Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

মেলেনি কোনও উইকেট ৪ বছর পর জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তনে কি আশা দেখাতে পারলেন ভুবনেশ্বর

চার বছর পর জাতীয় দলে ফিরে উইকেট পাননি ভুবনেশ্বর কুমার। প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে তাঁর বোলিং কতটা আশা জাগাল এবং দলে জায়গা ধরে রাখার সম্ভাবনা কেমন তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।

দীর্ঘ অপেক্ষার পর আবার ভারতীয় দলের জার্সিতে বল হাতে ভুবনেশ্বর কুমার। প্রায় চার বছরের বিরতি কাটিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর বোলিং ঘিরে প্রত্যাশা থাকলেও নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টি২০ ম্যাচে উইকেট পাননি অভিজ্ঞ পেসার। ক্রাইস্টচার্চে ২২ অক্টোবরের ম্যাচে তাঁর বোলিং পরিসংখ্যান ছিল ৪৯ রানে কোনও উইকেট নয়। ভারত ম্যাচ জিতলেও ভুবনেশ্বরের প্রত্যাবর্তনের পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনার সুযোগ রয়ে গিয়েছে। উইকেটের পাশাপাশি রান নিয়ন্ত্রণেও প্রশ্ন ভুবনেশ্বরের চার ওভারে ৪৯ রান ওঠায় তাঁর ইকোনমি রেট দাঁড়ায় ১২.২৫। একজন অভিজ্ঞ বোলারের কাছ থেকে আরও নিয়ন্ত্রিত স্পেল প্রত্যাশিত। বিশেষ করে দীর্ঘ বিরতির পর সুযোগ পেলে সেই ম্যাচে প্রভাব ফেলতে পারা নিজের অবস্থান শক্ত করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই ম্যাচে অন্য ভারতীয় বোলাররাও রান আটকাতে সমস্যায় পড়েছিলেন। ফলে তাঁর পারফরম্যান্স মূল্যায়নের সময় ম্যাচের সামগ্রিক পরিস্থিতিও বিবেচনা করা প্রয়োজন। বিশ্লেষণের দিক থেকে দেখলে, একজন বোলারের অবদান বিচার করতে শুধু উইকেটের সংখ্যা যথেষ্ট নয়। কতগুলি ডট বল করেছেন, ব্যাটারকে কতবার ভুল করতে বাধ্য করেছেন এবং চাপের সময়ে পরিকল্পনা কতটা কার্যকর হয়েছে এসবও গুরুত্বপূর্ণ। আবার উইকেট না পাওয়ার সঙ্গে বেশি রান খরচ হলে উন্নতির প্রয়োজন স্পষ্ট হয়। ভুবনেশ্বরের ক্ষেত্রেও পরবর্তী সুযোগে এই দুই জায়গাতেই নজর থাকবে। দীর্ঘ বিরতির পর ছন্দ ফিরে পাওয়ার পরীক্ষা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার পর নিজের দক্ষতা ম্যাচের পরিস্থিতিতে প্রয়োগ করাই একজন বোলারের বড় পরীক্ষা। অনুশীলনে প্রস্তুতি নেওয়া এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণের মুখে নির্ভুল বল করা আলাদা চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘ বিরতি থাকলে পরিচিত ছন্দ ফিরে পেতে সময় লাগতে পারে। তবে ভুবনেশ্বরের এই পারফরম্যান্সের নির্দিষ্ট কারণ হিসেবে শুধু বিরতিকেই দায়ী করা যাবে না। বোলিংয়ের লাইন, লেংথ এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিকল্পনা বদলানোর ক্ষমতা এখানে গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাটার আক্রমণ শুরু করলে একই পরিকল্পনায় আটকে না থেকে বিকল্প পথ খুঁজতে হয়। পরের ম্যাচে সুযোগ পেলে ভুবনেশ্বর কত দ্রুত সেই পরিবর্তন করতে পারেন, সেটিই তাঁর প্রত্যাবর্তনের মূল্যায়নে বড় বিষয় হবে।

