Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

২৩ বছর পর আবার ভারত স্মৃতি সচিনকে আউট করা ভুরেন এখন নামিবিয়ার সভাপতি

টি২০ বিশ্বকাপে বৃহস্পতিবার ভারত নামিবিয়া ম্যাচের আগে ২৩ বছর আগের স্মৃতি মনে করলেন নামিবিয়া ক্রিকেটের বর্তমান সভাপতি রুডি ফান ভুরেন যিনি সেই ম্যাচে সচিনের উইকেট নিয়েছিলেন

২০০৩-এর এক দিনের বিশ্বকাপ ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গিয়েছিল ভারত। তবে সেই বিশ্বকাপ মনে রেখেছে সচিন তেন্ডুলকরকে, যিনি ৬৭৩ রান করে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েছিলেন। টি২০ বিশ্বকাপে ভারত-নামিবিয়া ম্যাচের আগে ২৩ বছর পুরনো ওই ম্যাচের স্মৃতিচারণ করলেন রুডি ফান ভুরেন, যিনি সে দিন সচিনের উইকেট নিয়েছিলেন। 

টি২০ বিশ্বকাপে ভারত নামিবিয়া ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনার মাঝেই ফিরে এসেছে তেইশ বছর আগের এক স্মৃতি। সেই স্মৃতির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন রুডি ফান ভুরেন। এক সময় যিনি ক্রিকেট মাঠে ভারতের হয়ে খেলতে নামা কিংবদন্তি সচিন তেন্ডুলকরের উইকেট নিয়েছিলেন। আর আজ তিনি নামিবিয়া ক্রিকেটের সভাপতি। মাঠের ক্রিকেটার থেকে প্রশাসনের শীর্ষে উঠে আসার এই যাত্রা যেমন অনন্য তেমনই অনুপ্রেরণাদায়ক।

২০০৩ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ অনেকের কাছেই স্মরণীয় নানা কারণে। সেই আসরে ভারতের বিরুদ্ধে খেলেছিল নামিবিয়া। ম্যাচটি হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকায়। ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ তখন ছিল তারকাখচিত। ওপেনিংয়ে ছিলেন সচিন তেন্ডুলকর ও বীরেন্দ্র সহবাগ। মাঝের সারিতে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। সেদিন ভারত বিশাল রানের পাহাড় গড়েছিল। সচিন খেলেছিলেন ১৫২ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। সৌরভও করেছিলেন শতরান। ভারত শেষ পর্যন্ত ১৮১ রানে জয় পায়। ফলাফল একপেশে হলেও ম্যাচটি বিশেষ হয়ে আছে ভুরেনের জীবনের জন্য।

সেদিন সচিন যখন ব্যাট করছিলেন তখন তিনি প্রায় একাই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিয়ে নিয়েছিলেন। বলের উপর ছিল তাঁর সম্পূর্ণ দখল। মাঠের চারদিকে শট খেলছিলেন। নামিবিয়ার বোলাররা চেষ্টা করছিলেন তাঁকে থামাতে। সেই বোলারদের একজন ছিলেন রুডি ফান ভুরেন। পেশায় চিকিৎসক হলেও জাতীয় দলের হয়ে খেলতে নেমে নিজের সেরাটা দিতে পিছপা হননি তিনি। অবশেষে এক মন্থর গতির বলে সচিনকে আউট করেন ভুরেন। পরে তিনি স্মৃতিচারণ করে বলেন যে বলটি এত ধীরগতির ছিল যে হয়তো বেলও পড়ত না। তবু সেটিই তাঁর জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান উইকেট।

সচিন ছাড়াও সেই বিশ্বকাপে ভুরেন আউট করেছিলেন বীরেন্দ্র সহবাগকে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে নিয়েছিলেন পাঁচটি উইকেট। পুরো টুর্নামেন্টে নামিবিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট ছিল তাঁর দখলে। ছোট একটি দেশের হয়ে বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে এমন পারফরম্যান্স সহজ বিষয় নয়। কিন্তু ভুরেন দেখিয়েছিলেন আত্মবিশ্বাস ও পরিশ্রম থাকলে অসম্ভব বলে কিছু নেই।

