Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

হাতে হ্যারিকেন গেমপ্ল্যান চৌপাট মুস্তাফিজুরকে ছেড়ে দিয়ে এই তিন বোলারকে টার্গেট করছে কেকেআর

আইপিএল ২০২৬-এর আগে কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR) তাদের স্কোয়াডে বড় পরিবর্তনের পথে হাঁটতে পারে। বাংলাদেশের তারকা পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে দলে ধরে রাখা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। ধারাবাহিকতা, ফিটনেস ও দলের কম্বিনেশন মাথায় রেখে কেকেআর ম্যানেজমেন্ট মুস্তাফিজুরের বিকল্প হিসেবে নতুন পেস বোলার খোঁজার পরিকল্পনা করছে। সেই তালিকায় উঠে এসেছে তিনজন সম্ভাব্য বোলারের নাম, যাঁরা নতুন মরশুমে কেকেআরের বোলিং আক্রমণকে আরও শক্তিশালী করতে পারেন। নিলাম বা ট্রেডের মাধ্যমে এই বোলারদের দলে নেওয়ার দিকে নজর রয়েছে শাহরুখ খানের দলের।

আইপিএল ২০২৬ মরশুমের আগে কলকাতা নাইট রাইডার্স শিবিরে যে বড়সড় পরিকল্পনার আলোচনা শুরু হয়েছে, তার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন দলের বিদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। এক সময় যাঁর স্লোয়ার আর কাটার আইপিএলের ব্যাটারদের কাছে বিভীষিকা হয়ে উঠেছিল, সেই মুস্তাফিজকে নিয়েই এবার প্রশ্ন উঠছে। গত কয়েকটি মরশুমে চোট, জাতীয় দলের ব্যস্ততা এবং প্রত্যাশামতো ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের অভাব কেকেআর টিম ম্যানেজমেন্টকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে। ফলে আইপিএল ২০২৬-এর নিলামের আগে মুস্তাফিজুরকে ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা জোরাল হচ্ছে এবং তাঁর বিকল্প হিসেবে নতুন পেস বোলার খোঁজার প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে।

কলকাতা নাইট রাইডার্স বরাবরই এমন একটি দল, যারা শুধুমাত্র বড় নামের ওপর নির্ভর না করে দলের কম্বিনেশন, পরিস্থিতি অনুযায়ী বোলিং আক্রমণ এবং ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নিতে ভালোবাসে। গম্ভীর যুগ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত কেকেআর একাধিকবার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা প্রথমে বিতর্ক তৈরি করলেও পরে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। মুস্তাফিজুরের ক্ষেত্রেও তেমনটাই হতে পারে বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের একাংশ। যদিও তাঁর অভিজ্ঞতা এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে সাফল্য অস্বীকার করার উপায় নেই, তবুও আইপিএলের মতো লম্বা ও কঠিন টুর্নামেন্টে ধারাবাহিকভাবে ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা কতটা রয়েছে, সেই প্রশ্নই বড় হয়ে উঠছে।

মুস্তাফিজুর রহমান যখন প্রথম আইপিএলে আসেন, তখন তাঁর বোলিং অ্যাকশন এবং কাটার কার্যত ব্যাটারদের অচেনা ছিল। ডেথ ওভারে তাঁর বল খেলা ছিল অত্যন্ত কঠিন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্যাটাররা যেমন তাঁকে পড়তে শিখেছে, তেমনই তাঁর গতি এবং ফিটনেস নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাম্প্রতিক মরশুমগুলিতে তিনি কিছু ম্যাচে উজ্জ্বল পারফরম্যান্স দেখালেও ধারাবাহিকভাবে দলকে জেতাতে পারেননি। এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হওয়ায় আইপিএলের পুরো মরশুমে তাঁকে পাওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তা থাকে। এই সমস্ত বিষয় মিলিয়েই কেকেআর ম্যানেজমেন্ট বিকল্প ভাবনায় এগোচ্ছে।

আইপিএল ২০২৬-এর কথা মাথায় রেখে কেকেআর যে তিনজন বোলারকে মুস্তাফিজুরের সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করছে, তাঁরা প্রত্যেকেই আলাদা ধরনের দক্ষতা নিয়ে আসতে পারেন। কেকেআরের বোলিং আক্রমণে ইতিমধ্যেই স্পিন বিভাগ শক্তিশালী, বিশেষ করে ইডেন গার্ডেন্সের পিচে স্পিনাররা বাড়তি সুবিধা পায়। তাই পেস বিভাগে এমন বোলার দরকার, যিনি নতুন বলে উইকেট নিতে পারবেন এবং ডেথ ওভারেও রান আটকাতে সক্ষম হবেন। সেই সঙ্গে ভারতীয় ও বিদেশি ক্রিকেটারদের মিশ্রণে দলের ভারসাম্য বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।

