২০২৬ সালের ছুটির ক্যালেন্ডার প্রকাশিত হয়েছে। নতুন বছরে একাধিক লং উইকএন্ড থাকায় স্কুল, কলেজ ও অফিসের কর্মীদের জন্য থাকছে ভ্রমণ ও বিশ্রামের বাড়তি সুযোগ। দেখে নিন মাসভিত্তিক সম্পূর্ণ ছুটির তালিকা।
২০২৬ সালকে ঘিরে ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে পড়ুয়া, চাকরিজীবী ও ভ্রমণপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তি কৌতূহল তৈরি হয়েছে। নতুন বছরের পরিকল্পনা মানেই প্রথমেই চোখ রাখা হয় ছুটির ক্যালেন্ডারের দিকে। কারণ একটি সাজানো ছুটির তালিকা সারা বছরের কাজের চাপ সামলে বিশ্রাম, পরিবারকে সময় দেওয়া কিংবা ভ্রমণের সুযোগ করে দেয়। ২০২৬ সালের হলিডে ক্যালেন্ডার সেই দিক থেকে অনেকটাই সুখবর নিয়ে এসেছে। এই বছরে একাধিক লং উইকএন্ড থাকায় স্কুল, কলেজ ও অফিসের সঙ্গে যুক্ত মানুষজন আগেভাগেই নিজেদের পরিকল্পনা সাজাতে পারবেন।
২০২৬ সালের ছুটির ক্যালেন্ডার লক্ষ্য করলে দেখা যায়, বেশ কিছু জাতীয় ছুটি ও উৎসব সপ্তাহান্তের সঙ্গে যুক্ত হয়ে লম্বা ছুটির সুযোগ তৈরি করেছে। সাধারণত শনিবার ও রবিবারের সঙ্গে যদি শুক্রবার বা সোমবার কোনও সরকারি ছুটি পড়ে, তাহলে তিন থেকে চার দিনের টানা ছুটি পাওয়া যায়। ২০২৬ সালে এমন পরিস্থিতি বারবার আসছে, যা কর্মজীবী মানুষের কাছে নিঃসন্দেহে স্বস্তির খবর। একই সঙ্গে পড়ুয়াদের কাছেও এই ক্যালেন্ডার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পরীক্ষার চাপের মাঝেই এই ছুটিগুলি মানসিকভাবে অনেকটাই স্বস্তি এনে দেয়।
নতুন বছরের শুরুতেই জানুয়ারি মাসে ছুটির ক্ষেত্রে কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে। বছরের প্রথম মাস সাধারণত উৎসবের তুলনায় কাজের চাপ বেশি থাকে, কিন্তু সপ্তাহান্তের সঙ্গে যুক্ত কিছু ছুটি থাকায় পরিবার বা কাছের জায়গায় বেড়িয়ে আসার সুযোগ তৈরি হয়। জানুয়ারি মাসে শীতকাল থাকায় এই সময়ে ভ্রমণের আকর্ষণও তুলনামূলক বেশি থাকে। পাহাড়, সমুদ্র কিংবা ঐতিহাসিক স্থান—সব ক্ষেত্রেই এই সময়ে পর্যটকদের ভিড় বাড়ে।
ফেব্রুয়ারি মাস তুলনামূলকভাবে ছোট হলেও এই মাসেও ছুটির ক্যালেন্ডার খুব একটা হতাশ করে না। বসন্তের শুরু, আবহাওয়া মনোরম এবং পড়ুয়াদের ক্ষেত্রেও এই সময়ে কিছুটা ফাঁকা সময় থাকে। সপ্তাহান্ত ঘেঁষা ছুটিগুলি ছোট ট্রিপ কিংবা আত্মীয়স্বজনের বাড়ি যাওয়ার সুযোগ এনে দেয়। বিশেষ করে শহরের ব্যস্ত জীবনে এই ধরনের বিরতি মানসিকভাবে খুবই উপকারী।
মার্চ মাস মানেই উৎসবের আমেজ। এই সময়ে বসন্ত উৎসব, হোলির মতো বড় উৎসব থাকায় ছুটির গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়। ২০২৬ সালে মার্চ মাসে উৎসবের ছুটিগুলি যদি সপ্তাহান্তের সঙ্গে মিলে যায়, তাহলে লং উইকএন্ড পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এই সময়ে আবহাওয়া খুব বেশি গরম না হওয়ায় ভ্রমণও তুলনামূলকভাবে আরামদায়ক হয়। ফলে অনেকেই এই সময়কে বেছে নেন ছুটি কাটানোর জন্য।
এপ্রিল মাসে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন অঞ্চলে নববর্ষ উদযাপন হয়। বাংলা নববর্ষ, বিহু, বিষু সহ একাধিক আঞ্চলিক উৎসব এই মাসে পড়ে। ফলে স্কুল ও কলেজের ক্ষেত্রেও ছুটির তালিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ২০২৬ সালে এপ্রিল মাসে যদি এই উৎসবগুলি সপ্তাহান্তের সঙ্গে যুক্ত হয়, তাহলে পড়ুয়াদের পাশাপাশি শিক্ষক ও অভিভাবকরাও কিছুটা স্বস্তি পান। একই সঙ্গে অফিস কর্মীদের ক্ষেত্রেও এই সময়ে লম্বা ছুটির সুযোগ তৈরি হতে পারে।
