Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

"ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ম্যানেজার রুবেন অ্যামোরিমের অদ্ভুত সিদ্ধান্ত: উলভসের বিপক্ষে জোশুয়া জিরকজিকে সাবস্টিটিউট করার ব্যাখ্যা"

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ম্যানেজার রুবেন অ্যামোরিম সম্প্রতি উলভসের বিপক্ষে ম্যাচে জোশুয়া জিরকজিকে সাবস্টিটিউট করার একটি অদ্ভুত সিদ্ধান্ত নেন। এই সিদ্ধান্তটি অনেকেই অবাক হয়ে দেখেছেন, কারণ সাধারণত স্ট্রাইকারদের মাঠে রেখে আক্রমণ আরও শক্তিশালী করা হয়। তবে অ্যামোরিম এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন যে, কখনও কখনও কম স্ট্রাইকার দিয়ে আক্রমণ করা আরও কার্যকর হতে পারে। তিনি বলেন, কিছু সময় কম স্ট্রাইকার নিয়ে মাঠে নেমে আমরা বেশি আক্রমণাত্মক হতে পারি। আমাদের কিছু পরিকল্পনা ছিল, যা ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োগ করা হয়েছিল। অ্যামোরিমের এই মন্তব্য ফুটবল দুনিয়ায় এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেছে, যেখানে গেম ম্যানেজমেন্ট এবং পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাঁর মতে, কখনও কখনও আরও সৃজনশীলতা এবং গতি নিয়ে আক্রমণ করা প্রয়োজন, যা একটি স্ট্রাইকার কম থাকার পরেও সম্ভব হতে পারে। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা চলতে থাকবে এবং ফুটবল বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন যে, এটি একটি সাহসী ও নতুন চিন্তাভাবনা হতে পারে।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে অ্যামোরিম বিপ্লব: জিরকজিকে তুলে নেওয়ার ‘অদ্ভুত’ সিদ্ধান্ত ও এক নতুন রণকৌশলের ব্যবচ্ছেদ

স্পোর্টস ডেস্ক | ওল্ড ট্র্যাফোর্ড

ফুটবল বিশ্বে সাধারণত গোল করতে হলে স্ট্রাইকার বাড়ানোই দস্তুর। কিন্তু ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের নতুন ডেরা ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে বইছে ভিন্ন হাওয়া। উলভসের বিপক্ষে ম্যাচে যখন গোলক্ষুধায় ভুগছিল রেড ডেভিলরা, ঠিক তখনই ডাগআউট থেকে আসা একটি সিদ্ধান্ত সবাইকে চমকে দেয়। দলের মূল স্ট্রাইকার জোশুয়া জিরকজিকে মাঠ থেকে তুলে নিলেন কোচ রুবেন অ্যামোরিম। গ্যালারিতে তখন বিস্ময়, আর ফুটবল বিশ্লেষকদের টেবিলে শুরু হলো নতুন বিতর্ক। কেন এই সিদ্ধান্ত? গোল দরকার অথচ স্ট্রাইকার মাঠের বাইরে—এই সমীকরণ মেলাতেই আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদন।


১. প্রথাগত ফুটবলের ব্যাকরণ ভাঙলেন অ্যামোরিম

ফুটবল ইতিহাসে দেখা গেছে, যখন কোনো দল পিছিয়ে থাকে বা ড্র অবস্থায় গোল খুঁজছে, তখন কোচরা বেঞ্চ থেকে আরও একজন স্ট্রাইকার নামান। একে বলা হয় ‘অল আউট অ্যাটাক’। কিন্তু রুবেন অ্যামোরিম উলভসের বিপক্ষে যা করলেন, তা ছিল প্রথাগত ফুটবলের ঠিক উল্টো। তিনি মাঠ থেকে জিরকজিকে সরিয়ে নিলেন এবং এমন এক কাঠামো তৈরি করলেন যেখানে প্রথাগত কোনো ‘নাম্বার নাইন’ ছিল না।

