প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় অনন্য কাজের স্বীকৃতি হিসেবে কেন্দ্র সরকারের ওয়াইল্ড লাইফ ইনস্টিটিউটের তরফে ২০২৬ সালের পর্যাবারণ চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড পেল নদিয়ার ফুলিয়া শিক্ষানিকেতন সারা দেশের মাত্র ৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একমাত্র স্কুল হিসেবে এই সম্মান অর্জন করেছে বিদ্যালয়টি।
নদিয়া জেলার শিক্ষা জগতে এক ঐতিহাসিক সাফল্যের নজির গড়ল ফুলিয়া শিক্ষানিকেতন। পরিবেশ সংরক্ষণ, প্রকৃতি রক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা গড়ে তোলার অসামান্য উদ্যোগের জন্য কেন্দ্র সরকারের অধীনস্থ ওয়াইল্ড লাইফ ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে বিদ্যালয়টিকে ২০২৬ সালের ‘পর্যাবারণ চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়েছে। গত ১লা জুন আনুষ্ঠানিকভাবে এই সম্মানের ঘোষণা করা হয়। এই সাফল্যে শুধু বিদ্যালয় নয়, গর্বিত গোটা নদিয়া জেলা ও পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামহল।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুরেশ বাগচী এই সম্মান পাওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসতেই গভীর আনন্দ ও গর্ব প্রকাশ করেন। তিনি জানান, গত দুই বছর ধরে ফুলিয়া শিক্ষানিকেতন ওয়াইল্ড লাইফ ইনস্টিটিউটের সঙ্গে যৌথভাবে পরিবেশবান্ধব একাধিক কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। সেই ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ফল হিসেবেই এই সর্বভারতীয় স্বীকৃতি এসেছে।
বিদ্যালয়ের অন্যতম উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ ছিল ‘নমামি গঙ্গে’ প্রকল্পে সক্রিয় অংশগ্রহণ। গঙ্গাকে দূষণমুক্ত রাখা, নদীর জল সংরক্ষণ এবং পরিবেশবান্ধব জীবনযাত্রা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে বিশেষ ক্যাম্প আয়োজন করা হয়। শুধু বিদ্যালয়ের ভেতরেই নয়, আশপাশের এলাকাতেও পরিবেশ সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়েছে।
বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করা হয়। একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক বর্জনের জন্য বিভিন্ন প্রচারাভিযান চালানো হয়। পরিবেশ রক্ষার বার্তা পৌঁছে দিতে বিদ্যালয়ে নিয়মিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয় এবং লাগানো গাছগুলির পরিচর্যার দায়িত্বও শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ফলে ছোটবেলা থেকেই প্রকৃতির প্রতি দায়িত্ববোধ তৈরি হচ্ছে পড়ুয়াদের মধ্যে।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শুধু বাস্তবমুখী কর্মসূচি নয়, শিক্ষামূলক বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমেও পরিবেশ সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা করেছে। পরিবেশ বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা, অঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা এবং মনীষীদের পরিবেশ ভাবনা নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এর ফলে শিক্ষার্থীরা বইয়ের বাইরে থেকেও প্রকৃতি ও পরিবেশ সম্পর্কে গভীর ধারণা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছে।
প্রধান শিক্ষক সুরেশ বাগচী জানান, ওয়াইল্ড লাইফ ইনস্টিটিউট শুধু ভারতবর্ষেই নয়, আন্তর্জাতিক স্তরেও পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার কাজ করে চলেছে। তাদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য ছিল ছাত্র-ছাত্রীদের মাধ্যমেই পরিবেশ রক্ষার বার্তা সমাজে ছড়িয়ে দেওয়া।
তিনি আরও জানান, এই পুরস্কারের জন্য সারা ভারত থেকে প্রায় ৫০০টি বিদ্যালয় অংশগ্রহণ করেছিল। পশ্চিমবঙ্গ থেকেই অংশ নেয় প্রায় ১০০টি স্কুল। প্রথম বাছাই পর্বে দেশের ১০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয়। এরপর চূড়ান্ত পর্বে সারা দেশের মাত্র ৫টি প্রতিষ্ঠান ‘পর্যাবারণ চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড’-এর জন্য মনোনীত হয়। এর মধ্যে ৪টি ছিল বিশ্ববিদ্যালয় এবং একমাত্র স্কুল হিসেবে এই গৌরব অর্জন করেছে ফুলিয়া শিক্ষানিকেতন। পশ্চিমবঙ্গের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবেও বিদ্যালয়টি এই সম্মান পেয়েছে।