রুডি ফান ভুরেনের গল্পকে আলাদা করে তোলে আরেকটি বিষয়। তিনি বিশ্বের একমাত্র খেলোয়াড় যিনি একই বছরে ক্রিকেট বিশ্বকাপ এবং রাগবি বিশ্বকাপ খেলেছেন। সাধারণত একজন ক্রীড়াবিদের পক্ষে একটিমাত্র খেলায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে টিকে থাকাই কঠিন। সেখানে দুই ভিন্ন ধরনের খেলায় বিশ্বকাপ খেলা সত্যিই বিস্ময়কর। ক্রিকেট বিশ্বকাপের পরই তিনি আবার রাগবিতে মন দেন। রাগবির জন্য তাঁকে বাড়াতে হয়েছিল প্রায় পাঁচ কিলোগ্রাম ওজন। শরীরের গঠন বদলে নিয়ে তিনি রাগবি বিশ্বকাপেও অংশ নেন। পরে আবার সেই ওজন ঝরিয়েও ফেলেন।

ভুরেনের ক্রীড়াজীবনের শুরু রাগবি দিয়ে। ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার প্রতি ছিল গভীর আগ্রহ। রাগবির কঠিন শারীরিক লড়াই তাঁকে তৈরি করেছে মানসিকভাবে দৃঢ় এক মানুষ হিসেবে। পরে ক্রিকেটে আসেন। দুই খেলাতেই দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পান। দেশের পতাকা বুকে নিয়ে বিশ্বমঞ্চে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে গর্বের। তিনি নিজেই বলেছেন যে মাঠে নামলে দেশই আগে।

কিন্তু ভুরেনের পরিচয় এখানেই শেষ নয়। তিনি একজন পেশাদার চিকিৎসক। মূলত শিশু চিকিৎসক হিসেবে কাজ করেন। এখনও নিয়মিত রোগী দেখেন। সত্তরের বেশি শিশুর জন্ম হয়েছে তাঁর তত্ত্বাবধানে। খেলাধুলা আর চিকিৎসা পেশা একসঙ্গে সামলানো সহজ নয়। কিন্তু সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার করে তিনি দুই ক্ষেত্রেই সফল হয়েছেন। ক্রিকেট ও রাগবি বিশ্বকাপের মাঝের সময়টুকু তিনি পুরোপুরি চিকিৎসা কাজে ব্যয় করেছেন। মানুষের সেবা করা তাঁর কাছে কেবল পেশা নয় বরং দায়িত্ব।

একজন পাইলট হিসেবেও প্রশিক্ষণ রয়েছে তাঁর। আকাশে উড়ার অভিজ্ঞতা যেমন তাঁকে শৃঙ্খলা শিখিয়েছে তেমনি সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও বাড়িয়েছে। তিনি একজন বাবা। পরিবার তাঁর শক্তির জায়গা। মাঠের ব্যস্ততা আর হাসপাতালের দায়িত্বের মাঝেও পরিবারকে সময় দেওয়ার চেষ্টা করেন।

২০১১ সালে স্ত্রীর সঙ্গে মিলে তিনি নামিবিয়ায় একটি অভয়ারণ্য গড়ে তোলেন। সেখানে আহত ও অনাথ প্রাণীদের চিকিৎসা করা হয়। প্রাণীদের প্রতি তাঁর মমত্ববোধ এই উদ্যোগের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে। মানুষের পাশাপাশি প্রাণীদের সেবায়ও নিজেকে নিয়োজিত করেছেন তিনি। সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা তাঁর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

২০১৮ সাল থেকে তিনি ক্রিকেট নামিবিয়ার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রশাসকের ভূমিকায় এসে তিনি দেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে কাজ করছেন। অবকাঠামো উন্নয়ন তরুণ ক্রিকেটার তৈরি আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিয়মিত অংশগ্রহণ সবকিছু নিয়েই তাঁর পরিকল্পনা রয়েছে। খেলোয়াড় হিসেবে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন তা এখন কাজে লাগছে প্রশাসনে। তিনি জানেন একজন ক্রিকেটারের কী প্রয়োজন এবং কীভাবে একটি ছোট দেশ বড় স্বপ্ন দেখতে পারে।