অভিজ্ঞতা কতটা কাজে লাগাতে পারবেনভুবনেশ্বরকে ঘিরে প্রত্যাশার অন্যতম কারণ তাঁর অভিজ্ঞতা। কিন্তু আন্তর্জাতিক স্তরে সেই অভিজ্ঞতার মূল্য বোঝাতে হয় মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে। কখন আক্রমণাত্মক বল করতে হবে, কখন রান আটকানোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং ব্যাটারের পরিকল্পনা কীভাবে বদলে দিতে হবে এসব সিদ্ধান্তই একজন অভিজ্ঞ পেসারের কার্যকারিতা নির্ধারণ করে। এখানে সম্ভাবনার জায়গা রয়েছে। নিজের ভুল শনাক্ত করে দ্রুত সংশোধন করতে পারলে একটি ব্যয়বহুল স্পেলের পরেও ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব। তবে সেটি ভবিষ্যৎ পারফরম্যান্সের বিষয়; প্রথম ম্যাচের ফল থেকেই সফল প্রত্যাবর্তনের সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যাবে না। দলে জায়গা ধরে রাখতে কী প্রয়োজন বিশ্লেষণ অনুযায়ী, পরবর্তী সুযোগগুলিতে ভুবনেশ্বরের জন্য তিনটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে রান নিয়ন্ত্রণ, উইকেটের সুযোগ তৈরি এবং ধারাবাহিকতা। শুধু একটি ভালো ওভার দিয়ে পুরো স্পেলের ঘাটতি পূরণ করা কঠিন। দলের প্রয়োজন অনুযায়ী নির্ভরযোগ্য বোলিং করতে পারলে তাঁর পক্ষে নিজের দাবি জোরালো করা সহজ হবে। তবে তাঁকে পরের ম্যাচে খেলানো হবে কি না বা কতগুলি সুযোগ দেওয়া হবে, তা নিয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্ত জানানো সম্ভব নয়। দল নির্বাচন নির্ভর করবে কম্বিনেশন, পরিস্থিতি এবং টিম ম্যানেজমেন্টের পরিকল্পনার উপর। প্রত্যাবর্তন কি আশা জাগাল প্রথম ম্যাচের পরিসংখ্যান ভুবনেশ্বরের পক্ষে শক্তিশালী যুক্তি তৈরি করেনি। উইকেটহীন থাকার পাশাপাশি রান খরচের বিষয়টিও উদ্বেগের। তবে একটি ম্যাচের ভিত্তিতে তাঁর আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করাও তাড়াহুড়ো হবে। এই প্রত্যাবর্তন কতটা সফল হবে, তার উত্তর মিলবে পরবর্তী সুযোগে তাঁর প্রতিক্রিয়ায়। ভুল শুধরে আরও নিয়ন্ত্রিত ও কার্যকর স্পেল করতে পারলে আশার জায়গা তৈরি হবে। আপাতত ভুবনেশ্বরের সামনে সবচেয়ে বড় কাজ ফেরার সুযোগকে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে পরিণত করা।

