Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারত বনাম নিউ জ়িল্যান্ড এক কারণেই কিউইদের নিয়ে চিন্তায় গম্ভীর

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে লক্ষাধিক দর্শকের চাপ সামলাতে হবে সূর্যকুমার যাদবদের  রাচিন রবীন্দ্রকে সামলানোর পাশাপাশি নিউ জ়িল্যান্ডের আর এক শক্তিকেই বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে ভারতীয় শিবির।

আবারও ইতিহাসের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে ভারতীয় ক্রিকেট দল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে নিউ জ়িল্যান্ডকে হারাতে পারলেই বিশ্বচ্যাম্পিয়নের খেতাব ধরে রাখবেন সূর্যকুমার যাদবরা। টুর্নামেন্টের শুরু থেকে যে ধারাবাহিকতা এবং আত্মবিশ্বাস নিয়ে ভারত খেলেছে, তাতে ফাইনালে ভারতকেই এগিয়ে রাখা হচ্ছে। কিন্তু ক্রিকেট এমন একটি খেলা যেখানে এক মুহূর্তেই ম্যাচের রং বদলে যেতে পারে। আর সেই সম্ভাবনার কারণ হিসেবেই নিউ জ়িল্যান্ডকে নিয়ে সতর্ক ভারতীয় শিবির।

এই ফাইনাল শুধুমাত্র একটি ট্রফির লড়াই নয়। এটি দুই শক্তিশালী ক্রিকেট সংস্কৃতির মুখোমুখি হওয়া। একদিকে ভারতের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং ও বৈচিত্র্যময় বোলিং, অন্যদিকে নিউ জ়িল্যান্ডের পরিকল্পিত ক্রিকেট, শৃঙ্খলাবদ্ধ দলগত পারফরম্যান্স। এই দুই দর্শনের সংঘর্ষই রবিবারের ফাইনালকে বিশেষ করে তুলেছে।

ভারতের সামনে সুযোগ রয়েছে টানা সাফল্যের ধারাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। গত বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালেও নিউ জ়িল্যান্ডকেই হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল ভারত। সেই স্মৃতি এখনও টাটকা। কিন্তু ঠিক সেই কারণেই কিউইরা আরও বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। প্রতিশোধের মনোভাব এবং আত্মপ্রমাণের তাগিদ নিয়ে মাঠে নামবে তারা।


ভারতের ধারাবাহিকতা

এই বিশ্বকাপে ভারতের পারফরম্যান্স নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। গ্রুপ পর্ব থেকে শুরু করে সেমিফাইনাল পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই নিজেদের আধিপত্য দেখিয়েছে সূর্যকুমার যাদবের দল।

ব্যাটিংয়ে সূর্যকুমার, যশস্বী জয়সওয়াল, ঋষভ পন্তরা দলকে বারবার শক্ত ভিত এনে দিয়েছেন। মিডল অর্ডারে দ্রুত রান তোলার ক্ষমতা ভারতের অন্যতম বড় শক্তি। একই সঙ্গে বোলিং বিভাগেও রয়েছে গভীরতা। জসপ্রীত বুমরাহ, অর্শদীপ সিংহ, কুলদীপ যাদব— প্রত্যেকেই ম্যাচের মোড় ঘোরানোর ক্ষমতা রাখেন।

বিশ্বকাপের আগে নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ়ে ৪–১ ব্যবধানে জিতেছিল ভারত। সেই ফলাফলও ভারতকে মানসিক ভাবে এগিয়ে রাখছে। কিন্তু ফাইনালের চাপ এবং পরিস্থিতি সবসময় আলাদা। সেই কারণে আত্মতুষ্টিতে ভুগতে রাজি নয় ভারতীয় দল।


গম্ভীরের সতর্ক বার্তা

ভারতীয় দলের কোচ গৌতম গম্ভীর জানেন, ফাইনালের মতো বড় ম্যাচে ছোট ভুলও মারাত্মক হতে পারে। তাই প্রতিপক্ষকে এক মুহূর্তের জন্যও হালকা ভাবে নিচ্ছেন না তিনি।

