Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

ব্রিটেনে কুপিয়ে খুন ভারতীয় ছাত্রকে: উচ্চশিক্ষার জন্য হরিয়ানা থেকে গিয়েছিলেন বিজয়কুমার শেওরান

হরিয়ানার চরখি দাদরি গ্রামের ৩০ বছর বয়সী যুবক বিজয়কুমার শেওরান উচ্চশিক্ষার জন্য শুল্ক বিভাগের চাকরি ছেড়ে ব্রিটেনে গিয়েছিলেন। ব্রিটেনে পৌঁছানোর পর তিনি ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেছিলেন, তবে একটি মর্মান্তিক ঘটনায় তার জীবন শেষ হয়ে যায়। ব্রিটেনের ওসেস্টারে, তাকে কয়েকজন দুষ্কৃতকারী কুপিয়ে হত্যা করে। পুলিশ জানিয়েছে, এটি একটি পরিকল্পিত আক্রমণ ছিল এবং স্থানীয় অপরাধী গোষ্ঠীর সম্পর্ক থাকতে পারে। বিজয়কুমারের হত্যা শুধুমাত্র একটি জীবনহানি নয়, বরং এটি ভারতীয় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে। এমন ঘটনায় শিক্ষার্থীরা বিদেশে যাওয়ার পর নিরাপদ কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সরকার এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির উচিত বিদেশে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া। এই হত্যাকাণ্ডের পর, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে আরও পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়েছে। ভারতীয় দূতাবাস এবং পুলিশ বিভাগের উচিত বিদেশি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও কার্যকর ব্যবস্থা তৈরি করা।

বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে ছাত্ররা পাড়ি জমান। তাদের মধ্যে ভারতীয় শিক্ষার্থীরা একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হিসেবে প্রতিনিয়ত বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের উদ্দেশ্যে চলে যাচ্ছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই নিজেদের দেশের জীবন থেকে বেরিয়ে নতুন সংস্কৃতি, ভাষা, এবং পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নিতে চায়। তবে, যখন একজন ছাত্র নতুন স্বপ্নের দিকে যাত্রা শুরু করেন, তখন তার সামনে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ এবং নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। হরিয়ানার একটি ছোট্ট গ্রাম চরখি দাদরি থেকে বেরিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য ব্রিটেনে গিয়েছিলেন ৩০ বছরের যুবক বিজয়কুমার শেওরান। শুল্ক বিভাগের চাকরি ছেড়ে, তিনি নিজের জীবনে একটি নতুন অধ্যায়ের শুরু করেছিলেন। কিন্তু, ব্রিটেনে গিয়ে তাকে যে বিপদের সম্মুখীন হতে হবে, তা তার কল্পনারও বাইরে ছিল। এবং শেষ পর্যন্ত, একই দেশের মাটিতে খুন হওয়ার ঘটনা তার পরিবার এবং বন্ধুদের জন্য এক বড় মর্মান্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়াল। বিজয়কুমারের হত্যা ঘটনাটি শুধু একটি জীবনহানির ঘটনা নয়, বরং এটি বহু ভারতীয় শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। কেন একজন ভারতীয় ছাত্রকে তার স্বপ্নের দেশেই এভাবে খুন হতে হয়? কেন বিদেশে গিয়ে একটি সাধারণ জীবনযাপনও তাদের জন্য সম্ভব হয় না? কেন নিরাপত্তার অভাব এত বড় বিপদ হয়ে দাঁড়ায়? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করার চেষ্টা আমাদের এখনকার সময়ের জরুরি দাবি। বিজয়কুমার শেওরান হরিয়ানার চরখি দাদরি গ্রামের একটি সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসেছিলেন। শুল্ক বিভাগের চাকরির পরে, তিনি এক নতুন জীবনের পথ খুঁজে পেতে চান। তার একমাত্র লক্ষ্য ছিল উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে ভবিষ্যতে একটি সফল জীবন গড়ে তোলা। ছোটবেলা থেকেই তিনি জানতেন, শিক্ষাই তাকে তার জীবনে আরও ভালো সুযোগ এনে দিতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে, তিনি তার দেশের শুল্ক বিভাগের চাকরি ছেড়ে ইংল্যান্ডে চলে যান। ব্রিটেনে গিয়ে তিনি ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ শুরু করেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, এই