news image
আরও খবর

জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তনের পর ভুবনেশ্বর কুমারকে ঘিরে প্রত্যাশার অন্যতম কারণ তাঁর অভিজ্ঞতা। দীর্ঘ ক্রিকেটজীবনে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে বল করার অভিজ্ঞতা একজন পেসারকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করতে পারে। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেই অভিজ্ঞতার কার্যকারিতা প্রমাণ করতে হয় মাঠেই। প্রতিপক্ষের ব্যাটারকে চাপে রাখা, রান নিয়ন্ত্রণ করা এবং প্রয়োজনের সময়ে উইকেটের সুযোগ তৈরি করাই সেখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে উইকেট না পাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই তাঁর পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে একজন বোলারের মূল্যায়ন শুধু উইকেটের সংখ্যা দিয়ে করলে ছবিটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তাঁর বল ব্যাটারকে কতটা সমস্যায় ফেলেছে, কতগুলি ডেলিভারি পরিকল্পনা অনুযায়ী হয়েছে এবং আক্রমণের মুখে তিনি কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সেগুলিও বিচার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বেশি রান খরচ হলে সেই দুর্বলতা সংশোধনের গুরুত্বও এড়িয়ে যাওয়া যায় না। পরিস্থিতি বুঝে পরিকল্পনা বদলানো জরুরি টি২০ ক্রিকেটে একজন বোলারকে অল্প সময়ের মধ্যে একাধিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়। ব্যাটার কখন বড় শট খেলতে চাইছেন, কোন দিকে রান করার চেষ্টা করছেন এবং কোন ধরনের বলে স্বচ্ছন্দ বোধ করছেন এসব বুঝে পরিকল্পনা সাজাতে হয়। একটি পরিকল্পনা কার্যকর না হলে দ্রুত বিকল্প খুঁজে নেওয়াও প্রয়োজন। ভুবনেশ্বরের অভিজ্ঞতা এই জায়গায় কাজে আসতে পারে। কখন উইকেটের জন্য আক্রমণ করবেন এবং কখন রান আটকানোকে অগ্রাধিকার দেবেন, সেই ভারসাম্য বজায় রাখা তাঁর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি বলে উইকেট নেওয়ার চেষ্টা যেমন বাস্তবসম্মত নয়, তেমনই শুধু রক্ষণাত্মক বোলিং করেও সব পরিস্থিতিতে চাপ তৈরি করা যায় না। ম্যাচের প্রয়োজন অনুযায়ী এই দুই ভূমিকার মধ্যে পরিবর্তন করতে পারাই একজন পেসারের দক্ষতার পরিচয়। তবে পরিকল্পনা ঠিক থাকলেই সাফল্য নিশ্চিত হয় না। সেটি কার্যকর করতে বলের নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন। ফিল্ডিং সাজানো হয়েছে এক ধরনের বলের জন্য, অথচ ডেলিভারি হয়েছে অন্য জায়গায় এমন হলে ব্যাটার সহজেই সুযোগ নিতে পারেন। তাই কৌশলের সঙ্গে নির্ভুল প্রয়োগের সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভুল শনাক্ত করে সংশোধনই ঘুরে দাঁড়ানোর পথ একটি ব্যয়বহুল স্পেলের পর সবচেয়ে প্রয়োজন নিজের বোলিংয়ের ভুলগুলি নির্দিষ্ট করে বোঝা। কোন বলে রান হয়েছে, কোথায় লেংথের ভুল ছিল এবং কোন পরিস্থিতিতে পরিকল্পনা বদলানো দরকার ছিল এসব বিশ্লেষণ পরবর্তী প্রস্তুতিকে কার্যকর করতে পারে। ভুবনেশ্বরের ক্ষেত্রেও সামনে এগোনোর পথটি একই। শুধু আগের ম্যাচের ফল ভুলে যাওয়াই যথেষ্ট নয়; সেই ম্যাচ থেকে শেখাও প্রয়োজন। কোনও ব্যাটারের বিরুদ্ধে একই ধরনের বল বারবার সমস্যায় ফেললে তার বিকল্প তৈরি করতে হবে। আবার যে ডেলিভারিগুলি কার্যকর হয়েছে, সেগুলি আরও ধারাবাহিকভাবে করার প্রস্তুতি নিতে হবে। অবশ্য তাঁর প্রস্তুতিতে ঠিক কী পরিবর্তন হচ্ছে, তা নিশ্চিত তথ্য ছাড়া বলা যায় না। এখানে মূল প্রশ্ন হল, পরের সুযোগে তাঁর বোলিংয়ে সংশোধনের ছাপ দেখা যায় কি না। উন্নতির সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ হবে মাঠের পারফরম্যান্স। দলে জায়গা ধরে রাখতে ধারাবাহিকতার গুরুত্ব জাতীয় দলে ফিরে একটি ভালো ম্যাচ খেলা এবং দীর্ঘ সময় নিজের জায়গা ধরে রাখা আলাদা চ্যালেঞ্জ। ধারাবাহিকতা মানে প্রতিটি ম্যাচে একই সংখ্যক উইকেট নেওয়া নয়। বরং ভিন্ন পরিস্থিতিতেও দলের প্রয়োজন অনুযায়ী অবদান রাখতে পারা। কোনও ম্যাচে শুরুতে রান আটকে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। অন্য ম্যাচে একটি বড় জুটি ভাঙাই হতে পারে প্রধান দায়িত্ব। আবার শেষের দিকে ব্যাটাররা আক্রমণ করলে সীমিত রান দেওয়াও দলের জন্য মূল্যবান। সুযোগ পেলে ভুবনেশ্বরকে সেই প্রয়োজন অনুযায়ী নিজের ভূমিকা পালন করতে হবে। একটি ভালো ওভার ইতিবাচক ইঙ্গিত দিতে পারে, কিন্তু পুরো স্পেলের নিয়ন্ত্রণও জরুরি। পরপর কয়েকটি ভুল বলে আগের তৈরি করা চাপ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই বিচ্ছিন্ন ভালো ডেলিভারির পাশাপাশি ধারাবাহিকভাবে কার্যকর বল করাই তাঁর সামনে বড় পরীক্ষা।