এই কারণেই কেকেআর ম্যানেজমেন্ট এমন পেসারদের দিকে তাকাচ্ছে, যাঁরা আইপিএলের পরিবেশে নিজেদের প্রমাণ করেছেন অথবা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফরম্যান্স দেখাচ্ছেন। তরুণ ও গতিময় পেসারদের দিকেও নজর রয়েছে, কারণ ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে দল গঠনের পরিকল্পনা করছে কেকেআর। আইপিএল শুধুমাত্র একটি মরশুমের টুর্নামেন্ট নয়, বরং প্রতিটি দল এখন লং টার্ম কোর তৈরি করার দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। সেই দিক থেকে মুস্তাফিজুরের পরিবর্তে এমন কাউকে আনা হতে পারে, যিনি আগামী কয়েক বছর দলের পেস আক্রমণের মূল স্তম্ভ হয়ে উঠতে পারেন।

কলকাতা নাইট রাইডার্সের সমর্থকদের কাছেও এই বিষয়টি যথেষ্ট আগ্রহের। একদিকে মুস্তাফিজুরের মতো পরিচিত মুখকে ছেড়ে দেওয়া আবেগের দিক থেকে কঠিন, অন্যদিকে দলের সাফল্যের জন্য কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়াই বাস্তবতা। কেকেআর সমর্থকরা বরাবরই দলের সাহসী সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে এসেছেন। অতীতেও দেখা গিয়েছে, একাধিক জনপ্রিয় খেলোয়াড়কে ছেড়ে দিয়ে নতুন মুখের ওপর ভরসা রেখেছে কেকেআর এবং সেই সিদ্ধান্ত অনেক সময়েই ফলপ্রসূ হয়েছে।

আইপিএলের নিলাম মানেই চমক, কৌশল এবং শেষ মুহূর্তের দর কষাকষি। কেকেআরও তার ব্যতিক্রম নয়। মুস্তাফিজুরকে ছেড়ে দিলে দলের বিদেশি কোটা নিয়ে কিছুটা বাড়তি স্বাধীনতা আসবে, যা দিয়ে তারা প্রয়োজন অনুযায়ী অলরাউন্ডার বা অতিরিক্ত ব্যাটিং শক্তিও যোগ করতে পারে। আবার এমনও হতে পারে, মুস্তাফিজুরকে ছেড়ে দিয়ে সরাসরি একজন অভিজ্ঞ ডেথ ওভার স্পেশালিস্ট পেসারকে দলে নেওয়া হবে, যিনি চাপের মুখে ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে সক্ষম।

এই গোটা পরিকল্পনার পেছনে কেকেআর কোচিং স্টাফ এবং টিম ম্যানেজমেন্টের দীর্ঘ আলোচনার বিষয় রয়েছে। ডেটা অ্যানালিটিক্স, পারফরম্যান্স রিপোর্ট এবং খেলোয়াড়দের ফিটনেস সবকিছু বিচার করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। আধুনিক আইপিএলে শুধুমাত্র নাম নয়, বরং পরিস্থিতি অনুযায়ী পারফরম্যান্সই শেষ কথা বলে। মুস্তাফিজুরের ক্ষেত্রে সেই জায়গাতেই হয়তো কিছুটা পিছিয়ে পড়ছে কেকেআর।

আইপিএল ২০২৬ এখনও কিছুটা দূরে হলেও এই ধরনের আলোচনা প্রমাণ করে, দলগুলি কতটা আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু করে দেয়। কেকেআরের লক্ষ্য স্পষ্ট, তারা এমন একটি দল গঠন করতে চায়, যারা শুধু প্লে-অফ নয়, ট্রফি জেতার দাবিদার হবে। সেই লক্ষ্য পূরণে প্রয়োজন সঠিক কম্বিনেশন, সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সাহসী পদক্ষেপ। মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়া যদি সেই বড় সিদ্ধান্তের অংশ হয়, তাহলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