মে মাস সাধারণত গ্রীষ্মের শুরু হলেও ছুটির দিক থেকে এই মাসও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। শ্রম দিবসের মতো জাতীয় ছুটি এবং কিছু আঞ্চলিক উৎসব এই মাসে পড়ে। স্কুলের গ্রীষ্মকালীন ছুটি অনেক ক্ষেত্রেই মে মাস থেকে শুরু হয়, ফলে পরিবার নিয়ে ভ্রমণের পরিকল্পনা এই সময়েই বেশি হয়। ২০২৬ সালের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী মে মাসে সপ্তাহান্ত ঘেঁষা ছুটি থাকায় দীর্ঘ ভ্রমণের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
জুন মাসে বর্ষার আগমন হলেও ছুটির পরিকল্পনা থেমে থাকে না। এই মাসে তুলনামূলকভাবে উৎসব কম হলেও সপ্তাহান্তের ছুটিগুলি ছোট বিরতির সুযোগ দেয়। যারা কাজের চাপের কারণে বড় ছুটি নিতে পারেন না, তাদের জন্য এই ধরনের ছোট লং উইকএন্ড মানসিকভাবে খুবই কার্যকর।
জুলাই ও আগস্ট মাসে বর্ষাকাল থাকলেও এই সময়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ছুটি পড়ে। স্বাধীনতা দিবসের মতো জাতীয় উৎসব এবং বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান এই সময়ে পালিত হয়। ২০২৬ সালে যদি এই ছুটিগুলি শনিবার বা সোমবারের কাছাকাছি পড়ে, তাহলে তিন থেকে চার দিনের লম্বা ছুটি পাওয়া সম্ভব। বর্ষাকাল হলেও পাহাড়ি অঞ্চল বা সবুজ গ্রামাঞ্চলে এই সময়ে ভ্রমণের আলাদা আকর্ষণ থাকে।
সেপ্টেম্বর মাসে উৎসবের মরশুম শুরু হয় ধীরে ধীরে। এই মাসে ধর্মীয় ছুটিগুলি স্কুল ও কলেজের পড়ুয়াদের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। পড়াশোনার চাপের মাঝে এই ছুটিগুলি মানসিকভাবে স্বস্তি এনে দেয়। অফিস কর্মীদের ক্ষেত্রেও এই সময়ে কাজের চাপ কিছুটা কম থাকে, ফলে ছুটি কাটানোর পরিকল্পনা করা সহজ হয়।
অক্টোবর মাসকে অনেকেই বছরের সেরা ছুটির মাস বলে মনে করেন। দুর্গাপুজো, দশেরা ও অন্যান্য বড় উৎসব এই মাসে পড়ে। ২০২৬ সালে অক্টোবর মাসে ছুটির তালিকা বিশেষভাবে আকর্ষণীয় হতে পারে, কারণ একাধিক উৎসব সপ্তাহান্তের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বড় লং উইকএন্ড তৈরি করতে পারে। এই সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভ্রমণের চাহিদা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছয়।
নভেম্বর মাসে দীপাবলি, কালীপুজো, ছট পুজোর মতো উৎসব থাকায় ছুটির আমেজ বজায় থাকে। ২০২৬ সালের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এই উৎসবগুলি যদি সপ্তাহান্তের সঙ্গে মিলে যায়, তাহলে টানা ছুটির সুযোগ তৈরি হয়। বছরের শেষের দিকে এই ছুটিগুলি কাজের ক্লান্তি কাটিয়ে নতুন উদ্যমে ফেরার সুযোগ দেয়।
