Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

মোর্নে মরকেল বললেন, ২০২৭ বিশ্বকাপে খেলতে পারবেন রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি

প্রখ্যাত প্রাক্তন দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার মোর্নে মরকেল সম্প্রতি বলেছেন, রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি নিশ্চিতভাবেই ২০২৭ বিশ্বকাপে খেলতে সক্ষম হবেন। মরকেল জানান, ভারতের এই দুই তারকা ব্যাটসম্যানের ফিটনেস এবং অভিজ্ঞতা তাদেরকে পরবর্তী বিশ্বকাপে সফলভাবে অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত রাখবে। তিনি আরও যোগ করেন, রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি বিশ্ব ক্রিকেটে যে অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা অর্জন করেছেন, তা আগামী কয়েক বছর ধরে তাদেরকে অন্যতম শীর্ষ খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত রাখবে। মরকেল বিশ্বাস করেন, ২০২৭ বিশ্বকাপে খেলতে রোহিত ও বিরাটের সক্ষমতা এবং শারীরিক পরিস্থিতি এখনও সঠিক অবস্থায় থাকবে। তাদের নেতৃত্বের গুণাবলী এবং প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে কৌশলগত জ্ঞান আগামী বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। তবে, শারীরিক প্রস্তুতি ও মানসিক দৃঢ়তা আরও কয়েক বছর ধরে ধরে রাখার প্রয়োজন হতে পারে। এই মন্তব্য ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে রোহিত ও বিরাটের ভবিষ্যত নিয়ে এক নতুন আশার সঞ্চার করেছে, যারা তাদের ক্রীড়াঙ্গনে আরও অনেক সফলতা দেখতে চায়।

কিংবদন্তিদের অমরত্ব: মোর্নে মরকেল কেন বললেন ২০২৭ বিশ্বকাপে খেলবেন রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি? – ফিটনেস, লিগ্যাসি এবং ভারতীয় ক্রিকেটের কৌশলগত ভবিষ্যত 

 

সূচনা : বয়সের বাঁধন ভাঙার মন্ত্র

ভারতীয় ক্রিকেটের দুই মেরু, রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি, কেবল পরিসংখ্যানের বিচারে নন, মানসিকতা ও পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতায়ও বিশ্ব ক্রিকেটের শীর্ষে অবস্থান করছেন। ২০২৩ বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর থেকেই ভারতীয় ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি ঘুরপাক খাচ্ছে: এই দুই মহাতারকা কি ২০২৭ সালের পরবর্তী ৫০ ওভারের বিশ্বকাপে মাঠে নামবেন? এই আলোচনার মধ্যেই দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন পেসার মোর্নে মরকেল এক বিস্ফোরক মন্তব্য করে নতুন আশার সঞ্চার করেছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের এক সময়ের শীর্ষ বোলার মরকেলের মতে, রোহিত এবং কোহলি উভয়েই ২০২৭ বিশ্বকাপে খেলার ক্ষমতা রাখেন এবং তাঁদের জন্য সেখানে পারফর্ম করা কোনো 'অসাধ্য কাজ' হবে না।

মরকেলের এই মন্তব্যটি তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ ২০২৭ সালের মধ্যে রোহিত শর্মার বয়স হবে ৪০ এবং বিরাট কোহলির ৩৮ বছর। সাধারণত, এই বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে, বিশেষত উচ্চ-তীব্রতার বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টে, শীর্ষ ফর্মে থাকাটা বিরল। কিন্তু মরকেল, যিনি নিজে এই দুই তারকার বিরুদ্ধে অসংখ্যবার বোলিং করেছেন, তাঁদের যে বিশেষ মেধা, অভিজ্ঞতা এবং ফিটনেসের প্রতি আগ্রহ দেখেছেন, তা থেকেই এমন ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন।