সব মিলিয়ে বলা যায়, আইপিএল ২০২৬-এর আগে কলকাতা নাইট রাইডার্সের পরিকল্পনায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। মুস্তাফিজুর রহমানের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও, তার পাশাপাশি নতুন পেসারদের নিয়ে যে আলোচনা শুরু হয়েছে, তা কেকেআরের ভবিষ্যৎ দৃষ্টিভঙ্গিকেই তুলে ধরছে। শেষ পর্যন্ত নিলামের টেবিলে কী হয়, কোন বোলার কেকেআরের জার্সিতে দেখা যাবে, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা। তবে এটুকু নিশ্চিত, কেকেআর আবারও আইপিএলের মঞ্চে চমক দিতে প্রস্তুত।

news image
আরও খবর

আইপিএল ২০২৬ মরশুমের আগে কলকাতা নাইট রাইডার্স শিবিরে যে বড়সড় পরিকল্পনার আলোচনা শুরু হয়েছে, তার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন দলের বিদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। এক সময় যাঁর স্লোয়ার আর কাটার আইপিএলের ব্যাটারদের কাছে বিভীষিকা হয়ে উঠেছিল, সেই মুস্তাফিজকে নিয়েই এবার প্রশ্ন উঠছে। গত কয়েকটি মরশুমে চোট, জাতীয় দলের ব্যস্ততা এবং প্রত্যাশামতো ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের অভাব কেকেআর টিম ম্যানেজমেন্টকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে। ফলে আইপিএল ২০২৬-এর নিলামের আগে মুস্তাফিজুরকে ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা জোরাল হচ্ছে এবং তাঁর বিকল্প হিসেবে নতুন পেস বোলার খোঁজার প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে।

কলকাতা নাইট রাইডার্স বরাবরই এমন একটি দল, যারা শুধুমাত্র বড় নামের ওপর নির্ভর না করে দলের কম্বিনেশন, পরিস্থিতি অনুযায়ী বোলিং আক্রমণ এবং ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নিতে ভালোবাসে। গম্ভীর যুগ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত কেকেআর একাধিকবার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা প্রথমে বিতর্ক তৈরি করলেও পরে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। মুস্তাফিজুরের ক্ষেত্রেও তেমনটাই হতে পারে বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের একাংশ। যদিও তাঁর অভিজ্ঞতা এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে সাফল্য অস্বীকার করার উপায় নেই, তবুও আইপিএলের মতো লম্বা ও কঠিন টুর্নামেন্টে ধারাবাহিকভাবে ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা কতটা রয়েছে, সেই প্রশ্নই বড় হয়ে উঠছে।

মুস্তাফিজুর রহমান যখন প্রথম আইপিএলে আসেন, তখন তাঁর বোলিং অ্যাকশন এবং কাটার কার্যত ব্যাটারদের অচেনা ছিল। ডেথ ওভারে তাঁর বল খেলা ছিল অত্যন্ত কঠিন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্যাটাররা যেমন তাঁকে পড়তে শিখেছে, তেমনই তাঁর গতি এবং ফিটনেস নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাম্প্রতিক মরশুমগুলিতে তিনি কিছু ম্যাচে উজ্জ্বল পারফরম্যান্স দেখালেও ধারাবাহিকভাবে দলকে জেতাতে পারেননি। এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হওয়ায় আইপিএলের পুরো মরশুমে তাঁকে পাওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তা থাকে। এই সমস্ত বিষয় মিলিয়েই কেকেআর ম্যানেজমেন্ট বিকল্প ভাবনায় এগোচ্ছে।

আইপিএল ২০২৬-এর কথা মাথায় রেখে কেকেআর যে তিনজন বোলারকে মুস্তাফিজুরের সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করছে, তাঁরা প্রত্যেকেই আলাদা ধরনের দক্ষতা নিয়ে আসতে পারেন। কেকেআরের বোলিং আক্রমণে ইতিমধ্যেই স্পিন বিভাগ শক্তিশালী, বিশেষ করে ইডেন গার্ডেন্সের পিচে স্পিনাররা বাড়তি সুবিধা পায়। তাই পেস বিভাগে এমন বোলার দরকার, যিনি নতুন বলে উইকেট নিতে পারবেন এবং ডেথ ওভারেও রান আটকাতে সক্ষম হবেন। সেই সঙ্গে ভারতীয় ও বিদেশি ক্রিকেটারদের মিশ্রণে দলের ভারসাম্য বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।