এই সাফল্যের পিছনে শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী এবং অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করেছেন প্রধান শিক্ষক। বিদ্যালয়ের প্রতিটি পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণই এই সম্মান অর্জনের মূল চাবিকাঠি বলে মনে করছেন তিনি।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি নির্দিষ্ট জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে যেখানে খুব দ্রুত একটি ‘কিচেন গার্ডেন’ বা সবজি ও ফুলের বাগান তৈরি করা হবে। সেখানে বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু সবজি চাষ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এতে যেমন পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হবে, তেমনই ছাত্র-ছাত্রীরা কৃষিকাজ ও স্বনির্ভরতার শিক্ষা লাভ করবে।
এছাড়াও বিদ্যালয়ের সেমিনার হলকে নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের তৈরি বিভিন্ন শিল্পকর্ম, পরিবেশ সচেতনতা বিষয়ক পোস্টার এবং মনীষীদের অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য দিয়ে সাজানো হবে পুরো হলঘর। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে জাতীয়তাবোধ, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং পরিবেশ সচেতনতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
ফুলিয়া শিক্ষানিকেতনের এই জাতীয় স্তরের সাফল্য আজ নদিয়া জেলার মানুষের কাছে গর্বের বিষয় হয়ে উঠেছে। পরিবেশ রক্ষায় একটি সাধারণ বিদ্যালয় কীভাবে অসাধারণ ভূমিকা পালন করতে পারে, তার উজ্জ্বল উদাহরণ তৈরি করেছে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ভবিষ্যতেও এই ধরণের উদ্যোগ দেশের অন্যান্য বিদ্যালয়গুলিকে অনুপ্রাণিত করবে বলেই মনে করছে শিক্ষামহল।
ফুলিয়া শিক্ষানিকেতনের এই অসামান্য সাফল্য বর্তমানে নদিয়া জেলার শিক্ষা ও সামাজিক পরিমণ্ডলে এক বিশেষ আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। পরিবেশ রক্ষা, প্রকৃতি সংরক্ষণ এবং ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের ধারাবাহিক উদ্যোগ আজ জাতীয় স্তরে স্বীকৃতি পেয়েছে। কেন্দ্র সরকারের ওয়াইল্ড লাইফ ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে ২০২৬ সালের ‘পর্যাবারণ চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করে বিদ্যালয়টি শুধু নিজেদের গৌরবই বৃদ্ধি করেনি, বরং গোটা পশ্চিমবঙ্গকেও সম্মানিত করেছে।
বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিবেশবান্ধব নানা কর্মসূচির পাশাপাশি আগামী দিনে আরও বৃহৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে বিদ্যালয়ের সেমিনার হলকে নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা ইতিমধ্যেই গ্রহণ করা হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের তৈরি বিভিন্ন শিল্পকর্ম, পরিবেশ সচেতনতা বিষয়ক পোস্টার, গাছপালা ও প্রকৃতি রক্ষার বার্তা বহনকারী দেয়ালচিত্র এবং মনীষীদের অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য দিয়ে পুরো হলঘর সাজানো হবে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে জাতীয়তাবোধ, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং পরিবেশ সচেতনতা আরও বৃদ্ধি পাবে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমান সময়ে শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। বাস্তব জীবনের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষা এবং সামাজিক সচেতনতা তৈরি করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। সেই লক্ষ্যেই ফুলিয়া শিক্ষানিকেতন দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশ রক্ষার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে চলেছে। বিদ্যালয়ের এই পরিকল্পনার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো ছাত্র-ছাত্রীদের এমন একটি পরিবেশ দেওয়া, যেখানে তারা ছোটবেলা থেকেই প্রকৃতি ও সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল হয়ে উঠতে পারে।
এই জাতীয় পুরস্কার অর্জনের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রম এবং পরিকল্পিত উদ্যোগ। বিদ্যালয়টি গত দুই বছর ধরে ওয়াইল্ড লাইফ ইনস্টিটিউটের সঙ্গে যৌথভাবে বিভিন্ন পরিবেশবান্ধব কর্মসূচি পালন করে আসছে। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল ‘নমামি গঙ্গে’ প্রকল্পে সক্রিয় অংশগ্রহণ। গঙ্গাকে দূষণমুক্ত রাখা, নদীর জল সংরক্ষণ এবং পরিবেশ রক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে বিশেষ প্রচারাভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
