Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

প্রথম ম্যাচেই ইমপ্রেস ডেনমার্কের স্ট্রাইকারকে দলে নিল ইস্টবেঙ্গল

আইএসএলে প্রথম ম্যাচ খেলেই নজর কাড়লেন ডেনমার্কের স্ট্রাইকার। তাঁর পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট হয়ে লাল-হলুদ শিবিরে নতুন বিদেশি হিসেবে তাঁকে দলে নিল ইস্টবেঙ্গল, মরসুমে আক্রমণভাগ শক্ত করার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত।

আইএসএলের মঞ্চে প্রথম ম্যাচ খেলেই নজর কাড়লেন ডেনমার্কের এক স্ট্রাইকার। আর সেই পারফরম্যান্সের রেশ কাটতে না কাটতেই বড় সিদ্ধান্ত নিল লাল হলুদ শিবির। আক্রমণভাগে ধার বাড়াতে ওই ডেনিশ ফুটবলারকে দলে টেনে নিল ইস্টবেঙ্গল। বহু প্রতীক্ষিত সাফল্যের পথে ফেরার লক্ষ্যে এই সইকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলেই মনে করছেন ফুটবল মহলের একাংশ।

লাল হলুদের মরসুম ভাবনা

গত কয়েকটি মরসুমে ইস্টবেঙ্গলের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল গোল করার ধারাবাহিকতা। মাঝমাঠে বল দখল কিংবা রক্ষণভাগে লড়াই থাকলেও, শেষ তৃতীয়াংশে গিয়ে গোলের অভাব বারবার ভুগিয়েছে দলকে। ফলে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে পয়েন্ট হাতছাড়া হয়েছে একাধিকবার। এই বাস্তবতা মাথায় রেখেই নতুন মরসুমে বিদেশি স্ট্রাইকারের দিকে বিশেষ নজর দিয়েছিল ক্লাব কর্তৃপক্ষ।

আইএসএলে প্রথম ম্যাচেই নজরকাড়া পারফরম্যান্স

ডেনমার্কের ওই স্ট্রাইকার আইএসএলের প্রথম ম্যাচেই নিজের সামর্থ্যের ঝলক দেখান। অফ দ্য বল মুভমেন্ট, ফিনিশিংয়ের চেষ্টা, এবং রক্ষণভাগে চাপ তৈরি সব মিলিয়ে তাঁকে ঘিরে ইতিবাচক আলোচনা শুরু হয়। যদিও প্রথম ম্যাচেই গোল পাননি, তবু তাঁর উপস্থিতিতে আক্রমণভাগে যে গতি ও আত্মবিশ্বাস এসেছে, তা স্পষ্ট ছিল। কোচিং স্টাফের মতে, এই ধরনের ফরোয়ার্ডই ইস্টবেঙ্গলের প্রয়োজন ছিল।

কেন ডেনিশ স্ট্রাইকারের উপর ভরসা

ডেনমার্কের ফুটবলাররা সাধারণত শারীরিক সক্ষমতা, ট্যাকটিক্যাল ডিসিপ্লিন ও দলগত খেলায় পারদর্শী হন। ইউরোপীয় ফুটবলের এই স্কুলিং আইএসএলের মতো প্রতিযোগিতায় আলাদা মাত্রা যোগ করতে পারে। ইস্টবেঙ্গল শিবির মনে করছে, ডেনিশ স্ট্রাইকারের এই গুণাবলি ভারতীয় তরুণ ফুটবলারদের জন্যও অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে।

কোচিং স্টাফের পরিকল্পনা

কোচিং টিমের পরিকল্পনায় এই স্ট্রাইকারকে কেন্দ্র করেই আক্রমণ সাজানোর ভাবনা রয়েছে। উইং থেকে ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু বল, এবং সেট-পিসে তাঁর ভূমিকা সবকিছু নিয়েই আলাদা করে অনুশীলন করানো হচ্ছে। কোচদের মতে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি দলের সঙ্গে আরও মানিয়ে নিলে গোলের সংখ্যাও বাড়বে।

সমর্থকদের প্রত্যাশা

ইস্টবেঙ্গল মানেই আবেগ, মানেই বিশাল সমর্থকগোষ্ঠী। নতুন বিদেশি ফুটবলার মানেই তাঁদের প্রত্যাশার পারদ চড়ে যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই ডেনিশ স্ট্রাইকারকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ তাঁকে নতুন গোলমেশিন বলে ডাকছেন, আবার কেউ সতর্ক সময় দিতে হবে বলেই মত দিচ্ছেন। তবে একটা বিষয়ে সবাই একমত, এই সই লাল-হলুদ সমর্থকদের মধ্যে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে।