বিশেষ করে নিউ জ়িল্যান্ডের ওপেনিং জুটিকে নিয়ে বাড়তি চিন্তা রয়েছে ভারতীয় শিবিরে। ফিন অ্যালেন এবং টিম সেইফার্ট— এই দুই ব্যাটারই এবারের বিশ্বকাপে বিধ্বংসী ফর্মে রয়েছেন। ম্যাচের শুরুতেই প্রতিপক্ষের বোলিং আক্রমণ ভেঙে দিতে পারার ক্ষমতা রয়েছে তাঁদের।

গম্ভীর জানেন, যদি শুরুতেই এই দুই ব্যাটারকে আটকানো না যায়, তবে ম্যাচ ভারতের হাত থেকে বেরিয়েও যেতে পারে।


কিউইদের আসল শক্তি: ওপেনিং জুটি

নিউ জ়িল্যান্ড বরাবরই দলগত ক্রিকেটের জন্য পরিচিত। কিন্তু এবারের বিশ্বকাপে তাদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হয়ে উঠেছে ওপেনিং জুটি।

ফিন অ্যালেন এবং টিম সেইফার্ট— দু’জনেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে ভালোবাসেন। পাওয়ারপ্লের প্রথম ছয় ওভারে ম্যাচের গতি বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে তাঁদের।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে এই জুটির বিধ্বংসী ব্যাটিংই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। ইডেন গার্ডেন্সে সেই ম্যাচে শুরু থেকেই দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের উপর চাপ সৃষ্টি করেন তাঁরা।


টিম সেইফার্টের দুরন্ত ফর্ম

বিশ্বকাপের শুরু থেকেই দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন টিম সেইফার্ট। ধারাবাহিক রান করে তিনি কিউই ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড হয়ে উঠেছেন।

এখন পর্যন্ত আটটি ম্যাচে ২৭৪ রান করেছেন তিনি। গড় ৪৫.৬৬ এবং স্ট্রাইক রেট ১৬১.১৭— টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এই পরিসংখ্যানই বলে দেয় কতটা কার্যকর তিনি।

তিনটি অর্ধশতরানও করেছেন সেইফার্ট। সবচেয়ে বড় কথা, কঠিন পরিস্থিতিতেও ঠান্ডা মাথায় ব্যাট করতে পারেন তিনি। এই কারণেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার প্রতিযোগিতার সেরা ক্রিকেটারের সম্ভাব্য তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে।

ফাইনালেও তিনি ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারেন— এটাই ভারতের চিন্তার কারণ।


ফিন অ্যালেন: বিধ্বংসী ওপেনার

টিম সেইফার্ট যতটা ধারাবাহিক, ফিন অ্যালেন ততটাই বিস্ফোরক। কয়েক ওভারের মধ্যেই ম্যাচের ছবি পাল্টে দিতে পারেন তিনি।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে ৩৩ বলে অপরাজিত ১০০ রান করে সবাইকে চমকে দিয়েছেন অ্যালেন। মাঠের চারদিকে শট খেলার অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে তাঁর।

ফাস্ট বোলার হোক বা স্পিনার— কাউকেই ছাড় দেন না তিনি। পাওয়ারপ্লেতে বাউন্ডারি আর ছক্কার বৃষ্টি নামাতে পারলে প্রতিপক্ষের পরিকল্পনা ভেঙে পড়ে।

ফাইনালেও ঠিক এমনটাই করার চেষ্টা করবেন অ্যালেন।


বুমরাহ-অর্শদীপের দায়িত্ব

ভারতের বোলিং আক্রমণের উপরই অনেকটা নির্ভর করবে ম্যাচের ফল। বিশেষ করে নতুন বলে জসপ্রীত বুমরাহ এবং অর্শদীপ সিংহকে বড় ভূমিকা নিতে হবে।

তাঁদের লক্ষ্য থাকবে যত দ্রুত সম্ভব অ্যালেন ও সেইফার্টকে ফিরিয়ে দেওয়া। কারণ এই দুই ব্যাটারের মধ্যে কেউ একজন দীর্ঘক্ষণ উইকেটে থাকলে ম্যাচ ভারতের হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।

