Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

‘গর্ভপাতের মতো যন্ত্রণা’—অনুরাগের শোকে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার দাবি, আসলে কী ঘটেছিল?

গভীর মানসিক আঘাত তাঁকে ভেঙে দিয়েছিল ভেতর থেকে। অনুরাগ জানিয়েছেন, সেই যন্ত্রণা এতটাই তীব্র ছিল যে তিনি হৃদ রোগে পর্যন্ত আক্রান্ত হন। এমনকি সেই শোকের অনুভূতিকে তিনি তুলনা করেছেন গর্ভপাতের মতো অসহনীয় ক্ষতির সঙ্গে যা তাঁকে দীর্ঘদিন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে রেখেছিল।

‘গর্ভপাতের মতো যন্ত্রণা’—অনুরাগের শোকে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার দাবি, আসলে কী ঘটেছিল?
বিনোদন

সৃজন থেমে যাওয়ার শোক: ছবি মুক্তি আটকে মানসিক বিপর্যয়, হৃদ্‌রোগ—অনুরাগের কঠিন স্বীকারোকক্তি

সৃজনশীল মানুষরা তাঁদের কাজকে শুধু পেশা হিসেবে দেখেন না—তা হয়ে ওঠে আত্মার অংশ, জীবনের বিস্তার। সেই সৃষ্টিই যদি হঠাৎ থমকে যায়, যদি অদৃশ্য প্রাচীরের সামনে দাঁড়িয়ে যেতে হয়—তবে তার অভিঘাত কতটা গভীর হতে পারে? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পরিচালক Anurag Kashyap এমনই এক কঠিন সময়ের কথা শোনালেন। তাঁর দাবি, একটি ছবির মুক্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়ার পর মানসিক যন্ত্রণায় তিনি ভেঙে পড়েছিলেন—এমনকি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। সেই শোককে তিনি তুলনা করেছেন “গর্ভপাতের মতো” অনুভূতির সঙ্গে।


বিতর্ক, স্থগিত মুক্তি এবং অনিশ্চয়তার ছায়া

ঘটনার সূত্রপাত এক বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে। Tandav মুক্তির পর বিতর্কে জড়ায়। সিরিজ়ে অভিনয় করেছিলেন Saif Ali Khan ও Zeeshan Ayyub। সেই বিতর্কের আবহে একটি নির্দিষ্ট ওটিটি প্ল্যাটফর্ম একাধিক প্রজেক্টের মুক্তি আটকে দেয়। তার মধ্যেই ছিল অনুরাগের একটি বহু প্রতীক্ষিত কাজ।

এই অনিশ্চয়তা ছিল দীর্ঘ, নীরব, অস্পষ্ট। প্রথমে কোনও সুনির্দিষ্ট উত্তর আসেনি—হবে কি হবে না, মুক্তি পাবে কি পাবে না—এই ঝুলন্ত অবস্থাই মানসিকভাবে ভেঙে দেয় তাঁকে। “কোনও উত্তর না পাওয়া” যে কতটা ধ্বংসাত্মক হতে পারে, তা তিনি নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে বুঝেছেন।


‘ম্যাক্সিমাম সিটি’: ৯০০ পাতার স্বপ্ন

অনুরাগ যে প্রজেক্টটির কথা বলেছেন, সেটি ছিল Maximum City অবলম্বনে। বইটির লেখক Suketu Mehta। মুম্বই শহরের অন্ধকার, অপরাধজগত, স্বপ্নভঙ্গ ও বাস্তবতার বহুমাত্রিক কাহিনি নিয়ে লেখা এই বই আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত।

এই বই অবলম্বনে প্রায় ৯০০ পাতার একটি চিত্রনাট্য লিখেছিলেন অনুরাগ। এত বিশাল আকারের কাজ কেবল পেশাগত দায় নয়—এটি হয়ে ওঠে ব্যক্তিগত নিবেদন। দীর্ঘ গবেষণা, চরিত্র নির্মাণ, কাঠামো নির্মাণ—সব মিলিয়ে এটি ছিল তাঁর জীবনের বড় এক অধ্যায়। কিন্তু সেই অধ্যায় হঠাৎ থেমে যায়।