ডিসেম্বর মাস মানেই বছরের শেষ এবং নতুন বছরের প্রস্তুতি। বড়দিন ও বছরের শেষের ছুটিগুলি অনেক ক্ষেত্রেই সপ্তাহান্তের সঙ্গে যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ছুটির সুযোগ তৈরি করে। ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসেও এমন সম্ভাবনা থাকায় বছরের শেষে পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর পরিকল্পনা করা সহজ হবে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, ২০২৬ সালের হলিডে ক্যালেন্ডার পড়ুয়া, কর্মজীবী ও ভ্রমণপ্রেমী সকলের জন্যই বেশ আশাব্যঞ্জক। একাধিক লং উইকএন্ড থাকায় সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে খুব বেশি ছুটি না নিয়েও দীর্ঘ সময় বিশ্রাম বা ভ্রমণের সুযোগ পাওয়া যাবে। যারা আগেভাগেই ছুটির পরিকল্পনা করেন, তাদের জন্য এই ক্যালেন্ডার একটি গুরুত্বপূর্ণ গাইড হিসেবে কাজ করবে। নতুন বছরকে আরও আনন্দময় ও পরিকল্পিত করে তুলতে ২০২৬ সালের ছুটির তালিকা নিঃসন্দেহে বড় ভূমিকা নিতে
২০২৬ সালকে ঘিরে সাধারণ মানুষের আগ্রহ বরাবরই একটু বেশি। কারণ নতুন বছরের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় ছুটি, উৎসব, কাজের পরিকল্পনা এবং ভ্রমণের সুযোগ। বিশেষ করে স্কুলপড়ুয়া, কলেজের ছাত্রছাত্রী, চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীদের কাছে বছরের ছুটির ক্যালেন্ডার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৬ সালের হলিডে ক্যালেন্ডার প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই দেখা যাচ্ছে, এই বছরে একাধিক লং উইকএন্ড থাকছে, যা কাজের ফাঁকে বিশ্রাম এবং পরিবার–পরিজন নিয়ে সময় কাটানোর সুযোগ বাড়িয়ে দেবে। ফলে বছর শুরুর আগেই অনেকেই ছুটি মিলিয়ে ভ্রমণ বা ব্যক্তিগত পরিকল্পনা সাজাতে শুরু করেছেন।
নতুন বছরে ছুটির দিন শুধু বিশ্রামের সুযোগই দেয় না, মানসিক চাপ কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত অফিস বা পড়াশোনার চাপের মধ্যে কয়েক দিনের টানা ছুটি মানুষকে আবার নতুন উদ্যমে কাজে ফিরতে সাহায্য করে।
২০২৬ সালকে ঘিরে ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে পড়ুয়া, চাকরিজীবী ও ভ্রমণপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তি কৌতূহল তৈরি হয়েছে। নতুন বছরের পরিকল্পনা মানেই প্রথমেই চোখ রাখা হয় ছুটির ক্যালেন্ডারের দিকে। কারণ একটি সাজানো ছুটির তালিকা সারা বছরের কাজের চাপ সামলে বিশ্রাম, পরিবারকে সময় দেওয়া কিংবা ভ্রমণের সুযোগ করে দেয়। ২০২৬ সালের হলিডে ক্যালেন্ডার সেই দিক থেকে অনেকটাই সুখবর নিয়ে এসেছে। এই বছরে একাধিক লং উইকএন্ড থাকায় স্কুল, কলেজ ও অফিসের সঙ্গে যুক্ত মানুষজন আগেভাগেই নিজেদের পরিকল্পনা সাজাতে পারবেন।
২০২৬ সালের ছুটির ক্যালেন্ডার লক্ষ্য করলে দেখা যায়, বেশ কিছু জাতীয় ছুটি ও উৎসব সপ্তাহান্তের সঙ্গে যুক্ত হয়ে লম্বা ছুটির সুযোগ তৈরি করেছে। সাধারণত শনিবার ও রবিবারের সঙ্গে যদি শুক্রবার বা সোমবার কোনও সরকারি ছুটি পড়ে, তাহলে তিন থেকে চার দিনের টানা ছুটি পাওয়া যায়। ২০২৬ সালে এমন পরিস্থিতি বারবার আসছে, যা কর্মজীবী মানুষের কাছে নিঃসন্দেহে স্বস্তির খবর। একই সঙ্গে পড়ুয়াদের কাছেও এই ক্যালেন্ডার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পরীক্ষার চাপের মাঝেই এই ছুটিগুলি মানসিকভাবে অনেকটাই স্বস্তি এনে দেয়।