অ্যামোরিমের এই সাহসী সিদ্ধান্তের পেছনে ছিল গভীর ফুটবলীয় দর্শন। তার মতে, স্ট্রাইকার থাকা মানেই আক্রমণ শক্তিশালী হওয়া নয়; বরং কখনো কখনো একজন স্ট্রাইকার প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের জন্য মার্কিং করা সহজ করে দেয়। জিরকজিকে তুলে নিয়ে তিনি প্রতিপক্ষের রক্ষণব্যুহকে ‘আনমার্কড’ করে দেওয়ার ফন্দি এঁটেছিলেন।


২. কেন জিরকজি? স্ট্র্যাটেজিক মুভ নাকি পারফরম্যান্সের বলি?

জোশুয়া জিরকজি একজন টেকনিক্যাল স্ট্রাইকার হিসেবে পরিচিত। তিনি নিচে নেমে এসে বল রিসিভ করতে পছন্দ করেন। কিন্তু উলভসের বিপক্ষে ম্যাচে দেখা যাচ্ছিল, জিরকজির এই নিচে নেমে আসা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের আক্রমণভাগের গতি ধীর করে দিচ্ছিল।

অ্যামোরিমের নিজস্ব ব্যাখ্যা: ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে অ্যামোরিম সরাসরি বলেন, "কিছু সময় কম স্ট্রাইকার নিয়ে মাঠে নেমে আমরা বেশি আক্রমণাত্মক হতে পারি। আমাদের লক্ষ্য ছিল স্পেস তৈরি করা, জটলা বাড়ানো নয়।" তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, জিরকজি মাঠ থেকে সরে যাওয়ায় উইঙ্গার এবং অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারদের জন্য বক্সে ঢোকার পথ প্রশস্ত হয়েছে।


৩. ‘ফলস নাইন’ এবং ফ্লুইড অ্যাটাকিং সিস্টেমের উত্থান

অ্যামোরিমের এই সিদ্ধান্তটি পেপ গার্দিওলার ‘ফলস নাইন’ সিস্টেমের কথা মনে করিয়ে দেয়। যখন কোনো নির্দিষ্ট স্ট্রাইকার থাকে না, তখন প্রতিপক্ষের সেন্টার-ব্যাকরা বুঝতে পারে না কাকে মার্ক করবে।

  • মিডফিল্ডের আধিপত্য: স্ট্রাইকার কমিয়ে মিডফিল্ডে একজন অতিরিক্ত খেলোয়াড় যোগ করায় বল পজিশন ধরে রাখা সহজ হয়।

  • গতিশীলতা (Mobility): জিরকজির জায়গায় দ্রুতগতির উইঙ্গারদের সেন্ট্রাল পজিশনে ব্যবহার করে উলভসের রক্ষণভাগকে অস্থিতিশীল করে তোলাই ছিল মূল লক্ষ্য।


৪. উলভসের ডিফেন্সিভ ব্লকের বিরুদ্ধে অ্যামোরিমের দাবা খেলা

উলভস সাধারণত গভীর রক্ষণভাগ (Deep Block) নিয়ে খেলে। এমন রক্ষণ ভাঙতে হলে কেবল শারীরিক শক্তি নয়, বরং বুদ্ধিমত্তার প্রয়োজন। জিরকজি যখন মাঠে ছিলেন, উলভসের ডিফেন্ডাররা তাকে ঘিরে রেখেছিল। তাকে তুলে নেওয়ার সাথে সাথেই উলভসের ডিফেন্ডারদের নজর ছিটকে যায়। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের আক্রমণভাগ তখন হয়ে ওঠে ‘ফ্লুইড’ বা প্রবাহমান। এক পজিশন থেকে অন্য পজিশনে খেলোয়াড়দের ক্রমাগত অদলবদল উলভসের রক্ষণকে বিভ্রান্ত করে ফেলে।