তিনি জানিয়েছেন, ছবিটি এগোবে না—এই খবর জানার পর যেন ভেতরটা ফাঁকা হয়ে যায়। “আমরা যখন নিজেদের কোনও ছবির কাছে সমর্পণ করে দিই, তখন সেই ছবিটা আমাদের কাছে সন্তানের মতো হয়ে ওঠে। এই যন্ত্রণা গর্ভপাতের মতো ছিল”—এই কথায় তাঁর আবেগের তীব্রতা স্পষ্ট।


মানসিক আঘাত থেকে শারীরিক বিপর্যয়

মানসিক যন্ত্রণা অনেক সময় শরীরেও প্রতিফলিত হয়। অনুরাগ জানিয়েছেন, এই সময় তিনি গভীর শোকে ডুবে ছিলেন। সেই মানসিক চাপে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন। চিকিৎসকের পরামর্শে ‘ব্লাড থিনার’ খেতে হয়। একটি ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় তাঁর হাঁপানি শুরু হয়। পরে স্টেরয়েডও নিতে হয়।

তিনি স্বীকার করেছেন, পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে গিয়েছিল যে নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। নিয়মিত মদ্যপান শুরু করেন, বাইরের খাবার খেতে থাকেন, জীবনযাত্রা পুরোপুরি এলোমেলো হয়ে যায়। “মাথাখারাপ হয়ে গিয়েছিল”—এই স্বীকারোক্তি তাঁর মানসিক অবস্থার গভীরতা বোঝায়।

একজন শিল্পীর কাছে সৃজনশীলতা থেমে যাওয়া কেবল একটি প্রজেক্ট বাতিল হওয়া নয়—এটি আত্মপরিচয়ের ভাঙনও বটে। কাজই যখন পরিচয়, তখন কাজের মৃত্যু যেন নিজের একাংশের মৃত্যু।


নীরবতার মানসিক অভিঘাত

এই ঘটনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল নীরবতা। অনুরাগ জানিয়েছেন, প্রজেক্ট নিয়ে প্রথমে কোনও উত্তর আসছিল না। সেই অনিশ্চয়তা তাঁকে আরও কুরে কুরে খাচ্ছিল। প্রত্যাখ্যানের থেকেও অনেক সময় অপেক্ষা ও অজানা ফলাফলের ভয় বেশি কষ্ট দেয়।

মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, দীর্ঘ অনিশ্চয়তা ‘ক্রনিক স্ট্রেস’ তৈরি করে। এতে শরীরে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়, যা হৃদ্‌যন্ত্রের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। অনুরাগের অভিজ্ঞতা যেন তারই বাস্তব উদাহরণ।

দীর্ঘ সময় ধরে একটি সৃজনপ্রকল্পে কাজ করার পর যদি তার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে, তখন শিল্পী নিজের অস্তিত্ব নিয়েই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন—“আমি কি ব্যর্থ?”, “আমার কাজের মূল্য কি নেই?”—এই আত্মসংশয় আরও গভীর করে মানসিক ক্ষত।


শয্যাশায়ী সময়, আর এক ফোনকল

এই কঠিন সময়েই একটি গুরুত্বপূর্ণ ফোনকল আসে। পরিচালক Zoya Akhtar তাঁকে প্রস্তাব দেন Made in Heaven সিরিজ়ে নিজের ভূমিকাতেই অভিনয় করার জন্য।

তখন অনুরাগ শয্যাশায়ী। হুইলচেয়ারে চলাফেরা করতেন। মানসিক ও শারীরিক ভাবে বিধ্বস্ত অবস্থায় ছিলেন। কিন্তু জ়োয়ার অনুরোধে শেষপর্যন্ত তিনি ঘর থেকে বেরোন। সেই বেরোনো ছিল শুধু একটি শুটিং নয়—জীবনের দিকে ফিরে তাকানোর এক চেষ্টা।

অনেক সময় বাইরের কেউ হাত বাড়িয়ে না দিলে, হতাশার অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন। জ়োয়ার সেই ফোনকল যেন তাঁকে মনে করিয়ে দিয়েছিল—তিনি এখনও প্রয়োজনীয়, এখনও প্রাসঙ্গিক।


শিল্পী ও সৃষ্টির সম্পর্ক: সন্তানের মতো কেন?