নতুন বছরের শুরুতেই জানুয়ারি মাসে ছুটির ক্ষেত্রে কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে। বছরের প্রথম মাস সাধারণত উৎসবের তুলনায় কাজের চাপ বেশি থাকে, কিন্তু সপ্তাহান্তের সঙ্গে যুক্ত কিছু ছুটি থাকায় পরিবার বা কাছের জায়গায় বেড়িয়ে আসার সুযোগ তৈরি হয়। জানুয়ারি মাসে শীতকাল থাকায় এই সময়ে ভ্রমণের আকর্ষণও তুলনামূলক বেশি থাকে। পাহাড়, সমুদ্র কিংবা ঐতিহাসিক স্থান—সব ক্ষেত্রেই এই সময়ে পর্যটকদের ভিড় বাড়ে।
ফেব্রুয়ারি মাস তুলনামূলকভাবে ছোট হলেও এই মাসেও ছুটির ক্যালেন্ডার খুব একটা হতাশ করে না। বসন্তের শুরু, আবহাওয়া মনোরম এবং পড়ুয়াদের ক্ষেত্রেও এই সময়ে কিছুটা ফাঁকা সময় থাকে। সপ্তাহান্ত ঘেঁষা ছুটিগুলি ছোট ট্রিপ কিংবা আত্মীয়স্বজনের বাড়ি যাওয়ার সুযোগ এনে দেয়। বিশেষ করে শহরের ব্যস্ত জীবনে এই ধরনের বিরতি মানসিকভাবে খুবই উপকারী।
মার্চ মাস মানেই উৎসবের আমেজ। এই সময়ে বসন্ত উৎসব, হোলির মতো বড় উৎসব থাকায় ছুটির গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়। ২০২৬ সালে মার্চ মাসে উৎসবের ছুটিগুলি যদি সপ্তাহান্তের সঙ্গে মিলে যায়, তাহলে লং উইকএন্ড পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এই সময়ে আবহাওয়া খুব বেশি গরম না হওয়ায় ভ্রমণও তুলনামূলকভাবে আরামদায়ক হয়। ফলে অনেকেই এই সময়কে বেছে নেন ছুটি কাটানোর জন্য।
এপ্রিল মাসে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন অঞ্চলে নববর্ষ উদযাপন হয়। বাংলা নববর্ষ, বিহু, বিষু সহ একাধিক আঞ্চলিক উৎসব এই মাসে পড়ে। ফলে স্কুল ও কলেজের ক্ষেত্রেও ছুটির তালিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ২০২৬ সালে এপ্রিল মাসে যদি এই উৎসবগুলি সপ্তাহান্তের সঙ্গে যুক্ত হয়, তাহলে পড়ুয়াদের পাশাপাশি শিক্ষক ও অভিভাবকরাও কিছুটা স্বস্তি পান। একই সঙ্গে অফিস কর্মীদের ক্ষেত্রেও এই সময়ে লম্বা ছুটির সুযোগ তৈরি হতে পারে।
মে মাস সাধারণত গ্রীষ্মের শুরু হলেও ছুটির দিক থেকে এই মাসও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। শ্রম দিবসের মতো জাতীয় ছুটি এবং কিছু আঞ্চলিক উৎসব এই মাসে পড়ে। স্কুলের গ্রীষ্মকালীন ছুটি অনেক ক্ষেত্রেই মে মাস থেকে শুরু হয়, ফলে পরিবার নিয়ে ভ্রমণের পরিকল্পনা এই সময়েই বেশি হয়। ২০২৬ সালের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী মে মাসে সপ্তাহান্ত ঘেঁষা ছুটি থাকায় দীর্ঘ ভ্রমণের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
জুন মাসে বর্ষার আগমন হলেও ছুটির পরিকল্পনা থেমে থাকে না। এই মাসে তুলনামূলকভাবে উৎসব কম হলেও সপ্তাহান্তের ছুটিগুলি ছোট বিরতির সুযোগ দেয়। যারা কাজের চাপের কারণে বড় ছুটি নিতে পারেন না, তাদের জন্য এই ধরনের ছোট লং উইকএন্ড মানসিকভাবে খুবই কার্যকর।
জুলাই ও আগস্ট মাসে বর্ষাকাল থাকলেও এই সময়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ছুটি পড়ে। স্বাধীনতা দিবসের মতো জাতীয় উৎসব এবং বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান এই সময়ে পালিত হয়। ২০২৬ সালে যদি এই ছুটিগুলি শনিবার বা সোমবারের কাছাকাছি পড়ে, তাহলে তিন থেকে চার দিনের লম্বা ছুটি পাওয়া সম্ভব। বর্ষাকাল হলেও পাহাড়ি অঞ্চল বা সবুজ গ্রামাঞ্চলে এই সময়ে ভ্রমণের আলাদা আকর্ষণ থাকে।
