষ করে শিশু, কিশোর এবং যুবক দর্শকরা এই ছবিকে দারুণভাবে গ্রহণ করবে বলে মনে করা হচ্ছে। সঙ্গীতনির্ভর দৃশ্যগুলোও এই অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
সানি দেওলের হনুমান চরিত্রের এই নতুন ছবি কেবল একটি সাধারণ চলচ্চিত্র নয়; এটি এক নতুন যুগের বলিউড প্রজেক্টের সূচনা। শক্তিশালী একশন, সঙ্গীত, ভিজ্যুয়াল এফেক্ট এবং মানবিক আবেগ—এই সব মিলিয়ে ছবিটি দর্শকদের জন্য একটি অ্যাপিক অভিজ্ঞতা উপস্থাপন করবে।
পরিশেষে বলা যায়, সানি দেওলকে হনুমান হিসেবে দেখা শুধু ফ্যানদের জন্য নয়, বরং পুরো বলিউডের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এটি দেখাবে, একজন অভিনেতা কীভাবে ক্লাসিক চরিত্রকে নতুন আঙ্গিকে জীবন দিতে পারে। ছবির মুক্তি এবং তার প্রতিক্রিয়া কবে হবে, তা এখনও অজানা, কিন্তু আগ্রহ ইতিমধ্যেই আকাশ ছুঁয়ে ফেলেছে।