আইএসএলে প্রতিযোগিতা ও চ্যালেঞ্জ

ইন্ডিয়ান সুপার লিগ এখন আর সহজ কোনও লিগ নয়। প্রতিটি দলেই মানসম্মত বিদেশি ফুটবলার রয়েছে। গোল করতে হলে শুধু দক্ষতা নয়, মানসিক দৃঢ়তাও দরকার। ডেনিশ স্ট্রাইকারের সামনে তাই বড় চ্যালেঞ্জ ভারতীয় আবহাওয়া, রক্ষণভাগের শারীরিক চাপ এবং ম্যাচের তীব্রতা সামলানো।

দলের ভারসাম্যে কী পরিবর্তন আসবে

নতুন স্ট্রাইকার আসায় ইস্টবেঙ্গলের ট্যাকটিক্সেও পরিবর্তন আসতে পারে। একা স্ট্রাইকার হিসেবে খেলানো হবে, না কি দুই ফরোয়ার্ডের সিস্টেম তা নির্ভর করবে ম্যাচ পরিস্থিতির উপর। তবে মাঝমাঠের খেলোয়াড়দের জন্য তাঁর উপস্থিতি বাড়তি সুবিধা এনে দেবে, কারণ সামনে নির্ভরযোগ্য টার্গেট পাওয়া যাবে।

ড্রেসিংরুমের পরিবেশ

দলের অন্দরমহলে খবর, নতুন বিদেশি দ্রুতই সবার সঙ্গে মিশে গিয়েছেন। অনুশীলনে তাঁর পেশাদারিত্ব ও পরিশ্রমী মানসিকতা প্রশংসা কুড়িয়েছে সতীর্থদের। অভিজ্ঞ ফুটবলারদের মতে, এই ইতিবাচক মনোভাব দীর্ঘ মরসুমে বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।

আর্থিক ও কৌশলগত দিক

ইস্টবেঙ্গলের এই সই শুধু মাঠের সিদ্ধান্ত নয়, ক্লাবের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের অংশও বটে। বিদেশি স্ট্রাইকার মানে বাড়তি আর্থিক বিনিয়োগ, কিন্তু একই সঙ্গে ব্র্যান্ড ভ্যালু ও দর্শক আগ্রহও বাড়ে। ক্লাব কর্তারা মনে করছেন, পারফরম্যান্স ভালো হলে এই বিনিয়োগ পুরোপুরি সার্থক হবে।

ভবিষ্যৎ লক্ষ্য

লাল-হলুদ শিবিরের লক্ষ্য স্পষ্ট প্লেঅফে জায়গা করে নেওয়া এবং সেখানে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়া। সেই লক্ষ্য পূরণে গোলই সবচেয়ে বড় অস্ত্র। ডেনিশ স্ট্রাইকারকে কেন্দ্র করেই সেই স্বপ্ন দেখছে ইস্টবেঙ্গল।

ঝুঁকি ও বাস্তবতা

তবে সব সইয়ের মতো এখানেও ঝুঁকি রয়েছে। বিদেশি ফুটবলার মানেই মানিয়ে নেওয়ার সময়, চোটের আশঙ্কা এবং ফর্মের ওঠানামা। ক্লাব কর্তারা বিষয়টি জানেন, তাই তাঁকে ধীরে ধীরে ম্যাচের চাপ সামলানোর সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

news image
আরও খবর

বড় ছবি

 আইএসএলে প্রথম ম্যাচ খেলার পরই ডেনমার্কের স্ট্রাইকারকে দলে নেওয়া ইস্টবেঙ্গলের এক সাহসী কিন্তু প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত। বহুদিনের গোলখরা কাটাতে এই ফুটবলার কতটা সফল হন, তার দিকেই তাকিয়ে থাকবে লাল হলুদ সমর্থকরা। মাঠের পারফরম্যান্সই শেষ কথা বলবে, তবে শুরুটা যে আশাব্যঞ্জক তা মানছেন সবাই।

