হরিয়ানভি মিউজ়িক ভিডিয়ো ‘টটীরী’ ঘিরে বিপাকে র‍্যাপার বাদশা। বিতর্কের জেরে সমাজমাধ্যমে সরাসরি তাঁকে হুঁশিয়ারি দিল হরিয়ানা পুলিশ।
হরিয়ানভি মিউজ়িক ভিডিয়ো ‘টটীরী’ ঘিরে বিতর্কে জড়ালেন জনপ্রিয় র্যাপার Badshah। নারীশরীর নিয়ে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ গান তৈরির অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের জেরে আইনি জটিলতায় পড়তে হয়েছে গায়ককে।
এই ঘটনায় Panchkula-র থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৬, ৩ এবং ৪ নম্বর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগামী ১৩ মার্চ সকাল ১১টায় Panipat-এর ডিসি অফিসে শুনানির জন্য তলব করা হয়েছে তাঁকে। এরই মধ্যে গায়কের বিরুদ্ধে ‘লুক আউট’ নোটিস জারি করেছে Haryana Police।
অভিযোগ, বাদশার ‘টটীরী’ গানে স্কুলের পোশাক পরা কয়েকজন মেয়েকে দেখানো হয়েছে। ভিডিয়োতে দেখা যায়, তাঁরা কাঁধের ব্যাগ নামিয়ে হঠাৎ গানের সঙ্গে নাচতে শুরু করছেন। অভিযোগকারীদের দাবি, এই ধরনের দৃশ্য সমাজে ভুল বার্তা ছড়াতে পারে। পাশাপাশি গানে আপত্তিকর ভাষা ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে।
গত শুক্রবার পঞ্চকুলার সেক্টর ২০-এর সাইবার ক্রাইম থানায় অভয় চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি প্রথম অভিযোগ দায়ের করেন। অন্য দিকে, Haryana State Commission for Women-ও গানটির ভাষা এবং ভিডিয়ো প্রকাশ নিয়ে আপত্তি তুলেছে। কমিশনের দাবি, গানটি ভারতীয় সংস্কৃতি, রীতিনীতি এবং সামাজিক শালীনতার সঙ্গে একেবারেই অসঙ্গত।
এই ঘটনার পর হরিয়ানা পুলিশের সমাজমাধ্যমের পাতায় সরাসরি বাদশাকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সেখানে জানানো হয়েছে, অশ্লীল ও আপত্তিকর গান প্রকাশের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি করা হয়েছে এবং যে কোনও সময় তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে।
এ ছাড়াও, বিতর্কের জেরে বাদশার ‘টটীরী’ গানটি বিভিন্ন সমাজমাধ্যমের প্ল্যাটফর্ম থেকে ইতিমধ্যেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
গত শুক্রবার Panchkula-র সেক্টর ২০-এর সাইবার ক্রাইম থানায় অভয় চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি প্রথম অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, হরিয়ানভি মিউজ়িক ভিডিয়ো ‘টটীরী’-তে এমন কিছু দৃশ্য এবং ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে যা সমাজে ভুল বার্তা ছড়াতে পারে এবং বিশেষ করে অল্পবয়সিদের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, গানটির কয়েকটি অংশে নারীদের উপস্থাপন করা হয়েছে এমনভাবে, যা অনেকের কাছে আপত্তিকর এবং শালীনতার পরিপন্থী বলে মনে হয়েছে।
এই অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে Haryana Police। অভিযোগকারীর দাবি, বিনোদনের নামে এমন ধরনের বিষয়বস্তু প্রচার করা হলে তা সমাজে নারীদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রভাবিত করতে পারে। ফলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
অন্য দিকে, Haryana State Commission for Women-ও এই ঘটনায় সরব হয়েছে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ‘টটীরী’ গানটির ভাষা ও ভিডিয়োর উপস্থাপনা নিয়ে তারা গুরুতর আপত্তি জানিয়েছে। কমিশনের বক্তব্য, ভারতীয় সংস্কৃতি, রীতিনীতি এবং সামাজিক শালীনতার সঙ্গে এই ধরনের গানের বিষয়বস্তু কোনওভাবেই সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তাদের দাবি, জনপ্রিয় শিল্পীরা সমাজে বড় প্রভাব ফেলেন। তাই তাঁদের তৈরি করা গান বা ভিডিয়োর বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রেও একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা থাকা প্রয়োজন।
কমিশনের একাধিক সদস্যের বক্তব্য, বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গান ও ভিডিয়ো খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং তা লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। ফলে কোনও বিষয় যদি আপত্তিকর বা বিভ্রান্তিকর হয়, তবে তা অল্প সময়ের মধ্যেই বড় আকারে বিতর্ক তৈরি করতে পারে। সেই কারণেই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে তারা মনে করছে।
এই ঘটনার পর হরিয়ানা পুলিশের তরফে সমাজমাধ্যমে একটি সতর্কবার্তাও প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে সরাসরি র্যাপার Badshah-কে উদ্দেশ্য করে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অশ্লীল ও আপত্তিকর গানের অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