এই কারণেই কেকেআর ম্যানেজমেন্ট এমন পেসারদের দিকে তাকাচ্ছে, যাঁরা আইপিএলের পরিবেশে নিজেদের প্রমাণ করেছেন অথবা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফরম্যান্স দেখাচ্ছেন। তরুণ ও গতিময় পেসারদের দিকেও নজর রয়েছে, কারণ ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে দল গঠনের পরিকল্পনা করছে কেকেআর। আইপিএল শুধুমাত্র একটি মরশুমের টুর্নামেন্ট নয়, বরং প্রতিটি দল এখন লং টার্ম কোর তৈরি করার দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। সেই দিক থেকে মুস্তাফিজুরের পরিবর্তে এমন কাউকে আনা হতে পারে, যিনি আগামী কয়েক বছর দলের পেস আক্রমণের মূল স্তম্ভ হয়ে উঠতে পারেন।

কলকাতা নাইট রাইডার্সের সমর্থকদের কাছেও এই বিষয়টি যথেষ্ট আগ্রহের। একদিকে মুস্তাফিজুরের মতো পরিচিত মুখকে ছেড়ে দেওয়া আবেগের দিক থেকে কঠিন, অন্যদিকে দলের সাফল্যের জন্য কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়াই বাস্তবতা। কেকেআর সমর্থকরা বরাবরই দলের সাহসী সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে এসেছেন। অতীতেও দেখা গিয়েছে, একাধিক জনপ্রিয় খেলোয়াড়কে ছেড়ে দিয়ে নতুন মুখের ওপর ভরসা রেখেছে কেকেআর এবং সেই সিদ্ধান্ত অনেক সময়েই ফলপ্রসূ হয়েছে।

আইপিএলের নিলাম মানেই চমক, কৌশল এবং শেষ মুহূর্তের দর কষাকষি। কেকেআরও তার ব্যতিক্রম নয়। মুস্তাফিজুরকে ছেড়ে দিলে দলের বিদেশি কোটা নিয়ে কিছুটা বাড়তি স্বাধীনতা আসবে, যা দিয়ে তারা প্রয়োজন অনুযায়ী অলরাউন্ডার বা অতিরিক্ত ব্যাটিং শক্তিও যোগ করতে পারে। আবার এমনও হতে পারে, মুস্তাফিজুরকে ছেড়ে দিয়ে সরাসরি একজন অভিজ্ঞ ডেথ ওভার স্পেশালিস্ট পেসারকে দলে নেওয়া হবে, যিনি চাপের মুখে ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে সক্ষম।

এই গোটা পরিকল্পনার পেছনে কেকেআর কোচিং স্টাফ এবং টিম ম্যানেজমেন্টের দীর্ঘ আলোচনার বিষয় রয়েছে। ডেটা অ্যানালিটিক্স, পারফরম্যান্স রিপোর্ট এবং খেলোয়াড়দের ফিটনেস সবকিছু বিচার করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। আধুনিক আইপিএলে শুধুমাত্র নাম নয়, বরং পরিস্থিতি অনুযায়ী পারফরম্যান্সই শেষ কথা বলে। মুস্তাফিজুরের ক্ষেত্রে সেই জায়গাতেই হয়তো কিছুটা পিছিয়ে পড়ছে কেকেআর।

আইপিএল ২০২৬ এখনও কিছুটা দূরে হলেও এই ধরনের আলোচনা প্রমাণ করে, দলগুলি কতটা আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু করে দেয়। কেকেআরের লক্ষ্য স্পষ্ট, তারা এমন একটি দল গঠন করতে চায়, যারা শুধু প্লে-অফ নয়, ট্রফি জেতার দাবিদার হবে। সেই লক্ষ্য পূরণে প্রয়োজন সঠিক কম্বিনেশন, সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সাহসী পদক্ষেপ। মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়া যদি সেই বড় সিদ্ধান্তের অংশ হয়, তাহলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

সব মিলিয়ে বলা যায়, আইপিএল ২০২৬-এর আগে কলকাতা নাইট রাইডার্সের পরিকল্পনায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। মুস্তাফিজুর রহমানের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও, তার পাশাপাশি নতুন পেসারদের নিয়ে যে আলোচনা শুরু হয়েছে, তা কেকেআরের ভবিষ্যৎ দৃষ্টিভঙ্গিকেই তুলে ধরছে। শেষ পর্যন্ত নিলামের টেবিলে কী হয়, কোন বোলার কেকেআরের জার্সিতে দেখা যাবে, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা। তবে এটুকু নিশ্চিত, কেকেআর আবারও আইপিএলের মঞ্চে চমক দিতে প্রস্তুত।

Preview image