এই নিবন্ধে আমরা মোর্নে মরকেলের এই বক্তব্যের গভীরে যাব এবং বিশ্লেষণ করব—কীভাবে এই দুই কিংবদন্তি তাঁদের ফিটনেস এবং মানসিক শক্তি ধরে রেখে ক্রিকেটের এই 'বয়সের বাঁধন' ভাঙতে পারেন। আমরা আলোচনা করব ক্রিকেটীয় ইতিহাসে তাঁদের মতো বয়সে সফল হওয়া অন্যান্য খেলোয়াড়দের উদাহরণ, আধুনিক ক্রীড়া বিজ্ঞান কীভাবে তাঁদের সাহায্য করতে পারে, এবং ২০২৭ বিশ্বকাপে তাঁদের সম্ভাব্য উপস্থিতি ভারতীয় দলের কৌশলগত সমীকরণ ও তরুণ প্রজন্মের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। তাঁদের এই দীর্ঘায়িত ক্যারিয়ার কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং এটি ভারতীয় ক্রিকেটের ধারাবাহিকতা, স্থিতিশীলতা এবং বৈশ্বিক আধিপত্য ধরে রাখার জন্য এক অপরিহার্য সম্পদ।


 

১. কৌশলগত অপরিহার্যতা : বয়সের ঊর্ধ্বে তাঁদের মূল্য

 

রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি কেবল ব্যাটসম্যান নন, তাঁরা ভারতীয় ক্রিকেট দলের কৌশলগত স্থপতি। ২০২৭ বিশ্বকাপে তাঁদের সম্ভাব্য উপস্থিতি কেন ভারতীয় দলের জন্য অপরিহার্য, তা বুঝতে হলে তাঁদের ভূমিকা বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

বিরাট কোহলি – অ্যাঙ্করিং মাস্টার এবং ফিটনেস মডেল: বিরাট কোহলি তাঁর ক্রিকেট ক্যারিয়ারকে একটি ফিটনেস আন্দোলনের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। তাঁর রুটিন, খাদ্যাভ্যাস এবং খেলার প্রতি মনোযোগী মনোভাব তাঁকে আধুনিক ক্রিকেটের 'শারীরিক মডেল' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ৩৮ বছর বয়সেও তাঁর এই ফিটনেস ধরে রাখার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। কৌশলগতভাবে, কোহলি একজন 'অ্যাঙ্কর' বা ভিত্তিপ্রস্তর, যিনি একপ্রান্ত ধরে ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান এবং মিডল অর্ডারের পতন রোধ করেন। তাঁর উপস্থিতি তরুণ ব্যাটসম্যানদের চাপমুক্ত হয়ে খেলার স্বাধীনতা দেবে। ২০২৭ সালে, শুবমান গিল বা ঈশান কিষাণের মতো তরুণরা যখন দলে আরও প্রতিষ্ঠিত হবে, তখন কোহলির অভিজ্ঞতা হবে তাঁদের গাইড।

রোহিত শর্মা – অভিজ্ঞতা ও বিস্ফোরক শুরু: রোহিত শর্মা তাঁর ক্যারিয়ারের শেষ পর্বে এসেও ওয়ানডে ক্রিকেটে ইনিংসের শুরুতে যে বিস্ফোরক গতি দিতে পারেন, তা বিশ্বের আর কোনো ওপেনারের পক্ষে কঠিন। ৪০ বছর বয়সে হয়তো তাঁর গতি কিছুটা কমতে পারে, কিন্তু তাঁর 'টাইমিং' এবং শট নির্বাচনের দক্ষতা তাঁকে দীর্ঘকাল ধরে সফল থাকতে সাহায্য করবে। একজন অধিনায়ক হিসেবে তাঁর অভিজ্ঞতা, বিশেষ করে বড় টুর্নামেন্টে, অমূল্য। মরকেলের মন্তব্য এই অভিজ্ঞতার গুরুত্বকে তুলে ধরে, যা কেবল রান বা শতকের মাধ্যমে পরিমাপ করা যায় না। ২০২৭-এ তাঁর নেতৃত্ব (বা পরামর্শদাতা ভূমিকা) ড্রেসিংরুমের স্থিতিশীলতার জন্য অত্যাবশ্যক হবে।


 

২. ফিটনেস বিজ্ঞান এবং বয়সের চ্যালেঞ্জ : ক্রিকেটের 'টম ব্র্যাডি' হওয়া

 

মোর্নে মরকেলের মন্তব্যের মূল চাবিকাঠি হলো 'ফিটনেস এবং মানসিক শক্তি'। আধুনিক ক্রীড়া বিজ্ঞান এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কীভাবে তাঁদের সাহায্য করতে পারে?