পুলিশের ওই বার্তায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গায়ক যদি তদন্তে সহযোগিতা না করেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে আরও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। সেই প্রেক্ষিতেই তাঁর বিরুদ্ধে ‘লুক আউট’ নোটিস জারি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সাধারণত কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত চলাকালীন তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারেন— এমন আশঙ্কা থাকলে এই ধরনের নোটিস জারি করা হয়।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘লুক আউট’ নোটিস জারি হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির চলাচলের উপর নজরদারি বাড়ানো হয় এবং প্রয়োজনে বিমানবন্দর বা সীমান্ত চেকপোস্টে তাঁকে আটক করা যেতে পারে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বাদশার তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এ দিকে, অভিযোগ ওঠার পর থেকেই গানটি নিয়ে বিতর্ক ক্রমশ বাড়তে শুরু করে। সমাজমাধ্যমে অনেকেই গানটির ভাষা ও ভিডিয়োর কিছু দৃশ্য নিয়ে সমালোচনা করতে থাকেন। আবার অন্য একাংশের মতে, এটি একটি বিনোদনমূলক গান এবং তাকে এতটা বড় বিতর্কে টেনে আনা ঠিক নয়।
তবে অভিযোগ এবং সমালোচনার জেরে গানটি বিভিন্ন সমাজমাধ্যমের প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। একাধিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আগে যেখানে গানটি সহজেই পাওয়া যাচ্ছিল, এখন সেখানে তা আর দেখা যাচ্ছে না। যদিও গানটি সরানো হয়েছে কি না, তা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মগুলির তরফে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
সংগীতজগতের অনেকেই মনে করছেন, এই ঘটনা আবারও সেই পুরনো বিতর্ককে সামনে এনে দিয়েছে— শিল্পের স্বাধীনতা বনাম সামাজিক দায়বদ্ধতা। অনেক শিল্পীর মতে, গান বা সিনেমা তৈরির ক্ষেত্রে সৃজনশীল স্বাধীনতা থাকা জরুরি। আবার অন্যদের মতে, জনপ্রিয় মাধ্যমগুলিতে এমন কিছু দেখানো বা বলা উচিত নয় যা সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
উল্লেখ্য, বাদশা দীর্ঘদিন ধরেই ভারতীয় সংগীত জগতে একটি পরিচিত নাম। তাঁর একাধিক হিন্দি ও পাঞ্জাবি গান ইতিমধ্যেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বিভিন্ন চলচ্চিত্রেও তাঁর গান ব্যবহার হয়েছে এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্য। তবে এর আগেও তাঁর কিছু গানকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ‘টটীরী’ গানকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া এই বিতর্ক কত দূর গড়ায়, তা এখন দেখার বিষয়। আইনি প্রক্রিয়া এগোলে তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অন্য দিকে, অনেকেই মনে করছেন এই ঘটনা সংগীত জগতের শিল্পীদের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবেও কাজ করতে পারে। কারণ, বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কোনও গান বা ভিডিয়ো প্রকাশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। ফলে বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রে আরও সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।
সব মিলিয়ে, একটি মিউজ়িক ভিডিয়োকে ঘিরে শুরু হওয়া এই বিতর্ক এখন আইনি মোড় নিয়েছে। অভিযোগ, তদন্ত, কমিশনের হস্তক্ষেপ এবং পুলিশের পদক্ষেপ— সব মিলিয়ে বিষয়টি এখন যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আগামী দিনে এই ঘটনার কী পরিণতি হয়, সেদিকেই নজর থাকবে সংগীতজগত এবং সাধারণ মানুষের।
বর্তমান পরিস্থিতিতে হরিয়ানভি গান ‘টটীরী’-কে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক কতটা বড় আকার নেবে, তা এখন সময়ই বলবে। অভিযোগের জেরে ইতিমধ্যেই আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং তদন্ত চালাচ্ছে Haryana Police। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, প্রাপ্ত অভিযোগ এবং প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির উপর নির্ভর করেই পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। ফলে গোটা বিষয়টি এখন প্রশাসনের নজরদারিতেই রয়েছে।
এই ঘটনায় আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন জনপ্রিয় র্যাপার Badshah। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, সংশ্লিষ্ট গানে এমন কিছু ভাষা ও উপস্থাপনা রয়েছে যা অনেকের কাছে আপত্তিকর বলে মনে হয়েছে। বিশেষ করে নারীশরীরকে ঘিরে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য এবং ভিডিয়োর কিছু দৃশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। তাঁদের দাবি, জনপ্রিয় শিল্পীদের তৈরি গান বা ভিডিয়ো সমাজে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। তাই বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রে আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন।