আইএসএলে প্রথম ম্যাচ খেলার পরই ডেনমার্কের স্ট্রাইকারকে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে এক সাহসী পদক্ষেপ, কিন্তু একই সঙ্গে সময়ের দাবি বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশেষজ্ঞরা। সাম্প্রতিক মরসুমগুলিতে লাল হলুদ শিবিরের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ছিল গোল করার ক্ষমতা। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ থাকলেও শেষ মুহূর্তে গোলের অভাবে পয়েন্ট হাতছাড়া হয়েছে বারবার। সেই দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান খুঁজতেই ক্লাব কর্তৃপক্ষ ঝুঁকি নিতে দ্বিধা করেনি। প্রথম ম্যাচেই ডেনিশ স্ট্রাইকার যে আত্মবিশ্বাস, গতি এবং আক্রমণভাগে উপস্থিতি দেখিয়েছেন, তাতেই বোঝা গিয়েছে তিনি শুধু একজন বিদেশি ফুটবলার নন, বরং দলের আক্রমণাত্মক ভাবনায় বড় পরিবর্তন আনতে পারেন।

এই স্ট্রাইকারের খেলার ধরন ইস্টবেঙ্গলের জন্য আলাদা গুরুত্ব বহন করে। তিনি শুধু গোল করার মানুষ নন, বরং প্রতিপক্ষ রক্ষণকে ব্যস্ত রেখে সতীর্থদের জন্য জায়গা তৈরি করতে জানেন। মাঝমাঠ থেকে আসা বল ধরে রাখা, উইং দিয়ে উঠে আসা খেলোয়াড়দের সুযোগ করে দেওয়া কিংবা সেট পিসে হুমকি তৈরি করা সব দিক থেকেই তাঁর উপস্থিতি দলের ভারসাম্য বদলে দিতে পারে। এর ফলে শুধু স্ট্রাইকার পজিশন নয়, পুরো আক্রমণভাগেই আত্মবিশ্বাস বাড়বে বলে আশা করছে কোচিং স্টাফ।

সমর্থকদের আবেগও এই সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকা রাখছে। ইস্টবেঙ্গল মানেই আবেগ, প্রত্যাশা আর চাপ সব একসঙ্গে। নতুন বিদেশি মানেই তাঁকে ঘিরে স্বপ্ন দেখা শুরু হয়ে যায়। বহুদিনের গোলখরা কাটানোর আশায় লাল হলুদ সমর্থকরা এই ডেনিশ স্ট্রাইকারের দিকেই তাকিয়ে। তবে তাঁরা এটাও জানেন, আইএসএল সহজ লিগ নয়। এখানে মানিয়ে নিতে সময় লাগে, আবহাওয়া, শারীরিক চাপ এবং প্রতিযোগিতার তীব্রতা আলাদা। সেই বাস্তবতাও মাথায় রেখেই সমর্থকদের একাংশ ধৈর্যের বার্তা দিচ্ছেন শুরু ভালো হলেও ধারাবাহিকতাই আসল পরীক্ষা।

কোচিং স্টাফের কাছেও এই সই মানে নতুন দায়িত্ব। স্ট্রাইকারকে ঘিরে কৌশল সাজাতে হবে, তাঁর শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে দলগত ফুটবলের মধ্যে দিয়েই। একা নায়ক হয়ে নয়, বরং দলের অংশ হিসেবেই তাঁর সফলতা আসবে এই বিশ্বাসেই অনুশীলনে জোর দেওয়া হচ্ছে বোঝাপড়া ও সমন্বয়ের উপর। যদি সেই সমন্বয় ঠিকভাবে গড়ে ওঠে, তাহলে ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণভাগ আগের চেয়ে অনেক বেশি ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে।

এই সইয়ের মাধ্যমে ইস্টবেঙ্গল এক স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে এবার আর মাঝামাঝি সন্তুষ্ট থাকার মানসিকতা নয়, ফলের জন্যই লড়াই। ঝুঁকি আছে, প্রত্যাশার চাপও রয়েছে, কিন্তু গোলখরা কাটাতে হলে এমন সাহসী সিদ্ধান্ত নিতেই হয়। শেষ পর্যন্ত সবকিছু নির্ভর করবে মাঠের পারফরম্যান্সের উপর। গোল এলে সমর্থকদের বিশ্বাস আরও মজবুত হবে, আর না এলে সমালোচনাও আসবে। তবে শুরুটা যে আশাব্যঞ্জক এবং লাল হলুদ শিবিরে নতুন করে আশা জেগেছে সে কথা অস্বীকার করছেন না কেউই।  