সেপ্টেম্বর মাসে উৎসবের মরশুম শুরু হয় ধীরে ধীরে। এই মাসে ধর্মীয় ছুটিগুলি স্কুল ও কলেজের পড়ুয়াদের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। পড়াশোনার চাপের মাঝে এই ছুটিগুলি মানসিকভাবে স্বস্তি এনে দেয়। অফিস কর্মীদের ক্ষেত্রেও এই সময়ে কাজের চাপ কিছুটা কম থাকে, ফলে ছুটি কাটানোর পরিকল্পনা করা সহজ হয়।
অক্টোবর মাসকে অনেকেই বছরের সেরা ছুটির মাস বলে মনে করেন। দুর্গাপুজো, দশেরা ও অন্যান্য বড় উৎসব এই মাসে পড়ে। ২০২৬ সালে অক্টোবর মাসে ছুটির তালিকা বিশেষভাবে আকর্ষণীয় হতে পারে, কারণ একাধিক উৎসব সপ্তাহান্তের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বড় লং উইকএন্ড তৈরি করতে পারে। এই সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভ্রমণের চাহিদা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছয়।
নভেম্বর মাসে দীপাবলি, কালীপুজো, ছট পুজোর মতো উৎসব থাকায় ছুটির আমেজ বজায় থাকে। ২০২৬ সালের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এই উৎসবগুলি যদি সপ্তাহান্তের সঙ্গে মিলে যায়, তাহলে টানা ছুটির সুযোগ তৈরি হয়। বছরের শেষের দিকে এই ছুটিগুলি কাজের ক্লান্তি কাটিয়ে নতুন উদ্যমে ফেরার সুযোগ দেয়।
ডিসেম্বর মাস মানেই বছরের শেষ এবং নতুন বছরের প্রস্তুতি। বড়দিন ও বছরের শেষের ছুটিগুলি অনেক ক্ষেত্রেই সপ্তাহান্তের সঙ্গে যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ছুটির সুযোগ তৈরি করে। ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসেও এমন সম্ভাবনা থাকায় বছরের শেষে পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর পরিকল্পনা করা সহজ হবে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, ২০২৬ সালের হলিডে ক্যালেন্ডার পড়ুয়া, কর্মজীবী ও ভ্রমণপ্রেমী সকলের জন্যই বেশ আশাব্যঞ্জক। একাধিক লং উইকএন্ড থাকায় সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে খুব বেশি ছুটি না নিয়েও দীর্ঘ সময় বিশ্রাম বা ভ্রমণের সুযোগ পাওয়া যাবে। যারা আগেভাগেই ছুটির পরিকল্পনা করেন, তাদের জন্য এই ক্যালেন্ডার একটি গুরুত্বপূর্ণ গাইড হিসেবে কাজ করবে। নতুন বছরকে আরও আনন্দময় ও পরিকল্পিত করে তুলতে ২০২৬ সালের ছুটির তালিকা নিঃসন্দেহে বড় ভূমিকা নিতে চলেছে।
২০২৬ সালকে ঘিরে সাধারণ মানুষের আগ্রহ বরাবরই একটু বেশি। কারণ নতুন বছরের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় ছুটি, উৎসব, কাজের পরিকল্পনা এবং ভ্রমণের সুযোগ। বিশেষ করে স্কুলপড়ুয়া, কলেজের ছাত্রছাত্রী, চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীদের কাছে বছরের ছুটির ক্যালেন্ডার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৬ সালের হলিডে ক্যালেন্ডার প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই দেখা যাচ্ছে, এই বছরে একাধিক লং উইকএন্ড থাকছে, যা কাজের ফাঁকে বিশ্রাম এবং পরিবার–পরিজন নিয়ে সময় কাটানোর সুযোগ বাড়িয়ে দেবে। ফলে বছর শুরুর আগেই অনেকেই ছুটি মিলিয়ে ভ্রমণ বা ব্যক্তিগত পরিকল্পনা সাজাতে শুরু করেছেন।
নতুন বছরে ছুটির দিন শুধু বিশ্রামের সুযোগই দেয় না, মানসিক চাপ কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত অফিস বা পড়াশোনার চাপের মধ্যে কয়েক দিনের টানা ছুটি মানুষকে আবার নতুন উদ্যমে কাজে ফিরতে সাহায্য করে।