অন্য দিকে, এই বিতর্ক সামনে আসার পর থেকেই সমাজমাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। একাংশের মতে, এটি সম্পূর্ণভাবে শিল্পীর সৃজনশীলতার অংশ এবং বিনোদনের উদ্দেশ্যেই গানটি তৈরি করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, কোনও গান বা শিল্পকর্মকে অতিরিক্তভাবে বিচার করলে শিল্পের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত হতে পারে। আবার অন্য একাংশের মত, জনপ্রিয় মাধ্যমের বিষয়বস্তু সমাজের মূল্যবোধকে প্রভাবিত করতে পারে। সেই কারণে শিল্পীদেরও একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা থাকা উচিত।
এই প্রসঙ্গে অনেকেই মনে করছেন, বর্তমান ডিজিটাল যুগে একটি গান বা ভিডিয়ো প্রকাশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম এবং শর্ট ভিডিও অ্যাপের মাধ্যমে সেই বিষয়বস্তু খুব দ্রুত ভাইরাল হয়ে যেতে পারে। ফলে কোনও কনটেন্ট যদি বিতর্কিত বা আপত্তিকর বলে মনে হয়, তা মুহূর্তের মধ্যেই বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।
সংগীত জগতের বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনাটি শিল্পীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তাও হতে পারে। কারণ, এখন গান বা ভিডিয়ো প্রকাশের ক্ষেত্রটি আগের তুলনায় অনেক বেশি উন্মুক্ত এবং দ্রুতগতির। আগে যেখানে একটি গান জনপ্রিয় হতে সময় লাগত, এখন সেখানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারে। ফলে কনটেন্ট তৈরির ক্ষেত্রে আরও সচেতনতা এবং দায়িত্বশীলতা প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।
অনেকের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই দ্রুত প্রসারের ফলে শিল্পীদের কাজের উপর জনসাধারণের নজরও আগের তুলনায় অনেক বেশি বেড়েছে। ফলে কোনও গান বা ভিডিয়ো প্রকাশ পাওয়ার পর তা নিয়ে আলোচনা, সমালোচনা এবং বিতর্ক— সব কিছুই খুব দ্রুত সামনে চলে আসে। কখনও কখনও সেই বিতর্ক আইনি পর্যায়েও পৌঁছে যেতে পারে, যেমনটি এই ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে।
অন্য দিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও সামনে এসেছে শিল্পের স্বাধীনতা এবং সামাজিক শালীনতার প্রশ্ন। একদল মানুষের মতে, শিল্পের ক্ষেত্রটি এমন হওয়া উচিত যেখানে সৃজনশীলতার পূর্ণ স্বাধীনতা থাকবে। আবার অন্যদের মতে, সমাজের মূল্যবোধ এবং সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা কখনও কখনও কঠিন হয়ে দাঁড়ায়, এবং তখনই এই ধরনের বিতর্ক তৈরি হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সংগীত বা বিনোদনের জগতে কাজ করা শিল্পীরা প্রায়শই তরুণ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠেন। তাঁদের গান, স্টাইল বা বক্তব্য অনেকেই অনুসরণ করেন। ফলে শিল্পীদের তৈরি কনটেন্টের প্রভাবও বিস্তৃত হতে পারে। এই কারণেই অনেকেই মনে করেন, জনপ্রিয় শিল্পীদের কাজের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট মাত্রার সামাজিক দায়িত্ববোধ থাকা প্রয়োজন।
এ ছাড়াও, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গান, সিনেমা বা ওয়েব কনটেন্টকে ঘিরে যে ধরনের বিতর্ক তৈরি হচ্ছে, তা থেকেও বোঝা যায় যে দর্শকদের সংবেদনশীলতা এবং সচেতনতা আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। অনেক সময় কোনও দৃশ্য বা বক্তব্যকে কেন্দ্র করে অভিযোগ দায়ের হওয়া বা আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ঘটনাও সামনে আসে।
এই প্রেক্ষাপটে ‘টটীরী’ গানকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিও এখন আইনি পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। অভিযোগ দায়ের, তদন্ত শুরু, বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিক্রিয়া এবং পুলিশের পদক্ষেপ— সব মিলিয়ে বিষয়টি এখন বেশ গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। তদন্তের ফলাফলের উপরই নির্ভর করবে ভবিষ্যতে এই ঘটনার গতিপথ কী হবে।
সব মিলিয়ে, একটি মিউজ়িক ভিডিয়োকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্ক এখন সংগীত জগত, সমাজমাধ্যম এবং প্রশাসনিক স্তর— তিন ক্ষেত্রেই আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। আগামী দিনে তদন্তের অগ্রগতি এবং আইনি প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেদিকেই নজর রাখছে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সংগীতজগতের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা।
বর্তমানে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং এই বিতর্ক শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, তা সময়ই স্পষ্ট করে দেবে। তবে এই ঘটনা যে বিনোদন জগতের কনটেন্ট নির্মাণ এবং তার সামাজিক প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে, তা বলাই যায়।