মাথায় পাগড়ি গায়ে ঝলমলে পোশাক জন্মদিনে যাদুকরের বেশে নজর কাড়লেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় চেনা লুকের বাইরে অভিনেতার এই সাজে রয়েছে চমকের ছোঁয়া জন্মদিনের বিশেষ আয়োজন নাকি নতুন কোনও কাজের ইঙ্গিত তাঁর এই রূপ ঘিরেই তৈরি হচ্ছে কৌতূহল
মাথায় পাগড়ি, গায়ে ঝলমলে পোশাক, হাতে রত্নখচিত আংটি জন্মদিনে এক অন্য রূপে সামনে এলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এই সাজের পিছনে রয়েছে তাঁর আসন্ন বাংলা ছবি জাদুকর সত্যচরণ। ৩০ সেপ্টেম্বর অভিনেতার ৬৪তম জন্মদিনে প্রকাশ্যে এসেছে ছবিতে তাঁর চরিত্রের নতুন ঝলক। নাম ভূমিকায় প্রসেনজিতের এই উপস্থিতি সত্যচরণকে ঘিরে রহস্যের আভাস দিচ্ছে।
জন্মদিনের বিশেষ সাজ, নাকি নতুন ছবির চরিত্র প্রথম দর্শনে যে প্রশ্ন উঠতে পারে, তার উত্তর মিলেছে ছবির পরিচয়েই। প্রসেনজিৎ এখানে এক রহস্যময় জাদুকরের ভূমিকায় অভিনয় করছেন। পোশাক ও অলংকারের পাশাপাশি তাঁর দৃঢ় অভিব্যক্তিও চরিত্রটির উপস্থাপনায় আলাদা মাত্রা যোগ করেছে। প্রথম ঝলকে সত্যচরণের সম্পূর্ণ পরিচয় জানানো হয়নি বরং তাঁর গল্প সম্পর্কে কৌতূহল ধরে রাখার চেষ্টা রয়েছে। ছবিটি পরিচালনা করছেন সায়ন্তন ঘোষাল। প্রযোজনায় রয়েছে স্টারমার্ক সিনেমাস এন্টারটেইনমেন্ট। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জাদু, রহস্য, অ্যাডভেঞ্চার এবং অতিপ্রাকৃত উপাদানকে মিলিয়ে ছবির জগৎ তৈরি করা হচ্ছে। নির্মাতারা এখনই গল্পের সব দিক প্রকাশ করতে চান না। ফলে সত্যচরণ কে, তাঁর অতীত কী এবং তাঁর চারপাশের রহস্য কীভাবে উন্মোচিত হবে এই প্রশ্নগুলিই আপাতত সামনে থাকছে। এই ছবিতে প্রসেনজিতের সঙ্গে দেখা যাবে ঋত্বিক চক্রবর্তীকে। জ্যেষ্ঠপুত্র এর পরে তাঁদের আবার একই ছবিতে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে সংবাদ প্রতিদিন। দুই অভিনেতার উপস্থিতি ছবিটির অভিনয়পর্ব নিয়ে আগ্রহের আরও একটি কারণ হতে পারে। তবে তাঁদের চরিত্রের পারস্পরিক সম্পর্ক সম্পর্কে প্রথম লুক থেকে নিশ্চিত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়।
জাদুকরের চরিত্রকে পর্দায় ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে বাহ্যিক সাজ একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা। পাগড়ি, ঝলমলে পোশাক ও আংটি দর্শককে চরিত্রটির জগতের সঙ্গে পরিচয় করায়। কিন্তু সত্যচরণের ব্যক্তিত্ব, উদ্দেশ্য কিংবা দ্বন্দ্ব বোঝার জন্য প্রয়োজন হবে গল্পের আরও বিস্তার। সেই দিক থেকে এই লুককে চরিত্রের পূর্ণ ব্যাখ্যার বদলে একটি প্রাথমিক পরিচয় হিসেবে দেখা যায়। জন্মদিনে এমন একটি চরিত্রের ঝলক প্রকাশ অভিনেতার অনুরাগীদের কাছে নতুন কাজের খবর পৌঁছে দেওয়ার বিশেষ মুহূর্তও তৈরি করেছে। পরিচিত তারকাকে ভিন্ন সাজে দেখার আকর্ষণের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে একটি অজানা গল্প জানার অপেক্ষা। তবে পোশাক দেখে ছবির কাহিনি বা চরিত্রের পরিণতি অনুমান করা ঠিক হবে না। জাদুকর সত্যচরণ এর এই ঝলক আপাতত প্রসেনজিতের নতুন পর্দার পরিচয় সামনে এনেছে। রহস্যময় সাজের আড়ালে সত্যচরণের কী গল্প রয়েছে এবং সেই গল্পে অন্য চরিত্রদের ভূমিকা কী হবে, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে আরও প্রচারসামগ্রী ও ছবির জন্য। জন্মদিনের চমক হিসেবে নতুন লুকটি সেই অপেক্ষার সূচনা করল।