উইকেটের সুযোগ তৈরি করাও প্রয়োজন রান নিয়ন্ত্রণ এবং উইকেটের সুযোগ তৈরি এই দুই বিষয় অনেক সময় একে অপরকে সাহায্য করে। নিয়মিত সহজ রান না পেলে ব্যাটার ঝুঁকি নিতে পারেন। সেই ঝুঁকি বোলারের জন্য সুযোগ এনে দিতে পারে। আবার একটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট প্রতিপক্ষের রান তোলার গতি কমিয়ে দিতে পারে। ভুবনেশ্বরের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণে তাই দেখতে হবে, তিনি কতটা চাপ তৈরি করতে পারছেন। শুধু ব্যাটারের ভুলের অপেক্ষায় থাকার বদলে নিজের বোলিং দিয়ে তাঁকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করাও গুরুত্বপূর্ণ। তবে সুযোগ তৈরি হওয়া এবং উইকেট পাওয়া সব সময় এক বিষয় নয়। মূল্যায়নের সময় এই পার্থক্যটি মনে রাখা প্রয়োজন। একটি ম্যাচেই কি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত প্রত্যাবর্তনের প্রথম ম্যাচ প্রত্যাশা পূরণ না করলে সমালোচনা হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু একটি ম্যাচের ভিত্তিতে কোনও ক্রিকেটারের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করলে তাঁর সামর্থ্য সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা পাওয়া কঠিন। একইভাবে অতীতের সাফল্য দেখিয়ে বর্তমানের দুর্বলতাও উপেক্ষা করা উচিত নয়। ভারসাম্যপূর্ণ মূল্যায়নের জন্য প্রয়োজন বর্তমান পারফরম্যান্স, উন্নতির লক্ষণ এবং দলের প্রয়োজন একসঙ্গে বিবেচনা করা। ভুবনেশ্বর পরবর্তী সুযোগে রান নিয়ন্ত্রণে উন্নতি করতে পারছেন কি না ব্যাটারদের চাপে ফেলছেন কি না এবং নিজের দায়িত্ব কতটা নির্ভরযোগ্যভাবে পালন করছেন এসবই বেশি তাৎপর্যপূর্ণ হবে। তাঁকে কতগুলি ম্যাচে সুযোগ দেওয়া হবে বা পরবর্তী একাদশে রাখা হবে কি না তা টিম ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্ত। দলের কম্বিনেশন ও ম্যাচের পরিস্থিতিও সেখানে ভূমিকা রাখবে। তাই এখনই তাঁর জায়গা নিশ্চিত বা ভবিষ্যৎ শেষ কোনও দাবিই করা যথাযথ হবে না। প্রত্যাশাকে পারফরম্যান্সে পরিণত করার চ্যালেঞ্জ ভুবনেশ্বরের অভিজ্ঞতা তাঁকে ঘিরে আশার কারণ হতে পারে। সেই আশা আরও জোরালো হবে যদি তাঁর বোলিংয়ে নিয়ন্ত্রণ, পরিকল্পনার স্পষ্টতা এবং ভুল সংশোধনের প্রমাণ দেখা যায়। প্রত্যাবর্তনের গুরুত্ব শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত হবে পরবর্তী সুযোগগুলিতে তিনি কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন তার ভিত্তিতে। আপাতত তাঁর সামনে কাজটি স্পষ্ট প্রস্তুতির ঘাটতি থাকলে তা পূরণ করা, ব্যয়বহুল ডেলিভারি কমানো এবং দলের প্রয়োজনের সময়ে নির্ভরযোগ্য স্পেল উপহার দেওয়া। এই উন্নতি করতে পারলে প্রত্যাবর্তনের গল্পে ইতিবাচক মোড় আসতে পারে। তবে সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে পরিণত করার উত্তর তাঁকে বল হাতেই দিতে হবে।

Preview image