সরকারি সূত্র জানিয়েছে, আর্থিক দুর্নীতি দমন আইনের আওতায় ধাওয়ানের ৪.৫ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পত্তি এবং রায়নার ৬.৬৪ কোটি টাকার মিউচুয়াল ফান্ড বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অভিযোগ, দুই প্রাক্তন ক্রিকেটার ‘ওয়ানএক্স বেট’ নামক অনলাইন বেটিং অ্যাপের প্রচারে সচেতনভাবে অংশ নিয়েছিলেন।
অনলাইন বেটিং অ্যাপের মাধ্যমে আর্থিক তছরুপের অভিযোগে ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার সুরেশ রায়না এবং শিখর ধাওয়ানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেছে ইডি। সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, দুই ক্রিকেটারের মোট ১১.১৪ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধাওয়ানের ৪.৫ কোটি টাকার স্থাবর সম্পত্তি এবং রায়নার ৬.৬৪ কোটি টাকার মিউচুয়াল ফান্ড বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে আর্থিক দুর্নীতি দমন আইনের আওতায়। অভিযোগ, তারা ‘ওয়ানএক্স বেট’ নামক অনলাইন বেটিং অ্যাপের প্রচারে সচেতনভাবে অংশ নিয়েছিলেন।
কেন্দ্র সরকার ইতিমধ্যেই ‘ওয়ানএক্স বেট’ অ্যাপকে অবৈধ ঘোষণা করেছে। অ্যাপের প্রচারে দেশের বিভিন্ন খ্যাতনামা তারকাও যুক্ত ছিলেন। বিষয়টি তদন্তের অংশ হিসেবে ইডি তাদের সঙ্গে চুক্তি, প্রাপ্ত অর্থ এবং প্রচারমূলক কাজের বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে। ২০১১ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য যুবরাজ সিংহও এই তালিকায় রয়েছে। এছাড়া রবিন উথাপ্পা, অভিনেতা সোনু সুদ, তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ ও অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী, অঙ্কুশ হাজরা এবং বলিউডের ঊর্বশী রৌতেলাও ওয়ানএক্স বেটের প্রচারে যুক্ত ছিলেন।
এই তারকাদের কীভাবে অ্যাপের সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল, কত টাকা তারা পেয়েছিলেন এবং কোন রকম প্রমোশনাল কাজ করেছেন তা নিয়ে ইডি জবাব তলব করেছে। সম্প্রতি মিমি চক্রবর্তীর বয়ান নথিভুক্ত করা হয়েছে, আর অঙ্কুশ হাজরা ও ঊর্বশী রৌতেলাও দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে হাজিরা দিয়েছেন। ওয়ানএক্স বেট অ্যাপের ভারতীয় ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে তারা অ্যাপের প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। এই ঘটনায় দেশের খেলাধুলা ও বিনোদন জগতে সতর্কতার বার্তা গড়েছে।