অনুরাগের “গর্ভপাতের মতো” মন্তব্য বিতর্ক তৈরি করলেও, এর ভিতরে রয়েছে এক গভীর শিল্পীসুলভ অনুভব। সৃজনশীল মানুষরা তাঁদের কাজকে ধারণ করেন দীর্ঘ সময় ধরে—ভাবনায়, আবেগে, শ্রমে। সেই কাজ যদি জন্মের আগেই থেমে যায়, তবে তা এক ধরনের অপূর্ণতা তৈরি করে।

সন্তান ধারণের সঙ্গে তুলনা করার মধ্যে রয়েছে সময়, যত্ন, প্রত্যাশা ও ভবিষ্যতের স্বপ্নের প্রতীকী ব্যঞ্জনা। কাজের মৃত্যু যেন সেই স্বপ্নের মৃত্যু। এই তুলনা মূলত অনুভূতির তীব্রতা বোঝাতে—একটি গভীর ক্ষতির রূপক।


ওটিটি, সৃজনস্বাধীনতা ও নিয়ন্ত্রণের প্রশ্ন

এই ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে—ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সৃজনশীল স্বাধীনতা কতটা? একটি বিতর্কের আবহে একাধিক প্রজেক্ট আটকে যাওয়া শিল্পীদের জন্য কতটা নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করে?

news image
আরও খবর

ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলি আজকের সময়ে সিনেমার বড় ভরসা। থিয়েটারনির্ভরতা কমিয়ে বহু নতুন নির্মাতাকে সুযোগ দিয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে কর্পোরেট সিদ্ধান্ত, রাজনৈতিক চাপ বা জনমতের চাপে প্রজেক্ট স্থগিত হয়ে গেলে শিল্পীর উপর তার প্রভাব ভয়াবহ হতে পারে।

অনুরাগের অভিজ্ঞতা তাই কেবল ব্যক্তিগত নয়—এটি বৃহত্তর সৃজনপরিসরেরও প্রতিফলন। প্রশ্ন ওঠে, শিল্পের স্বাধীনতা ও প্ল্যাটফর্মের দায়—দুটির মধ্যে ভারসাম্য কোথায়?


আত্মসমালোচনা ও পুনর্গঠন

নিজের পতনের কথাও অনুরাগ লুকোননি। অতিরিক্ত মদ্যপান, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন—সবকিছু তিনি খোলাখুলি বলেছেন। এই স্বীকারোক্তি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, মানসিক বিপর্যয়ের সময়ে মানুষ অনেক সময় ভুল সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু সেই ভুল থেকে বেরিয়ে আসাও এক ধরনের সাহস।

মনোবিদের সাহায্য নেওয়া তাঁর জন্য ছিল একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। ভারতে এখনও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা কম। সেখানে একজন পরিচিত পরিচালক নিজের চিকিৎসার কথা বলছেন—এটি অনেকের কাছে অনুপ্রেরণা হতে পারে। মানসিক আঘাত লুকিয়ে না রেখে, তা স্বীকার করা—এটাই সুস্থতার প্রথম ধাপ।


ভেঙে পড়া মানেই শেষ নয়

সবচেয়ে বড় কথা, ভেঙে পড়া মানেই শেষ নয়। জীবনের এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যখন মনে হয় সবকিছু থেমে গেছে। নিজের উপর আস্থা থাকে না, ভবিষ্যৎ অন্ধকার মনে হয়। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ আবার দাঁড়াতে শেখে। কখনও বন্ধুদের সহায়তায়, কখনও পরিবারের সমর্থনে, কখনও কাজের মাধ্যমে—ধীরে ধীরে পুনর্গঠন শুরু হয়।

অনুরাগের ক্ষেত্রেও সেই প্রক্রিয়া রাতারাতি ঘটেনি। শারীরিক অসুস্থতা কাটাতে সময় লেগেছে, মানসিক ভাবে স্থিত হতে সময় লেগেছে। নিজের অভ্যাস বদলাতে হয়েছে, চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, নিজেকে আবার বিশ্বাস করতে শিখতে হয়েছে।

একজন শিল্পীর কাছে প্রত্যেকটি কাজ নতুন জন্মের মতো। একটি প্রজেক্ট থেমে গেলে অন্য কোনও ভাবনা, অন্য কোনও গল্প হয়তো অপেক্ষা করে। সৃষ্টিশীলতা কখনও পুরোপুরি নিঃশেষ হয় না। কখনও তা স্তব্ধ থাকে, কিন্তু একসময় আবার স্রোতের মতো ফিরে আসে।