শুধু তাই নয়, বিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় বর্জ্য নিষ্কাশনের সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলার কাজও নিয়মিতভাবে করা হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের প্লাস্টিকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জানানো হয়েছে এবং একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক বর্জনের জন্য বিশেষ প্রচার চালানো হয়েছে। পরিবেশ রক্ষার বার্তা সমাজের প্রতিটি স্তরে পৌঁছে দিতে বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে।
বিদ্যালয়ে নিয়মিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। শুধু গাছ লাগানোই নয়, সেই গাছের পরিচর্যার দায়িত্বও ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এর ফলে পড়ুয়ারা খুব ছোট বয়স থেকেই প্রকৃতির সঙ্গে এক নিবিড় সম্পর্ক তৈরি করতে পারছে। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী দিনেও এই ধরনের কর্মসূচি আরও বৃহৎ আকারে পরিচালনা করা হবে।
পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিদ্যালয়ে নিয়মিতভাবে কুইজ প্রতিযোগিতা, অঙ্কন প্রতিযোগিতা, রচনা প্রতিযোগিতা এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন মনীষীর পরিবেশ ভাবনা ও সামাজিক দায়িত্ব নিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে করছে, এই ধরনের কার্যক্রম ছাত্র-ছাত্রীদের মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুরেশ বাগচী জানান, ওয়াইল্ড লাইফ ইনস্টিটিউট শুধু ভারতবর্ষেই নয়, আন্তর্জাতিক স্তরেও পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে চলেছে। সেই প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এই ধরনের সম্মান পাওয়া সত্যিই অত্যন্ত গর্বের বিষয়। তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য ছিল ছাত্র-ছাত্রীদের মাধ্যমে সমাজে পরিবেশ রক্ষার বার্তা পৌঁছে দেওয়া এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও সচেতন করে তোলা।
তিনি আরও জানান, এই পুরস্কারের জন্য সারা ভারত থেকে প্রায় ৫০০টি বিদ্যালয় অংশগ্রহণ করেছিল। পশ্চিমবঙ্গ থেকে অংশ নেয় প্রায় ১০০টি বিদ্যালয়। প্রথম পর্যায়ে দেশের ১০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয়। এরপর চূড়ান্ত পর্যায়ে মাত্র ৫টি প্রতিষ্ঠান ‘পর্যাবারণ চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড’-এর জন্য মনোনীত হয়। এর মধ্যে ৪টি ছিল বিশ্ববিদ্যালয় এবং একমাত্র স্কুল হিসেবে এই গৌরব অর্জন করে ফুলিয়া শিক্ষানিকেতন। পশ্চিমবঙ্গের একমাত্র বিদ্যালয় হিসেবে এই সম্মান অর্জন করায় বিদ্যালয়টির মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মধ্যেও রয়েছে পরিবেশবান্ধব একাধিক উদ্যোগ। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে খুব দ্রুত একটি ‘কিচেন গার্ডেন’ তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেখানে বিভিন্ন ধরনের সবজি ও ফুল চাষ করা হবে। বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু সবজি সেখান থেকেই সংগ্রহ করার চিন্তাভাবনা চলছে। এতে ছাত্র-ছাত্রীরা যেমন কৃষিকাজ সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা লাভ করবে, তেমনই স্বনির্ভরতার শিক্ষা পাবে।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, বর্তমান প্রজন্মকে শুধুমাত্র পরীক্ষামুখী শিক্ষা দিলেই চলবে না। তাদের প্রকৃতি, সমাজ এবং দেশের প্রতি দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। সেই লক্ষ্যেই ফুলিয়া শিক্ষানিকেতন ধারাবাহিকভাবে পরিবেশ রক্ষার নানা উদ্যোগ নিয়ে চলেছে।
ফুলিয়া শিক্ষানিকেতনের এই সাফল্য আজ শুধু একটি বিদ্যালয়ের অর্জন নয়, বরং এটি সমগ্র নদিয়া জেলার মানুষের কাছে গর্বের বিষয় হয়ে উঠেছে। পরিবেশ রক্ষায় একটি সাধারণ বিদ্যালয় কীভাবে অসাধারণ ভূমিকা পালন করতে পারে, তার বাস্তব উদাহরণ তৈরি করেছে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই এই সাফল্য এসেছে বলে মনে করছেন অনেকেই।
শিক্ষামহলের একাংশের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ আগামী দিনে দেশের অন্যান্য বিদ্যালয়গুলিকেও অনুপ্রাণিত করবে। পরিবেশ সচেতনতা, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং জাতীয় মূল্যবোধ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ফুলিয়া শিক্ষানিকেতন আজ এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে। বিদ্যালয়ের এই অর্জন ভবিষ্যতে আরও বহু ছাত্র-ছাত্রীকে পরিবেশ রক্ষার কাজে এগিয়ে আসতে অনুপ্রাণিত করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।