বুমরাহর নিখুঁত লাইন-লেন্থ এবং অর্শদীপের সুইং— এই দুই অস্ত্রই কাজে লাগাতে হবে।


কৌশলই নির্ধারণ করবে ম্যাচ

ফাইনালের মতো ম্যাচে কৌশল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারতকে শুরু থেকেই পরিকল্পনা মাফিক বোলিং করতে হবে।

পাওয়ারপ্লেতে বাউন্ডারি আটকানো, ফিল্ডিংয়ে তৎপরতা এবং চাপ তৈরি করা— এই তিনটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হবে।

news image
আরও খবর

গম্ভীরের নেতৃত্বে ভারতীয় থিঙ্ক-ট্যাঙ্ক ইতিমধ্যেই নির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।


মানসিক শক্তির পরীক্ষা

ক্রিকেট কেবল দক্ষতার খেলা নয়, মানসিক শক্তিরও পরীক্ষা। লক্ষাধিক দর্শকের সামনে ফাইনাল খেলতে নামা যে কোনও দলের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ।

ভারতের খেলোয়াড়দের অনেকেই আইপিএল ও আন্তর্জাতিক মঞ্চে বড় ম্যাচ খেলেছেন। তাই চাপ সামলানোর অভিজ্ঞতা তাঁদের রয়েছে।

তবুও ফাইনাল মানেই আলাদা উত্তেজনা। তাই শুরুটা ভালো করা অত্যন্ত জরুরি।


নিউ জ়িল্যান্ডকে হালকা ভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই

ক্রিকেট ইতিহাসে বহুবার দেখা গেছে— নিউ জ়িল্যান্ডকে হালকা ভাবে নেওয়া মানেই বিপদ ডেকে আনা।

তারা হয়তো সবসময় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে না, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নিজেদের সেরা ক্রিকেট খেলতে পারে।

শৃঙ্খলাবদ্ধ বোলিং, তীক্ষ্ণ ফিল্ডিং এবং পরিকল্পিত ব্যাটিং— এই তিনটি বিষয় তাদের শক্তি।

ক্রিকেট বিশ্বের চোখ এখন একটি ম্যাচের দিকে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল মানেই উত্তেজনা, চাপ এবং সম্ভাবনার এক অনন্য মিশেল। রবিবারের সেই মহারণে মুখোমুখি হতে চলেছে ভারত এবং নিউ জ়িল্যান্ড। একদিকে ইতিহাস গড়ার হাতছানি, অন্যদিকে অপ্রত্যাশিত চমক দেখানোর মানসিকতা— এই দুইয়ের সংঘর্ষেই জমে উঠবে ফাইনালের লড়াই।

এই টুর্নামেন্টে ভারতীয় দলের পারফরম্যান্স ছিল অত্যন্ত ধারাবাহিক। গ্রুপ পর্ব থেকে শুরু করে সেমিফাইনাল পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই নিজেদের আধিপত্য দেখিয়েছে সূর্যকুমার যাদবের দল। ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিং— তিন বিভাগেই ভারসাম্যপূর্ণ পারফরম্যান্সের ফলে ভারত ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে। বিশেষ করে মিডল অর্ডারে সূর্যকুমার যাদবের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং এবং বোলিং বিভাগে জসপ্রীত বুমরাহ ও অর্শদীপ সিংহের ধারাবাহিক সাফল্য দলকে বাড়তি শক্তি দিয়েছে।

তবে ফাইনালের মতো ম্যাচে অতীতের পারফরম্যান্স সবসময় ভবিষ্যতের ফল নির্ধারণ করে না। নিউ জ়িল্যান্ড বরাবরই এমন একটি দল, যারা বড় ম্যাচে নিজেদের সেরাটা দিতে পারে। হয়তো সবসময় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে না তারা, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলার অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে কিউইদের।