আইসিসি প্রকাশিত ভিডিওতে ভুরেন বলেন যে সচিন যখন ১৪০ রানের আশেপাশে ব্যাট করছিলেন তখন দুজনেই ক্লান্ত ছিলেন। তবু সেই মুহূর্ত তাঁর কাছে আজও স্পষ্ট। সচিনের মতো একজন কিংবদন্তিকে আউট করা যে কোনও বোলারের জন্য গর্বের। ম্যাচটি নামিবিয়া জিততে পারেনি কিন্তু সেই উইকেট ভুরেনের জীবনে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।

news image
আরও খবর

ভারত নামিবিয়া ম্যাচ সামনে রেখে এই স্মৃতিচারণ নতুন করে আলোচনায় এনেছে ভুরেনকে। ক্রিকেট বিশ্বে নামিবিয়া বড় শক্তি নয়। তবু এই দেশের ক্রিকেটে আছে লড়াইয়ের মনোভাব। ভুরেনের মতো মানুষ সেই লড়াইয়ের প্রতীক। তিনি প্রমাণ করেছেন যে সীমাবদ্ধতা থাকলেও স্বপ্ন দেখা যায়। মাঠে প্রতিপক্ষ যত শক্তিশালীই হোক নিজের সেরাটা দিতে হয়।

সচিনের ১৫২ রানের ইনিংস ভারতীয় সমর্থকদের কাছে গর্বের স্মৃতি। সৌরভের শতরানও ছিল অনন্য। কিন্তু সেই ম্যাচে নামিবিয়ার জার্সিতে দাঁড়িয়ে ভুরেন যে লড়াই করেছিলেন সেটিও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। ক্রিকেট কেবল জয় পরাজয়ের হিসাব নয়। এটি সাহস আর অধ্যবসায়ের গল্প। ভুরেনের জীবন সেই গল্পেরই আরেক অধ্যায়।

আজ যখন তিনি সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তখন তাঁর লক্ষ্য নামিবিয়ার ক্রিকেটকে আরও বড় মঞ্চে নিয়ে যাওয়া। তরুণদের সুযোগ করে দেওয়া উন্নত প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতামূলক দল তৈরি করা তাঁর অঙ্গীকার। খেলোয়াড় জীবন তাঁকে শিখিয়েছে শৃঙ্খলা আর পরিশ্রমের মূল্য। চিকিৎসক জীবন শিখিয়েছে সহমর্মিতা আর মানবিকতা। এই দুই অভিজ্ঞতার মিশ্রণ তাঁকে আলাদা করেছে অন্যদের থেকে।

তেইশ বছর আগে এক মন্থর গতির বল বদলে দিয়েছিল একটি মুহূর্ত। সেই মুহূর্ত আজও স্মৃতিতে উজ্জ্বল। সময় বদলেছে ভূমিকা বদলেছে কিন্তু ভুরেনের ভেতরের ক্রীড়াসত্তা আজও অটুট। ভারত নামিবিয়া ম্যাচের আগে তাঁর স্মৃতিচারণ মনে করিয়ে দেয় ক্রিকেট কেবল পরিসংখ্যান নয় এটি মানুষের গল্প। সংগ্রাম সাফল্য দায়িত্ব আর স্বপ্নের গল্প।

রুডি ফান ভুরেনের জীবন নিঃসন্দেহে এক অনন্য অনুপ্রেরণার গল্প। একজন মানুষ একই সঙ্গে চিকিৎসক ক্রীড়াবিদ পাইলট সমাজসেবক এবং প্রশাসক হতে পারেন তা অনেকের কাছেই অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। কিন্তু ভুরেন প্রমাণ করেছেন সঠিক লক্ষ্য স্থির থাকলে এবং সেই লক্ষ্য পূরণে অবিচল পরিশ্রম থাকলে অসম্ভব বলে কিছু থাকে না। তাঁর জীবন আমাদের শেখায় যে পরিচয় একটিতে সীমাবদ্ধ নয় বরং মানুষ চাইলে নিজেকে নানা ভূমিকায় গড়ে তুলতে পারে।