পাগড়ি, ঝলমলে পোশাক এবং আংটির সাজে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের জাদুকর সত্যচরণ চরিত্রের প্রথম পরিচয় একটি রহস্যময় জগতের আভাস দেয়। কোনও চরিত্রকে পর্দায় প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে তার বাহ্যিক রূপ গুরুত্বপূর্ণ। দর্শক গল্প জানার আগেই সেই সাজ থেকে চরিত্রটির পরিবেশ ও ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা তৈরি করেন। সত্যচরণের ক্ষেত্রেও এই পোশাক একটি সূচনা। তবে তাঁর চিন্তাভাবনা, উদ্দেশ্য এবং জীবনের দ্বন্দ্ব বুঝতে প্রয়োজন হবে গল্পের আরও বিস্তার। একজন জাদুকরের সাজের সঙ্গে মঞ্চ, দর্শক এবং বিস্ময় তৈরির ধারণা জড়িয়ে থাকে। ঝলমলে পোশাক সেই উপস্থাপনার অংশ হতে পারে। কিন্তু মঞ্চের পরিচয়ের বাইরে মানুষটি কেমন, সেই প্রশ্নের উত্তর পোশাকে পাওয়া যায় না। সত্যচরণ নিজের সম্পর্কে কী প্রকাশ করেন এবং কী আড়াল করে রাখেন, তা বোঝার জন্য তাঁর সংলাপ, আচরণ ও সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। প্রথম ঝলক তাই চরিত্রটিকে চিনিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি তাঁকে আরও জানার জায়গাও রেখে দেয়। এই লুক নিয়ে ভাবতে গেলে বাহ্যিক আকর্ষণ এবং চরিত্রের গভীরতাকে আলাদাভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। সাজ দর্শকের নজর টানতে পারে, কিন্তু গল্পের মধ্যে সেই সাজের অর্থ কী, তা পরবর্তী দৃশ্যগুলিই স্পষ্ট করবে। সত্যচরণের পোশাক কি তাঁর পেশাগত পরিচয়ের অংশ, নাকি তাঁর ব্যক্তিত্বের কোনও বিশেষ দিক প্রকাশ করে এখনই তার নিশ্চিত উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়। একইভাবে আংটি বা অন্য কোনও অলংকারকে দেখে কাহিনির গোপন সূত্র ধরে নেওয়াও অনুমানমাত্র হবে।
প্রসেনজিতের মতো পরিচিত অভিনেতাকে একটি ভিন্ন চরিত্রের সাজে দেখার মধ্যে আলাদা আকর্ষণ রয়েছে। দর্শকের কাছে তাঁর পরিচিত পর্দার উপস্থিতি থাকলেও নতুন চরিত্রটি নিজস্ব পরিচয় দাবি করে। সেই পরিচয় তৈরি হয় কেবল পোশাকের মাধ্যমে নয় কথা বলার ভঙ্গি, শরীরী ভাষা, অন্য চরিত্রের সঙ্গে সম্পর্ক এবং পরিস্থিতির প্রতি প্রতিক্রিয়াও সেখানে ভূমিকা নেয়। সত্যচরণকে সম্পূর্ণভাবে বুঝতে তাই স্থিরচিত্রের বাইরে তাঁর অভিনয়ের বিস্তার দেখার প্রয়োজন থাকবে। জন্মদিনে চরিত্রের এই ঝলক সামনে আসার বিষয়টি নতুন কাজের পরিচয়কে একটি বিশেষ উপলক্ষের সঙ্গে যুক্ত করেছে। অভিনেতার অনুরাগীদের কাছে জন্মদিনের শুভেচ্ছার পাশাপাশি আগামী ছবির খবরও পৌঁছে যায়। পরিচিত মুখের নতুন সাজ এবং অজানা চরিত্রের পরিচয় দুই মিলিয়ে ছবিটি সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি হয়। তবে এই প্রকাশের গুরুত্ব বোঝাতে দর্শকের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে অতিরঞ্জিত দাবি করার প্রয়োজন নেই চরিত্রের নতুন রূপটিই আলোচনার যথেষ্ট ভিত্তি।