এই অভিজ্ঞতা আমাদের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক মনে করিয়ে দেয়—সাফল্য যেমন মানুষকে তৈরি করে, তেমনি ব্যর্থতাও মানুষকে নতুন করে গড়ে তোলে। ভাঙন অনেক সময় মানুষকে নিজের ভেতরের শক্তি চিনতে শেখায়। হতাশার অন্ধকার পেরিয়ে যে আলোতে পৌঁছনো যায়, তার মূল্য আলাদা।

মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে খোলামেলা আলোচনা আজকের সময়ে অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে সৃজনশীল পেশায়, যেখানে অনিশ্চয়তা, প্রত্যাখ্যান ও চাপ নিত্যসঙ্গী। অনুরাগের মতো একজন প্রতিষ্ঠিত নির্মাতা যখন নিজের দুর্বলতার কথা বলেন, তখন তা অন্যদের জন্য সাহস জোগাতে পারে। “আমি একা নই”—এই অনুভূতিটাই অনেক সময় সবচেয়ে বড় শক্তি।

শেষ পর্যন্ত, এই কাহিনি শুধু একটি ছবি স্থগিত হওয়ার গল্প নয়। এটি মানুষের সহনশীলতা, পতন ও পুনরুত্থানের গল্প। এটি মনে করিয়ে দেয়—স্বপ্ন ভাঙতে পারে, কিন্তু স্বপ্ন দেখার ক্ষমতা ভাঙে না। সৃজন থেমে যেতে পারে, কিন্তু স্রষ্টার ভেতরের আগুন নিভে যায় না। আর সেই আগুনই একদিন আবার নতুন গল্পের জন্ম দেয়।

কাজের মাধ্যমে ফেরার চেষ্টা

‘মেড ইন হেভেন’-এ উপস্থিতি হয়তো ছোট ছিল, কিন্তু প্রতীকী ছিল বড়। ঘরবন্দি অবস্থা থেকে বেরিয়ে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো—এ যেন আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার প্রথম ধাপ।

সৃজনশীল মানুষদের কাছে কাজই ওষুধ। নতুন কাজ, নতুন সহযোগিতা, নতুন ভাবনা—এগুলোই ধীরে ধীরে ভাঙন জোড়া লাগায়। একটি ব্যর্থতা বা স্থগিত প্রকল্প শেষ কথা নয়—এই উপলব্ধি সময় নেয়, কিন্তু সম্ভব।


শোক থেকে শিক্ষা

অনুরাগের অভিজ্ঞতা আমাদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়—

মানসিক স্বাস্থ্য অবহেলা করলে শারীরিক প্রভাব পড়তে পারে।

অনিশ্চয়তা ও নীরবতা অনেক সময় প্রত্যাখ্যানের থেকেও কঠিন।

সাহায্য চাইতে লজ্জা নেই।

শিল্পীর কাজ তাঁর অস্তিত্বের সঙ্গে জড়িত—তাই তার ব্যর্থতা ব্যক্তিগত আঘাত হয়ে ওঠে।

সবচেয়ে বড় কথা, ভেঙে পড়া মানেই শেষ নয়। পুনর্গঠন সম্ভব, যদি সমর্থন, সচেতনতা ও আত্মসমালোচনার সাহস থাকে।


শোক, শিক্ষা ও শক্তি

Anurag Kashyap-এর এই অভিজ্ঞতা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—শিল্পীর হাসির আড়ালে কত অদৃশ্য লড়াই লুকিয়ে থাকে। একটি প্রজেক্ট থেমে যাওয়া, একটি স্বপ্ন ভেঙে যাওয়া—এগুলো কেবল পেশাগত ব্যর্থতা নয়, ব্যক্তিগত আঘাতও।

মানসিক যন্ত্রণা শরীরে প্রভাব ফেলতে পারে—এই কথাও তাঁর অভিজ্ঞতা থেকে স্পষ্ট। কিন্তু একই সঙ্গে এটি শেখায়, সাহায্য চাইতে লজ্জা নেই। ভেঙে পড়া থেকে আবার উঠে দাঁড়ানো সম্ভব।

শিল্প, সহমর্মিতা, বন্ধুত্ব ও আত্মবিশ্বাস—এই চারটি শক্তিই হয়তো তাঁকে ফের জীবনের পথে ফিরিয়েছে। সৃজন থেমে যেতে পারে, কিন্তু স্রষ্টার ইচ্ছাশক্তি থেমে থাকে না—এই বিশ্বাসই হয়তো শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় আশ্রয়।

Preview image