দেশে পড়াশোনা করে তিনি তার স্বপ্নপূরণের পথে অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবেন। তবে, তাঁর দেশে ফিরে যাওয়ার আর কোনো সুযোগ হয়ে ওঠেনি। বিজয়কুমারের পরিবারের সদস্যরা তার এই যাত্রাকে সমর্থন করেছিলেন, কারণ তারা জানতেন, বিদেশে পড়াশোনার মাধ্যমে তার জীবনের অনেক সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। বিজয়কুমার শেওরান ব্রিটেনের ওসেস্টার শহরে বসবাস করছিলেন। একদিন, যখন তিনি তার রুমমেটের সাথে শপিং করতে বেরিয়েছিলেন, তখন কিছু দুষ্কৃতিকারী তাকে হঠাৎ করে আক্রমণ করে এবং কুপিয়ে হত্যা করে। এই ঘটনাটি অত্যন্ত নৃশংস এবং মর্মান্তিক ছিল। তার প্রাণহানির কারণ হিসেবে পুলিশ জানিয়েছে, এটি একটি পরিকল্পিত আক্রমণ ছিল এবং এর সঙ্গে স্থানীয় অপরাধী গোষ্ঠীর সম্পর্ক থাকতে পারে। বিজয়কুমারের পরিবার এবং বন্ধুদের জন্য এই ঘটনাটি এক বড় বিপর্যয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা বিশ্বাস করতে পারছিল না, যে যুবক একটি নতুন জীবনের জন্য বিদেশে গিয়েছিল, তাকে এমনভাবে প্রাণ হারাতে হবে। বিদেশে গিয়ে উচ্চশিক্ষা অর্জন করার আশায় কেউ যদি এমন পরিণতির মুখোমুখি হন, তবে তা কেবল তাদের পরিবারের জন্য নয়, সমগ্র সমাজের জন্য একটি বড় শিক্ষা। এই হত্যাকাণ্ডের পর, অনেকেই প্রশ্ন করতে শুরু করেছেন, কেন বিদেশে পড়তে যাওয়া ভারতীয় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না? বিশেষত, এই হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনা শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বড় নিরাপত্তার উদ্বেগ সৃষ্টি করে। ভারতীয় শিক্ষার্থীরা যখন বিদেশে পড়াশোনা করতে যান, তারা তাদের পরিবার এবং দেশের জন্য একটি গর্বের বিষয় হয়ে ওঠেন। কিন্তু, নিরাপত্তা সমস্যা যদি ক্রমশ বেড়ে চলে, তাহলে বিদেশে পড়তে যাওয়ার গুরুত্ব এবং তাৎপর্যও প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। ব্রিটেন, আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ইত্যাদি দেশগুলো শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত এবং নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। তবে, তারপরও এসব দেশে বসবাসরত বিদেশি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে অনেক উদ্বেগ থাকে। ভারতীয় শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে, বিভিন্ন ধরনের অপরাধের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা প্রায়ই উচ্চ থাকে। এমন পরিস্থিতিতে, সরকারের উচিত বিদেশে পড়তে যাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপত্তার আরও ব্যবস্থা গড়ে তোলা। বিজয়কুমার শেওরানের হত্যাকাণ্ডের পর, ভারতের সরকার এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলিকে উচিত বিদেশে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া। একদিকে, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে তাদের ক্যাম্পাসে এবং আশপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আরেকদিকে, স্থানীয় পুলিশ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করতে হবে। ভারতীয় দূতাবাস এবং কনস্যুলেটগুলোকেও বিদেশে শিক্ষার্থীদের জন্য এক ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। বিশেষ করে, যদি কোনো শিক্ষার্থী সমস্যার মুখোমুখি হয়, তবে তারা যেন দ্রুত এবং সহজে সাহায্য পেতে পারে, সেজন্য একটি কার্যকর যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকা উচিত। শিক্ষার্থীদেরও উচিত নিজেদের নিরাপত্তা সম্পর্কে আরও সচেতন থাকা এবং তাদের আশেপাশের পরিবেশের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রাখা।