ক্রিকেট বিশ্বকাপে সচিন তেন্ডুলকরের মতো কিংবদন্তির উইকেট নেওয়া যে কোনও বোলারের জন্য স্বপ্নের মতো মুহূর্ত। ভুরেনের ক্ষেত্রেও তা ছিল বিশেষ অর্জন। সেই ম্যাচ হয়তো ফলাফলের দিক থেকে একপেশে ছিল কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে এটি তাঁর জীবনের এক অমূল্য স্মৃতি। কারণ সেই মুহূর্তে তিনি বিশ্বের সেরাদের একজনের বিরুদ্ধে নিজের দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছিলেন। বড় দলের বিরুদ্ধে ছোট দেশের প্রতিনিধিত্ব করা সব সময়ই চ্যালেঞ্জের। কিন্তু ভুরেন কখনও পিছিয়ে যাননি। বরং লড়াই করেছেন আত্মবিশ্বাস নিয়ে।

তবে তাঁর গল্প কেবল একটি উইকেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। একই বছরে ক্রিকেট ও রাগবি বিশ্বকাপ খেলার বিরল কৃতিত্ব তাঁকে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে আলাদা মর্যাদা দিয়েছে। দুই ভিন্ন ধরনের খেলায় নিজেকে মানিয়ে নেওয়া সহজ কাজ নয়। ক্রিকেটে যেখানে ধৈর্য ও কৌশল মুখ্য সেখানে রাগবিতে প্রয়োজন শারীরিক শক্তি ও দ্রুত সিদ্ধান্ত। এই দুই মেরুর খেলায় সমান দক্ষতা দেখানো তাঁর মানসিক দৃঢ়তা এবং শৃঙ্খলার প্রমাণ।

খেলাধুলার বাইরে তাঁর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিচয় চিকিৎসক হিসেবে। একজন শিশু চিকিৎসক হিসেবে তিনি নিয়মিত রোগী দেখেন এবং বহু নবজাতকের জন্মের সময় দায়িত্ব পালন করেছেন। জীবনের সূচনালগ্নে দাঁড়িয়ে অসংখ্য পরিবারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা তাঁকে মানবিকতার গভীর শিক্ষা দিয়েছে। মাঠে প্রতিযোগিতা থাকলেও হাসপাতালের পরিবেশে রয়েছে সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধ। এই দুই ভিন্ন জগতকে সমান গুরুত্ব দিয়ে সামলানো সত্যিই বিরল উদাহরণ।

সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতাও তাঁর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আহত ও অনাথ প্রাণীদের জন্য অভয়ারণ্য গড়ে তোলা তাঁর সংবেদনশীলতার পরিচয় দেয়। মানুষ ও প্রাণী উভয়ের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার মানসিকতা দেখায় যে তাঁর কাছে সাফল্য মানে শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয় বরং বৃহত্তর কল্যাণে ভূমিকা রাখা। তিনি বুঝেছেন নেতৃত্ব মানে কেবল সিদ্ধান্ত নেওয়া নয় বরং দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেওয়া।

বর্তমানে নামিবিয়া ক্রিকেটের সভাপতি হিসেবে তিনি দেশের ক্রিকেট উন্নয়নে কাজ করছেন। খেলোয়াড় হিসেবে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন তা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলছে। তরুণ প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখাতে এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রতিযোগিতামূলক দল গড়তে তিনি সচেষ্ট। তাঁর নিজের জীবনই তরুণদের জন্য বড় বার্তা যে সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বড় স্বপ্ন দেখা যায়।

তেইশ বছর আগের সেই বিশ্বকাপ ম্যাচ হয়তো পরিসংখ্যানের পাতায় একটি ফলাফল মাত্র। কিন্তু সেই ম্যাচ থেকে উঠে আসা গল্প আজও প্রাসঙ্গিক। কারণ এটি সাহস আত্মবিশ্বাস বহুমাত্রিকতা এবং মানবিকতার গল্প। ক্রিকেটের বাইরেও জীবন যে অনেক বিস্তৃত এবং সম্ভাবনাময় রুডি ফান ভুরেন তার উজ্জ্বল উদাহরণ। তাঁর জীবন আমাদের মনে করিয়ে দেয় একাধিক স্বপ্ন একসঙ্গে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব যদি থাকে অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং অবিরাম পরিশ্রম।

Preview image