আইএসএলে প্রথম ম্যাচ খেলেই ডেনমার্কের স্ট্রাইকারকে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত ইস্টবেঙ্গলের সাম্প্রতিক ফুটবল দর্শনেরই প্রতিফলন। গত কয়েক মরসুমে বারবার যে জায়গাটিতে লাল হলুদ শিবির হোঁচট খেয়েছে, তা হল গোল করার অভাব। ম্যাচের বড় সময়জুড়ে লড়াই করেও শেষ মুহূর্তে গোলের সামনে ভুগতে হয়েছে দলকে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এবার আর সময় নষ্ট করতে চায়নি ক্লাব কর্তৃপক্ষ। প্রথম ম্যাচেই বিদেশি স্ট্রাইকারের পারফরম্যান্সে যে সম্ভাবনার ইঙ্গিত মিলেছে, সেটাকেই কাজে লাগিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই সিদ্ধান্ত শুধু একজন ফুটবলারকে নেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং দলের মানসিকতায়ও পরিবর্তনের বার্তা দিচ্ছে। এতদিন ইস্টবেঙ্গলকে নিয়ে অভিযোগ ছিল তারা সুযোগ তৈরি করলেও শেষ টাচে ব্যর্থ হয়। নতুন স্ট্রাইকারের আগমনে সেই ধারণা ভাঙার চেষ্টা শুরু হয়েছে। তাঁর শারীরিক সক্ষমতা, বল ধরে রাখার ক্ষমতা এবং রক্ষণভাগে চাপ তৈরি করার দক্ষতা দলের আক্রমণভাগে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। ফলে মাঝমাঠের খেলোয়াড়রাও আরও স্বাধীনভাবে খেলতে পারবেন, যা গোটা দলের আক্রমণাত্মক ছন্দকে প্রভাবিত করবে।

ডেনমার্কের ফুটবল স্কুলিং সাধারণত শৃঙ্খলা ও ট্যাকটিক্যাল বোঝাপড়ার জন্য পরিচিত। সেই অভিজ্ঞতা আইএসএলের মতো প্রতিযোগিতামূলক লিগে বড় সম্পদ হয়ে উঠতে পারে। যদিও প্রথম ম্যাচেই সবকিছু নিখুঁত হবে এমন আশা কেউই করছে না, তবু শুরুটা যে ইতিবাচক, তা মানছেন কোচিং স্টাফ থেকে শুরু করে সমর্থকরাও। ক্লাবের অন্দরমহলে খবর, অনুশীলনে এই স্ট্রাইকারের পরিশ্রম ও পেশাদার মনোভাব নজর কেড়েছে। সতীর্থদের সঙ্গে বোঝাপড়া তৈরি করতেও তিনি সময় নিচ্ছেন, যা দীর্ঘ মরসুমে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সমর্থকদের দৃষ্টিতে এই সই মানে নতুন আশার আলো। বহুদিন ধরে তাঁরা অপেক্ষা করছেন এমন একজন স্ট্রাইকারের জন্য, যিনি নিয়মিত গোল করতে পারবেন এবং বড় ম্যাচে দায়িত্ব নিতে ভয় পাবেন না। তবে একই সঙ্গে অভিজ্ঞ সমর্থকদের একাংশ সতর্কও করছেন আইএসএলে বিদেশি ফুটবলারদের মানিয়ে নিতে সময় লাগে। আবহাওয়া, ভ্রমণের চাপ, প্রতিপক্ষের শারীরিক ফুটবল সব মিলিয়ে চ্যালেঞ্জ কম নয়। তাই তাঁকে সময় ও সমর্থন দেওয়া প্রয়োজন বলেই মত অনেকের।

এই নতুন স্ট্রাইকারকে ঘিরে ইস্টবেঙ্গলের কৌশলেও পরিবর্তন আসতে পারে। একা স্ট্রাইকার হিসেবে খেলানো হোক বা দুই ফরোয়ার্ডের সেটআপে দলের আক্রমণাত্মক বিকল্প বাড়বে, যা কোচের হাতে আরও নমনীয়তা দেবে। ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিকল্পনা বদলানো সহজ হবে, এবং প্রতিপক্ষের জন্য তা বাড়তি সমস্যা তৈরি করতে পারে।

 এই সই ইস্টবেঙ্গলের কাছে এক রকমের বার্তা এবার আর শুধু লড়াই করাই লক্ষ্য নয়, ফল আনতেই হবে। সাহসী সিদ্ধান্তের সঙ্গে ঝুঁকিও আছে, কিন্তু গোলখরা কাটাতে হলে এমন ঝুঁকি নিতেই হয়। শেষ পর্যন্ত এই ডেনিশ স্ট্রাইকার কতটা সফল হন, তা সময়ই বলবে। তবে আপাতত লাল হলুদ শিবিরে যে নতুন করে বিশ্বাস আর প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, সেটাই এই সিদ্ধান্তের সবচেয়ে বড় সাফল্য।

Preview image