শিলিগুড়িতে এক দিনের জন্য ফিরেছেন বিশ্বজয়ী রিচা। শহরজুড়ে হোর্ডিং ও ব্যানারে সাজানো হয়েছে। শুক্রবার বিভিন্ন সংগঠন তাঁকে সংবর্ধনা দিয়েছে।
নিষ্ঠা, কঠোর পরিশ্রম এবং শৃঙ্খলাই বাংলার প্রথম বিশ্বজয়ী নারী ক্রিকেটার রিচা ঘোষের সাফল্যের মূল মন্ত্র। শুক্রবার এক দিনের জন্য শিলিগুড়ি ফিরে এসে তিনি মেয়েদের খেলাধুলায় আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।
গত রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন রিচারা। তাঁর সাফল্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, হরমনপ্রীত কৌর-রিচারা ও বিপুল সমর্থকের অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। শিলিগুড়ি বাগডোগরা বিমানবন্দরে বিপুল জনস্রোতের মধ্যে তাঁকে স্বাগত জানানো হয়। ঢাকঢোল বাজিয়ে এবং হুডখোলা জিপে চেপে শহরে প্রবেশ করেন রিচা।
শুক্রবার রিচা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন। বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘‘ভারতের হয়ে খেলার এবং বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নে খেলেছি। আমার সাফল্যের পেছনে আমার মা-বাবার অবদান সবচেয়ে বেশি। এর আগেও আমরা ভালো খেলেছি, কিন্তু এবারই বিশ্বকাপ জিততে পেরেছি। ঝুলন গোস্বামীরাই আমাদের অনুপ্রেরণা।’’
বিশ্বকাপে রিচার ব্যাট থেকে এসেছে সবচেয়ে বেশি ছক্কা—মোট ১২টি। সেমিফাইনাল ও ফাইনালে দ্রুত রান করে দলকে ভাল অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। তিনি জানান, ‘‘আমার সেরা ম্যাচ ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে। এখন লক্ষ্য টি-২০ বিশ্বকাপ জয়।’’
শহরজুড়ে হোর্ডিং ও ব্যানারে সাজানো হয়েছে রিচার আগমন উপলক্ষে। সুভাষপল্লি থেকে বাঘাযতীন পার্ক পর্যন্ত লাল গালিচা বিছানো হয়েছে, যেখানে স্থানীয় মহিলা ক্রিকেটাররা ব্যাট হাতে গার্ড অফ অনার দেবেন। বাঘাযতীন পার্কে শিলিগুড়ি পুরনিগম এবং মহকুমা ক্রীড়া পরিষদ রিচাকে সংবর্ধনা দেবে।
সিএবি আগেই রিচাকে সংবর্ধনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শনিবার আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও ঝুলন গোস্বামী। ভারতের উইকেটকিপার-ব্যাটারকে সোনার ব্যাট ও বল উপহার দেওয়া হবে, যেখানে সই থাকবে সৌরভ ও ঝুলনের।