এই কারণেই ফাইনালের আগে ভারতীয় শিবির সতর্ক। বিশেষ করে নিউ জ়িল্যান্ডের ওপেনিং জুটি— ফিন অ্যালেন এবং টিম সেইফার্ট— ভারতীয় বোলারদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। এবারের বিশ্বকাপে দু’জনেই দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন। ম্যাচের শুরুতেই প্রতিপক্ষের বোলিং আক্রমণকে ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে তাঁদের।

সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে এই জুটির পারফরম্যান্সই তার বড় প্রমাণ। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ম্যাচের গতি বদলে দেন তাঁরা। বিশেষ করে ফিন অ্যালেনের বিধ্বংসী ইনিংস সবাইকে চমকে দিয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো ক্ষমতা রয়েছে তাঁর ব্যাটে।

অন্যদিকে টিম সেইফার্ট এই টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখিয়ে কিউই ব্যাটিংয়ের অন্যতম ভরসা হয়ে উঠেছেন। দ্রুত রান তোলার পাশাপাশি ইনিংস গড়ে তোলার ক্ষমতাও রয়েছে তাঁর। ফলে এই দুই ব্যাটার যদি শুরুতেই জমে যান, তবে ভারতীয় বোলারদের জন্য পরিস্থিতি কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

ভারতের পরিকল্পনা তাই স্পষ্ট— যত দ্রুত সম্ভব এই দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দেওয়া। নতুন বলে জসপ্রীত বুমরাহ এবং অর্শদীপ সিংহের উপরই অনেকটা দায়িত্ব থাকবে। বুমরাহর নিখুঁত লাইন-লেন্থ এবং অর্শদীপের সুইং যদি কাজে লাগে, তবে পাওয়ারপ্লের মধ্যেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে পারবে ভারত।

তবে ক্রিকেট এমন একটি খেলা যেখানে এক মুহূর্তেই পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। তাই ভারতকে শুরু থেকেই সতর্ক থাকতে হবে। ফিল্ডিংয়ে কোনও ভুল করা যাবে না, বোলিং পরিকল্পনাও হতে হবে নিখুঁত।

আরেকটি বড় বিষয় হল মানসিক চাপ। ফাইনালে লক্ষাধিক দর্শকের সামনে খেলা সবসময়ই কঠিন। তবে ভারতীয় দলের অধিকাংশ ক্রিকেটার আইপিএল এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বড় ম্যাচ খেলেছেন। ফলে চাপ সামলানোর অভিজ্ঞতা তাঁদের রয়েছে।

নিউ জ়িল্যান্ডের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। তারা জানে কীভাবে বড় ম্যাচে নিজেদের সেরাটা দিতে হয়। দলগত পারফরম্যান্স এবং ঠান্ডা মাথার ক্রিকেট— এই দুইয়ের উপরই তাদের সাফল্য নির্ভর করে।

সব মিলিয়ে রবিবারের ফাইনাল হতে চলেছে এক রুদ্ধশ্বাস লড়াই। কাগজে-কলমে ভারত এগিয়ে থাকলেও নিউ জ়িল্যান্ডকে হালকা ভাবে নেওয়ার কোনও সুযোগ নেই। ম্যাচের প্রথম কয়েক ওভারই অনেকটা নির্ধারণ করে দিতে পারে কোন দলের দিকে ঝুঁকবে ম্যাচ।

অ্যালেন এবং সেইফার্টকে দ্রুত ফিরিয়ে দিতে পারলে ভারতের কাজ অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে। কিন্তু তারা যদি দীর্ঘ সময় উইকেটে টিকে যান, তবে ম্যাচের সমীকরণ বদলে যেতে পারে মুহূর্তের মধ্যেই।

ক্রিকেটপ্রেমীদের চোখ এখন সেই মহারণের দিকেই। ইতিহাস গড়বে ভারত, নাকি নতুন চমক দেখাবে নিউ জ়িল্যান্ড— তার উত্তর মিলবে রবিবারের ফাইনালের ময়দানেই। সেই উত্তরের অপেক্ষাতেই এখন গোটা ক্রিকেট বিশ্ব।

 

 

 

 


 

Preview image