বিজয়কুমার শেওরানের হত্যাকাণ্ড ভারতীয় শিক্ষার্থীদের জন্য এক বড় শিক্ষা হিসেবে দাঁড়িয়েছে। এই ঘটনা শুধুমাত্র একটি ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, বরং এটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পড়াশোনা করতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়ে একটি বড় উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিদেশে পড়তে যাওয়া শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আরও ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এভাবে, বিজয়কুমারের মত আরও অনেক ভারতীয় শিক্ষার্থী যাতে তাদের স্বপ্ন পূরণের পথে চলতে পারে, তাদের জীবনে আর কোনো অপ্রত্যাশিত বিপদ না আসে, সেটি নিশ্চিত করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়া একজন ছাত্রের জীবনে নতুন সুযোগ ও অভিজ্ঞতার দিগন্ত উন্মোচন করে। কিন্তু, সেই যাত্রা কখনো কখনো বিপদে পরিণত হতে পারে, বিশেষত যখন একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। এমনই এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছিল, যেখানে হরিয়ানার চরখি দাদরি গ্রামের ৩০ বছর বয়সী যুবক বিজয়কুমার শেওরান ব্রিটেনে উচ্চশিক্ষার জন্য গিয়েছিলেন, কিন্তু ব্রিটেনের ওসেস্টারে তাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। বিজয়কুমার শেওরান, যিনি শুল্ক বিভাগের চাকরি ছেড়ে ইংল্যান্ডে উচ্চশিক্ষার জন্য গিয়েছিলেন, তার স্বপ্ন ছিল একটি সফল ক্যারিয়ার গড়ার। কিন্তু তার এই যাত্রা শেষ হয়ে যায় অপ্রত্যাশিতভাবে। একদিন, যখন তিনি তার রুমমেটের সাথে শপিং করতে বেরিয়েছিলেন, কিছু দুষ্কৃতিকারী তাকে আক্রমণ করে এবং কুপিয়ে হত্যা করে। পুলিশ তদন্তে জানায়, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং স্থানীয় অপরাধী গোষ্ঠীর সঙ্গে এর সম্পর্ক থাকতে পারে। এই হত্যাকাণ্ডটি শুধু একটি ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, এটি বিশ্বজুড়ে ভারতীয় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষত ভারতীয় শিক্ষার্থীদের বিদেশে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভারতীয় শিক্ষার্থীরা যখন বিদেশে পড়াশোনা করতে যান, তারা তাদের দেশের গর্ব হয়ে ওঠেন। তবে, তাদের নিরাপত্তা যদি এমনভাবে ক্ষুণ্ণ হয়, তাহলে বিদেশে পড়তে যাওয়ার তাৎপর্য প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। ব্রিটেন, আমেরিকা, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলো শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে, তবে এখনো এই সমস্যা পুরোপুরি সমাধান হয়নি। ভারতীয় শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা উচিত। সরকার এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির উচিত বিদেশে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া। স্থানীয় পুলিশ, ভারতীয় দূতাবাস এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেও তাদের ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে হবে। বিজয়কুমারের হত্যাকাণ্ড ভারতীয় শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বড় শিক্ষা। এই ঘটনা শুধু একটি জীবনহানির ঘটনা নয়, বরং এটি বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য যাওয়া শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিষয়ক একটি বড় সংকট সৃষ্টি করেছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।হরিয়ানার চরখি দাদরি গ্রামের যুবক বিজয়কুমার শেওরান উচ্চশিক্ষার জন্য ব্রিটেনে গিয়েছিলেন। শুল্ক বিভাগের চাকরি ছেড়ে ইংল্যান্ডে গিয়ে ইংরেজি সাহিত্য পড়াশোনা করছিলেন, কিন্তু সেখানে তাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পুলিশ জানায়, এটি একটি পরিকল্পিত আক্রমণ। এই হত্যাকাণ্ড শুধু বিজয়কুমারের পরিবারের জন্য নয়, বরং বিদেশে পড়াশোনা করতে যাওয়া ভারতীয় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে। ভারতের সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলিকে বিদেশে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও পদক্ষেপ নিতে হবে।

news image
আরও খবর
Preview image