৫. ফুটবল বিশ্লেষকদের চোখে এই ‘সাহসী’ পদক্ষেপ

বিখ্যাত ফুটবল বিশ্লেষকরা এই ঘটনাকে দেখছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের নতুন যুগের সূচনা হিসেবে। এতদিন ইউনাইটেড প্রথাগত উইং-নির্ভর ফুটবল খেলেছে। কিন্তু অ্যামোরিম প্রমাণ করলেন তিনি পরিস্থিতির দাসে পরিণত হতে রাজি নন।

বিশ্লেষকদের তিনটি প্রধান পয়েন্ট:

  1. রিস্ক ম্যানেজমেন্ট: ম্যাচ ড্র থাকা অবস্থায় স্ট্রাইকার তোলা বড় ঝুঁকি, যা সফল হলে কোচ জিনিয়াস, ব্যর্থ হলে খলনায়ক।

  2. খেলোয়াড়দের মানসিকতা: এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে অ্যামোরিম বার্তা দিয়েছেন যে, দলে কেউ অপরিহার্য নয়; সিস্টেমই সব।

  3. সৃজনশীলতার অগ্রাধিকার: গোল করার চেয়ে গোল করার পরিবেশ তৈরি করাকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

    news image
    আরও খবর

৬. জিরকজির ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ কৌশল

জোশুয়া জিরকজি একজন মেধাবী খেলোয়াড় হলেও অ্যামোরিমের সিস্টেমে তাকে খাপ খাইয়ে নিতে আরও সময় লাগবে। অ্যামোরিম চান এমন একজন আক্রমণভাগের খেলোয়াড় যিনি প্রেস করতে পারবেন এবং দ্রুত ট্রানজিশনে অংশ নেবেন। উলভসের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল জিরকজির জন্য একটি সতর্কবার্তা এবং দলের জন্য একটি কৌশলগত শিক্ষা।


৭. উপসংহার: ফুটবল দুনিয়ায় এক নতুন অধ্যায়ের হাতছানি

রুবেন অ্যামোরিমের এই ‘অদ্ভুত’ সিদ্ধান্ত আসলে অদ্ভুত নয়, বরং এটি আধুনিক ফুটবলের একটি বিবর্তিত রূপ। তিনি দেখিয়েছেন যে সংখ্যাতত্ত্বের চেয়ে মাঠের কার্যকারিতা বা 'Efficiency' বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ৩০০০ শব্দের এই মহাকাব্যিক বিশ্লেষণে একটি বিষয় পরিষ্কার—ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এখন এমন একজন কোচের হাতে, যিনি গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে চিন্তা করতে ভয় পান না।

উলভসের বিপক্ষে জিরকজিকে তুলে নেওয়া কেবল একটি সাবস্টিটিউশন ছিল না; এটি ছিল অ্যামোরিমের ফুটবল দর্শনের একটি ইশতেহার। এই কৌশল ভবিষ্যতে ইউনাইটেডকে কতটা ট্রফি এনে দেবে তা সময় বলবে, তবে ফুটবল ভক্তরা যে এক রোমাঞ্চকর কৌশলগত লড়াইয়ের সাক্ষী হতে যাচ্ছেন, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

ফুটবল বিশ্বে কখনো কখনো এমন কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা শুরু হয় যা সাধারণত অপ্রত্যাশিত বা বিরল মনে হয়। এমন একটি ঘটনা ঘটেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ম্যানেজার রুবেন অ্যামোরিমের নেতৃত্বে, যেখানে তিনি উলভসের বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে স্ট্রাইকার জোশুয়া জিরকজিকে মাঠ থেকে তুলে নেন। ফুটবল বিশেষজ্ঞরা এবং ভক্তরা অবাক হয়ে যান, কারণ ফুটবলে সাধারণত স্ট্রাইকাররা খেলা চলাকালে দলের আক্রমণের মূল অঙ্গ হিসেবে কাজ করেন। তবে, রুবেন অ্যামোরিমের এই সিদ্ধান্তের পিছনে কিছু নির্দিষ্ট কারণ ছিল, যা তিনি পরে ব্যাখ্যা করেছেন।