জাদুকর সত্যচরণ নামটি গল্পের কেন্দ্রে একজন নির্দিষ্ট মানুষের উপস্থিতির ইঙ্গিত দেয়। কিন্তু তাঁর জীবনের কোন অধ্যায় ছবিতে গুরুত্ব পাবে, তিনি কী সমস্যার মুখোমুখি হবেন বা তাঁর সিদ্ধান্ত অন্যদের কীভাবে প্রভাবিত করবে, তা এই ঝলক থেকে জানা যায় না। সেই অনিশ্চয়তাই পরবর্তী পরিচয়ের জন্য জায়গা রাখে। চরিত্রের বাহ্যিক রূপ দেখার পরে দর্শকের সামনে স্বাভাবিকভাবেই মানুষটির গল্প জানার প্রশ্ন তৈরি হতে পারে। অন্য চরিত্রদের উপস্থিতিও সত্যচরণকে বুঝতে সাহায্য করবে। একজন মানুষ বিভিন্ন সম্পর্ক ও পরিস্থিতিতে নিজের আলাদা দিক প্রকাশ করেন। কারও সঙ্গে তাঁর কথোপকথন কোনও ঘটনার সময়ে তাঁর অবস্থান কিংবা কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার মুহূর্ত এসবের মাধ্যমে চরিত্রের ব্যক্তিত্ব পরিষ্কার হতে পারে। তবে ছবিতে সেই সম্পর্কগুলি কীভাবে সাজানো হয়েছে, তা সম্পর্কে এখনই নির্দিষ্ট বক্তব্য দেওয়ার মতো তথ্য এই লুকে নেই।
আরও প্রচারসামগ্রী প্রকাশিত হলে ছবির পরিবেশ, দৃশ্যের ধরন এবং চরিত্রগুলির পারস্পরিক সম্পর্কের কিছু আভাস পাওয়া যেতে পারে। ট্রেলার বা সংক্ষিপ্ত দৃশ্যে সত্যচরণের কণ্ঠস্বর ও চলাফেরা দেখার সুযোগও থাকতে পারে। তবু প্রচারের নির্বাচিত অংশ এবং সম্পূর্ণ ছবির অভিজ্ঞতা এক নয়। গল্পের ধারাবাহিকতার মধ্যেই বোঝা যাবে কোন বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রথম ঝলকের কোন উপাদান পরে নতুন অর্থ পায়। এই কারণে সত্যচরণের সাজকে একটি প্রাথমিক পরিচয় হিসেবে দেখাই যুক্তিসংগত। পাগড়ি ও ঝলমলে পোশাক তাঁর জাদুকর পরিচয়কে দৃশ্যমান করেছে, কিন্তু চরিত্রের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা এখনও বাকি। তিনি কী চান, তাঁর সামনে কী বাধা রয়েছে এবং সেই বাধার মুখে তিনি কী সিদ্ধান্ত নেন এসব প্রশ্নের উত্তরই তাঁকে একটি পূর্ণাঙ্গ পর্দার চরিত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবে। জন্মদিনে প্রকাশিত এই রূপ প্রসেনজিতের নতুন কাজের দিকে নজর ফেরানোর একটি মুহূর্ত তৈরি করেছে। এখন অপেক্ষা সত্যচরণের বাহ্যিক পরিচয়ের সঙ্গে তাঁর গল্পের সংযোগ দেখার। রহস্যময় সাজের আড়ালে থাকা মানুষটির ব্যক্তিত্ব এবং ছবির অন্য চরিত্রদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কীভাবে ফুটে উঠবে তা জানা যাবে পরবর্তী ঝলক ও সম্পূর্ণ ছবিতে। আপাতত এই লুক সেই গল্পের দরজায় প্রথম পরিচয় রেখে গেল।দুকর সত্যচরণ নামটি গল্পের কেন্দ্রে একজন নির্দিষ্ট মানুষের উপস্থিতির ইঙ্গিত দেয়। কিন্তু তাঁর জীবনের কোন অধ্যায় ছবিতে গুরুত্ব পাবে, তিনি কী সমস্যার মুখোমুখি হবেন বা তাঁর সিদ্ধান্ত অন্যদের কীভাবে প্রভাবিত করবে, তা এই ঝলক থেকে জানা যায় না। সেই অনিশ্চয়তাই পরবর্তী পরিচয়ের জন্য জায়গা রাখে। চরিত্রের বাহ্যিক রূপ দেখার পরে দর্শকের সামনে স্বাভাবিকভাবেই মানুষটির গল্প জানার প্রশ্ন তৈরি হতে পারে। অন্য চরিত্রদের উপস্থিতিও সত্যচরণকে বুঝতে সাহায্য করবে। একজন মানুষ বিভিন্ন সম্পর্ক ও পরিস্থিতিতে নিজের আলাদা দিক প্রকাশ করেন। কারও সঙ্গে তাঁর কথোপকথন কোনও ঘটনার সময়ে তাঁর অবস্থান কিংবা কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার মুহূর্ত এসবের মাধ্যমে চরিত্রের ব্যক্তিত্ব পরিষ্কার হতে পারে। তবে ছবিতে সেই সম্পর্কগুলি কীভাবে সাজানো হয়েছে, তা সম্পর্কে এখনই নির্দিষ্ট বক্তব্য দেওয়ার মতো তথ্য এই লুকে নেই।