আধুনিক ক্রিকেটে বয়সসীমা শিথিলকরণ: ক্রিকেট এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি শারীরিক হলেও, উন্নত পুষ্টি, খেলার চাপ ব্যবস্থাপনা (Workload Management), বায়োমেকানিক্স বিশ্লেষণ এবং ব্যক্তিগত প্রশিক্ষণের কারণে খেলোয়াড়দের ক্যারিয়ার দীর্ঘায়িত হচ্ছে। জেমস অ্যান্ডারসন (পেছনে), ডোয়াইন ব্রাভো বা ক্রিস গেইলের মতো খেলোয়াড়রা প্রমাণ করেছেন যে, বয়স কেবল একটি সংখ্যা। ফুটবল এবং অন্যান্য খেলার দিকে তাকালে টম ব্র্যাডি বা রজার ফেদেরারের মতো তারকারা প্রমাণ করেছেন যে, ৪০ বছর বা তার বেশি বয়সেও বিশ্বমানের পারফর্ম করা সম্ভব, যদি শৃঙ্খলা এবং বিজ্ঞানভিত্তিক প্রশিক্ষণ থাকে।

রোহিত-কোহলির ব্যক্তিগত কৌশল:

মরকেল সম্ভবত এই দুই তারকার মানসিক দৃঢ়তা এবং ফিটনেসের প্রতি তাঁদের ব্যক্তিগত বিনিয়োগ দেখেছেন, যা তাঁদের এই বয়সেও উচ্চ স্তরের খেলা চালিয়ে যাওয়ার আত্মবিশ্বাস দেয়।


 

৩. ঐতিহাসিক সমান্তরাল এবং নজির  কিংবদন্তিদের পদচিহ্ন

 

ক্রিকেট ইতিহাসে এমন অনেক উদাহরণ আছে যখন খেলোয়াড়রা তাঁদের ক্যারিয়ারের শেষ লগ্নেও বিশ্বকাপ মঞ্চে নিজেদের ছাপ ফেলেছেন। এই উদাহরণগুলো মরকেলের বক্তব্যকে আরও জোরালো করে:

  • শচীন তেন্ডুলকর (২০১১ বিশ্বকাপ): শচীন তাঁর ৩৭ বছর বয়সে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন এবং টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন। তাঁর অভিজ্ঞতা এবং মানসিকভাবে চাপ সামলানোর ক্ষমতা ছিল দলের সবচেয়ে বড় সম্পদ।

  • কুমার সাঙ্গাকারা (২০১৫ বিশ্বকাপ): সাঙ্গাকারা তাঁর ৩৭ বছর বয়সে টানা চারটি সেঞ্চুরি করেছিলেন, যা ওয়ানডে ক্রিকেটে এক অভূতপূর্ব নজির।

  • মাইকেল হাসী/এডাম গিলক্রিস্ট (২০০৭ বিশ্বকাপ): অস্ট্রেলিয়ার এই তারকারা ৩৭-৩৮ বছর বয়সেও দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন।

এই উদাহরণগুলো প্রমাণ করে যে, কৌশলগত দক্ষতা এবং মানসিক স্থিতিশীলতা বয়সজনিত শারীরিক ঘাটতিকে অনেকাংশে পুষিয়ে দিতে পারে। রোহিত এবং কোহলির সম্মিলিত অভিজ্ঞতা এবং এই ধরনের বড় মঞ্চে পারফর্ম করার মানসিকতা ২০২৭ বিশ্বকাপে তরুণ ভারতীয় দলের জন্য একটি 'সুরক্ষা জাল' হিসেবে কাজ করবে।


 

৪. ২০২৭ দলের ওপর প্রভাব এবং ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতা : নেতৃত্বের উত্তরাধিকার এবং তরুণদের সঙ্গে রসায়ন

 

যদি রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি ২০২৭ বিশ্বকাপে খেলেন, তবে ভারতীয় ক্রিকেট দল এবং তরুণ প্রতিভাদের ওপর এর বহুমুখী প্রভাব পড়বে।