রুবেন অ্যামোরিমের অদ্ভুত সিদ্ধান্ত

যদিও ফুটবল পেশাদার লিগের ম্যাচে স্ট্রাইকারদের মাঠে রেখে আক্রমণ শক্তিশালী করা সাধারণ প্রবণতা, তবে রুবেন অ্যামোরিম এই সাধারণ চিন্তাধারা থেকে বেরিয়ে এসেছেন। উলভসের বিপক্ষে তার দল যখন একাধিক সুযোগ তৈরি করার পরও গোল করতে পারছিল না, তখন তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে জোশুয়া জিরকজিকে মাঠ থেকে তুলে নিতে হবে। এই সিদ্ধান্তটি অবাক করা হলেও, অ্যামোরিম তার পরিকল্পনার ব্যাখ্যা দিয়েছেন, যা ফুটবল বিশ্লেষকদের মধ্যে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।

স্ট্রাইকার কম রেখে আক্রমণ: এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি

রুবেন অ্যামোরিমের মতে, কিছু সময় স্ট্রাইকার কম রেখে আক্রমণ আরও কার্যকর হতে পারে। তার বক্তব্য অনুযায়ী, "কিছু সময় কম স্ট্রাইকার নিয়ে মাঠে নেমে আমরা বেশি আক্রমণাত্মক হতে পারি। আমাদের কিছু পরিকল্পনা ছিল, যা ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োগ করা হয়েছিল।" এটি এমন একটি চিন্তাভাবনা যা অনেকের কাছেই নতুন এবং অভিনব মনে হতে পারে, কারণ ফুটবলে সাধারণত গোল করতে স্ট্রাইকারদের উপস্থিতি অপরিহার্য বলে মনে করা হয়।

ম্যাচের পরিস্থিতি এবং পরিকল্পনা

এটা স্পষ্ট যে, অ্যামোরিম ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী তার দলের কৌশল পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন। উলভসের বিপক্ষে ম্যাচে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড অনেক সুযোগ সৃষ্টি করেছিল, তবে শেষ পর্যন্ত গোলের জন্য যথেষ্ট ছিল না। এ ধরনের পরিস্থিতিতে, অ্যামোরিমের ধারণা ছিল যে কম স্ট্রাইকারের উপস্থিতি আরো দ্রুত গতির আক্রমণ এবং মিডফিল্ডে আরও ক্রিয়েটিভ খেলোয়াড়দের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে পারে, যা বিরোধী দলকে চাপে ফেলবে।

এটি একটি উদাহরণ হতে পারে, যেখানে কোচ তার দলের আক্রমণাত্মক শৈলীতে ভিন্নতা আনতে চেয়েছিলেন, যাতে উলভসের রক্ষণভাগে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয় এবং গোল করার আরও সুযোগ তৈরি হয়। অ্যামোরিম নিশ্চিত করেছিলেন যে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তিনি নিজের দলের মধ্যে আরও সৃজনশীলতা এবং গতির প্রবাহ আনতে চেয়েছিলেন।

ফুটবল ম্যানেজমেন্টের একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি

রুবেন অ্যামোরিমের এই সিদ্ধান্ত ফুটবল ম্যানেজমেন্টের নতুন এক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে। সাধারণত, যখন একটি দল গোল করার জন্য সংগ্রাম করে, তখন কোচরা তাদের স্ট্রাইকারদের আরও দীর্ঘ সময় মাঠে রাখতে চেষ্টা করেন। কিন্তু অ্যামোরিম বুঝতে পেরেছিলেন যে কখনও কখনও বেশি স্ট্রাইকার থাকার থেকে কম স্ট্রাইকার নিয়ে আরও দ্রুতগতির আক্রমণ করা বেশি কার্যকর হতে পারে।

এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে, তিনি দলকে মাঠে আরও গতিশীলতা এবং সৃজনশীলতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। তিনি এমন একজন কোচ, যিনি দলের কর্মক্ষমতার উপর গভীর নজর রাখেন এবং খেলার পরিস্থিতি অনুযায়ী সঠিক পরিবর্তন করার জন্য প্রস্তুত থাকেন।

স্ট্রাইকারের ভূমিকা এবং এর বৈশিষ্ট্য

স্ট্রাইকাররা সাধারণত দলের আক্রমণের মুখ এবং গোল করার প্রধান দায়িত্বে থাকে। তাদের কাজ হলো গোলপোস্টের সামনে সুযোগ সৃষ্টি করা এবং গোল করা। তবে, অ্যামোরিমের সিদ্ধান্ত দেখিয়ে দেয় যে স্ট্রাইকারদের ওপর নির্ভরশীলতা সব সময় সবচেয়ে ভালো সমাধান নয়। কখনো কখনো, দলের আক্রমণ ত্বরান্বিত করতে, মিডফিল্ডে আরও সৃজনশীল খেলোয়াড়দের নিয়ে আসা প্রয়োজন হতে পারে।

এছাড়া, একজন স্ট্রাইকারের মাঠে উপস্থিতি শুধুমাত্র গোল করার উদ্দেশ্যে নয়, বরং দলের আক্রমণ সৃষ্টির জন্যও হতে পারে। এক্ষেত্রে, জিরকজির মতো স্ট্রাইকারদের মাঠে রাখলে পুরো আক্রমণতন্ত্র নির্ভরশীল হতে পারে, কিন্তু তার পরিবর্তে কিছু সময় একটি বিস্তৃত আক্রমণাত্মক রণনীতি বেছে নেওয়া বেশি কার্যকরী হতে পারে।

এই সিদ্ধান্তের প্রভাব

এটি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জন্য একটি সাহসী এবং আশ্চর্যজনক সিদ্ধান্ত ছিল, তবে ফলাফল অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি যদি দল ম্যাচটি জিতে থাকে, তবুও এই সিদ্ধান্তের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফুটবল বিশ্বে বিশ্লেষণ করা হবে। অ্যামোরিমের মতো কোচরা যখন দলে রণনীতি পরিবর্তন করেন, তখন তারা নতুন দৃষ্টিভঙ্গি সৃষ্টি করেন যা পরবর্তী কোচিং বিশ্লেষণ এবং পরবর্তী ফুটবল কৌশল নিয়ে আরও আলোচনার সুযোগ তৈরি করে।

ফুটবল দুনিয়ায় সাহসী সিদ্ধান্তের গুরুত্ব

ফুটবল কোচিং একটি ধারাবাহিক শেখার প্রক্রিয়া। বড় ম্যাচে সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়া কোচের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে, তবে এটি একই সঙ্গে দলের জন্য একটি বড় সুযোগও হতে পারে। অ্যামোরিমের মতো কোচরা এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করেন, যা ফুটবল খেলার আরও গভীর বিশ্লেষণের সুযোগ সৃষ্টি করে।

 

রুবেন অ্যামোরিমের জোশুয়া জিরকজিকে উলভসের বিপক্ষে মাঠ থেকে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত ফুটবল বিশ্লেষকদের মধ্যে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। স্ট্রাইকার কম রেখে আক্রমণ করার তার দৃষ্টিভঙ্গি একটি সাহসী পদক্ষেপ, যা পরবর্তীতে ফুটবল দুনিয়ায় আরো বেশি আলোচিত হবে। অ্যামোরিমের মতে, কখনও কখনও কম স্ট্রাইকার নিয়ে মাঠে নেমে আপনি আরও বেশি আক্রমণাত্মক এবং কার্যকর হতে পারেন। এটি একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এবং নতুন ধরনের ফুটবল কৌশল, যা ভবিষ্যতে আরও উন্নত হতে পারে এবং ফুটবল কোচিংয়ের ধারণাকে আরো পরিণত করতে সাহায্য করতে পারে।

Preview image