দলীয় রসায়ন ও নেতৃত্ব: ২০২৭ সালে রোহিত এবং কোহলি যদি খেলেন, তবে সম্ভবত তাঁরা অধিনায়ক বা সহ-অধিনায়ক নাও থাকতে পারেন। শুবমান গিল বা ঋষভ পন্থের মতো কেউ হয়তো নেতৃত্ব দেবেন। এই পরিস্থিতিতে, রোহিত ও কোহলির মতো সিনিয়রদের উপস্থিতি দলীয় স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। তাঁরা ড্রেসিংরুমের 'মেন্টর' বা পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করবেন, বিশেষ করে নকআউট ম্যাচগুলিতে। মরকেলের বক্তব্য শুধু খেলার যোগ্যতার ওপর নয়, বরং ড্রেসিংরুমে তাঁদের প্রভাবের ওপরও জোর দেয়।

তরুণদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা এবং সমর্থন: ভারতীয় ক্রিকেটের ভবিষ্যতের দিকে তাকালে শুবমান গিল, যশস্বী জয়সওয়াল, এবং ঋষভ পন্থের মতো তরুণরা আসছেন। ২০২৭ সাল নাগাদ এঁরা প্রত্যেকেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের অবস্থান পাকা করে নেবেন। প্রশ্ন উঠতে পারে, রোহিত-কোহলির উপস্থিতি কি তাঁদের জায়গা সীমিত করবে? উত্তর হলো: না। কারণ, এই দুই কিংবদন্তির সঙ্গে খেলার সুযোগ তরুণদের জন্য এক অমূল্য শিক্ষা। তাঁরা তাঁদের কাছ থেকে চাপ সামলানো, ইনিংস গড়া এবং ধারাবাহিকতার পাঠ নিতে পারবেন। মরকেলের মন্তব্য ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টকে একটি বার্তা দেয়—অভিজ্ঞতার মূল্য তরুণ প্রতিভার চেয়ে কম নয়। একটি সফল বিশ্বকাপ দলের জন্য অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের মিশ্রণ অপরিহার্য।

অর্থনৈতিক এবং আবেগিক প্রভাব: রোহিত-কোহলির মতো মেগাস্টাররা ২০২৭ বিশ্বকাপে খেললে এর বাণিজ্যিক প্রভাব হবে বিশাল। স্পনসরশিপ, দর্শক আগ্রহ এবং টুর্নামেন্টের জনপ্রিয়তা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। আবেগিক দৃষ্টিকোণ থেকেও, কোটি কোটি ভারতীয় সমর্থক তাঁদের শেষ বিশ্বকাপ দেখতে মুখিয়ে থাকবে।

উপসংহার: মোর্নে মরকেলের মন্তব্য ভারতীয় ক্রিকেটকে এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছে: কিংবদন্তিদের ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যায় না, তাঁরা বিবর্তিত হন। রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি তাঁদের ক্রিকেট জীবনকে যে উচ্চতায় নিয়ে গেছেন, তা কেবল প্রতিভা বা পরিসংখ্যানের ফল নয়, বরং নিরলস শৃঙ্খলা, মানসিক দৃঢ়তা এবং ফিটনেসের প্রতি অবিচল অঙ্গীকারের ফসল।

২০২৭ বিশ্বকাপ এখনও অনেক দূরে, কিন্তু তাঁদের খেলার যোগ্যতা নিয়ে মরকেলের এই আশাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি কেবল সম্ভাবনার জন্ম দেয় না, বরং এই দুই তারকার কঠোর পরিশ্রমের প্রতিও শ্রদ্ধা জানায়। ফিটনেসের চ্যালেঞ্জ থাকবে, ফর্মের উত্থান-পতনও আসবে, কিন্তু যদি তাঁরা এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পারেন, তবে তাঁরা ক্রিকেট ইতিহাসের সেই বিরল তালিকায় যুক্ত হবেন, যাঁরা ৪০ বছর বয়সেও বিশ্বকাপ মঞ্চে নিজেদের ছাপ রেখেছেন। তাঁদের সম্ভাব্য উপস্থিতি ভারতীয় ক্রিকেটের ভবিষ্যতকে আরও সুরক্ষিত, শক্তিশালী এবং প্রেরণাদায়ক করে তুলবে। এই দুই মহাতারকা যেন প্রমাণ করতে চান, বয়সের বাঁধন নয়, ইচ্ছাশক্তিই একজন ক্রীড়াবিদের আসল সীমা নির্ধারণ করে।

Preview image